📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 বিস্ময়কর কিছু দেখলে

📄 বিস্ময়কর কিছু দেখলে


আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَوْلَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
“আর যখন তুমি নিজের বাগানে প্রবেশ করছিলে, তখন কেন বললে না, ‘আল্লাহ যা চান তাই হয়, তাঁর প্রদত্ত শক্তি ছাড়া আর কোনো শক্তি নেই?’” (সূরা আল-কাহফ ১৮:৩৯)
[২৩৬] নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ কোনও বিস্ময়কর জিনিস দেখলে, সে যেন বলে—
مَاشَاءَ اللهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
আল্লাহ যা চান (তা-ই হয়)! তিনি ছাড়া কোনও শক্তি নেই। (১)
টিকা:
(১) ইবনুস সুন্নি, ২০৩, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 কুদৃষ্টি থেকে বাঁচতে

📄 কুদৃষ্টি থেকে বাঁচতে


[২৩৭] নবি ﷺ বলেন, “কুদৃষ্টি সত্য। তাকদীরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনও কিছু থাকলে, তা হতো কুদৃষ্টি।” (১)
[২৩৮] নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ যদি তার নিজের মধ্যে অথবা তার সম্পদের মধ্যে বিস্ময়কর কিছু দেখতে পায়, সে যেন আল্লাহর কাছে বরকত কামনা করে; কারণ, কুদৃষ্টি সত্য।” (২)
[২৩৯] নবি ﷺ যখন কোনও বিষয়ে কুদৃষ্টির আশঙ্কা করতেন, তখন তিনি বলতেন—
اَللَّهُمَّ بَارِكْ فِيْهِ وَلَا تَضُرَّهُ
হে আল্লাহ! এর মধ্যে বরকত দাও, এর কোনও ক্ষতি হতে দিয়ো না! (৩)
[২৪০] আবূ সাঈদ থেকে বর্ণিত, ‘সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস নাযিল হওয়ার আগে, আল্লাহর রাসূল ﷺ জিন ও মানুষের কুদৃষ্টির ব্যাপারে (বিভিন্ন দুআর মাধ্যমে) আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। সূরা দু’টি নাযিল হওয়ার পর, তিনি এগুলো (আঁকড়ে) ধরেন, আর অন্যগুলো (পাঠ করা) ছেড়ে দেন।’ (৪)
টিকা:
(১) মুসলিম, ২১৮৮।
(২) ইবনুস সুন্নি, ৩০১, সহীহ্।
(৩) ইবনুস সুন্নি, ৪০৪, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৪) তিরমিযি, ২০৫৮, হাসান।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 শুভ বা অশুভ সংকেত

📄 শুভ বা অশুভ সংকেত


[২৪১] নবি ﷺ বলেন, “ছোঁয়াচে বলে কিছু নেই, অলক্ষণে বলে কিছু নেই; তবে এসবের মধ্যে সবচেয়ে ভালো হলো ফা’ল। সাহাবিগণ জিজ্ঞাসা করেন, ‘ফা’ল কী?’ নবি ﷺ বলেন, “সুন্দর কথা, যা মানুষ শুনে থাকে।” (১)
[২৪২] ফা’ল আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বিমোহিত করত; যেমনটি ঘটেছিল হিজরতের সফরে। সেদিন তাদের সাথে এক লোকের সাক্ষাৎ হলে, তিনি জিজ্ঞাসা করেন, “নাম কী তোমার?” লোকটি বলে, ‘বুরাইদা (ঠাণ্ডা)’। তিনি বলেন, “(নাম শুনে তো) আমাদের কষ্ট ঠান্ডা হয়ে গেল!”
[২৪৩] নবি ﷺ বলেন, “আমি স্বপ্নে দেখি-আমি যেন উকবা ইবনু রাফি‘র ঘরে (বসে আছি)। আমাদেরকে ইবনু তাব-এর কিছু পরিপক্ক খেজুর দেওয়া হলো। আমি এর ব্যাখ্যা করেছি এভাবে-দুনিয়ায় আমাদের উন্নতি হবে, পরকালে আমরা উত্তম প্রতিদান পাব, আর আমাদের দ্বীন পরিপক্কতা লাভ করেছে।” (২)
[২৪৪] মুআবিয়া ইবনুল হাকাম থেকে বর্ণিত, ‘আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! লোকজন তো কিছু জিনিসকে অলক্ষুনে মনে করে।’ তিনি বলেন, ‘এটা (স্রেফ) তোমাদের মনের ব্যাপার; এটা যেন তোমাদের কর্মচঞ্চলতার সামনে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।’ (৩)
[২৪৫] উরওয়া ইবনু আমির বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে শুভ-অশুভ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়। তখন তিনি বলেন, এসবের মধ্যে সবচেয়ে ভালো হলো ফা’ল; তবে তা যেন কোনও মুসলিমের কর্মচঞ্চলতাকে বন্ধ না করে। তোমরা অপছন্দনীয় কোনও কিছু দেখলে বলবে—
اللَّهُمَّ لَا يَأْتِي بِالْحَسَنَاتِ إِلَّا أَنْتَ وَلَا يَذْهَبُ بِالسَّيِّئَاتِ إِلَّا أَنْتَ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِالله
হে আল্লাহ! কেবল তুমিই কল্যাণ নিয়ে আসো; কেবল তুমিই অকল্যাণ দূর করো; আল্লাহ ছাড়া কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই। (৪)
টিকা:
(১) মুসলিম, ২২২৪।
(২) মুসলিম, ২২৭১।
(৩) মুসলিম, ৫৩৭।
(৪) আবূ দাউদ, ৩৯১৯, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00