📄 জনপদ কিংবা ঘরে ঢুকার সময়
[১৭৩] সুহাইব থেকে বর্ণিত, ‘যে জনপদে নবি ﷺ ঢুকতে চাইতেন, ওই জনপদ চোখে পড়া মাত্রই তিনি বলতেন—
اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبَّ الْأَرْضِينَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ أَسْأَلُكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا
হে আল্লাহ, সাত আকাশ ও তার ছায়াধীন এলাকার অধিপতি! সাত পৃথিবী ও তার উপরিভাগের অধিপতি! শয়তানগণ ও তাদের দ্বারা পথভ্রষ্টদের অধিপতি! বায়ুপ্রবাহ ও তা যা উড়িয়ে নিয়ে চলে, তার অধিপতি! আমি তোমার কাছে এ জনপদ, এর অধিবাসী ও এর ভেতরে যা আছে তার কল্যাণ চাই, আর এর, এর অধিবাসীর ও এর ভেতরে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। (১)
[১৭৪] খাওলা বিন্তু হাকিম থেকে বর্ণিত, ‘আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি কোনও এলাকায় অবস্থান করে বলে—
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আমি আল্লাহর পূৰ্ণ শব্দ/ বাক্যসমূহের আশ্রয় চাই, তাঁর সৃষ্টজীবের অনিষ্ট থেকে।
ওই স্থান থেকে চলে আসা পর্যন্ত কোনও কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।” (২)
[১৭৫] আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ সফরে বের হওয়ার পর, রাত হয়ে গেলে বলতেন—
يَا أَرْضُ رَبِّيَّ وَرَبُّكِ اللهُ أَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَشَرِّ مَا يَدِبُّ عَلَيْكِ أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ أَسَدٍ وَأُسْوَدَ وَمِنَ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ وَمِنْ سَاكِنِ الْبَلِدِ وَمِنْ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ
হে পৃথিবী! আমার রব ও তোমার রব আল্লাহ। তোমার ও তোমার ভেতরকার বিষয়াদির অনিষ্ট থেকে, তোমার ভেতরকার সৃষ্টজীবের অনিষ্ট থেকে, এবং তোমার উপর বিচরণশীল প্রাণীর অনিষ্ট থেকে। সিংহ ও ভয়ংকর সাপ থেকে, (সাধারণ) সাপ ও বিচ্ছু থেকে, (মানুষ ও জিন) অধিবাসীর অনিষ্ট থেকে, এবং তার অনিষ্ট থেকে যে জন্ম দেয় ও জন্ম নেয়। (৩)
টিকা:
(১) নাসাঈ, ৩/৭৩, হাসান।
(২) মুসলিম, ২৭০৮।
(৩) আবূ দাউদ, ২৬০৩, হাসান।
📄 খাবার ও পানীয় গ্রহণের সময়
আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوْا كُلُوْا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَاشْكُرُوا لِلَّهِ إِن كُنتُمْ إِيَّاهُ تَعْبُدُوْنَ
“হে ঈমানদারগণ! যদি তোমরা যথার্থই আল্লাহর দাসত্বকারী হয়ে থাকো, তাহলে যে সমস্ত পাক-পবিত্র জিনিস আমি তোমাদের দিয়েছি সেগুলো খাও এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো”। (সূরা আল-বাকারাহ ২:১৭২)
[১৭৬] উমার ইবনু আবী সালামা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ আমাকে বলেন, “ছেলে আমার! (খাওয়ার সময়) بِسْمِ اللهِ )আল্লাহর নামে) বলবে, ডান দিক থেকে খাবে এবং তোমার কাছের অংশ থেকে খাবে।”’ (১)
[১৭৭] আয়িশা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ যখন খাবার খাবে, সে যেন খাবারের শুরুতে আল্লাহ তাআলার নাম স্মরণ করে; আর শুরুতে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করতে ভুলে গেলে, সে যেন বলে—
بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ
আল্লাহর নামে, শুরুতে ও শেষে।”’ (২)
[১৭৮] উমাইয়া ইবনু মাখশি থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বসে আছেন। আর এক ব্যক্তি খাবার খাচ্ছেন। তিনি (শুরুতে) ‘বিসমিল্লাহ’ বলেননি; কেবল এক গ্রাস বাকি আছে—এমন সময় তিনি তা মুখে তুলে বলেন,
بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ
আল্লাহর নামে, শুরুতে ও শেষে।
এতে নবি ﷺ হেসে দিয়ে বলেন, “শয়তান তার সাথে খেয়েই যাচ্ছিল; ‘বিসমিল্লাহ’ বলার পর, সে তার পেটের ভেতরে যা ছিল তা বমি করে দিয়েছে।”’ (৩)
[১৭৯] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ কখনও কোনও খাবারের দোষ ধরেননি; পছন্দ হলে খেয়েছেন, নতুবা খাননি।’ (৪)
[১৮০] ওয়াহশি থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর সাহাবিগণ বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাবার খাই, কিন্তু তাতে পেট ভরে না!” নবি ﷺ বলেন, “তোমরা সম্ভবত আলাদাভাবে খাও!” তারা বলেন, “হ্যাঁ!” নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের খাবারগুলো একসাথে করো,(৫) এরপর আল্লাহকে স্মরণ করো, আল্লাহ তাতে বরকত দেবেন।”’ (৬)
[১৮১] আনাস থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “আল্লাহ ওই বান্দার উপর অবশ্যই খুশি হবেন, যে খাবার খেয়ে খাবারের জন্য আল্লাহর প্রশংসা করে এবং পানীয় পান করে তার জন্য আল্লাহর প্রশংসা করে।”’ (৭)
[১৮২] মুআয ইবনু আনাস থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “যে ব্যক্তি খাবার খেয়ে বলে—
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِیْ اَطْعَمَنِیْ هٰذَا وَ رَزَقَنِیْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّي وَلَاَ قُوَّةٍ
সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে এ খাবার খাইয়েছেন ও এ রিস্ক দিয়েছেন, (এখানে) আমার কোনও শক্তি-সামর্থ্য কিছুই নেই।
তার পেছনের গোনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হয়।”’ (৮)
[১৮৩] আবূ সাঈদ থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ খাবার শেষ করে বলতেন-
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَجَعَلَنَا مُسْلِمِينَ
সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের খাইয়েছেন, পান করিয়েছেন এবং আমাদেরকে (তাঁর) অনুগত বানিয়েছেন। (৯)
[১৮৪] নবি ﷺ-এর খেদমত করেছেন এমন এক সাহাবি থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ-এর কাছে খাবার আনা হলে তিনি শুনতেন, নবি ﷺ বলতেন-
بِسْمِ اللهِ
আল্লাহর নামে।
খাওয়া শেষে তিনি বলতেন-
اللَّهُمَّ أَطْعَمْتَ وَأَسْقَيْتَ وَأَغْنَيْتَ وَأَقْنَيْتَ وَهَدَيْت وَاجْتَبَيْتَ لَكَ الْحَمْدُ عَلَى مَا أَعْطَيْتَ
হে আল্লাহ! তুমি (আমাদের) খাইয়েছ, পান করিয়েছ, অভাবমুক্ত করেছ, পরিতৃপ্ত করেছ, (সঠিক) পথ দেখিয়েছ এবং নির্বাচিত করেছ; তুমি যা দিয়েছ, তার জন্য প্রশংসা কেবল তোমারই। (১০)
[১৮৫] আবূ উমামা থেকে বর্ণিত, (খাওয়া শেষে) নবি ﷺ-এর পাত্র উঠিয়ে নেওয়া হলে, তিনি বলতেন—
الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيراً طَيِّباً مُبَارَكاً فِيهِ غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلَا مُوَدَّعٍ وَلَا مُسْتَغْنَى عَنْهُ رَبَّنَا
সকল প্রশংসা আল্লাহর; পরিমাণে বিপুল, পবিত্র, বরকতময়, (তুমি আমাদের জন্য) যথেষ্ট, অপরিত্যাজ্য; হে আমাদের রব! (১১)
টিকা:
(১) মুসলিম, ২০২২।
(২) আবূ দাউদ, ৩৭৬৭; তিরমিযি, ১৮৫৯, সহীহ্।
(৩) আবূ দাউদ, ৩৭৬৮, হাসান।
(৪) মুসলিম, ২০৬৪।
(৫) আরেকটি অনুবাদ হতে পারে, ‘তোমরা খাবার খাওয়ার জন্য একসাথে হও।’
(৬) আবূ দাউদ, ৩৭৬৪, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৭) মুসলিম, ২৭৩৪।
(৮) আবূ দাউদ, ৪০২৩; তিরমিযি, ৩৪৫৪, হাসান।
(৯) আবূ দাউদ, ৩৮৫০; তিরমিযি, ৩৪৫৩, হাসান।
(১০) ইবনুস সুন্নি, ৪৫৯, সহীহ্।
(১১) বুখারি, ৪৫৫৮।
📄 কেউ মেহমানদারি করলে
[১৮৬] আবদুল্লাহ ইবনু বুসর থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ আমার পিতার কাছে আসেন। আমরা তাঁর সামনে কিছু খাবার ও ওয়াৎবা (৩) পেশ করি। তিনি তা থেকে কিছু খান। এরপর খেজুর আনা হলে, তিনি দু’ আঙুলের মাঝে বিচি রেখে তর্জনী ও মধ্যমা একত্রিত করে খেজুর খান। তারপর পানি আনা হলে ডান হাতে পানি পান করেন। পরিশেষে আমার পিতা তাঁর সওয়ারির লাগাম ধরে বলেন, ‘আমাদের জন্য দুআ করুন!’ তখন তিনি বলেন-
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ
হে আল্লাহ! তুমি তাদের যে রিযক দিয়েছ, তার মধ্যে তুমি তাদের জন্য বরকত দাও! তাদের ক্ষমা করো ও তাদের উপর দয়া করো! (৪)
[১৮৭] আনাস থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ সাদ ইবনু উবাদাহ্ رضي الله عنه-এর কাছে আসেন। তখন রুটি ও যাইতূন তেল আনা হলে তিনি তা খান। এরপর নবি ﷺ বলেন-
أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ
তোমাদের কাছে সাওম-পালনকারীরা ইফতার করুন!
وَأَكَلَ طَعَامَكُمْ الْأَبْرَارُ
ভালো লোকজন তোমাদের খাবার খান!
وَصَلَّتْ عَلَيْكُمْ الْمَلَائِكَةُ
আর ফেরেশতারা তোমাদের জন্য দুআ করুন! (৫)
[১৮৮] জাবির থেকে বর্ণিত, ‘আবুল হাইসাম ইবনুত তাইয়িহান নবি ﷺ-এর জন্য কিছু খাবার তৈরি করেন। এরপর তিনি নবি ﷺ ও তাঁর সাহাবিদের দাওয়াত (৬) দেন। তাদের খাওয়া শেষ হলে নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের ভাইয়ের প্রতিদান দাও!” তারা বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! তার প্রতিদান কী?’ নবি ﷺ বলেন, “কোনও লোকের ঘরে ঢুকে তার খাবার ও পানীয় গ্রহণ করে তার জন্য (আল্লাহর কাছে) দুআ করা হলো তাকে প্রতিদান দেওয়া।”’ (৭)
টিকা:
(৩) খেজুর ও চর্বির মিশ্রণে প্রস্তুত এক ধরনের খাবার।
(৪) মুসলিম, ২০৪২।
(৫) আবূ দাউদ, ৩৮৫৪, হাসান।
(৬) আক্ষরিক অনুবাদ: ‘ডাকেন’।
(৭) আবূ দাউদ, ৩৮৫৩, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
📄 কাউকে অভিবাদন জানাতে
[১৮৯] আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণিত, ‘এক ব্যক্তি নবি ﷺ-কে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ইসলামের কোন কাজটি সর্বোত্তম?’ নবি ﷺ বলেন, “তুমি লোকদেরকে খাবার খাওয়াবে এবং পরিচিত-অপরিচিত সবাইকে সালাম দেবে।”’ (১)
[১৯০] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমরা জান্নাতে যেতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা ঈমানদার হবে; তোমরা ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না তোমরা একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন একটি কাজের কথা বলে দেবো না, যা করলে তোমাদের পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যাবে? (কাজটি হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।”’ (২)
[১৯১] আম্মার ইবনু ইয়াসীর থেকে বর্ণিত, ‘তিনটি গুণ যে আয়ত্ত করতে পেরেছে, সে ঈমানকে আয়ত্ত করেছে: মন থেকে ইনসাফ করা, (পরিচিত-অপরিচিত) সবাইকে সালাম দেওয়া, এবং অভাবের মধ্যেও দান করা।’
[১৯২] ইমরান ইবনু হুসাইন থেকে বর্ণিত, ‘এক ব্যক্তি নবি ﷺ-এর কাছে এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ
আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘দশটি (সাওয়াব)!’ আরেকজন এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ
আপনাদের উপর শান্তি ও আল্লাহর করুণা বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘বিশটি (সাওয়াব)!’ আরেকজন এসে বলে—
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ
আপনাদের উপর শান্তি, আল্লাহর করুণা ও বরকত বর্ষিত হোক!
নবি ﷺ তার সালামের জবাব দেন। এরপর সে বসে পড়ে। নবি ﷺ বলেন, ‘ত্রিশটি (সাওয়াব)!’ (৩)
[১৯৩] আবূ উমামা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “মানুষের মধ্যে ওই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়, যে প্রথমে সালাম দেয়।”’ (৪)
[১৯৪] আলি থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “একদল লোক কোথাও যাওয়ার সময় তাদের একজন সালাম দিলে, সবার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট। (আর) বসে-থাকা লোকদের কোনো একজন (সালামের) জবাব দিলে, সবার পক্ষ থেকে তা যথেষ্ট।”’ (৫)
[১৯৫] আনাস থেকে বর্ণিত, ‘খেলায়-মগ্ন শিশুদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়, নবি ﷺ তাদের সালাম দেন।’ (৬)
[১৯৬] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “তোমাদের কেউ কোনও মজলিশে গেলে, সে যেন (তাদের) সালাম দেয়। এরপর তার কাছে যদি মনে হয়, তার বসা (উচিত), তাহলে সে বসবে। তারপর ওঠার সময় (তাদের) সালাম দেবে; প্রথমটি শেষেরটির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ(৭) নয়।”’ (৮)
টিকা:
(১) মুসলিম, ৩৯।
(২) মুসলিম, ৫৪; আবূ দাউদ, ৫১৯৩।
(৩) তিরমিযি, ২৬৮৯, হাসান।
(৪) আবূ দাউদ, ৫১৯৭; তিরমিযি, ২৬৯৫, সহীহ্।
(৫) আবূ দাউদ, ৫২১০, বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।
(৬) মুসলিম, ২১৬৮।
(৭) আক্ষরিক অনুবাদ, ‘অধিক হকদার’।
(৮) আবূ দাউদ, ৫২০৮; তিরমিযি, ২৭০৭, হাসান।