📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 শেষকথা

📄 শেষকথা


মুসলমানদের ইতিহাসের এই এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের দীর্ঘ পরিক্রমার শেষে এবং অনুষঙ্গী বহু বিচিত্র ইতিহাস অধ্যয়নের পর আমরা সেই চিরন্তন সত্যটিকেই নতুন করে লিখতে চাই—

বিশেষত আন্দালুসের ইতিহাসসহ কোন ইতিহাসই কখনো ভুলবশত ফসকে পড়ে যাওয়া দুধের জন্য মায়াকান্না করার জন্য নয়! ইতিহাসসমূহ কেবল অতীতের পুনরাবৃত্তির বিষয়বস্তু হিসেবে দেখার জন্য নয়; ইতিহাসের প্রতিটি পাতা অর্জনের ও উপদেশের, শিক্ষার ও সমীক্ষার।

আর কুরআনও বলে এসেছে—
“সুতরাং তুমি (তাদেরকে) এসব ঘটনা শোনাতে থাক, যাতে তারা চিন্তা করে।” [সূরা আ'রাফ : ১৭৬]
“নিশ্চয়ই তাঁদের কাহিনিতে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য শিক্ষাগ্ৰহণের উপাদান আছে।” [সূরা ইউসূফ : ১১১]

পূর্বের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে সবাইকে। হতাশ-হতোদ্যম হওয়ার কিছু নেই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন,
“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে নিজ খলীফা বানাবেন, যেমন খলীফা বানিয়েছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদেরকে এবং তাদের জন্য তিনি সেই দীনকে অবশ্যই প্রতিষ্ঠা দান করবেন, যে দীনকে তাদের জন্য মনোনীত করেছেন এবং তারা যে ভয়-ভীতির মধ্যে আছে, তার পরিবর্তে তাদেরকে অবশ্যই নিরাপত্তা দান করবেন। তারা আমার ইবাদত করবে। আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না। এরপরও যারা অকৃতজ্ঞতা করবে, তারাই অবাধ্য সাব্যস্ত হবে।” [সূরা নূর : ৫৫]

আর আমাদের সর্বশেষ নিবেদন—সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ তাআ'লার জন্য।

ফন্ট সাইজ
15px
17px