📄 নফসকে উপদেশে দিকে থাকা
৬. হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এক ব্যক্তি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের আত্মার বিচার করতে থাকবে, নিজেকে নিজে উপদেশ প্রদান করতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে কল্যাণের মধ্যে নিমজ্জিত থাকবে। আর আত্মবিচার ও নিজের হিসাব নেয়া বড্ড হিম্মতের কাজ।
📄 নিজের আত্মা থেকে কঠিন হিসাব গ্রহণ করা
৭. মায়মুন ইবনে মিহরান রাহিমাহুল্লাহ বলেন, একজন ব্যক্তি যেভাবে তার ব্যবসায়ী অংশীদার (পার্টনারের) কাছ থেকে অর্থের কড়াকড়ি হিসাব গ্রহণ করে, সেভাবে তার নিজের নফসের কঠিন হিসাব না নেওয়া পর্যন্ত মুত্তাকি হতে পারবে না।
📄 নিজের আত্মাকে তাচ্ছিল্য করা
৮. মালেক ইবনে দিনার রাহিমাহুল্লাহ বলেন, সেই ব্যক্তির ওপর আল্লাহ রহম করুন, যে ব্যক্তি নিজের নফসকে বলে, তুমি কি নিতান্ত সাধারণ একটা ব্যক্তির প্রাণ নও? সাধারণ ব্যক্তির জীবন নও? এরপর সে তার প্রাণকে তিরস্কার ও তাচ্ছিল্য করে। এরপর তাকে দগ্ধ করে এবং এরপর তার ওপর আল্লাহর কুরআনকে আবশ্যক করে দেয়। এভাবে সে নিজেই তার প্রাণের নিয়ন্ত্রক ও রাহবার হয়। এভাবে নিজেকে তাচ্ছিল্য করার দ্বারাই কেবল একজন ব্যক্তি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়। পক্ষান্তরে যারা নিজেদের আত্মা ও নফসকে সম্মানিত মনে করে উন্মুক্ত অবস্থায় ছেড়ে দেয়, প্রকারান্তরে সে নিজেকে লাঞ্ছনার আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে।
📄 মুত্তাকি ব্যক্তি আত্মশাসনের ব্যাপারে কঠোর হন
৯. মায়মুন ইবনে মিহরান রাহিমাহুল্লাহ বলেন, জালেম শাসক যেভাবে তার প্রজাদের থেকে খাজনা ও কর আদায়ের ব্যাপারে কঠোর ও নির্মম হিসাব নেয় এবং অত্যধিক কৃপণ ব্যবসায়ী যেভাবে তার ব্যবসার পার্টনারের কাছ থেকে পাই পাই করে হিসাব নেয়, ঠিক এভাবেই নফস থেকে পাই পাই হিসাব নিতে হয়। কেননা নফসের প্রতি এরূপ কঠোরতা আরোপ ও আত্মশাসন ও আত্মবিচার করা ছাড়া কোনো ব্যক্তি কখনই মুত্তাকি হতে পারে না। এটাই দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা।