📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 কেউ মেহমানদারি করলে

📄 কেউ মেহমানদারি করলে


[১৮৬] আবদুল্লাহ ইবনু বুসর থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ আমার পিতার কাছে আসেন। আমরা তাঁর সামনে কিছু খাবার ও ওয়াৎবা (৩) পেশ করি। তিনি তা থেকে কিছু খান। এরপর খেজুর আনা হলে, তিনি দু’ আঙুলের মাঝে বিচি রেখে তর্জনী ও মধ্যমা একত্রিত করে খেজুর খান। তারপর পানি আনা হলে ডান হাতে পানি পান করেন। পরিশেষে আমার পিতা তাঁর সওয়ারির লাগাম ধরে বলেন, ‘আমাদের জন্য দুআ করুন!’ তখন তিনি বলেন-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
হে আল্লাহ! তুমি তাদের যে রিযক দিয়েছ, তার মধ্যে তুমি তাদের জন্য বরকত দাও! তাদের ক্ষমা করো ও তাদের উপর দয়া করো! (৪)

[১৮৭] আনাস থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ সাদ ইবনু উবাদাহ্ رضي الله عنه-এর কাছে আসেন। তখন রুটি ও যাইতূন তেল আনা হলে তিনি তা খান। এরপর নবি ﷺ বলেন-
أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ
তোমাদের কাছে সাওম-পালনকারীরা ইফতার করুন!
وَأَكَلَ طَعَامَكُمْ الْأَبْرَارُ
ভালো লোকজন তোমাদের খাবার খান!
وَصَلَّتْ عَلَيْكُمْ الْمَلَائِكَةُ
আর ফেরেশতারা তোমাদের জন্য দুআ করুন! (৫)

[১৮৮] জাবির থেকে বর্ণিত, ‘আবুল হাইসাম ইবনুত তাইয়িহান নবি ﷺ-এর জন্য কিছু খাবার তৈরি করেন। এরপর তিনি নবি ﷺ ও তাঁর সাহাবিদের দাওয়াত (৬) দেন। তাদের খাওয়া শেষ হলে নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের ভাইয়ের প্রতিদান দাও!” তারা বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তার প্রতিদান কী?’ নবি ﷺ বলেন, “কোনও লোকের ঘরে ঢুকে তার খাবার ও পানীয় গ্রহণ করে তার জন্য (আল্লাহর কাছে) দুআ করা হলো তাকে প্রতিদান দেওয়া।”’ (৭)

টিকা:
(৩) খেজুর ও চর্বির মিশ্রণে প্রস্তুত এক ধরনের খাবার।
(৪) মুসলিম, ২০৪২।
(৫) আবূ দাউদ, ৩৮৫৪, হাসান।
(৬) আক্ষরিক অনুবাদ: ‘ডাকেন’।
(৭) আবূ দাউদ, ৩৮৫৩, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 কাউকে অভিবাদন জানাতে

📄 কাউকে অভিবাদন জানাতে


[১৮৯] আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণিত, ‘এক ব্যক্তি নবি ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ইসলামের কোন কাজটি সর্বোত্তম?’ নবি ﷺ বলেন, “তুমি লোকদেরকে খাবার খাওয়াবে এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।”’ (১)

[১৯০] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা জান্নাতে যেতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা ঈমানদার হবে; তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজের কথা বলে দেবো না, যা করলে তোমাদের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যাবে? (কাজটি হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।”’ (২)

[১৯১] আম্মার ইবনু ইয়াসীর থেকে বর্ণিত, ‘তিনটি গুণ যে আয়ত্ত করতে পেরেছে, সে ঈমানকে আয়ত্ত করেছে: মন থেকে ইনসাফ করা, (পরিচিত-অপরিচিত) সবাইকে সালাম দেওয়া, এবং অভাবের মধ্যেও দান করা।’

[১৯২] ইমরান ইবনু হুসাইন থেকে বর্ণিত, ‘এক ব্যক্তি নবি ﷺ-এর কাছে এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ
আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘দশটি (সাওয়াব)!’ আরেকজন এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
আপনাদের উপর শান্তি ও আল্লাহর করুণা বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘বিশটি (সাওয়াব)!’ আরেকজন এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
আপনাদের উপর শান্তি, আল্লাহর করুণা ও বরকত বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘ত্রিশটি (সাওয়াব)!’ (৩)

[১৯৩] আবূ উমামা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “মানুষের মধ্যে ওই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়, যে প্রথমে সালাম দেয়।”’ (৪)

[১৯৪] আলি থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “একদল লোক কোথাও যাওয়ার সময় তাদের একজন সালাম দিলে, সবার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট। (আর) বসে-থাকা লোকদের কোনো একজন (সালামের) জবাব দিলে, সবার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট।”’ (৫)

[১৯৫] আনাস থেকে বর্ণিত, ‘খেলায়-মগ্ন শিশুদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়, নবি ﷺ তাদের সালাম দেন।’ (৬)

[১৯৬] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ কোনও মজলিশে গেলে, সে যেন (তাদের) সালাম দেয়। এরপর তার কাছে যদি মনে হয়, তার বসা (উচিত), তাহলে সে বসবে। তারপর ওঠার সময় (তাদের) সালাম দেবে; প্রথমটি শেষেরটির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ(৭) নয়।”’ (৮)

টিকা:
(১) মুসলিম, ৩৯।
(২) মুসলিম, ৫৪; আবূ দাউদ, ৫১৯৩।
(৩) তিরমিযি, ২৬৮৯, হাসান।
(৪) আবূ দাউদ, ৫১৯৭; তিরমিযি, ২৬৯৫, সহীহ্।
(৫) আবূ দাউদ, ৫২১০, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৬) মুসলিম, ২১৬৮।
(৭) আক্ষরিক অনুবাদ, ‘অধিক হকদার’।
(৮) আবূ দাউদ, ৫২০৮; তিরমিযি, ২৭০৭, হাসান।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 হাঁচি দিলে এবং হাই তুললে

📄 হাঁচি দিলে এবং হাই তুললে


[১৯৭] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “আল্লাহ হাঁচি পছন্দ করেন, আর হাই তোলা অপছন্দ করেন। তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দিয়ে বলে—
الْحَمْدُ لِلَّهِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর।
প্রত্যেক মুসলিম, যে তা শুনে, তার দায়িত্ব হলো—
يَرْحَمُكَ اللهُ
আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন!
বলা। আর হাই আসে শয়তানের পক্ষ থেকে। তোমাদের কারও হাই আসলে, সে যেন তা ঠেকানোর জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করে; কারণ, তোমাদের কেউ হাই তুললে শয়তান তাতে হেসে দেয়।”’ (১)

[১৯৮] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন সে যেন বলে—
الْحَمْدُ لِلَّهِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর।
আর তার ভাই বা সঙ্গী যেন বলে—
يَرْحَمُكَ اللهُ
আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন!
(তার সঙ্গী) তার জন্য يَرْحَمُكَ اللهُ বললে, সে যেন বলে—
يَهْدِيْكُمُ اللهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ
আল্লাহ তোমাকে সঠিক পথের দিশা দিন এবং বিষয়াদি সঠিক করে দিন!’ (২)

আবূ দাউদের ভাষ্যে বলা হয়েছে, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয়, তখন সে যেন বলে—
الْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ
সর্বাবস্থায় সকল প্রশংসা আল্লাহর।”’ (৩)

[১৯৯] আবূ মূসা আশআরি থেকে বর্ণিত, ‘আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, “তোমাদের কেউ যদি হাঁচি দিয়ে বলে—
الْحَمْدُ لِلَّهِ
সকল প্রশংসা আল্লাহর।
তাহলে তোমরা বলবে—
يَرْحَمُكَ اللهُ
আল্লাহ তোমার উপর দয়া করুন!
আর সে যদি اَلْحَمْدُ لِلَّهِ না বলে, তাহলে তোমরা يَرْحَمُكَ اللهُ বলবে না।”’ (৪)

টিকা:
(১) বুখারি, ৬২২৬।
(২) বুখারি, ৬২২৪।
(৩) আবূ দাউদ, ৫০৩৩, সহীহ্।
(৪) মুসলিম, ২৯৯২।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন > 📄 কেউ বিয়ে করলে

📄 কেউ বিয়ে করলে


[২০০] আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ আমাদেরকে ‘খুতবাতুল হাজত’ বা প্রয়োজনের বক্তব্য শিখিয়েছেন (এভাবে)—
الْحَمْدُ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ، أَرْسَلَهُ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا بَيْنَ يَدَيِ السَّاعَةِ، مَنْ يُطِعِ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ رَشَدَ، وَمَنْ يَعْصِهِمَا فَإِنَّهُ لَا يَضُرُّ إِلَّا نَفْسَهُ وَلَا يَضُرُّ اللَّهَ شَيْئًا
সকল প্রশংসা আল্লাহর। আমরা তাঁর প্রশংসা করি, তাঁর কাছে সাহায্য চাই, তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করি; আমরা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই, আমাদের নিজেদের অনিষ্ট থেকে এবং আমাদের কর্মকাণ্ডের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ যাকে (সঠিক) পথ দেখান, কেউ তাকে পথহারা করতে পারে না; আর তিনি যাকে পথহারা করেন, তাকে কেউ পথ দেখাতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনও সার্বভৌম সত্তা নেই; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর দাস ও বার্তাবাহক; তিনি তাঁকে সত্য দিয়ে পাঠিয়েছেন, কিয়ামতের আগে সুসংবাদদাতা ও ভীতিপ্রদর্শনকারী হিসেবে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে সঠিক পথ পেয়ে যায়; আর যে তাঁদের অবাধ্য হয়, সে কেবল নিজেরই ক্ষতিসাধন করে, সে আল্লাহর কোনও ক্ষতি করতে পারে না।
يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا
হে মানব জাতি! তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একটি প্রাণ থেকে, আর সেই একই প্রাণ থেকে সৃষ্টি করেছেন তার জোড়া, আর তাদের দু’জন থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পুরুষ ও নারী; আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর দোহাই দিয়ে তোমরা পরস্পরের কাছে নিজেদের অধিকার চাও; এবং আত্মীয়তা ও নিকট-সম্পর্ক বিনষ্ট করা থেকে বিরত থাকো; নিশ্চিতভাবে জেনে রাখো, আল্লাহ তোমাদের ওপর কড়া নজর রাখছেন। (সূরা আন-নিসা ৪:১)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো! আর তোমাদের মৃত্যু যেন কেবল তখনই আসে, যখন তোমরা থাকবে (আল্লাহর বিধানের সামনে) অনুগত। (সূরা আল ইমরান ৩:১০২)
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো; আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ ঠিকঠাক করে দেবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ মাফ করে দেবেন।
وَمَن يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا
আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে বড় সাফল্য অর্জন করে। (সূরা আল-আহযাব ৩৩:৭০-৭১)
[২০১] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘কেউ বিয়ে করলে, নবি ﷺ তাকে অভিনন্দন জানানোর সময় বলতেন—
بَارَكَ اللَّهُ لَكَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي الْخَيْرِ
আল্লাহ তোমাকে তাঁর অনুগ্রহ দান করুন; তোমার উপর বরকত দিন এবং কল্যাণের বিষয়ে তোমাদের একত্রিত করে দিন! (১)

[২০২] আমর ইবনু শুআইব কর্তৃক তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ কোনও মহিলাকে বিয়ে করলে অথবা কোনও দাস কিনলে, সে যেন বলে—
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ
হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে তার কল্যাণ ও তার সহজাত বৈশিষ্ট্যের কল্যাণ চাই; আর তোমার কাছে তার অকল্যাণ ও তার সহজাত বৈশিষ্ট্যের অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাই। (২)
কোনও সওয়ারি কিনলে, সে যেন তার কপাল ধরে অনুরূপ কথা বলে।”’

[২০৩] ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ যদি তার পরিবারের কাছে এসে বলে—
بِسْمِ اللهِ اللَّهُمَّ جَنَّبْنَا الشَّيْطَانَ وَجَنَّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! শয়তানকে আমাদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দাও! আমাদেরকে যা দিয়েছ, তা থেকে শয়তানকে দূর করে দাও!
তখন তাদেরকে এমন সন্তান দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়, যাকে শয়তান কখনও কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।”’ (৩)

টিকা:
(১) আহমাদ, ৩৫৩৬, সহীহ।
(২) আবূ দাউদ, ২১৩০, সহীহ্।
(৩) মুসলিম, ১৪৩৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00