📄 লেখকের তাহকীক
(লেখক বলেন) আমি ইচ্ছা করলাম প্রথমোক্ত হাদিস শরীফ, যেগুলোতে আরশের ছায়া প্রাপ্তদের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, সেগুলোর সাথে ঐসব হাদিস মিলিয়ে দেব যেগুলোতে আরশের ছায়া প্রাপ্তদের বর্ণনা নেই, বরং সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বিদ্যমান রয়েছে। যেমন-
عَنْ ابْنِ عُمَرَ اللهِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : ثَلَاثَةٌ عَلَى كُثْبَانِ الْمِسْكِ أَرَاهُ قَالَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَبْدٌ أَدَّى حَقَّ اللَّهَ وَحَقَّ مَوَالِيهِ وَرَجُلٌ أَمَّ قَوْمًا وَهُمْ بِهِ رَاضُونَ وَرَجُلٌ يُنَادِي بِالصَّلَوَاتِ الْخُمْسِ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ».
হযরত সায়্যিদুনা আবদুল্লাহ বিন ওমর রাদিআল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, শাহীনশাহে মদীনা, কুরারে কূলব ওয়া সীনা, সাহিবে মুয়াত্তার পছীনা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, কিয়ামতের দিন তিন ব্যক্তি মিশকের টিলায় থাকবে, তাদেরকে 'الفزع الأكبر' (ফাযা'উল আকবর) তথা সর্বাধিক মহাভীতি শংকিত করবে না। ১. ঐ বান্দা, যে আল্লাহ্ ও তার মনিবের হক বা অধিকার আদায় করে ২. ঐ ব্যক্তি, যে কোন সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দেয় এবং তারা তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে ৩. ঐ ব্যক্তি, যে প্রত্যহ দিন ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের জন্য আহবান করে।'
টিকাঃ
১. জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, পৃষ্ঠা: ৪২৪