📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 সন্তানের নাম রাখার সময়

📄 সন্তানের নাম রাখার সময়


[২০৮] আমর ইবনু শুআইব কর্তৃক তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা থেকে বর্ণিত, ‘শিশু জন্মগ্রহণের পর সপ্তম দিনে তার নাম রাখা, তার কষ্ট দূর করে দেওয়া(১) ও আকীকা দেওয়ার জন্য নবি ﷺ নির্দেশ দিয়েছেন।’ (২)

[২০৯] নবি ﷺ-এর ছেলে ইবরাহীম, ইবরাহীম ইবনু আবী মূসা, আবদুল্লাহ ইবনু আবী তালহা ও মুন্যির ইবনু আবী উসাইদ -এসব শিশুর জন্মের কাছাকাছি সময়ে নবি ﷺ তাদের নাম রেখে দিয়েছেন।

[২১০] আবুদ দারদা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নাম ধরে ডাকা হবে। অতএব, তোমরা নিজেদের জন্য সুন্দর নাম রেখো।”’ (৩)

[২১১] আবদুল্লাহ ইবনু উমার থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমাদের নামগুলোর মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো আবদুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা) ও আবদুর রহমান (দয়াময়ের বান্দা)।”’ (৪)

[২১২] আবূ ওয়াহাব জুশামি থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা নবিদের নামানুসারে নাম রেখো। আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম হলো আবদুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা) ও আবদুর রহমান (দয়াময়ের বান্দা); সবচেয়ে সত্যনিষ্ঠ নাম হলো হারিস ও হাম্মাম; আর সবচেয়ে বিশ্রী নাম হলো হার্ব ও মুররা।”’ (৫)

[২১৩] নবি ﷺ বেশ কয়েকজনের অপছন্দনীয় নাম পরিবর্তন করে সুন্দর নাম রেখে দিয়েছেন। যাইনাব-এর নাম ছিল ‘বাররা/ পবিত্র’। তাকে বলা হলো: ‘তুমি তো নিজেকে পবিত্র বলে ঘোষণা করছ!’ এরপর তিনি তার নাম রেখে দেন ‘যাইনাব’। ‘তিনি বাররা’র কাছ থেকে বের হয়েছেন’-এ কথা বলাকে তিনি অপছন্দ করতেন। নবি ﷺ এক লোককে জিজ্ঞাসা করেন, ‘তোমার নাম কী?’ সে বলে, ‘হাযন’। নবি ﷺ বলেন, এখন থেকে তোমার নাম ‘সাহল’। আসিয়া’র নাম পরিবর্তন করে তিনি তার নাম রাখেন জামীলা। আরেকজনকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘কী নাম তোমার?’ সে বলে, ‘আস্রাম’। তিনি বলেন, এখন থেকে তোমার নাম য়ুসর। তিনি ‘হার্ব/ যুদ্ধ’ নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘সিল্ম/ শান্তি’; ‘মুযত্বাজি/ শায়িত’ নাম বদলে তিনি রাখেন ‘মুম্বাইস/ জাগ্রত’। আফ্রা নামক এক ভূখণ্ডের নাম পরিবর্তন করে তিনি রাখেন ‘খাদিরা/ সবুজ অঞ্চল’; ‘গোম্রাহি গিরিখাত’ নাম বদলে রাখেন ‘হিদায়াত গিরিখাত’; আর ‘বানুষ যাইয়া’ গোত্রের নাম বদলে রাখেন ‘বানুর রাশদা’। (৬)

টিকা:
(১) অর্থাৎ, চুল কামিয়ে দেওয়া।
(২) তিরমিযি, ২৮৩২, হাসান গরীব।
(৩) আবূ দাউদ, ৪৯৪৮, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৪) মুসলিম, ২ ১৩২।
(৫) আবূ দাউদ, ৪৯৫০, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৬) আবূ দাউদ ‘শিষ্টাচার’ অধ্যায়ে এটি সনদ ছাড়াই উল্লেখ করেছেন।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 মোরগ ডাকলে ও গাধা চিৎকার করলে

📄 মোরগ ডাকলে ও গাধা চিৎকার করলে


[২১৪] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমরা গাধার চিৎকার শুনলে, শয়তানের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে; কারণ, গাধা একটি শয়তান দেখেছে। আর মোরগের ডাক শুনলে, আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ চাইবে; কারণ, সে একটি ফেরেশতা দেখেছে।”’ (১)

টিকা:
(১) মুসলিম, ২৭২৯।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 রাতের বেলা কুকুর ও গাধার চিৎকার শুনলে

📄 রাতের বেলা কুকুর ও গাধার চিৎকার শুনলে


[২১৫] জাবির থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা রাতের বেলা কুকুরের ঘেউ ঘেউ ও গাধার চিৎকার শুনলে, এদের থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইবে; কারণ, তোমরা যা দেখ না, তা এরা দেখে।”’ (১)

টিকা:
(১) আবূ দাউদ, ৫১০৩, সহীহ্।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 অগ্নিকাণ্ড দেখলে

📄 অগ্নিকাণ্ড দেখলে


[২১৬] আমর ইবনু শুআইব কর্তৃক তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা অগ্নিকাণ্ড দেখলে, اللَّهُ أَكْبَرُ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) বলে ধ্বনি দেবে; কারণ, এ ধ্বনি আগুন নিভিয়ে দেয়।”’ (১)

টিকা:
(১) ইবনুস সুন্নি, ২৯২, ২৯৭; বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00