📘 আমি বারো মাস তোমায় ভালবাসি 📄 জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ

📄 জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ


জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহ্ : আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালাকে ভালোবাসার আর একটি নিদর্শন হলো, জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহ্।

জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহর অর্থ হলো আল্লাহর জমীনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং আল্লাহ অপছন্দনীয় কাজ। কুফর, ফিসক এবং আল্লাহরোহিতা ও নাফরমানিকে মিটিয়ে দেবার জন্য নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা সাধনা করা।

উপরোক্ত আয়াতে আল্লাহ আল্লাহর রাসূলও জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহ থেকে যারা নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদকে বেশি ভালোবাসে তাদেরকে কঠিন ধমক দিয়েছেন।

* এ ব্যাপারে রাসূল (সঃ) বলেন-“যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবেসেছে। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কারো সাথে শত্রুতা করেছে আল্লাহর জন্যই দান করেছে। আবার আল্লাহর কারণেই দান করা থেকে বিরত থেকেছে। সে ব্যক্তি ঈমানকে কানায় কানায় পূর্ণ করেছে। (আবু দাউদ)

* ঈমানের সব চেয়ে মজবুত রজ্জু হলো মানুষ আল্লাহর জন্যই ভালোবাসবে এবং আল্লাহর জন্যই শত্রুতা পোষণ করবে। (বুখারী)

আল্লাহর রাসূলের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী যারা আল্লাহকে ভালোবাসে আল্লাহও তাদের ভালোবাসেন। বান্দার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। হাদীসে কুদসীতে আছে-

* যে ব্যক্তি আমার দিকে এক বিঘত পরিমাণ এগিয়ে আসে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যে আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে আমি তার দিকে এক গজ এগিয়ে আসি। যে আমার দিকে হেঁটে আসে আমি তার দিকে দৌড়ে আসি।

জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহ-এর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার নামই আল্লাহর দিকে আসা। আল্লাহ তাদের মেহমানদারীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছেন। আর জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহকে তিনি ব্যবসায়ের সাথে তুলনা করেছেন।

আল্লাহ বলেন-“হে ঈমান আনয়নকারী লোকেরা! আমি কি তোমাদের এমন ব্যবসায়ের কথা বলব, যা তোমাদেরকে পীড়াদায়ক আযাব থেকে রক্ষা করবে?

তোমরা ঈমান আন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি। আর জিহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল-সম্পদ ও নিজেদের জান-প্রাণ দ্বারা। ইহাই তোমাদের জন্য অতিব উত্তম। যদি তোমরা জান।

আল্লাহ তোমাদের গুনাহখাতা মাফ করে দেবেন। এবং তোমাদের এমন সব বাগানে প্রবেশ করাবেন যে সবের নিচ দিয়ে ঝর্ণা ধারা সদা প্রবাহিত। এবং চিরকাল অবস্থিতির জান্নাতে।

অতীব উত্তম ঘর তোমাদের দান করবেন। ইহা বড় সাফল্য। (সূরা সফ : ১০-১২)

📘 আমি বারো মাস তোমায় ভালবাসি 📄 ভালোবাসার প্রমাণ

📄 ভালোবাসার প্রমাণ


ভালোবাসার প্রমাণ : ভালোবাসি বল্লেই ভালোবাসা হয় না। আল্লাহ ভালোবাসার প্রমাণ চান

আল্লাহ বলেন-“লোকেরা কি মনে করে নিয়েছে আমরা ঈমান এনেছি। এইটুকু বল্লেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে? আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না? অথচ আমি তো তাদের পূর্বে অতিক্রান্ত সকল লোককেই পরীক্ষা করেছি। আল্লাহকে তো অবশ্যই দেখে নিতে হবে, কে সত্যবাদী আর কে মিথ্যাবাদী।

হযরত কা’ব আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে মনে-প্রাণেই ভালোবাসতেন। শুধু একবার প্রকাশ্য জিহাদে হাজির হতে গাফলতি করেছিলেন তাই তাকে পঞ্চাশ দিনের এক কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছিল। হযরত কা’ব মুমিন ছিলেন বলেই দুনিয়াতেই তাকে পরীক্ষা এবং শাস্তি দিয়ে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তার তাওবা কবুল করে নিয়েছেন। হযরত কা’বের মতো একই অপরাধ আরও কয়েক জনেই করেছিলেন। যারা মুনাফিক তারা বিভিন্ন মিথ্যা অজুহাত দেখিয়ে দুনিয়াতে রেহাই পেয়েছিল ঠিকই কিন্তু আখেরাতে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

📘 আমি বারো মাস তোমায় ভালবাসি 📄 হযরত কা'ব (রাঃ)-এর ঘটনা

📄 হযরত কা'ব (রাঃ)-এর ঘটনা


হযরত কা’বের মতো আরও দুইজন সাচ্চা দিল সাহাবী দুনিয়ার শাস্তি মাথা পেতে নিয়েছিলেন। হযরত কা’ব বিন মালিক (রাঃ) ভাষাতে সেই কাহিনী নিম্নরূপ :

হযরত কা’ব-এর ঘটনা

হযরত মুহাম্মদ (সঃ) যখন তাবুক অভিযানের উদ্দেশ্যে মুসলমানদেরকে তৈরি করছিলেন তখন আমি তাঁর সাথে চলার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু তারপর গাফলতি করতে লাগলাম। মনে মনে ভাবলাম “এতো তাড়াহুড়ার কি আছে? সময় যখন আসবে তৈরি হতে দেরী হবে না।” এইভাবে ব্যাপারটা পিছিয়ে যেতে লাগলো। এমন কি যখন সবাই রওনা হলো, তখন আমি সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত ছিলাম। ভাবলাম সৈন্যরা চলে যাক, আমি দু’ একদিনের মধ্যে রওনা করেও কাফেলার সঙ্গে গিয়ে মিলিত হতে পারব। মোটকথা এমনি গাফলতির মধ্যেই সময় চলে গেলো। আমিও আর যেতে পারলাম না।

অবশেষে যখন দেখতে পেলাম যে, যাদের সাথে আমি পেছনে পড়ে রয়েছি, তারা হয় মুনাফিক আর না হয় এমন দুর্বল যে আল্লাহই তাদের অক্ষম করে রেখেছেন। তখন আমার অসম্ভব খারাপ লাগতে লাগলো। নিজের সম্পর্কে আমার অত্যন্ত আফসোস হলো।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অভিযান থেকে ফিরে এসেই অভ্যাস মতো মসজিদে গিয়ে দু’রাকায়াত নামায পড়লেন। অতঃপর লোকেদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য বসলেন। এবার মুনাফিরা এসে তাদের ওজর পেশ করতে লাগলো। তারা কসম করে তাদের অক্ষমতা সম্পর্কে হযরত মুহাম্মদ (সঃ) নিশ্চয়তা প্রদান করতে লাগলো। এরূপ লোকের সংখ্যা আশির চেয়েও কিছু বেশি ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের সমস্ত মনগড়া কথা শুনলেন এবং তাদের প্রকাশ্য ওজর কবুল করে তার গোপন রহস্য আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেন। এভাবে তাদের মাফ করে দেওয়া হলো।

এরপর এলো আমার পালা। আমি সামনে গিয়ে সালাম নিবেদন করলাম আল্লাহর রাসূল আমার দিকে তাকিয়ে একটু মুচকি হাসলেন এবং বললেন-“বলো কি জিনিস তোমাকে বিরত রেখেছিল? আমি বললাম-আল্লাহর কসম, আমি যদি কোনো দুনিয়ারের সামনে হাযির হতাম তো অবশ্যই কোনো না কোনো মনগড়া কথা বলে তাকে রাজী করিয়ে নিতাম। কিন্তু আপনার সম্পর্কে তো এই ঈমান পোষণ করি যে এখন যদি কোনো বানোয়াট কথা বলে আপনাকে রাজী করিয়ে নেই তাহলে আল্লাহ অবশ্যই আমার প্রতি আপনাকে নারাজ করে দেবেন। কাজেই সত্য কথা বললে আপনি যদি অসন্তুষ্টও হন তবুও আশা করবো আল্লাহ আমার ক্ষমার জন্য কোনো না কোনো উপায় বের করে দেবেনই। সত্য কথা এই যে, আপনার কাছে উপস্থাপন করার মতো কোনো ওজরই আমার নেই। আমি অভিযানে যেতে পুরোপুরি সমর্থ ছিলাম।

এরপর হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-“এ লোকটি নিশ্চয়ই সত্য বলেছে। আচ্ছা উঠে যাও এবং আল্লাহ তা’য়ালা তোমাদের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত করা পর্যন্ত অপেক্ষা করো।”

আমি উঠে গিয়ে আপন গোত্রের লোকেদের সাথে বসলাম। অতঃপর আমার ন্যায় আরো দু’ব্যক্তি মুরারা বিন রাবী এবং হিলাল বিন উমাইয়াও একই রূপে সত্য কথা বললো।

এরপর আমাদের সাথে কারো কথাবার্তা না বলার জন্য নবী (সঃ) নির্দেশ দিলেন। এর ফলে অপর দুই ব্যক্তি ঘরেই বসে রইল। কিন্তু আমি বাইরে বের হতাম। জামায়াতের সাথে নামাজ পড়তাম, বাজারে চলাফেরা করতাম। কিন্তু কেউ আমার সাথে কথা বলত না। আমার মনে হতো দুনিয়াটা যেন একদম বদলে গেছে। আমি একজন নবাগত, এখানে আমার কেউ পরিচিত নয়। মসজিদে নামাজ পড়তে এলে নবী করীম (সঃ)-কে সালাম করতাম এবং জবাবের জন্যে তাঁর ওষ্ঠদ্বয় নড়ে কিনা, তা দেখবার জন্য শুধু ইন্তেজার করতাম। রাসূল (সঃ) আমার দিকে কিরূপ দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন তা দেখার জন্য নামাজের মধ্যে আড়চোখে দেখতাম। আমি যতক্ষণ নামাজ পড়তাম রাসূল (সঃ) আমার দিকে চেয়ে থাকতেন। যখনই আমি সালাম ফিরাতাম তখন আমার দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতেন।

একদিন আমি ভয়ে ভয়ে চাচাত ভাই ও বাল্য বন্ধু আবু কাতাদার কাছে গেলাম। তার বাগানের প্রাচীরের উপর ওঠে তাকে সালাম করলাম। কিন্তু আল্লাহর এই বান্দা সালামের জবাবটি পর্যন্ত দিলো না। আমি বললাম-আবু কাতাদাহ আমি তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি-আমি কি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে ভালোবাসি না? সে নিরুত্তর রইল। আবার জিজ্ঞেস করলাম। এবারও সে নিরুত্তর রইল। তৃতীয়বারে শুধু এটুকু বলল-“আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।

এতে আমার চক্ষু দিয়ে অশ্রু বেরিয়ে এল। প্রাচীর থেকে নেমে এলাম।

একদিন বাজারের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় সিরিয়ার একটি লোক আমাকে শাহ গাসবানের খামে পোরা একটি চিঠি দিলো, আমি খুলে পড়লাম। তাতে লেখা ছিলো-আমরা শুনেছি তোমাদের সাহেব তোমার উপর ভীষণ উৎপীড়ন চালাচ্ছে। তুমি কোনো ইতর লোক নও অথবা নষ্ট করে ফেলার উপযোগী লোকও নও। তুমি আমাদের কাছে এসো, আমরা তোমার কদর করবো।

আমি বললাম-এ আর এক বিপদ দেখছি। তক্ষুণি চিঠিখানি চুলায় নিক্ষেপ করলাম।

চল্লিশ দিন এমনিভাবে অতিক্রম করার পর নবী করীম (সঃ) এর আদেশ এলো-“আপন স্ত্রী থেকে আলাদা হয়ে যাও।’ জিজ্ঞেস করলাম তাকে কি তালাক দিয়ে দেব?

জবাব পেলাম-‘না শুধু আলাদা থাকো’ আমি আমার স্ত্রীকে তার পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দিলাম এবং বললাম, এ ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলার কোনো সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত ইন্তেজার করো।

পঞ্চাশতম দিন সকালে নামাযের পর আমি আপন গৃহের ছাদের ওপর বসেছিলাম এবং নিজের জীবনকে ধিক্কার দিচ্ছিলাম, এমনি সময় এক ব্যক্তি আমায় উপর্যুপরি ডেকে ডেকে বলল-“মুবারক হোক কাব বিন মালিক।’ আমি একথা শুনেই সিজদায় গেলাম। তারপর জানতে পারলাম আমার জন্য ক্ষমার হুকুম এসেছে। এরপর দলে দলে লোক ছুটে আসতে লাগলো এবং একজন অন্যজনের আরো আগে এসে আমায় এই বলে মুবারকবাদ দিতে লাগলো যে, তোমার তওবা কবুল হয়েছে। আমি উঠে সোজা মসজিদে নববীর দিকে গেলাম। দেখলাম নবী করীম (সঃ)-এর মুখমণ্ডল খুশিতে ঝলমল করছে।

আমি সালাম করতেই তিনি বললেন-“তোমার মোবারক হোক, এই দিনটি তোমার জীবনের সবচেয়ে উত্তম দিন। আমি জিজ্ঞেস করলাম-“এই ক্ষমা কি হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর তরফ থেকে না আল্লাহর তরফ থেকে? তিনি বললেন, আল্লাহর তরফ থেকে। সেই সঙ্গে আল-কুরআনের তওবা সংক্রান্ত আয়াতটিও পড়ে শোনালেন।

আমি বললাম-“হে আল্লাহর রাসূল! আমার তওবার মধ্যে আমার সমস্ত ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে সদকা করে দেওয়ার কথাও শামিল রয়েছে। তিনি বললেন, “কিছু রেখে দাও এটা তোমার জন্য উত্তম হবে। আমি তার নির্দেশ মতো খায়বরের অংশটি রেখে বাকী সব সদকা করে দিলাম। অতঃপর আমি আল্লাহর কাছে এই মর্মে প্রতিজ্ঞা করলাম যে সত্যের বদলে আল্লাহ আমায় ক্ষমা করলেন তার উপর সারা জীবন আমি অবিচল থাকব।”

📘 আমি বারো মাস তোমায় ভালবাসি 📄 ভালোবাসার পরীক্ষা

📄 ভালোবাসার পরীক্ষা


ভালোবাসার পরীক্ষা

ভালোবাসার এই পরীক্ষা কম-বেশি করে আল্লাহর সব বান্দাকেই দিতে হয়েছে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ, স্ত্রী-পুত্র পরিত্যাগ, কিশোর পুত্রকে কুরবানী করার নির্দেশ দানের মাধ্যমে আল্লাহ ইব্রাহিম (আঃ)-কে পরীক্ষা করেছেন। বিভিন্ন পদ্ধতিতে নবী-রাসূল সবাইকেই ভালোবাসার পরীক্ষা দিতে হয়েছে। সাহাবীদের দিতে হয়েছে। যেই আল্লাহ এবং তার রাসূলকে ভালোবাসার দাবী করবে, তাকেই পরীক্ষা দিতে হবে।

ভালোবাসার তিনটি পর্যায়-অন্তরে ভালোবাসা, মুখে স্বীকার করা আর কার্যে তার প্রমাণ দেয়া। অন্তরে ভালোবাসলে আর মুখে স্বীকার করলেই আল্লাহ সেই ভালোবাসা কবুল করেন না। রাসূল (সঃ) এর পূর্ণ আনুগত্য এবং জিহাদ ফি-সাবিলিল্লাহ বা ইসলামী আন্দোলনে পরিপূর্ণ শরীক হয়ে সেই ভালোবাসার প্রমাণ দিতে হবে।

হযরত কা’ব অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসতেন মুখে স্বীকার করতেন শুধু বাস্তবে প্রমাণ দিতে একবার গাফলতি করেছিলেন। তারপরই তার উপর আসে কঠিন পরীক্ষা। বুদ্ধিমান বিচক্ষণ হযরত কা’ব (রাঃ) বুঝতে পেরেছিলেন একবার গাফলতি করে যে সর্বনাশ করেছি-সেই সর্বনাশের মাত্রা আর বৃদ্ধি করা যাবে না। তাই তো নিজের ভুল স্বীকার করে মাথা পেতে নিয়েছেন কঠিন দণ্ড। এক চুলও বিচ্যুতি হননি আদর্শ থেকে। নিজের ধন-সম্পদ নজরানা দিয়েছেন কাফফারা স্বরূপ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px