📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 কর্ডোভা এক সর্বাধুনিক নগরী

📄 কর্ডোভা এক সর্বাধুনিক নগরী


হিজরী চতুর্থ শতাব্দীতে কর্ডোভা ছিল একটি অত্যাধুনিক ও সমৃদ্ধ নগরী। এখানে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠাগার ছিল। কর্ডোভার প্রতিটি নাগরিক লিখতে ও পড়তে জানতেন, অথচ তৎকালীন ইউরোপের মানুষ ছিল নিরক্ষর। নগরীর প্রশাসনব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। বিচারব্যবস্থা, পুলিশ প্রশাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ছিল উন্নত। কর্ডোভায় চামড়া শিল্প, বস্ত্র শিল্প ও অস্ত্র তৈরির কারখানা ছিল জগৎবিখ্যাত। পুরো নগরী পাঁচটি উপশহরে বিভক্ত ছিল এবং প্রত্যেকটি উপশহর ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। কর্ডোভার জনসংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ লক্ষ, যেখানে বর্তমানে এর জনসংখ্যা মাত্র তিন লক্ষ দশ হাজারের কাছাকাছি।

টিকাঃ
৪৩৭. আল-মুয়াম্মাদ বিন আল-আন্দালুসী, সুহুন আল’আলম, ৫/২১৮।
৪৩৮. মাক্কারী, নাফহুত তীব, ১/৩৬৮।
৪৩৯. মাক্কারী, মু’জামুল বুলদান, ৪/৫২৪।
৪৪০. মাক্কারী, নাফহুত তীব, ১/৪৫০।
৪৪১. উইকিপিডিয়া তথ্যসূত্র।

📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 আলিমসমাজ ও কবি-সাহিত্যিকদের চোখে কর্ডোভা

📄 আলিমসমাজ ও কবি-সাহিত্যিকদের চোখে কর্ডোভা


কর্ডোভা সম্পর্কে ঐতিহাসিক ও পর্যটকদের প্রশংসা অতুলনীয়। ৩৬০ হিজরীতে পর্যটক ইবনে খাওকাল কর্ডোভা সফর করে এর তুলনা বাগদাদের সঙ্গে করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, আন্দালুসের সবচেয়ে বড় ও সমৃদ্ধ নগরী হলো কর্ডোভা। ঐতিহাসিক ইদ্রীসী বলেছেন, কর্ডোভা হলো আলেম, জ্ঞানী-গুণী ও সফল ব্যক্তিদের আবাসস্থল। এখানকার মানুষ অত্যন্ত মার্জিত ও সুরুচিবান। ঐতিহাসিক ইবনে বাসসাম লিখেছেন, কর্ডোভা হলো জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র এবং শ্রেষ্ঠ প্রতিভাদের জন্মভূমি। এখানকার জল-বায়ু ও পরিবেশে কবিত্ব ও জ্ঞানচর্চার অপূর্ব সুযোগ ছিল। ঐতিহাসিক ইবনুল ওয়ারাদী বলেছেন, কর্ডোভার সৌন্দর্য ও এখানকার জ্ঞানী-গুণীদের অবদানের কথা বলে শেষ করা সম্ভব নয়। এটি প্রকৃতপক্ষেই ছিল সমকালীন বিশ্বের একটি রত্নখণ্ড।

টিকাঃ
৪৪২. ইয়াকুতু আল-হামাবী, মু’জামুল বুলদান, ৫/৬২৮।
৪৪৩. আল-মুয়াম্মাদ বিন আল-আন্দালুসী, সুহুন আল’আলম, ২/২৭৩।
৪৪৪. মুয়ম্মাদ বিন আহমাদ আল-কাসাস।
৪৪৫. আল-ফারাবী, আল-আরা আল-ফারাবিয়া, ৪/৩৪৩।
৪৪৬. আল-আরা আল-ফারাবিয়া, ৫/২৭৮।
৪৪৭. ইবনে খালদুন, ১/১০০।
৪৪৮. বনী-উমাইয়া তথা আল-আন্দালুস, পার্ট-১, পৃ: ১২।

ফন্ট সাইজ
15px
17px