📄 সতর্কতা
এখানে অত্যাচারী শাসকের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করার জন্য তলোয়ার দ্বারা উদ্দেশ্য হল, স্বীয় জান-মালের প্রতিরক্ষায় তলোয়ার ধারণ করা। অন্যথায় কোন মুসলমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা বৈধ নয়। আর এর দ্বারা এটাও উদ্দেশ্য হতে পারে যে, কোন মুসলমানের উপর অন্যায়ভাবে আক্রমণকারীকে বাধা দেয়া। যাতে সে বিরত থাকে। এটাও সাওয়াবের কাজ। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি কোন জীবন রক্ষা করল, সে যেন সকল মানুষের জীবন রক্ষা করল।' এ আয়াতটি ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যে কোন মুসলমানকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করে। আল্লাহই ভাল জানেন।
(গ্রন্থকার বলেন) উল্লেখিত চারটি গুণের সাথে পূর্বোক্ত গুণাবলী মিলে আরশের ছায়াপ্রাপ্তদের সংখ্যা মোট এগারো হয়ে গেল। এ ব্যাপারে হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী বলেন, এটা দ্বারা উদ্দেশ্য হল, মূল সাত গুণের সাথে আরো কতিপয় গুণ সংযোজন করা। অন্যথায় নিঃস্বকে অবকাশ দেয়ার ফযীলতের ব্যাপারে তো অনেক মারফু' ও মওকুফ হাদিস রয়েছে। যা দ্বারা বুঝা যায় যে, এর প্রত্যেকটির কারণে পৃথক পৃথক আরশের ছায়া নসীব হবে।
📄 সপ্তম গুণটি প্রসঙ্গে আরো কতিপয় হাদিস
হযরত সায়্যিদুনা আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, হুযুর নবীয়ে করীম, রাউফুর রহীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি নির্জনে আল্লাহর স্মরণ করে এবং তাঁর ভয়ে অশ্রু প্রবাহিত করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তাকে তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন।
হযরত সায়্যিদুনা সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর চক্ষু ব্যতীত সকল চক্ষুই ক্রন্দন করবে। ১. ঐ চক্ষু, যা আল্লাহর হারামকৃত বস্তু থেকে বিরত ছিল, ২. ঐ চক্ষু, যা আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দিয়েছে, ৩. ঐ চক্ষু, যা আল্লাহর ভয়ে অশ্রু প্রবাহিত করে।