📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 মোরগ ডাকলে ও গাধা চিৎকার করলে

📄 মোরগ ডাকলে ও গাধা চিৎকার করলে


[২১৪] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমরা গাধার চিৎকার শুনলে, শয়তানের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে; কারণ, গাধা একটি শয়তান দেখেছে। আর মোরগের ডাক শুনলে, আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ চাইবে; কারণ, সে একটি ফেরেশতা দেখেছে।”’ (১)

টিকা:
(১) মুসলিম, ২৭২৯।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 রাতের বেলা কুকুর ও গাধার চিৎকার শুনলে

📄 রাতের বেলা কুকুর ও গাধার চিৎকার শুনলে


[২১৫] জাবির থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা রাতের বেলা কুকুরের ঘেউ ঘেউ ও গাধার চিৎকার শুনলে, এদের থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে; কারণ, তোমরা যা দেখ না, তা এরা দেখে।”’ (১)

টিকা:
(১) আবূ দাউদ, ৫১০৩, সহীহ্।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 অগ্নিকাণ্ড দেখলে

📄 অগ্নিকাণ্ড দেখলে


[২১৬] আমর ইবনু শুআইব কর্তৃক তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা অগ্নিকাণ্ড দেখলে, اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) বলে ধ্বনি দেবে; কারণ, এ ধ্বনি আগুন নিভিয়ে দেয়।”’ (১)

টিকা:
(১) ইবনুস সুন্নি, ২৯২, ২৯৭; বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 বৈঠক বা সমাবেশ শেষে

📄 বৈঠক বা সমাবেশ শেষে


[২১৭] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি এমন কোনও মজলিশে বসল, যেখানে সে অনেক অনর্থক কথা বলেছে, সে যদি ওই মজলিশ থেকে ওঠার আগে বলে—
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র! প্রশংসা কেবল তোমারই! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি ছাড়া কোনও সার্বভৌম সত্তা নেই; আমি তোমার কাছে মাফ চাই এবং তোমার কাছেই ফিরে আসি।
তাহলে আল্লাহ তাআলা তার ওই মজলিশের বিষয়াদির কাফ্ফ্ফারা (প্রায়শ্চিত্ত) করে দেবেন।”’ (২)

[২১৮] অপর এক হাদীসে আছে, ‘নবি ﷺ বলেন, “(ওই দুআ পাঠ করলে) তার বৈঠকটি কল্যাণের বৈঠক হয়ে থাকলে, দুআটি তার জন্য সীলমোহর হিসেবে কাজ করবে; আর বৈঠকটি মিশ্রিত বৈঠক হয়ে থাকলে, দুআটি তার জন্য কাফ্ফ্ফারা’র কাজ করবে।”’ (৩)

[২১৯] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “একদল লোক বৈঠক থেকে উঠল, অথচ আল্লাহ তাআলার যিক্র (স্মরণ) করল না, এরা যেন মরা গাধা (খাওয়ার অনুষ্ঠান) থেকে উঠল; এটি হবে তাদের আফসোসের কারণ।”’ (৪)

[২২০] ইবনু উমার থেকে বর্ণিত, ‘প্রায় প্রত্যেকটি বৈঠক থেকে ওঠামাত্রই আল্লাহর রাসূল ﷺ এ দুআ পড়তেন—
اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا تَحُوْلُ بِهِ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِينِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مَصَائِبَ الدُّنْيَا اللَّهُمَّ مَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا
হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার ভয় দান করো, যা আমাদের ও তোমার অবাধ্যতার মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে; তোমার আনুগত্য করার সামর্থ্য দাও, যা আমাদেরকে তোমার জান্নাতে পৌঁছে দেবে; এমন সন্দেহমুক্ত ঈমান দাও, যার ফলে দুনিয়ার বিপদ-মুসিবত আমাদের কাছে তুচ্ছ হয়ে যাবে! হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে যতদিন বাঁচিয়ে রাখবে, ততদিন আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও শারীরিক শক্তি থেকে আমাদের উপকৃত হওয়ার সুযোগ দাও! এসব শক্তিকে আমাদের ওয়ারিশ বানাও! (অর্থাৎ এগুলো সক্রিয় থাকতে থাকতেই আমাদের মৃত্যু দিয়ো)। আমাদের ক্রোধ তাদের বিরুদ্ধে ধাবিত করো, যারা আমাদের উপর জুলুম করে; আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো; আমাদের দ্বীন পালনে মুসিবত রেখো না; দুনিয়াকে আমাদের ব্যস্ততার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বানিয়ে দিয়ো না; আমাদের জ্ঞানের লক্ষ্য যেন দুনিয়া না হয়; আমাদের গোনাহের দরুন আমাদের উপর এমন কাউকে চাপিয়ে দিয়ো না, যে তোমাকে ভয় করবে না এবং আমাদের উপর দয়া দেখাবে না! (৫)

টিকা:
(২) তিরমিযি, ৩৪৩, হাকিমের মূল্যায়নে এটি সহীহ্।
(৩) হাকিম এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ্ আখ্যায়িত করেছেন।
(৪) আবূ দাউদ, ৪৮৫৫, সহীহ্।
(৫) তিরমিযি, ৩৪৯৭, সহীহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00