📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 যুদ্ধবিবরণ যাল্লাকার মহানায়ক ইউসুফ বিন তাশফীনের কলমে

📄 যুদ্ধবিবরণ যাল্লাকার মহানায়ক ইউসুফ বিন তাশফীনের কলমে


যাল্লাকা যুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দালিলিক নথি অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে। এর লেখক স্বয়ং যাল্লাকা যুদ্ধের মহানায়ক আমীরুল মুসলিমীন ইউসুফ বিন তাশফীন। প্রফেসর মুহাম্মাদ আবদুর্রাহমান ইবনুল ইতাহ্হা’ ‘দাওলুল ইসলাম ফীল আন্দালুস'-এ পুরো বিবরণটিই উদ্ধৃত করেছেন। আমীর ইউসুফ বিন তাশফীন লিখেছেন:

'সৈন্য-সমাবেশ ঘটিয়ে আমরা আলফনসোর উদ্দেশে রওয়ানা হলাম এবং মুসলিম ভূমি কুরিয়ারি এলাকায় পৌঁছলাম। আমাদের আগমনের সংবাদ পেয়ে সে-ও ময়দানে এল এবং আমাদের অপেক্ষায় একটি বিস্তৃত প্রাঙ্গণে ছাউনি স্থাপন করল। কোরআনে বর্ণিত মহান আল্লাহ তাআলা’র শিক্ষা অনুযায়ী আমরা তাকে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বার্তা পাঠালাম এবং তাকে দ্বীনে মুহাম্মাদী গ্রহণ করার দাওয়াত দিলাম। অন্যথায় হীনবল হয়ে জিজিয়া প্রদান এবং অধিকৃত এলাকার দখল ছেড়ে দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামের বশ্যতা স্বীকার করতে বললাম। কিন্তু সে অস্বীকৃতি জানালো এবং উগ্রতা প্রকাশ করল। সে কুফরী ও ভ্রষ্টতার পথেই অগ্রসর রইল। এরপর সে আমাদের উদ্দেশে অগ্রসর হল এবং খ্রিস্টান জাতিকে আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য প্ররোচিত করল। সে তার সৈন্য-সামন্ত নিয়ে আমাদের ছাউনি থেকে কয়েক ক্রোশ দূরে ছাউনি স্থাপন করল। ময়দানে উপস্থিত থাকলেও পরবর্তী কয়েকদিন আমরা তাদের দিক থেকে সাড়া পেলাম না। এ সময় আমরা অগ্রবর্তী দল পাঠিয়ে তার গতিবিধির খোঁজখবর নিলাম। অবশেষে ৪৭৯ হিজরীর ১২ রজব বৃহস্পতিবার দিন আমরা তার সঙ্গে লড়াই করার সর্বশেষ প্রস্তুতি নিলাম এবং বাহিনী বিন্যাস করলাম।'

'শুক্রবার দ্বিতীয় প্রহরে হঠাৎ করেই খ্রিস্টান বাহিনীর সবগুলো অংশ দিগন্ত ছেড়ে আমাদের দিকে ধেয়ে এল। আত্মরক্ষার জন্য তারা নিজেদের শরীর বর্ম দ্বারা আবৃত করেছিল আর পায়ে বেঁধেছিল লোহার পাত। মদমত্ত খ্রিস্টান বাহিনী ভাবছিল, জয় তাদেরই হবে। সেদিন তো আমরা আপন আপন তাঁবুতে অবস্থান করছিলাম। সে মুহূর্তে আমরা সকলে ছিলাম উদাসীন ও অপ্রস্তুত। তারা পূর্ণ উদ্যমে ও প্রবল উৎসাহে ধেয়ে এল এবং আন্দালুসী বাহিনীর প্রধান মু'তামিদের ছাউনিতে হামলা করল, যেন তাদের লক্ষ্য কেবল মু'তামিদের সেনাদল। আমাদের সঙ্গী দাউদ তার সামনেই অবস্থান করছিলেন। পুরো খ্রিস্টান বাহিনী তাদের প্রভাবশালী অশ্বারোহী নিয়ে একযোগে মু'তামিদের সেনাদলের ওপর প্রবল ক্রোধে ঝাঁপিয়ে পড়ল। খ্রিস্টান বাহিনীর আক্রমণে মু'তামিদের সেনাদল দিশেহারা হয়ে পড়ল। তাদের অবস্থা এমন হল যেন কিছু শুনতে পাচ্ছে না, ভয়ে পাজর কম্পমান, হতভম্ব কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ভয়ে তারা অবস্থান ছেড়ে পালাল এবং আত্মরক্ষার জন্য কোনো দুর্গ তালাশ করতে লাগল। কিন্তু আল্লাহ ছাড়া কে আছে আশ্রয়দাতা! যুদ্ধক্ষেত্রের জটিল পরিস্থিতি দেখে তারা পালিয়ে বাতালইয়ুসে আশ্রয় নিল আর তাদের সেনাপতি মু'তামিদকে একাকী ফেলে রেখে গেল সামান্য কিছু পদাতিক সেনা ও তীরন্দাজ দলের সঙ্গে।'

'খ্রিস্টান বাহিনী মুসলিম বাহিনীর ওপর এমনভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ল, যেমন সিংহ ঝাঁপিয়ে পড়ে তার শিকারের ওপর। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কেবল মু'তামিদ ও তার সৈন্যরা পুরো খ্রিস্টান বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে গেল। যুদ্ধের সেই ঘোরতর পরিস্থিতিতে মু'তামিদ এমন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেন, যেন মৃত্যুর সাক্ষাৎ পেয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার লক্ষ্যের অবিচলতার কারণে আল্লাহ তাকে রক্ষা করলেন। দীর্ঘক্ষণ তিনি বীরের মতো লড়াই করে গেলেন। তার অশ্বারোহী সৈন্যরা কেউ ফিরল না, কেউ তার পক্ষ হয়ে প্রতিরোধও করল না। এরপর আলফনসোর বিশাল পাহাড়ের ন্যায় কালো সেনাদল আমাদের ছাউনি ও তাঁবু লক্ষ্য করে অগ্রসর হল। তারা এসব ছাউনির চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে লাগল এবং অনেককে হত্যা করল। আল্লাহর শোকর, যারা নিহত হলেন, সকলেই লাভ করলেন শহীদী মর্যাদা। আমরা তখনও আপন স্থানেই অবস্থান করছিলাম।'

'যখন আমাদের হস্তক্ষেপে সময় হল, আমরা গিরিপথের আড়াল থেকে উজ্জ্বল অগ্নিশিখার ন্যায় আরবী অশ্বে সওয়ার হয়ে আবারো অবারিত বেরিয়ে এলাম। মুস্তাইন বাহিনী যখন আমাদেরকে দেখল, তারা ভাবল, এই বুঝি তাদের তরবারির নতুন গ্রাস এসে গেছে! আমরা আল্লাহর নামে তাকবীর দিয়ে রণক্ষেত্র থেকে অগ্রসর হলাম এবং মর্যাদাপূর্ণ মৃত্যুর জন্য জেগে উঠলাম। আমরা পরস্পর বলাবলি করতে লাগলাম, দুনিয়াতে এটিই আমাদের শেষ দিন। সুতরাং সকলে শহীদী মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও। প্রতিপক্ষ ভীড়ের ন্যায় আমাদের দিকে ছুটে এল। আল্লাহ তায়ালা আমাদের দৃঢ়পদ রাখলেন এবং আমাদের অন্তরে শক্তি যোগালেন। আমাদের প্রবল আক্রমণে খ্রিস্টান সৈন্যরা রণভঙ্গ দিয়ে পালাতে লাগল। আল্লাহর কী কুদরত! তাদের অধিকাংশ কোনো তরবারি বা বর্শার আঘাত ছাড়াই মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। ভীড় তাদের হস্তচালনার শক্তি কেড়ে নিল। আমরা বর্শা দিয়ে তাদের আঘাত করতে লাগলাম। সুপ্রশস্ত পৃথিবী যেন হঠাৎ করেই তাদের জন্য সংকীর্ণ হয়ে গেল। দিগ্বিদিক হারিয়ে পলায়নরত খ্রিস্টান সেনাদের অবস্থা এমন ছিল যে, সামনে যা-ই পাচ্ছে, তাকেই মুসলিম সৈন্য ভেবে কেঁপে উঠছে! মুসলিম বাহিনীর তরবারির আঘাতে খ্রিস্টান বাহিনীতে রক্তের বন্যা বয়ে গেল।'

'আমরা আমাদের সুরক্ষিত ও তেজী আরবী ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধ করছিলাম। আমাদের প্রত্যেকের তরবারির খাপে ছিল দুটি তরবারি আর হাতে ছিল তৃতীয় আরেকটি। যাই হোক, খ্রিস্টান সৈন্যদের ভূপাতিত মৃতপ্রায় দেহগুলো মাটিতে গড়াগড়ি খেতে লাগল। পলায়নপর মুসলিম সৈন্যরা ফিরে আসতে লাগল। আমাদের প্রতিটি ছাউনি আবার পূর্ণ হল। খ্রিস্টান বাহিনীর দু’ হাজার বা তারও কম সৈন্য বাঁচতে পেরেছিল। আমরা জানতে পেরেছি, বেঁচে যাওয়ার মধ্যে আলফনসো ছিল। আহত ও দুর্বল অবস্থায় তারা তাদের ছাউনিতে অবস্থান করল এবং পলায়নের জন্য রাতের অন্ধকারের অপেক্ষা করছিল। আল্লাহর কসম! আমাদের পদাতিক ও অশ্বারোহী সৈনিকগণ তাদের ছাউনিতে প্রবেশ করে তাদের আসবাব-পত্র, সহায়-সম্বল তুলে নিচ্ছিল আর তারা এমনভাবে তাকিয়ে ছিল, যেভাবে ছাগল তাকিয়ে থাকে কসাইয়ের ছুরির দিকে। রাত যখন গভীর হল, তারা লাঞ্ছিত অবস্থায় পালাতে লাগল। কত বর্ম মাটিতে পড়ে ছিল! কত ঘোড়া হাঁটু গেঁথে মাটিতে বসে ছিল! তারা পালিয়ে প্রথমে কুরিয়ারে আশ্রয় নিল, এরপর যেখান থেকে এসেছিল সেখানে চলে গেল। আমরা আমাদের সৈন্যদের পুনর্গঠন করে নিলাম এবং মু’তামিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা পোষণ করলাম। আল্লাহ সাহায্য করায় তারই শোকর আদায় করতে করতে বিজয়ী বেশে আমরা প্রত্যাবর্তন করলাম। এ যুদ্ধে আমরা আমাদের এমন তিনজন বীর যোদ্ধাকে হারিয়েছি, যাদের বীরত্বের খ্যাতি পুরো মাগরেব জুড়ে ছিল। এরপর আমরা সেভিলে মু’তামিদের রাজধানীতে ফিরলাম এবং সেখানে তার আতিথ্য গ্রহণ করলাম।'

টিকাঃ
১. আ'মালুল আ'লাম, তৃতীয় খণ্ড, পৃ: ২৩৯।
১৩. আলসরাফ আদনা বা নিম্ন সীমার অঞ্চলের একটি এলাকা।
১৪. মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইনান, দাওলাতুল ইসলাম ফিল আন্দালুস, ৫/৪৯৪।

📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 চাই না কোন প্রতিদান, চাই না কৃতজ্ঞতা

📄 চাই না কোন প্রতিদান, চাই না কৃতজ্ঞতা


যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মুসলিম বাহিনী প্রচুর যুদ্ধলব্ধ সম্পদ একত্র করল। কিন্তু ইউসুফ বিন তাশফীন এক্ষেত্রে সত্যতা ও একনিষ্ঠতার উজ্জ্বল ও গৌরবময় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। বিশেষভাবে বিভক্ত মুসলিম আন্দালুসের শাসকবর্গসহ সকল আন্দালুসবাসীর সামনে নির্মোহতার অনন্য এক প্রায়োগিক নমুনা স্থাপন করে তিনি পুরো গনীমতের সম্পদ আন্দালুসবাসীকে প্রদান করলেন। নির্তেজাল তাকওয়ার চরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করে তিনি ফিরে গেলেন মাগরেবে। এাবস্থায় তিনি আন্দালুসবাসীকে বলে গেলেন,
'আমরা তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না এবং কৃতজ্ঞতাও না।' [সুরা দাহর : ০৯]

মাক্কারী রহ. ‘নাফ্ফুত্ ত্বীব’ গ্রন্থে লিখেছেন, মুসলিম বাহিনী যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর চারদিন সেখানেই অবস্থান করল এবং যুদ্ধলব্ধ সকল সম্পদ একত্রিত করা হল। আমীর ইউসুফ বিন তাশফীনকে এগুলো বণ্টনের অনুরোধ করা হলে তিনি তা থেকে সামান্যও গ্রহণ করলেন না; বরং আন্দালুসের রাজন্যবর্গকে অগ্রাধিকার দিলেন। তিনি তাঁদের জানিয়ে দিলেন, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর পথে লড়াইয়ের আজরে আযীম ও চিরস্থায়ী সওয়াব অর্জন; অন্য কিছু নয়। রাজন্যবর্গ যখন ইউসুফ বিন তাশফীনের এই উদারতা ও পরার্থপরায়ণতা প্রত্যক্ষ করল, তখন তাঁর প্রতি তারা শ্রদ্ধাবনত হল এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করল।

মাগরেবে ফিরে আসার পূর্বে ইউসুফ বিন তাশফীন বিভক্ত মুসলিম আন্দালুসের শাসকবর্গকে একত্র করে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং হানাহানি ও সংঘাত পরিহার করার নির্দেশ দিলেন, যেন তাদের অনৈক্যের কারণে এই মহান বিজয়ের সুফল বিনষ্ট না হয়। এরপর এই জবরদস্ত মুসলিম বীর ফিরে গেলেন নিজ দেশে। এ সময় তাঁর বয়স ছিল ঊনআশি বছর! তিনি চাইলেই পারতেন নির্জন মরুভূমি ও উত্তাল সাগর পাড়ি দেওয়ার কষ্ট সহ্য না করতে। চাইলেই পারতেন যুদ্ধক্ষেত্রের দুর্যোগ ও রক্তপাত থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে। কিন্তু তিনি এই বয়সেও খুব কঠিন সব বাধাকে জয় করেছেন, তৌহিদী চেতনাকে লালন করেছেন এবং অশ্বের পিঠে চড়ে রণাঙ্গনে ছুটে বেড়িয়েছেন। তাঁর চেতনা ও প্রেরণা ছিল—তুচ্ছ লক্ষ্য অর্জনে ভোগ করা মৃত্যুর স্বাদ তো গুরুত্বপূর্ণ কোন মিশন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে লাভ করা মৃত্যু-স্বাদের তুলনায় ভিন্ন কিছু নয়।

টিকাঃ
১৫. মাক্কারী, নাফফুত্ ত্বীব, ৪/৩৯৯।

📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 মু’তামিদ বিন আব্বাদ ও আল্লাহর পথের সৈনিকের মর্যাদা

📄 মু’তামিদ বিন আব্বাদ ও আল্লাহর পথের সৈনিকের মর্যাদা


যাল্লাকার যুদ্ধের জ্ঞানী-গুণী, প্রতিভাশালী আলিমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকেই শহীদ হয়েছিলেন। যেমন, নবীজীকে স্বপ্নে দেখা ইবনে রুমাইলা, মারাকেশের কাজী আবু মারওয়ান আবদুল মালিক প্রমুখ। আল্লাহ তাআ’লা তাদের সকলকে রহমতের বারিধারায় সিক্ত করুন। যুদ্ধ শেষে মু’তামিদ বিন আব্বাদ যখন সেভিলে প্রত্যাবর্তন করলেন, উৎসাহী জনতার ভিড় যেন উপচে পড়ছিল। সবাই তাকে বিজয়ের অভিনন্দন জানাচ্ছিল। কাজী সাহেবগণ কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন, কবিগণ তার শানে রচিত কবিতা পাঠ করছিলেন।

আবদুল জলিল বিন ওয়ারদুন রহ. বলেন, 'সেদিন আমিও মু’তামিদের সংবর্ধনা-অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম এবং তার সামনেই পাঠ করব বলে মনের মাধুরি মিশিয়ে অতি চমৎকার একটি কবিতা রচনা করলাম। এমন সময় আমি কাজী সাহেবকে তেলাওয়াত করতে শুনলাম—তোমরা যদি তাকে সাহায্য না কর, তবে (তাতে তার কোন ক্ষতি নেই। কেননা,) আল্লাহই তার সাহায্য করেছেন। [সুরা তাওবা : ৪০] এ আয়াত শুনে আমি জনতাকে বলে উঠলাম, চুপচাপ থাক আমার কবিগণ। কোরআনের এই চিরন্তন আয়াত তো আমার জন্য উপস্থাপন করার মতো কিছুই বাকি রাখেনি!'

যুদ্ধে মু’তামিদের বীরত্ব ও রণনৈপুণ্যের খ্যাতি সবার মুখে ছড়িয়ে পড়ল এবং তার গৌরব ও মর্যাদা বিস্তৃত হল। তিনি লাভ করলেন জনমানুষের হৃদয়ের আসন এবং শাসকবর্গের সম্মান। রাজদরবারগুলো থেকে সবাই তাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠাল। পরবর্তী সময়ে ইউসুফ বিন তাশফীনের সঙ্গে তিনি যে ব্যতিক্রমী আচরণ করেছিলেন, তার পূর্ব পর্যন্ত তিনি সকলের কাছে মাননীয় ও সম্মানিত ছিলেন।

টিকাঃ
১১. পূর্বলিখিত শ্লোকটি নেওয়া হয়েছে ‘দিওয়ানুল মু’তামিদ’ হতে।
১২. বুখারী, তারাজুমুল রি’তার, পৃঃ ২২০, মাক্কারী, নাফহুত তীব, ৪/৩৩৯ ও আলনাসিরী, আলইস্তিকছা, ২/৪৮।
৮৯. হিময়ারী, আররাওয়াতুল মি’তার, পৃ: ২৪২, মাক্কারী, নাফহুত তীব, ৪/৩৭০ ও আলনাসিরী, আলইস্তিকছা, ২/৫০।

ফন্ট সাইজ
15px
17px