📄 উমর ইবনে আযিয রহ.-এর আত্মসমালোচনা
১৩৭. ফজল ইবনে ইউনুস রাহিমাহুল্লাহ বলেন, জনৈক ব্যক্তি উমর ইবনে আব্দুল আযিয রহ.-কে বললেন, হে আমিরুল মুমিনিন! আপনি সকালে কীভাবে ঘুম থেকে জাগ্রত হন। তিনি আত্মসমালোচনা করে জবাব দিলেন, আমি সকালে অতি বিলম্বে, স্থূলকায় অবস্থায় এবং পাপে জর্জরিত হয়ে জাগ্রত হই। আর আল্লাহর নিকট নেকি না থাকা সত্ত্বেও মঙ্গলের আকাঙ্ক্ষা করি!
📄 অদৃশ্যের শব্দে নফসের পরিচয় প্রকাশ
১৩৮. একদিন সুফিয়ান সাওরি রাহিমাহুল্লাহ ঘুমিয়েছিলেন। হঠাৎ ঘুমের মধ্যেই তিনি অদৃশ্যের একটি ডাক শুনতে পেলেন। কে যেন বলছে, হে আবু আব্দুল্লাহ! তুমি মানুষদেরকে জানিয়ে দাও যে; মানুষের আত্মা তার আমল ও উপার্জন দ্বারা বাধিত। সুতরাং আমল করো, কেননা আত্মার মুক্তি তার ভালো অভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল।
📄 নফসকে ক্লান্ত ও শায়েস্তা করা
১৩৯. আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রাহিমাহুল্লাহ বলেন, হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ মক্কায় হাজির হলেন। হাজির হয়ে তিনি বিছানায় পিঠ লাগালেন না। তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জবাবে বললেন, বহুদিন পর নফসকে ক্লান্ত ও অনুগত পেয়েছি। তাই শয্যাগ্রহণ করে তাকে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া অপছন্দ করলাম।
📄 চোখের নিদ্রা ও বিন্দ্রার ক্ষমতা
১৪০. বিখ্যাত বুজুর্গ সুলায়মান তায়মি রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, চোখে নিদ্রার ক্ষমতাও আছে আবার বিনিদ্রার সামর্থ্যও আছে। যদি তুমি তাহাজ্জুদ আদায় না করে তাকে নিদ্রার স্বভাবে অভ্যস্ত করো তবে নিদ্রাতেই অভ্যস্ত হবে। আর যদি বিনিদ্রার অভ্যাসে অভ্যস্থ করো তবে তাতেই সে অভ্যস্থ হবে। সুতরাং তুমি তাকে দ্বিতীয় গুণেই অভ্যস্থ করে তোলো।