📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন 📄 নৌযানে উঠে

📄 নৌযানে উঠে


[১৭০] হুসাইন ইবনু আলি থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, “(পানিতে) ডুবে যাওয়া থেকে আমার উম্মাহ’র নিরাপদ থাকার উপায় হলো, (নৌযানে) চড়ার সময় তারা বলবে—
بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ. وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ
আল্লাহর নামেই এটা চলবে এবং থামবে। আমার রব বড়ই ক্ষমাশীল ও করুণাময়। (সূরা হুদ ১১:৪১) তারা আল্লাহকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারেনি। (সূরা আল-আনআম ৬:৯১)”’ (১)

টিকা:
(১) ইবনুস সুন্নি।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন 📄 অবাধ্য বা বিপজ্জনক বাহনে চড়ে

📄 অবাধ্য বা বিপজ্জনক বাহনে চড়ে


[১৭১] ইউনুস ইবনু উবাইদ থেকে বর্ণিত, ‘কোনও অবাধ্য বাহনে চড়ে, কেউ যদি বাহনটির কানের কাছে গিয়ে বলে—
أَفَغَيْرَ دِينِ اللَّهِ يَبْغُونَ وَلَهُ أَسْلَمَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَإِلَيْهِ يُرْجَعُونَ
এরা কি আল্লাহর আনুগত্যের পথ ত্যাগ করে অন্য কোনও পথের সন্ধান করছে? অথচ আকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুই স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় আল্লাহর হুকুমের অনুগত; এবং তাঁরই দিকে সবাইকে ফিরে যেতে হবে। (সূরা আল ইমরান ৩:৮৩)
তাহলে আল্লাহ তাআলার অনুমতিক্রমে তা থেমে যাবে। আমরা এরূপ করে দেখেছি; আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাই হয়েছে!’

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন 📄 ঊষর ও জনমানবহীন এলাকায় বাহন হারিয়ে গেলে

📄 ঊষর ও জনমানবহীন এলাকায় বাহন হারিয়ে গেলে


[১৭২] ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণিত, ‘নবি ﷺ বলেন, “তোমাদের কারও বাহন যদি ঊষর (ও জনমানবহীন) প্রান্তরে পালিয়ে যায়, তাহলে সে যেন এভাবে ডাকে—
يَا عِبَادَ اللهِ اِحْبِسُوا
আল্লাহরা বান্দারা! (একে) ধরুন!
يَا عِبَادَ اللهِ إِحْبِسُوا
আল্লাহরা বান্দারা! (একে) ধরুন!
কারণ, আল্লাহ তাআলার নিযুক্ত (বান্দা) দুনিয়াতে হাজির থাকেন, তিনি সেটি ধরে ফেলবেন।”’ (১)

টিকা:
(১) তাবারানি, ৩/৮১/১; ইবনুস সুন্নি, ৫০০। বর্ণনাসূত্রটি দুর্বল।

📘 আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন 📄 জনপদ কিংবা ঘরে ঢুকার সময়

📄 জনপদ কিংবা ঘরে ঢুকার সময়


[১৭৩] সুহাইব থেকে বর্ণিত, ‘যে জনপদে নবি ﷺ ঢুকতে চাইতেন, ওই জনপদ চোখে পড়া মাত্রই তিনি বলতেন—
اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبَّ الْأَرْضِينَ السَّبْعِ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبَّ الشَّيَاطِيْنِ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبَّ الرِّيَاحِ وَمَا ذَرَيْنَ أَسْأَلُكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا
হে আল্লাহ, সাত আকাশ ও তার ছায়াধীন এলাকার অধিপতি! সাত পৃথিবী ও তার উপরিভাগের অধিপতি! শয়তানগণ ও তাদের দ্বারা পথভ্রষ্টদের অধিপতি! বায়ুপ্রবাহ ও তা যা উড়িয়ে নিয়ে চলে, তার অধিপতি! আমি তোমার কাছে এ জনপদ, এর অধিবাসী ও এর ভেতরে যা আছে তার কল্যাণ চাই, আর এর, এর অধিবাসীর ও এর ভেতরে যা আছে তার অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। (১)

[১৭৪] খাওলা বিন্তু হাকিম থেকে বর্ণিত, ‘আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি কোনও এলাকায় অবস্থান করে বলে—
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আমি আল্লাহর পূৰ্ণ শব্দ/ বাক্যসমূহের আশ্রয় চাই, তাঁর সৃষ্টজীবের অনিষ্ট থেকে।
ওই স্থান থেকে চলে আসা পর্যন্ত কোনও কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না।” (২)

[১৭৫] আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ সফরে বের হওয়ার পর, রাত হয়ে গেলে বলতেন—
يَا أَرْضُ رَبِّيَّ وَرَبُّكِ اللهُ أَعُوْذُ بِاللهِ مِنْ شَرِّكِ وَشَرِّ مَا فِيكِ وَشَرِّ مَا خُلِقَ فِيكِ وَشَرِّ مَا يَدِبُّ عَلَيْكِ أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ أَسَدٍ وَأُسْوَدَ وَمِنَ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ وَمِنْ سَاكِنِ الْبَلِدِ وَمِنْ وَالِدٍ وَمَا وَلَدَ
হে পৃথিবী! আমার রব ও তোমার রব আল্লাহ। তোমার ও তোমার ভেতরকার বিষয়াদির অনিষ্ট থেকে, তোমার ভেতরকার সৃষ্টজীবের অনিষ্ট থেকে, এবং তোমার উপর বিচরণশীল প্রাণীর অনিষ্ট থেকে। সিংহ ও ভয়ংকর সাপ থেকে, (সাধারণ) সাপ ও বিচ্ছু থেকে, (মানুষ ও জিন) অধিবাসীর অনিষ্ট থেকে, এবং তার অনিষ্ট থেকে যে জন্ম দেয় ও জন্ম নেয়। (৩)

টিকা:
(১) নাসাঈ, ৩/৭৩, হাসান।
(২) মুসলিম, ২৭০৮।
(৩) আবূ দাউদ, ২৬০৩, হাসান।

ফন্ট সাইজ
15px
17px