📘 আরশের ছায়ায় থেকেছে যাদের কায়া > 📄 জ্ঞানের আলোচনা ও ধৈর্যে নীরবতা

📄 জ্ঞানের আলোচনা ও ধৈর্যে নীরবতা


عَنْ سَلْمَانَ الله قَالَ : سَبْعَةٌ فِي ظِلَّ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَوْمَ لَا ظِلَّ إِلَّا ظِلُّهُ : رَجُلٌ لَقِيَ أَخَاهُ فَقَالَ إِنِّي أُحِبُّكَ فِي اللهِ وَقَالَ الْآخَرُ مِثْلُ ذَلِكَ ، وَرَجُلٌ ذَكَرَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ مِنْ مَخَافَةِ اللهِ ، وَرَجُلٌ يَتَصَدَّقُ بِيَمِينِهِ يُخْفِيْهَا عَنْ شِمَالِهِ ، وَرَجُلُ دَعَتْهُ امْرَأَةٌ ذَاتَ حُسْنٍ وَجِمَالٍ إِلَى نَفْسِهَا فَقَالَ : إِنِّي أَخَافُ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ ، وَرَجُلٌ قَلْبُهُ مُعَلِّقٌ بِالْمَسَاجِدِ مِنْ حُبِّهَا ، وَرَجُلٌ يُرَاعِي الشَّمْسَ لَوَاقِيْتِ الصَّلَاةِ ، وَرَجُلٌ إِنْ تَكَلَّمَ تَكَلَّمَ بِعِلْمٍ وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَنْ حِلْمٍ.
হযরত সায়্যিদুনা সালমান ফারসী রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাত ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার রহমতের ছায়ায় থাকবে ১. ঐ ব্যক্তি, যে মুসলমান ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং বলে, "আমি তোমাকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ভালবাসি" এবং দ্বিতীয়জনও অনুরূপ বলে, ২. ঐ ব্যক্তি, যে আল্লাহর স্মরণ করে তাঁর ভয়ে অশ্রু প্রবাহিত করে, ৩. ঐ ব্যক্তি, যে ডান হাতে দান করে বাম হাতের কাছেও গোপন রাখে, ৪. ঐ ব্যক্তি, যাকে কোন রূপবতী ও সুদর্শন মহিলা তার দিকে আহবান করে, আর সে বলে, "আমি আল্লাহ আয্যা ওয়াজাল্লাকে ভয় করি," ৫. ঐ ব্যক্তি, যার অন্তর মসজিদের ভালবাসায় তাতে লেগে থাকে ৬. ঐ ব্যক্তি, যে নামাযের সময়ের জন্য সূর্যের যত্ন করে অর্থাৎ সময়মত নামায আদায় করে, ৭. ঐ ব্যক্তি, যে কথা বললে জ্ঞানের কথা বলে আর নীরব থাকলে ধৈর্যের কারণে নীরব থাকে।'
(আল্লামা সুয়ূতী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন) আমি উল্লেখিত বরকতময় হাদিস সমূহ থেকে অসংখ্য গুণ ও নিদর্শন সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি। ফলে আরশের ছায়া প্রাপ্তদের সংখ্যা সত্তর (৭০); বরং এর চেয়েও বেশী হয়ে গেল। পরিশেষে আমি দুটি পংক্তি উল্লেখ করছি-
وَزِدْ بَعْدَ ذَا قَاضِي الْحَوَائِجِ صَالِحُ الْعَبِيدِ وَطِفْلاً وَالشَّهِيدُ بِقَتْلِهِ وَأَمَّا وَتَعْلِيمًا آذَانًا وَهِجْرَةً فَزَادَتْ عَلَى السَّبْعِينَ مِنْ فَيْضِ فَضْلِهِ
অর্থ:
ক. অতঃপর অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ হলেন ১. লোকদের প্রয়োজন পূর্ণকারী, ২. পুণ্যবান গোলাম, ৩. মুসলমান শিশু, ৪. যুদ্ধক্ষেত্রে শাহাদত বরণকারী।
খ. ৫. নেতৃত্ব দানকারী ৬. কুরআনে পাকের শিক্ষাদানকারী ৭. আযানদানকারী ৮. হিজরতকারী।
অতএব এটা পূর্বোক্তর সাথে মিলে আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহে ছায়াপ্রাপ্তদের সত্তরের চেয়েও অধিক হয়ে গেল।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ اللهِ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللَّهُ تَحْتَ ظِلَّ عَرْشِهِ يَوْمَ لَا ظِلَّ إِلَّا ظِلُّهُ : رَجُلٌ قَلْبُهُ مُعَلَّقٌ بِالْمَسَاجِدِ، وَ رَجُلٌ دَعَتْهُ امْرَأَةٌ ذَاتَ مَنْصَبٍ فَقَالَ : إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ وَ رَجُلَانِ تَحَابًا فِي اللَّهِ، وَ رَجُلٌ غَضَّ عَيْنَيْهِ عَنْ مَحَارِمِ اللهِ، وَ عَيْنٌ حَرَسَتْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَ عَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ».
হযরত সায়্যিদুনা আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা আরশের ছায়ায় স্থান দান করবেন। যেদিন এটা ছাড়া কোন ছায়া থাকবে না। ১. ঐ ব্যক্তি, যার অন্তর মসজিদে লেগে থাকে, ২. ঐ ব্যক্তি, যাকে কোন বংশীয়া নারী আহবান করে আর সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি, ৩. ঐ ব্যক্তি, যে আল্লাহর হারামকৃত জিনিস থেকে স্বীয় চক্ষুকে বাঁচিয়ে রাখে, ৪. ঐ চক্ষু, যা আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দিয়েছে, ৫. ঐ চক্ষু, যা আল্লাহ তা'আলার ভয়ে কান্না করে।'

টিকাঃ
১. কিতাবুয যুহুদ: আহমদ বিন হাম্বল, পৃষ্ঠা: ১৭৩, হাদিস: ৮১৯

📘 আরশের ছায়ায় থেকেছে যাদের কায়া > 📄 প্রমাণপঞ্জী

📄 প্রমাণপঞ্জী


১. আল-কুরআনুল হাকীম
২. আহমদ রেযা খান : আ'লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খান (ওফাত: ১৩৪০ হি.) কানযুল ঈমান ফি তরজমাতিল কোরআন, জিয়াউল কোরআন, লাহো, পকিস্তান।
৩. সুয়ূতী : জালালুদ্দিন আবুল ফজল আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে উসমান (৮৪৯-৯১১ হি./১৪৪৫-১৫০৫ ইং), আদ-দুররুল মানসূর ফিত তাফসীর বিলমা'সূর: বৈরুত, লেবানন, দারুল মা'ফিরা।
৪. তাবারী : আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে জারির ইবনে ইয়াযিদ (২২৪-৩১০ হি./৮৩৯-৯২৩ ইং.), জামিউল বয়ান ফি তাফসিরিল কুরআন, বৈরুত, লেবানন, দারুল মা'রিফা, ১৪০০ হি./১৯৮০ ইং।
৫. আলুসী : শিহাবুদ্দিন সৈয়দ মাহমুদ আলুসী (ওফাত : ১২৮০ হি.) রুহুল মা'আনী, দারুত তুরাসুল আরবী।
৬. বুখারী : আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুগীরা (১৯৪-২৫৬ হি./৮১০-৮৭০ ইং), আল-জামিউস সহীহ বৈরুত, লেবানন, দামিস্ক, সিরিয়া, দারুল কলম, ১৪০১ হি./১৯৮১ ইং।
৭. মুসলিম : মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল-কুশাইরি (২০৬-২৬১ হি./৭২১-৮৭৫ ইং), আস-সহীহ বৈরুত, লেবানন, দারু ইহয়ায়ি আত-তুরাসিল আরাবি।
৮. ইবনে মাজাহ : আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ কাযইবনেী (২০৯-২৭৩ হি./৮২৪-৮৮৭ ইং), আস-সুনান বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, ১৪১৯ হি./১৯৯৮ ইং।
৯. তিরমিযী : আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে সওরাহ ইবনে মূসা ইবনে দাহহাক সালামী (২১০-২৭৯ হি./৮২৫-৮৯২ ইং), আল-জামেউস সহীহ : বৈরুত, লেবানন, দারুল গুরাবুল ইসলামী, ১৯৯৮ ইং।
১০. আহমাদ ইবনে হাম্বল : আবু আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ (১৬৪-২৪১ হি./৭৮০-৮৫৫ ইং), আল-মুসনাদ : বৈরুত, লেবানন, আল-মাকতাবুল ইসলামী, ১৩৯৮ হি./১৯৭৮ ইং।
১১. হাকেম : আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ (৩২১-৪০৫ হি./৯৩৩-১০১৪ ইং), আল- মুসতাদরাক আলাস সহীহাইন : বৈরুত, লেবানন-দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, ১৪১১ হি./১৯৯০ ইং।
১২. তাবরানী : সুলাইমান ইবনে আহমাদ (২৬০-৩৬০ হি./৮৭৩-৯৭১ ইং), আল-মু'জামুল কবির : মুসিল, ইরাক, মাতবাআতুয যাহরা আল-হাদিছা।
১৩. আবদুর রাজ্জাক : আবু বকর ইবনে হুমام ইবনে নাফে' সুনআনি (১২৬-২১১ হি./৭৪৪-৮২৬ ইং), আল-মুসান্নাফ : বৈরুত, লেবানন, আল-মাকতাবুল ইসলামী, ১৪০৩ হি.।
১৪. বায়হাকী : আবু বকর আহমাদ ইবনে হোসাইন ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মূসা (৩৮৪-৪৫৮ হি./৯৯৪-১০৬৬ ইং), শুআবুল ঈমান : মক্কা, সৌদি আরব, মাকতাবা দারুল বাষ, ১৪১৪ হি./১৯৯৪ ইং।
১৫. ইসফাহানী : আবু নায়ীম আল-ইসফাহানী (ওফাত: ৪৩০ হি.) হিলয়াতুল আউলিয়া, দারুল কুতুব আল- ইলমিয়া।
১৬. ইবনে মুবারক : আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াজেহ মারওয়াজী (১১৮-১৮১ হি./৭৩৬-৭৯৮ ইং), কিতাবুয যুহুদ : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
১৭. হাইসমী : নূরুদ্দিন আবুল হাসান আলী ইবনে আবু বকর ইবনে সুলাইমান (৭৩৫-৮০৭ হি./১৩৩৫-১৪০৫ ইং), মাযমাউজ জাওয়ায়িদ, কায়রো, মিসর, দারুর রায়আন লিত তুরাছ + বৈরুত, লেবানন, দারুল কিতাবিল আরবী, ১৪০৭ হি./১৯৮৭ ইং।
১৮. আসকালানী : আহমাদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমাদ ইবনে কিনানী (৭৭৩-৮৫২ হি./১৩৭২-১৪৪৯ ইং), ফতহুল বারী : লাহোর, পাকিস্তান, দারুন নশরুল কুতুবুল ইসলামিয়া, ১৪০১ হি./১৯৮১ ইং।
১৯. তাবরানী : সুলাইমান ইবনে আহমাদ (২৬০-৩৬০ হি./৮৭৩-৯৭১ ইং), আল-মু'জামুল আওসত : রিয়াদ, সৌদি আরব, মাকতাবাতুল মা'রিফ, ১৪০৫ হি./১৯৮৫ ইং।
২০. সুয়ূতী : জালালুদ্দিন আবুল ফজল আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর ইবনে উসমান (৮৪৯-৯১১ হি./১৪৪৫-১৫০৫ ইং), জামেউস সগীর : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
২১. ইবনে আবি শায়বাহ : আবু বকর আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে উসমান কুফী (১৫৯-২৩৫ হি./৭৭৬-৮৪৯ ইং), আল-মুসান্নাফ : রিয়াদ, সৌদি আরব, মাকতাবাতুর রুশদ, ১৪০৯ হি.।
২২. জুরজানী : ইমাম আবু আহমদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল- জুরজানী : (ওফাত: ৩৬৫ হি.) আল-কামেল ফি জুয়াফায়ির রিজাল : দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
২৩. মালেক : মালেক ইবনে আনাস ইবনে মালকস ইবনে আবু আমের ইবনে আমর ইবনে হারেছ ইসবাহী (৯৩- ১৭৯ হি./৭১২-৭৯৫ ইং), আল-মুআত্তা : বৈরুত, লেবানন, দারু ইহয়ায়ি আত-তুরাসিল আরাবি, ১৪০৬ হি./১৯৮৫ ইং।
২৪. মুনযারী : আবু মুহাম্মদ আবদুল আযিম ইবনে আবদুল ক্বাবী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালামাহ ইবনে সা'আদ
২৫. হিন্দি : (৫৮১-৬৫৬ হি./১১৮৫-১২৫৮ ইং), আত-তারগীব ওয়াত তারহীব : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, ১৪১৭ হি.
২৬. দায়লমী : আলা উদ্দিন আলী মুত্তাকী ইবনে হেসামুদ্দিন (৯৭৫ হি.), কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আফআলে ওয়াল আকওয়াল : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
২৭. আহমদ ইবনে হাম্বল : আবু সুজা' শায়রবিয়া ইবনে শহরদার ইবনে শায়রবিয়া ইবনে ফানাখসরু হামদানী (৪৪৫-৫০৯ হি./১০৫৩-১১১৫ ইং), আল-ফিরদাউস বিমা'সূরিল খিতাব : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, ১৯৮৬ ইং।
২৮. ইবনে হিব্বান : আবু আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ (১৬৪-২৪১ হি./৭৮০-৮৫৫ ইং), আয যুহুদ, দারুল গদ জাদীদ।
২৯. ইবনে সুন্নী : আবু হাতেম মুহাম্মদ ইবনে হিব্বান ইবনে আহমাদ ইবনে হিব্বান (২৭০-৩৫৪ হি./৮৮৪-৯৬৫ ইং), আল-ইহসান বি-তারতিবী ইবনে হিব্বান : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৩০. মুনাবী : আহমদ বিন মুহাম্মদ আদ দিনূরী প্রসিদ্ধ ইবনুস সুন্নী, আমালাল য়াওমি ওয়াল লাইলাহ: (ওফাত: ৩৬৪ হি.) বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-আরবী।
৩১. খতিবে বাগদাদী : আবদুর রউফ ইবনে তাজুল আরেফিন ইবনে আলী ইবনে যায়নুল আবেদীন (৯৫২-১০৩১ হি./১৫৪৫-১৬২১ ইং), ফয়জুল কাদির শরহিল জামেউস সগীর : মিসর, মাকতাবা তিজারিয়া কুবরা, ১৩৫৬ হি.। : আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনে সাবেত ইবনে আহমাদ ইবনে মাহদী ইবনে সাবেত (৩৯২-৪৬৩ হি./১০০২-১০৭১ ইং), তারিখে বাগদাদ: বৈরুত, লেবানন-দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৩২. যুরকানী : আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল বাকি ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমাদ ইবনে আল-ওয়ান মিসরী, আযহারী, মালেকী (১০৫৫-১১২২ হি./১৬৪৫-১৭১০ ইং.), শরহুল মু'আত্তা, বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া, ১৪১১ হি.।
৩৩. ইবনুল যাওজী : আবুল ফরজ আবদুর রহমান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে উবাইদুল্লাহ (৫১০-৫৭৯ হি./১১১৬-১২০১ ইং), আল- মওদুয়াত, বৈরুত, লেবানন, দারুল ফিকর।
৩৪. যাহাবী : শাসসুদ্দিন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ (৬৭৩-৭৪৮ হি.), সি'আরু আলামিন নুবালা, বৈরুত, লেবানন, মুআসসিসাতুর রিসালাহ, ১৪১৩ হি.।
৩৫. ইবনে রজব হাম্বলী : আবুল ফরজ আবদুর রহমান ইবনে আহমাদ (৭৩৬-৭৯৫ হি.), জামিউল উলুম ওয়াল হিকম: বৈরুত, লেবানন, দারুল মা'রিফা, ১৪০৮ হি.।
৩৬. তাবরানী : সুলাইমান ইবনে আহমাদ (২৬০-৩৬০ হি./৮৭৩-৯৭১ ইং), কিতাবুদ দোয়া : বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৩৭. ইবনে আবিদ দুনিয়া : হাফেয আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ ইবনে আবিদ দুনিয়া (ওফাত: ২৮১ হি.) মওসুআতু লি-ইমাম ইবনে আবিদ দুনিয়া, বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৩৮. হারেস : হারেস বিন উসামা, (ওফাত: ২৮২ হি.) মুসনদুল হারেস, মাকতাবাতুস শামেলা।
৩৯. ইসফাহানী : আবু নায়ীম আল-ইসফাহানী (ওফাত: ৪৩০ হি.) ফযিলাতুল আদেলীন, মাকতাবাতুস শামেলা।
৪০. ইবনে আবিদ দুনিয়া : হাফেয আবু বকর আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদ ইবনে আবিদ দুনিয়া (ওফাত: ২৮১ হি.) মাকারিমুল আখলাক, বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৪১. ইসফাহানী : আবু নায়ীম আল-ইসফাহানী (ওফাত : ৪৩০ হি.) মা'রিফাতুস সাহাবা, বৈরুত, লেবানন, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়া।
৪২. ইবনে শাহীন : আবু হাফস ওমর বিন আহমদ আল-ওয়ায়েজ (২৯৭-৩৮৫ হি.) আত তারগীব ফি ফাযায়িলিল আ'মালে ওয়া সওয়াব: মাকতাবায়ে শামেলা।
৪৩. আহমদ রেযা : মুজাদ্দিদে আযম আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযা খান, (ওফাত : ১৩৪০ হি.) আল-ফতোয়া আর-রেযভীয়া, রেযা ফাউন্ডেশন, লাহোর, পাকিস্তান।
৪৪. আ'যমী : সাদরুস শরীয়াহ মুফতী আমজাদ আলী আ'যমী, (ওফাত : ১৩৬৮ হি.) বাহারে শরীয়ত, জিয়াউল কোরআন, লাহোর, পকিস্তান।
৪৫. আত্তার কাদেরী : আমীরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস আত্তার কাদেরী, পরদে কে বারে মে সওয়ার ওয়া জওয়াব, মাকতাবাতুল মদিনা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00