📄 উমর রাযি. কর্তৃক নিজেকে তিরস্কার
৩. আনাস ইবনে মালেক রাযি. বলেন, একদিন আমি উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি.-এর সঙ্গে বের হলাম। তিনি আমাকে নিয়ে একটি বাগানে প্রবেশ করলেন। এরপর তিনি একটি দেয়ালের আড়ালে চলে গেলেন। আমি তাঁকে বলতে শুনলাম, হে উমর ইবনুল খাত্তাব! বাহবা, তুমি তো আমিরুল মুমিনিন! তাই না? তুমি আল্লাহকে ভয় করো হে খাত্তাবপুত্র! অন্যথায় তিনি তোমাকে কঠোর আজাবে ধৃত করবেন।
📄 প্রতিটি কথা ও কাজে আত্মাকে শাসনে রাখতে হবে
৪. হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ কুরআনের আয়াত لَا أُقْسِمُ بِيَوْمِ الْقِيَامَةِ ، وَلَا أُقْسِمُ بِالنَّفْسِ التَّوَّامَةِ. 'আমি শপথ করছি কেয়ামত দিবসের। আরও শপথ করছি তিরস্কারকারী আত্মার।'
-আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেন, কোনো মুমিনকেই ছাড়া হবে না, যাবৎ না সে নিজের আত্মাকে তিরস্কার করে যে, আমি আমার এই কথা দ্বারা কী বুঝালাম? আমি আমার এই এক লোকমা খাবার কেন খেলাম? আমি পান করলাম কেন? অর্থাৎ প্রতিটি কাজের হিসাব নিতে হবে এবং তা ভালো অর্থে প্রয়োগ করতে হবে। এগুলো যারা করবে তারা সফল। আর ব্যর্থ ব্যক্তি তারাই, যারা সামনে অগ্রসর হয় কিন্তু নিজের আত্মাকে তিরস্কার করে না।
📄 জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু নষ্ট করা ও তার কাফফারা
৫. কাতাদা রাহিমাহুল্লাহ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا আয়াতটির ব্যাখ্যায় বলেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, সে ব্যক্তি তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান পাথেয় তথা জীবনকে নষ্ট করেছে। এতৎসত্ত্বেও সে তার প্রাণকে দেখবে শুধু নিজের উপকারী বস্তুর সংরক্ষণকারী হিসেবে আর নিজের দ্বীনকে ধ্বংসকারী হিসেবে।
📄 নফসকে উপদেশে দিকে থাকা
৬. হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এক ব্যক্তি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের আত্মার বিচার করতে থাকবে, নিজেকে নিজে উপদেশ প্রদান করতে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে কল্যাণের মধ্যে নিমজ্জিত থাকবে। আর আত্মবিচার ও নিজের হিসাব নেয়া বড্ড হিম্মতের কাজ।