📄 আস্থাতাজন হোন
অনেকের কাছে কৈশোরের বয়সটা বিব্রতকর। স্পর্শকাতর। এই অধ্যায়ের শিরোণাম দেখে কেউ কেউ ভ্রু কুঁচকাতে পারেন। রাসূল ও টিনএজ বয়স পার করেছেন?
যা হোক, শৈশব থেকে কৈশোরে পা দেওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই ধাপ পার করেছেন। এটা নিয়ে বিব্রত হওয়ার কিছু নেই।
অনেকের কাছে কৈশোরের বয়সটা বিব্রতকর। স্পর্শকাতর। এই অধ্যায়ের শিরোণাম দেখে কেউ কেউ ভ্রু কুঁচকাতে পারেন। রাসূল ও টিনএজ বয়স পার করেছেন?
যা হোক, শৈশব থেকে কৈশোরে পা দেওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এই ধাপ পার করেছেন। এটা নিয়ে বিব্রত হওয়ার কিছু নেই।
📄 টিনএজ
টিনএজ বয়সে ছেলেমেয়েদের মধ্যে নানারকম হরমোনজনিত পরিবর্তন দেখা দেয়। এর ফলে তার আচার-আচরণ, কথাবার্তায় পরিবর্তন আসে। সব পরিবর্তনই খারাপ না। পরিবর্তনগুলো তাদের আশপাশ ও ব্যক্তিত্ব থেকে উঠে আসে।
চ্যালেঞ্জটা কৈশোরের না। সে কোন পরিবেশে মানুষ হচ্ছে সেটা। স্বাভাবিকভাবে তারা অস্থির না; বরং খুব আবেগী। এজন্য বুদ্ধি করে তাদের সাথে চলতে হবে।
আগের অধ্যায়ে আমরা রাসূল-এর পরিবারের বাড়তি সদস্যদের ভূমিকা দেখেছি। এখানে দেখব কিশোর বয়সে ঘরে বাইরে তাঁর জীবন প্রণালি কেমন ছিল। আমার লক্ষ্য টিনএজ বয়সীদের আত্মবিশ্বাস মজবুত করা। অন্যান্যরাও যেন বুঝেন যে, যেসব পরিবেশে ভালোবাসা আছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্পর্ক আছে, যেখানে কিশোরদের আগ্রহকে খাটো চোখে দেখা হয় না, সেখানে তারাও ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।
একেক সংস্কৃতিতে কিশোর বয়সের সংজ্ঞা আলাদা। এক দেশে যে বয়সে কাউকে কিশোর ধরা হয়, অন্য দেশে তা হয় না। কোথাও আগে, কোথাও পরে। এই অধ্যায়ে আমরা শুধু রাসূল-এর কিশোর বয়স নিয়ে কথা বলব।
কোনো কোনো মুসলিম পাঠক হয়তো বলবেন, 'রাসূল-এর-কে তো আল্লাহ নিজে হেফাজত করেছেন। কিশোর বয়সের সমস্যাগুলো তাঁকে আমাদের মতো ফেস করতে হয়নি'।
রাসূলকে অবশ্যই মহান আল্লাহ সুরক্ষা করেছেন। তবে সেটা তাঁর মানবীয় গুণাবলির মধ্য থেকেই। আর মহান আল্লাহ এমন কিছু উপায়ে তা করেছেন, যা থেকে কিশোর ছেলেমেয়েদের বড় করার বেলায় যেকোনো বাবা-মা উপকৃত হতে পারেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা কাজ করেছেন মানুষদের মাধ্যমে। তারা ভালোবেসে টিনএজ রাসূল-কে পালন করেছেন। এমন পরিবেশ দিয়েছেন যেখানে তিনি তাঁর কর্মশক্তির সুব্যবহার করতে পেরেছিলেন। আমরাও এমনটা করতে পারি।
রাসূল খুব অসাধারণ জীবন কাটিয়েছেন। এমন কথা যেন আমাদের হতোদ্যম না-করে; বরং এটা যেন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়। নইলে রাসূলের কাহিনি মানুষের মনে শুধু সমীহ জাগাবে। ভক্তি বাড়াবে। কিন্তু নিজেদের উন্নতির জন্য কীভাবে তাঁর জীবনকে আমরা বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারি, তা উপলব্ধি করতে পারব না।
টিনএজ বয়সে ছেলেমেয়েদের মধ্যে নানারকম হরমোনজনিত পরিবর্তন দেখা দেয়। এর ফলে তার আচার-আচরণ, কথাবার্তায় পরিবর্তন আসে। সব পরিবর্তনই খারাপ না। পরিবর্তনগুলো তাদের আশপাশ ও ব্যক্তিত্ব থেকে উঠে আসে।
চ্যালেঞ্জটা কৈশোরের না। সে কোন পরিবেশে মানুষ হচ্ছে সেটা। স্বাভাবিকভাবে তারা অস্থির না; বরং খুব আবেগী। এজন্য বুদ্ধি করে তাদের সাথে চলতে হবে।
আগের অধ্যায়ে আমরা রাসূল-এর পরিবারের বাড়তি সদস্যদের ভূমিকা দেখেছি। এখানে দেখব কিশোর বয়সে ঘরে বাইরে তাঁর জীবন প্রণালি কেমন ছিল। আমার লক্ষ্য টিনএজ বয়সীদের আত্মবিশ্বাস মজবুত করা। অন্যান্যরাও যেন বুঝেন যে, যেসব পরিবেশে ভালোবাসা আছে, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্পর্ক আছে, যেখানে কিশোরদের আগ্রহকে খাটো চোখে দেখা হয় না, সেখানে তারাও ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।
একেক সংস্কৃতিতে কিশোর বয়সের সংজ্ঞা আলাদা। এক দেশে যে বয়সে কাউকে কিশোর ধরা হয়, অন্য দেশে তা হয় না। কোথাও আগে, কোথাও পরে। এই অধ্যায়ে আমরা শুধু রাসূল-এর কিশোর বয়স নিয়ে কথা বলব।
কোনো কোনো মুসলিম পাঠক হয়তো বলবেন, 'রাসূল-এর-কে তো আল্লাহ নিজে হেফাজত করেছেন। কিশোর বয়সের সমস্যাগুলো তাঁকে আমাদের মতো ফেস করতে হয়নি'।
রাসূলকে অবশ্যই মহান আল্লাহ সুরক্ষা করেছেন। তবে সেটা তাঁর মানবীয় গুণাবলির মধ্য থেকেই। আর মহান আল্লাহ এমন কিছু উপায়ে তা করেছেন, যা থেকে কিশোর ছেলেমেয়েদের বড় করার বেলায় যেকোনো বাবা-মা উপকৃত হতে পারেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা কাজ করেছেন মানুষদের মাধ্যমে। তারা ভালোবেসে টিনএজ রাসূল-কে পালন করেছেন। এমন পরিবেশ দিয়েছেন যেখানে তিনি তাঁর কর্মশক্তির সুব্যবহার করতে পেরেছিলেন। আমরাও এমনটা করতে পারি।
রাসূল খুব অসাধারণ জীবন কাটিয়েছেন। এমন কথা যেন আমাদের হতোদ্যম না-করে; বরং এটা যেন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়। নইলে রাসূলের কাহিনি মানুষের মনে শুধু সমীহ জাগাবে। ভক্তি বাড়াবে। কিন্তু নিজেদের উন্নতির জন্য কীভাবে তাঁর জীবনকে আমরা বাস্তব উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারি, তা উপলব্ধি করতে পারব না।
📄 ঘরে ভালোবাসা ও সম্মান
চাচা আবু তালিবের ঘরে মোট সদস্য সংখ্যা ছিল আটজন। আবু তালিব, তার স্ত্রী ফাতিমা বিনতে আসাদ। তাদের সন্তান জাফর, জুমানা, ফাখিতা, আকিল, আলী ও তালিব। তাদের ঘরবাড়ির আকার, কতগুলো রুম ছিল, কেমন আসবাবপত্র ছিল- সে ব্যাপারে কিছু জানি যায় না। তবে ঐতিহাসিকগণ বলেন, তাদের পরিবারের হাল-হাকিকত খুব একটা ভালো ছিল না। আর্থিক সমস্যার কারণে পরিবারে মাঝে মাঝে বিবাদ হতো। তবে পরিবারের পরিবেশ স্থিতিশীল ছিল। কিশোর বয়সের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবার মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো ছিল। একে অপরের কদর করত।
এই সময়ে আল্লাহ তায়ালা কীভাবে তাঁকে সুরক্ষা করেছেন, সে ব্যাপারে তিনি বলেন, 'তিনি কি তোমাকে এতিম অবস্থায় পেয়ে আশ্রয় দেননি'? আদ দ্বোহা: ৬
আশ্রয় বলতে এখানে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের কথা বলা হয়নি; বরং স্থিতিশীল পরিবার এবং যে পরিবার টিনএজদের ভালোবাসা ও সম্মানের প্রয়োজন মেটায় তার কথাও বলা হয়েছে।
অসংখ্য গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্থিতিশীল পরিবারে বেড়ে উঠলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো হয়। স্কুলে এদের পারফরম্যান্স ভালো হয়। ড্রাগ ব্যবহার বা আত্মহত্যার মতো সমস্যাগুলোতে পড়ার আশঙ্কা কম হয়। স্থিতিশীলতা ও বোঝাপড়ার সাথে ভালোবাসা ও স্নেহও থাকতে হবে। রাসূল তাঁর কিশোর বয়সে এর সবই পেয়েছিলেন।
আবু তালিব যে কিশোর মুহাম্মাদকে কতটা ভালোবাসতেন তার কিছু নমুনা দিই।
* সবাই একসাথে খাওয়ার আগে তার জন্য অপেক্ষা করত।
* তাঁর কাছাকাছি ঘুমাতেন।
* সফরে বা কোথাও গেলে তাঁকে নিয়ে যেতেন।
যে ঘরে সাত সাতটা বাচ্চা থাকে, সে ঘর- হয় জান্নাত নয় জাহান্নাম। আবু তালিবের স্ত্রী ফাতিমা এক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। চিরায়ত জীবনীগ্রন্থগুলোতে তার ব্যাপারে খুব একটা কথা পাওয়া যায় না। রাসূলের সাথে তার সম্পর্ক কেমন ছিল তার কমই জানি। মা হিসেবে তিনি কিন্তু চমৎকার ছিলেন। রাসূল তো এ ঘরে বড় হয়েছেনই, আলী আর জাফরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ব্যক্তিত্বরাও কিন্তু এ ঘরেই মানুষ হয়েছেন। চাচীর ব্যাপারে রাসূল একবার বলেছিলেন, 'চাচার পর চাচীর মতো আর কেউ আমার প্রতি এত দরদি ছিলেন না'। খাদিজা (রা)-এর সাথে বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত রাসূল এ বাড়িতে ছিলেন। প্রায় সতের বছর। এ বাসা ছেড়ে দেওয়ার পরও চাচীর সাথে তার সম্পর্ক কমেনি; বরং বেড়েছে।
আবু তালিবের মৃত্যুর পর চাচী ফাতিমা বিনতে আসাদ ইসলাম কবুল করেন। এরপর তার ছেলে আলী ও বউমা ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কাছে চলে আসেন। ছোট থাকতে রাসূলকে চাচী যেভাবে যত্নআত্তি করেছেন, নবিকন্যা ফাতিমা (রা)ও তার শাশুড়িকে সেভাবে যত্নআত্তি করেছেন। দুজন ফাতিমার মধ্যে গুলিয়ে ফেলবেন না। ফাতিমা বিনতে আসাদ রাসূলের চাচী। আর ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ রাসূল-এর কন্যা।
মদিনায় মৃত্যুর আগপর্যন্ত চাচীর কাছাকাছি ছিলেন রাসূল। তার মৃত্যুর পর তিনি নিজ হাতে তার কবর খুঁড়েছেন তার প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে। তার জন্য দোয়া করেছেন।
আপনিও আপনার টিনএজ ছেলেমেয়েদের সাথে মজবুত সম্পর্ক গড়ুন, যে সম্পর্ক দিনদিন শুধু বাড়বেই।
চাচা আবু তালিবের ঘরে মোট সদস্য সংখ্যা ছিল আটজন। আবু তালিব, তার স্ত্রী ফাতিমা বিনতে আসাদ। তাদের সন্তান জাফর, জুমানা, ফাখিতা, আকিল, আলী ও তালিব। তাদের ঘরবাড়ির আকার, কতগুলো রুম ছিল, কেমন আসবাবপত্র ছিল- সে ব্যাপারে কিছু জানি যায় না। তবে ঐতিহাসিকগণ বলেন, তাদের পরিবারের হাল-হাকিকত খুব একটা ভালো ছিল না। আর্থিক সমস্যার কারণে পরিবারে মাঝে মাঝে বিবাদ হতো। তবে পরিবারের পরিবেশ স্থিতিশীল ছিল। কিশোর বয়সের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবার মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ভালো ছিল। একে অপরের কদর করত।
এই সময়ে আল্লাহ তায়ালা কীভাবে তাঁকে সুরক্ষা করেছেন, সে ব্যাপারে তিনি বলেন, 'তিনি কি তোমাকে এতিম অবস্থায় পেয়ে আশ্রয় দেননি'? আদ দ্বোহা: ৬
আশ্রয় বলতে এখানে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের কথা বলা হয়নি; বরং স্থিতিশীল পরিবার এবং যে পরিবার টিনএজদের ভালোবাসা ও সম্মানের প্রয়োজন মেটায় তার কথাও বলা হয়েছে।
অসংখ্য গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্থিতিশীল পরিবারে বেড়ে উঠলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো হয়। স্কুলে এদের পারফরম্যান্স ভালো হয়। ড্রাগ ব্যবহার বা আত্মহত্যার মতো সমস্যাগুলোতে পড়ার আশঙ্কা কম হয়। স্থিতিশীলতা ও বোঝাপড়ার সাথে ভালোবাসা ও স্নেহও থাকতে হবে। রাসূল তাঁর কিশোর বয়সে এর সবই পেয়েছিলেন।
আবু তালিব যে কিশোর মুহাম্মাদকে কতটা ভালোবাসতেন তার কিছু নমুনা দিই।
* সবাই একসাথে খাওয়ার আগে তার জন্য অপেক্ষা করত।
* তাঁর কাছাকাছি ঘুমাতেন।
* সফরে বা কোথাও গেলে তাঁকে নিয়ে যেতেন।
যে ঘরে সাত সাতটা বাচ্চা থাকে, সে ঘর- হয় জান্নাত নয় জাহান্নাম। আবু তালিবের স্ত্রী ফাতিমা এক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। চিরায়ত জীবনীগ্রন্থগুলোতে তার ব্যাপারে খুব একটা কথা পাওয়া যায় না। রাসূলের সাথে তার সম্পর্ক কেমন ছিল তার কমই জানি। মা হিসেবে তিনি কিন্তু চমৎকার ছিলেন। রাসূল তো এ ঘরে বড় হয়েছেনই, আলী আর জাফরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ব্যক্তিত্বরাও কিন্তু এ ঘরেই মানুষ হয়েছেন। চাচীর ব্যাপারে রাসূল একবার বলেছিলেন, 'চাচার পর চাচীর মতো আর কেউ আমার প্রতি এত দরদি ছিলেন না'। খাদিজা (রা)-এর সাথে বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত রাসূল এ বাড়িতে ছিলেন। প্রায় সতের বছর। এ বাসা ছেড়ে দেওয়ার পরও চাচীর সাথে তার সম্পর্ক কমেনি; বরং বেড়েছে।
আবু তালিবের মৃত্যুর পর চাচী ফাতিমা বিনতে আসাদ ইসলাম কবুল করেন। এরপর তার ছেলে আলী ও বউমা ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কাছে চলে আসেন। ছোট থাকতে রাসূলকে চাচী যেভাবে যত্নআত্তি করেছেন, নবিকন্যা ফাতিমা (রা)ও তার শাশুড়িকে সেভাবে যত্নআত্তি করেছেন। দুজন ফাতিমার মধ্যে গুলিয়ে ফেলবেন না। ফাতিমা বিনতে আসাদ রাসূলের চাচী। আর ফাতিমা বিনতে মুহাম্মাদ রাসূল-এর কন্যা।
মদিনায় মৃত্যুর আগপর্যন্ত চাচীর কাছাকাছি ছিলেন রাসূল। তার মৃত্যুর পর তিনি নিজ হাতে তার কবর খুঁড়েছেন তার প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে। তার জন্য দোয়া করেছেন।
আপনিও আপনার টিনএজ ছেলেমেয়েদের সাথে মজবুত সম্পর্ক গড়ুন, যে সম্পর্ক দিনদিন শুধু বাড়বেই।
📄 কিশোরদের সমর্থন দরকার
কিশোরদের জন্য বয়সটা শঙ্কুল। তাই পরিবারের উচিত সবধরনের সহায়তা করা। আদর-যত্ন ভালোবাসা দেওয়া। এগুলো ম্যাজিকের মতো কাজ করে, কারণ,
* ওরা মানুষের আকর্ষণ চায়। মূল্যায়ন চায়। আপনি সেটা দিচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
* আত্মবিশ্বাসের সাথে ওরা দায়িত্ববান হয়।
প্রথমে মা, এরপর দাদি, তারপর চাচী- সবার কাছেই রাসূল আদর ভালোবাসায় মানুষ হয়েছেন। বিনিময়ে তিনিও তাঁর চাচা-চাচীর ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছেন। চাচাকে সাহায্যের জন্য তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করেছেন। চাচার মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। সেই একই বছরে তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা)ও মারা যান। সে বছরটা দুঃখের বছর নামে পরিচিত। চাচীর মৃত্যুতেও তিনি বিহ্বল হয়ে পড়েন। তিনি নিজ হাতে তাঁর কবর খুঁড়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে তার মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন।
কিশোরদের জন্য বয়সটা শঙ্কুল। তাই পরিবারের উচিত সবধরনের সহায়তা করা। আদর-যত্ন ভালোবাসা দেওয়া। এগুলো ম্যাজিকের মতো কাজ করে, কারণ,
* ওরা মানুষের আকর্ষণ চায়। মূল্যায়ন চায়। আপনি সেটা দিচ্ছেন। ওদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
* আত্মবিশ্বাসের সাথে ওরা দায়িত্ববান হয়।
প্রথমে মা, এরপর দাদি, তারপর চাচী- সবার কাছেই রাসূল আদর ভালোবাসায় মানুষ হয়েছেন। বিনিময়ে তিনিও তাঁর চাচা-চাচীর ভালোবাসার প্রতিদান দিয়েছেন। চাচাকে সাহায্যের জন্য তিনি রাখাল হিসেবে কাজ করেছেন। চাচার মৃত্যু তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। সেই একই বছরে তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা)ও মারা যান। সে বছরটা দুঃখের বছর নামে পরিচিত। চাচীর মৃত্যুতেও তিনি বিহ্বল হয়ে পড়েন। তিনি নিজ হাতে তাঁর কবর খুঁড়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে তার মুক্তির জন্য দোয়া করেছেন।