📄 নফসের সম্মান তার প্রতি কঠোরতায়
৬৬. ইসমাইল ইবনে উমাইয়া রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আসওয়াদ ইবনে ইয়াজিদ রাহিমাহুল্লাহ অত্যধিক ইবাদত-বন্দেগি করতেন আর নিয়মিত নফল রোজা রাখতেন। বিরামহীন ইবাদত ও একটানা রোজা রাখার কারণে তার দেহ দুর্বল হয়ে যেত এবং চেহারা হলুদবর্ণ ধারণ করত। আলকামা রাহিমাহুল্লাহ এই অবস্থা দেখে বলতেন, আর কত আপনার দেহকে আজাব দেবেন? জবাবে আসওয়াদ রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, নফসকে কষ্ট দেয়াই কর্তব্য। সুতরাং এর সঙ্গে যথাযথ ব্যবহারই করা হচ্ছে। আর আসওয়াদ রাহিমাহুল্লাহ আরও বলতেন, আমি আমাদের দেহকে সম্মানিত করতেই তার প্রতি এই কঠোরতা করছি।
📄 নফসের দাসের কোনো মূল্য নেই
৬৭. আবু উসমান মুআদ্দাব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়া রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, যে ব্যক্তির আত্মা তার কাছে দামি হয়ে যায়, দুনিয়ায় তার কোনো মূল্য থাকে না।
📄 নফসকে নেতা বানানোর ক্ষতি
৬৮. হাকিম ইবনে জাফর রাহিমাহুল্লাহ বলতেন, আমি সাইদ বুরানি রাহিমাহুল্লাহকে বলতে শুনিছি, যদি কোনো ব্যক্তির নফস তার কাছে সম্মানিত, মান্যবর ও নেতা হয়ে যায়, তবে সে তখন দুনিয়ার প্রতি আগ্রহী হয়।
📄 জান্নাতের ক্রয়মূল্য
৬৯. ইবনে উয়াইনা রাহিমাহুল্লাহ বললেন, মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়া রাহিমাহুল্লাহ আরও বলতেন, আল্লাহ তাআলা জান্নাত দান করবেন নফসের প্রতি কঠোরতার বিনিময়ে। সুতরাং তোমরা নফসের বদলায় অন্য কিছুর মোকাবিলায় জান্নাত ক্রয়ের চেষ্টা করো না।