📄 পাঞ্জাব
যে কয়টি প্রদেশে কংগ্রেস মন্ত্রীসভা গঠিত হতে পারেনি তার মধ্যে ছিল পাঞ্জাব, সিন্ধু ও আসাম। নির্বাচনের ফলে পাঞ্জাবে দলীয় অবস্থান ছিল নিম্নরূপঃ
কংগ্রেস ১৮
অকংগ্রেস হিন্দু ও শিখ ৩৬
মুসলিম লীগ ২
অন্যান্য মুসলিম 8
ইউনিয়নিস্ট ৮৮
নির্দলীয় ২৭
মোট = ১৭৫
পরে আটজন সদস্য ইউনিয়নিস্ট পার্টিতে যোগদান করার ফলে এ দলে মোট সদস্য সংখ্যা হয় ৯৬। খালসা ন্যাশনালিস্ট শিখ দলও স্যার সেকেন্দার হায়াতের প্রতি তাদের সমর্থন জ্ঞাপন করে এবং এ সুযোগে তিনি মন্ত্রীসভা গঠন করেন। ১৯৪২ সালে তাঁর মৃত্যুর পর মালিক খিজির হায়াত খান প্রধানমন্ত্রী হন এবং ১৯৪৫ সালে সকল প্রাদেশিক পরিষদ বিলুপ্ত হওয়া পর্যন্ত এ মন্ত্রীসভা বলবৎ থাকে।
যে কয়টি প্রদেশে কংগ্রেস মন্ত্রীসভা গঠিত হতে পারেনি তার মধ্যে ছিল পাঞ্জাব, সিন্ধু ও আসাম। নির্বাচনের ফলে পাঞ্জাবে দলীয় অবস্থান ছিল নিম্নরূপঃ
কংগ্রেস ১৮
অকংগ্রেস হিন্দু ও শিখ ৩৬
মুসলিম লীগ ২
অন্যান্য মুসলিম 8
ইউনিয়নিস্ট ৮৮
নির্দলীয় ২৭
মোট = ১৭৫
পরে আটজন সদস্য ইউনিয়নিস্ট পার্টিতে যোগদান করার ফলে এ দলে মোট সদস্য সংখ্যা হয় ৯৬। খালসা ন্যাশনালিস্ট শিখ দলও স্যার সেকেন্দার হায়াতের প্রতি তাদের সমর্থন জ্ঞাপন করে এবং এ সুযোগে তিনি মন্ত্রীসভা গঠন করেন। ১৯৪২ সালে তাঁর মৃত্যুর পর মালিক খিজির হায়াত খান প্রধানমন্ত্রী হন এবং ১৯৪৫ সালে সকল প্রাদেশিক পরিষদ বিলুপ্ত হওয়া পর্যন্ত এ মন্ত্রীসভা বলবৎ থাকে।
📄 সিন্ধু
সিন্ধু প্রদেশের দলীয় অবস্থান ছিল নিম্নরূপঃ
কংগ্রেস ৮
অকংগ্রেসীয় হিন্দু ১৪
মুসলিম স্বতন্ত্র ৯
অন্যান্য মুসলমান ৭
সিন্ধু ইউনাইটেড মুসলিম পার্টি ১৮
নির্দলীয় ৪
মোট = ৬০
এখানে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় গোঁজামিল দিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করতে হয়। ফলে কোনটাই স্থিতিশীল হতে পারেনি। ভাঙা-গড়ার ভেতর দিয়েই এখানে মন্ত্রীসভাগুলো চলতে থাকে। প্রথমে স্যার গোলাম হোসেন হেদায়েতুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠন করেন। পরে আল্লাহ বখশ্ ও মীর বন্দে আলী খানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীত্বের পালাবদল হতে থাকে।
সিন্ধু প্রদেশের দলীয় অবস্থান ছিল নিম্নরূপঃ
কংগ্রেস ৮
অকংগ্রেসীয় হিন্দু ১৪
মুসলিম স্বতন্ত্র ৯
অন্যান্য মুসলমান ৭
সিন্ধু ইউনাইটেড মুসলিম পার্টি ১৮
নির্দলীয় ৪
মোট = ৬০
এখানে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারায় গোঁজামিল দিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করতে হয়। ফলে কোনটাই স্থিতিশীল হতে পারেনি। ভাঙা-গড়ার ভেতর দিয়েই এখানে মন্ত্রীসভাগুলো চলতে থাকে। প্রথমে স্যার গোলাম হোসেন হেদায়েতুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠন করেন। পরে আল্লাহ বখশ্ ও মীর বন্দে আলী খানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীত্বের পালাবদল হতে থাকে।
📄 আসাম
দলীয় অবস্থান এখানে নিম্নরূপ:
কংগ্রেস ৩২
অকংগ্রেসীয় হিন্দু ৯
মুসলিম স্বতন্ত্র ৩০
মুসলিম লীগ 8
নির্দলীয় ৩৩
মোট = ১০৮
এখানেও কোন স্থিতিশীল সরকার গঠিত হতে পারেনি। স্যার মুহাম্মদ সা'দুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠন করেন এবং ১৯৩৮ সালের সেপ্টেম্বরে এস্তেফা দান করেন। অতঃপর গভর্ণরের আমন্ত্রণে কংগ্রেস নেতা গোপীনাথ বারদলই মন্ত্রীসভা গঠন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সকল মন্ত্রীসভার সাথে গোপীনাথ মন্ত্রীসভাও পদত্যাগ করে। অতঃপর পুনরায় স্যার মুহাম্মদ সা'দুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠনের সুযোগ পান।
কিন্তু ১৯৪১ সালের শেষভাগে তাঁর মন্ত্রীত্বের পতন ঘটে এবং গভর্ণর ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের ৯৩ ধারার বলে প্রদেশের শাসনভার নিজহস্তে গ্রহণ করেন।
দলীয় অবস্থান এখানে নিম্নরূপ:
কংগ্রেস ৩২
অকংগ্রেসীয় হিন্দু ৯
মুসলিম স্বতন্ত্র ৩০
মুসলিম লীগ 8
নির্দলীয় ৩৩
মোট = ১০৮
এখানেও কোন স্থিতিশীল সরকার গঠিত হতে পারেনি। স্যার মুহাম্মদ সা'দুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠন করেন এবং ১৯৩৮ সালের সেপ্টেম্বরে এস্তেফা দান করেন। অতঃপর গভর্ণরের আমন্ত্রণে কংগ্রেস নেতা গোপীনাথ বারদলই মন্ত্রীসভা গঠন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সকল মন্ত্রীসভার সাথে গোপীনাথ মন্ত্রীসভাও পদত্যাগ করে। অতঃপর পুনরায় স্যার মুহাম্মদ সা'দুল্লাহ মন্ত্রীসভা গঠনের সুযোগ পান।
কিন্তু ১৯৪১ সালের শেষভাগে তাঁর মন্ত্রীত্বের পতন ঘটে এবং গভর্ণর ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের ৯৩ ধারার বলে প্রদেশের শাসনভার নিজহস্তে গ্রহণ করেন।