📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 ক্যাস্টেলা

📄 ক্যাস্টেলা


হাজিব আলমানসুরের সময় ক্যাস্টেলা (Castile) রাজ্য বারবার মুসলিম বাহিনীর অভিযানের শিকার হয়। ৩৯৬ হিজরীর শুরুর দিকে আলমানসুর ক্যাস্টেলার ওপর আক্রমণ চালান। পরের বছর তিনি পুনরায় ক্যাস্টেলার অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করেন এবং সালামানকা নগরী দখল করে নেন। এ অভিযানের মাধ্যমেই আলমানসুরের উত্তরের খৃষ্টান রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক 'ধারাবাহিক যুদ্ধাভিযান'-এর সূচনা হয়, যা তাঁর মৃত্যু অবধি অব্যাহত ছিল। ক্যাস্টেলার রাজা ফার্নান্দো আলমানসুরের প্রতাপে ভীত ছিলেন এবং সন্ধি ও জিযিয়া প্রদানের মাধ্যমে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেন।

📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 লিওন

📄 লিওন


লিওনের নৃপতি তৃতীয় রোমেরো আলমানসুরের বিরুদ্ধে সেনাপতি গালিবের সাথে বিদ্রোহের সময় তাঁকে নিজ বাহিনীর কিছু সৈন্য দিয়ে সহায়তা করেছিলেন। হাজিব আলমানসুর এর যোগ্য জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং ৩৭১ হিজরীতে (৯৮১ খৃষ্টাব্দে) সেন্ট মার্কি নামক স্থানে সংঘটিত যুদ্ধে খৃষ্টানদের সম্মিলিত বাহিনীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেন। এ যুদ্ধে পরাজয়ের পর লিওন সাম্রাজ্যের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ রোমেরোকে রাষ্ট্রশাসনের অনুপযুক্ত মনে করে অপসারণ করেন এবং তাঁর স্থলে দ্বিতীয় বার্মুডোকে ক্ষমতায় বসান। বার্মুডো এক পর্যায়ে আলমানসুরের আনুগত্য স্বীকার করে জিযিয়া প্রদানের অঙ্গীকার করেন এবং লিওন রাষ্ট্র মুসলিম আন্দালুসের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়।

📘 আন্দালুসের ইতিহাস 📄 নাফার

📄 নাফার


নাফার বা নাভারা রাষ্ট্রের অবস্থান ছিল মুসলিম আন্দালুসের উত্তর সীমান্তে। আলমানসুরের শাসনামলে এই রাষ্ট্রটিও মুসলিম শক্তির প্রবল দাপটের সামনে নত হতে বাধ্য হয়। নাফার-নৃপতি স্যানচো আলমানসুরের সঙ্গে এই শর্তে চুক্তি করেছিলেন যে, তিনি নিয়মিত জিযিয়া প্রদান করবেন এবং কোনো মুসলমানকে তাঁর রাজ্যে বন্দী করবেন না। যখনই তারা এই চুক্তি ভঙ্গ করেছে, আলমানসুর কঠোর সামরিক অভিযান চালিয়ে তাদের বশীভূত করেছেন। নাফার-রাজ দরবার থেকেও বহু প্রতিনিধিদল উপহার নিয়ে কর্ডোভায় আলমানসুরের দরবারে হাজির হতো।

ফন্ট সাইজ
15px
17px