📄 আবু জাহেলের সাথে
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন— فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ - إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْজِئِينَ . الَّذِينَ يَجْعَلُونَ মَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ . 'অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরোয়া করবেন না। বিদ্রুপকারীদের জন্য আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট, যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্বর তারা জেনে নেবে।' [সুরা হিজর : ৯৪-৯৬]
এই উম্মাতের ফেরাউন আবু জাহেলের সাথে যা ঘটেছে তার কিছু উদাহরণ— আবু জাহেল ছিল চরম পর্যায়ের অহংকারী। একদিন সে কাবাচত্বরে তার সাথিদের কাছে গিয়ে বলল, 'মুহাম্মদ কি তোমাদের সামনে নিজের দাপট প্রতিষ্ঠিত করবে?' তারা বলল, 'হ্যাঁ।' আবু জাহেল রাগান্বিত হয়ে বলল, 'লাত ও উজ্জার শপথ, যদি মুহাম্মদকে এমন করতে দেখি, তাহলে তার ঘাড়ে পা দিয়ে চাপা দেব।' আবু জাহেল ধ্বংস হোক! তার চরিত্র কতই না নিকৃষ্ট!
কিছুদিন পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশান্ত চিত্তে হেঁটে হেঁটে কাবাচত্বরের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাকবির বলে নামাজ আরম্ভ করলেন। এরপর সিজদাবনত হয়ে অনুনয়-বিনয় করে স্বীয় রবকে ডাকতে লাগলেন। এই দৃশ্যটি অন্যদের তুলনায় আবু জাহেলের বীরত্বের জন্য আকস্মিক চ্যালেঞ্জ ছিল। আবু জাহেল দম্ভভরে মাটিতে পা ফেলে এগিয়ে চলল। সে চিন্তা করল, অবশ্যই নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাঁধে পা দিয়ে মাড়াতে সফল হবে! আবু জাহেল নবিজির দিকে এগিয়ে যেতেই হঠাৎ চিৎকার করে পেছনের দিকে সরে এল এবং দু-হাত দিয়ে সামনের দিক থেকে আসা কি যেন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। মনে হচ্ছিল আগুন বা কষ্টদায়ক কিছু তাকে আঘাত করছে।
সে মাথা নিচু করে সাথিদের কাছে গেল। চেহারা ছিল বিবর্ণ। সাথিরা তার দিকে তাকিয়ে বলল, 'কী হয়েছে তোমার?' আবু জাহেল ঘাবড়ানো অবস্থায় বলল, 'আমার ও মুহাম্মদের মাঝে আগুনের গর্ত ছিল, তার সুড়ঙ্গ এবং শাখা-প্রশাখা ছিল।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ শেষ করে বললেন, 'আবু জাহেল যদি আমার কাছে আসত, ফেরেশতাগণ তার একেকটা অঙ্গ ছিঁড়ে ফেলত।'
তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ করেছেন- أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى - عَبْدًا إِذَا صَلَّى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ عَلَى الْهُدَى - أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَدَّبَ وَتَوَلَّى - أَلَمْ يَعْلَمُ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَى - كَلَّا لَئِنْ لَمْ يَنْتَهِ لَنَسْفَعَنْ بِالنَّاصِيَةِ - نَاصِيَةٍ كَاذِبَةٍ خَاطِئَةٍ - فَلْيَدْعُ نَادِيَة - সَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ - كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبُ . 'আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে এক বান্দাকে, যখন সে নামাজ পড়ে? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে সৎপথে থাকে অথবা আল্লাহভীতি শিক্ষা দেয়? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়? সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন? কখনোই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই, মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ। অতএব, সে তার সভাসদদের আহ্বান করুক, আমিও আহ্বান করব জাহান্নামের প্রহরীদের, কখনোই নয়; আপনি তার আনুগত্য করবেন না, আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।' [সুরা আলাক : ৯-১৯]
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন— فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ - إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْজِئِينَ . الَّذِينَ يَجْعَلُونَ মَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ . 'অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরোয়া করবেন না। বিদ্রুপকারীদের জন্য আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট, যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্বর তারা জেনে নেবে।' [সুরা হিজর : ৯৪-৯৬]
এই উম্মাতের ফেরাউন আবু জাহেলের সাথে যা ঘটেছে তার কিছু উদাহরণ— আবু জাহেল ছিল চরম পর্যায়ের অহংকারী। একদিন সে কাবাচত্বরে তার সাথিদের কাছে গিয়ে বলল, 'মুহাম্মদ কি তোমাদের সামনে নিজের দাপট প্রতিষ্ঠিত করবে?' তারা বলল, 'হ্যাঁ।' আবু জাহেল রাগান্বিত হয়ে বলল, 'লাত ও উজ্জার শপথ, যদি মুহাম্মদকে এমন করতে দেখি, তাহলে তার ঘাড়ে পা দিয়ে চাপা দেব।' আবু জাহেল ধ্বংস হোক! তার চরিত্র কতই না নিকৃষ্ট!
কিছুদিন পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশান্ত চিত্তে হেঁটে হেঁটে কাবাচত্বরের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাকবির বলে নামাজ আরম্ভ করলেন। এরপর সিজদাবনত হয়ে অনুনয়-বিনয় করে স্বীয় রবকে ডাকতে লাগলেন। এই দৃশ্যটি অন্যদের তুলনায় আবু জাহেলের বীরত্বের জন্য আকস্মিক চ্যালেঞ্জ ছিল। আবু জাহেল দম্ভভরে মাটিতে পা ফেলে এগিয়ে চলল। সে চিন্তা করল, অবশ্যই নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাঁধে পা দিয়ে মাড়াতে সফল হবে! আবু জাহেল নবিজির দিকে এগিয়ে যেতেই হঠাৎ চিৎকার করে পেছনের দিকে সরে এল এবং দু-হাত দিয়ে সামনের দিক থেকে আসা কি যেন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। মনে হচ্ছিল আগুন বা কষ্টদায়ক কিছু তাকে আঘাত করছে।
সে মাথা নিচু করে সাথিদের কাছে গেল। চেহারা ছিল বিবর্ণ। সাথিরা তার দিকে তাকিয়ে বলল, 'কী হয়েছে তোমার?' আবু জাহেল ঘাবড়ানো অবস্থায় বলল, 'আমার ও মুহাম্মদের মাঝে আগুনের গর্ত ছিল, তার সুড়ঙ্গ এবং শাখা-প্রশাখা ছিল।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ শেষ করে বললেন, 'আবু জাহেল যদি আমার কাছে আসত, ফেরেশতাগণ তার একেকটা অঙ্গ ছিঁড়ে ফেলত।'
তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ করেছেন- أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى - عَبْدًا إِذَا صَلَّى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ عَلَى الْهُدَى - أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَدَّبَ وَتَوَلَّى - أَلَمْ يَعْلَمُ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَى - كَلَّا لَئِنْ لَمْ يَنْتَهِ لَنَسْفَعَنْ بِالنَّاصِيَةِ - نَاصِيَةٍ كَاذِبَةٍ خَاطِئَةٍ - فَلْيَدْعُ نَادِيَة - সَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ - كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبُ . 'আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে এক বান্দাকে, যখন সে নামাজ পড়ে? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে সৎপথে থাকে অথবা আল্লাহভীতি শিক্ষা দেয়? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়? সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন? কখনোই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই, মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ। অতএব, সে তার সভাসদদের আহ্বান করুক, আমিও আহ্বান করব জাহান্নামের প্রহরীদের, কখনোই নয়; আপনি তার আনুগত্য করবেন না, আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।' [সুরা আলাক : ৯-১৯]
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন— فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَأَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِينَ - إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ . الَّذِينَ يَجْعَلُونَ مَعَ اللهِ إِلَهًا آخَرَ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ .
'অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরোয়া করবেন না। বিদ্রুপকারীদের জন্য আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট, যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্বর তারা জেনে নেবে।' [সুরা হিজর : ৯৪-৯৬]
এই উম্মাতের ফেরাউন আবু জাহেলের সাথে যা ঘটেছে তার কিছু উদাহরণ— আবু জাহেল ছিল চরম পর্যায়ের অহংকারী। একদিন সে কাবাচত্বরে তার সাথিদের কাছে গিয়ে বলল, 'মুহাম্মদ কি তোমাদের সামনে নিজের দাপট প্রতিষ্ঠিত করবে?' তারা বলল, 'হ্যাঁ।' আবু জাহেল রাগান্বিত হয়ে বলল, 'লাত ও উজ্জার শপথ, যদি মুহাম্মদকে এমন করতে দেখি, তাহলে তার ঘাড়ে পা দিয়ে চাপা দেব।'
আবু জাহেল ধ্বংস হোক! তার চরিত্র কতই না নিকৃষ্ট! কিছুদিন পর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রশান্ত চিত্তে হেঁটে হেঁটে কাবাচত্বরের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাকবির বলে নামাজ আরম্ভ করলেন। এরপর সিজদাবনত হয়ে অনুনয়-বিনয় করে স্বীয় রবকে ডাকতে লাগলেন। এই দৃশ্যটি অন্যদের তুলনায় আবু জাহেলের বীরত্বের জন্য আকস্মিক চ্যালেঞ্জ ছিল।
আবু জাহেল দম্ভভরে মাটিতে পা ফেলে এগিয়ে চলল। সে চিন্তা করল, অবশ্যই নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাঁধে পা দিয়ে মাড়াতে সফল হবে! আবু জাহেল নবিজির দিকে এগিয়ে যেতেই হঠাৎ চিৎকার করে পেছনের দিকে সরে এল এবং দু-হাত দিয়ে সামনের দিক থেকে আসা কি যেন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিল। মনে হচ্ছিল আগুন বা কষ্টদায়ক কিছু তাকে আঘাত করছে। সে মাথা নিচু করে সাথিদের কাছে গেল। চেহারা ছিল বিবর্ণ। সাথিরা তার দিকে তাকিয়ে বলল, 'কী হয়েছে তোমার?'
আবু জাহেল ঘাবড়ানো অবস্থায় বলল, 'আমার ও মুহাম্মদের মাঝে আগুনের গর্ত ছিল, তার সুড়ঙ্গ এবং শাখা-প্রশাখা ছিল।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ শেষ করে বললেন, 'আবু জাহেল যদি আমার কাছে আসত, ফেরেশতাগণ তার একেকটা অঙ্গ ছিঁড়ে ফেলত।'
তখন আল্লাহ তাআলা এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ করেছেন- أَرَأَيْتَ الَّذِي يَنْهَى - عَبْدًا إِذَا صَلَّى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ عَلَى الْهُدَى - أَوْ أَمَرَ بِالتَّقْوَى - أَرَأَيْتَ إِنْ كَذَّبَ وَتَوَلَّى - أَلَمْ يَعْلَمُ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَى - كَلَّا لَئِنْ لَمْ يَنْتَهِ لَنَسْفَعَنْ بِالنَّاصِيَةِ - نَاصِيَةٍ كَاذِبَةٍ خَاطِئَةٍ - فَلْيَدْعُ نَادِيَة - سَنَدْعُ الزَّبَانِيَةَ - كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَاسْجُدْ وَاقْتَرِبُ .
'আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে এক বান্দাকে, যখন সে নামাজ পড়ে? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে সৎপথে থাকে অথবা আল্লাহভীতি শিক্ষা দেয়? আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়? সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন? কখনোই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই, মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ। অতএব, সে তার সভাসদদের আহ্বান করুক, আমিও আহ্বান করব জাহান্নামের প্রহরীদের, কখনোই নয়; আপনি তার আনুগত্য করবেন না, আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।' [সুরা আলাক : ৯-১৯]
📄 সুরাকা বিন মালেকের ঘটনা
কুরাইশরা ঘোষণা করল, যে ব্যক্তি মুহাম্মদ বা তার সাথি আবু বকরকে পাকড়াও করে আনতে পারবে, তাকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে। মানুষের মন পুরস্কার পাওয়ার লোভে উতলা হয়ে উঠল। যারা পুরস্কারের লোভে নবিজির পিছুধাওয়া করেছে, সুরাকা বিন মালেকও তাদের একজন। সুরাকা বিন মালেক নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বকরের নাগাল পেতে সফল হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের নিকটবর্তী হতে থাকে। সে ছিল ঘোড় সওয়ারি। আবু বকর নবিজিকে বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের কাছকাছি চলে এসেছে।' নবিজি বললেন, 'চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সাথে রয়েছেন।' এরপর নবিজি সুরাকার বিরুদ্ধে বদদুআ করলেন। ফলে সুরাকার ঘোড়ার পা দুটি মাটিতে দেবে গেল। এমনকি ঘোড়া পেট পর্যন্ত জমিনে ঢুকে পড়ল। সুরাকা মুক্তি পাওয়ার জন্য খুব চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না।
সুরাকা চিৎকার করে নবিজিকে ডেকে বলল, 'আমি নিশ্চিত, তোমরা দুজন আমার বিরুদ্ধে বদদুআ করেছ। এবার আমার মুক্তির জন্য দুআ করো। অন্য কেউ তোমাদের খোঁজে এলে আমি তাদের ফিরিয়ে দেব।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুক্তির জন্য দুআ করলেন। ফলে সে মুক্তি পেল। সুরাকা মক্কার দিকে ফিরে গেল। কুরাইশ গোত্রের যাকেই নবিজির খোঁজে যেতে দেখত তাকেই বলত, 'এ দিকে অনেক হয়েছে, অন্যদিকে যাও।' আল্লাহ তাআলা তাঁর নবিকে মুক্তি দিলেন এবং তাঁর ওয়াদা সত্য প্রমাণিত করলেন- وَاللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ النَّاسِ 'আল্লাহ তাআলা তোমাকে মানুষ থেকে রক্ষা করবেন।' [সুরা মায়েদা : ৩৭]
টিকাঃ
৩৯. সহিহ বুখারি: ১১/৪৪৭১।
কুরাইশরা ঘোষণা করল, যে ব্যক্তি মুহাম্মদ বা তার সাথি আবু বকরকে পাকড়াও করে আনতে পারবে, তাকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে। মানুষের মন পুরস্কার পাওয়ার লোভে উতলা হয়ে উঠল। যারা পুরস্কারের লোভে নবিজির পিছুধাওয়া করেছে, সুরাকা বিন মালেকও তাদের একজন। সুরাকা বিন মালেক নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বকরের নাগাল পেতে সফল হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের নিকটবর্তী হতে থাকে। সে ছিল ঘোড় সওয়ারি। আবু বকর নবিজিকে বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের কাছকাছি চলে এসেছে।' নবিজি বললেন, 'চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সাথে রয়েছেন।' এরপর নবিজি সুরাকার বিরুদ্ধে বদদুআ করলেন। ফলে সুরাকার ঘোড়ার পা দুটি মাটিতে দেবে গেল। এমনকি ঘোড়া পেট পর্যন্ত জমিনে ঢুকে পড়ল। সুরাকা মুক্তি পাওয়ার জন্য খুব চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না।
সুরাকা চিৎকার করে নবিজিকে ডেকে বলল, 'আমি নিশ্চিত, তোমরা দুজন আমার বিরুদ্ধে বদদুআ করেছ। এবার আমার মুক্তির জন্য দুআ করো। অন্য কেউ তোমাদের খোঁজে এলে আমি তাদের ফিরিয়ে দেব।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুক্তির জন্য দুআ করলেন। ফলে সে মুক্তি পেল। সুরাকা মক্কার দিকে ফিরে গেল। কুরাইশ গোত্রের যাকেই নবিজির খোঁজে যেতে দেখত তাকেই বলত, 'এ দিকে অনেক হয়েছে, অন্যদিকে যাও।' আল্লাহ তাআলা তাঁর নবিকে মুক্তি দিলেন এবং তাঁর ওয়াদা সত্য প্রমাণিত করলেন- وَاللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ النَّاسِ 'আল্লাহ তাআলা তোমাকে মানুষ থেকে রক্ষা করবেন।' [সুরা মায়েদা : ৩৭]
টিকাঃ
৩৯. সহিহ বুখারি: ১১/৪৪৭১।
কুরাইশরা ঘোষণা করল, যে ব্যক্তি মুহাম্মদ বা তার সাথি আবু বকরকে পাকড়াও করে আনতে পারবে, তাকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করা হবে। মানুষের মন পুরস্কার পাওয়ার লোভে উতলা হয়ে উঠল। যারা পুরস্কারের লোভে নবিজির পিছুধাওয়া করেছে, সুরাকা বিন মালেকও তাদের একজন।
সুরাকা বিন মালেক নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আবু বকরের নাগাল পেতে সফল হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের নিকটবর্তী হতে থাকে। সে ছিল ঘোড় সওয়ারি। আবু বকর নবিজিকে বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল, আমাদের কাছকাছি চলে এসেছে।' নবিজি বললেন, 'চিন্তা করো না, আল্লাহ আমাদের সাথে রয়েছেন।' এরপর নবিজি সুরাকার বিরুদ্ধে বদদুআ করলেন। ফলে সুরাকার ঘোড়ার পা দুটি মাটিতে দেবে গেল। এমনকি ঘোড়া পেট পর্যন্ত জমিনে ঢুকে পড়ল। সুরাকা মুক্তি পাওয়ার জন্য খুব চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না।
সুরাকা চিৎকার করে নবিজিকে ডেকে বলল, 'আমি নিশ্চিত, তোমরা দুজন আমার বিরুদ্ধে বদদুআ করেছ। এবার আমার মুক্তির জন্য দুআ করো। অন্য কেউ তোমাদের খোঁজে এলে আমি তাদের ফিরিয়ে দেব।' নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুক্তির জন্য দুআ করলেন। ফলে সে মুক্তি পেল। সুরাকা মক্কার দিকে ফিরে গেল। কুরাইশ গোত্রের যাকেই নবিজির খোঁজে যেতে দেখত তাকেই বলত, 'এ দিকে অনেক হয়েছে, অন্যদিকে যাও।
আল্লাহ তাআলা তাঁর নবিকে মুক্তি দিলেন এবং তাঁর ওয়াদা সত্য প্রমাণিত করলেন- وَاللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ النَّاسِ 'আল্লাহ তাআলা তোমাকে মানুষ থেকে রক্ষা করবেন।' [সুরা মায়েদা : ৩৭]
টিকাঃ
৩৯. সহিহ বুখারি: ১১/৪৪৭১।
📄 তোমাকে কে বাঁচাবে?
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিগণকে নিয়ে একযুদ্ধে গেলেন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে তাঁরা একটি উপত্যকায় যাত্রাবিরতি করলেন। সাহাবিগণ আলাদা আলাদা হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়লেন। নবিজিও একটি গাছের ছায়ায় গিয়ে শয়ন করলেন এবং তাঁর তলোয়ারটি গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখলেন। নবিজি ঘুমিয়ে আছেন; ইতোমধ্যেই একমুশরিক তাঁদের অনুসরণ করতে করতে এখানে পৌঁছে গেল। সে নবিজির কাছে চলে এল এবং শিয়রের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। নবিজি তখনো ঘুমিয়ে আছেন। সে গাছে ঝুলানো নবিজির তলোয়ারটি হাতে নিল এবং খাপ থেকে বের করে নবিজির মাথার ওপর উঁচু করে বিজয়ী হওয়ার নেশায় চিৎকার করে বলে উঠল— مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ 'আমার থেকে কে তোমাকে বাঁচাবে?'
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চোখ খুললেন। হঠাৎ দেখতে পেলেন একলোক তলোয়ার নিয়ে তাঁর শিয়রে দাঁড়িয়ে আছে আর সাহাবিগণ বিভিন্ন স্থানে বিশ্রাম করছেন। লোকটি নিশ্চিত ছিল, তার হাত থেকে নবিজি মুক্তি পাবেন না, মুক্তি পাওয়ার কোনো পথ তার সামনে খোলা নেই। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুখ থেকে কেবল তিনটি কথাই শুনেছেন— 'কে, তোমাকে বাঁচাবে, আমার থেকে?' নবিজি একেবারে প্রশান্তভাবে পূর্ণ আস্থা নিয়ে বললেন, 'আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ!' নবিজির এমন কথা শোনামাত্র লোকটি কেঁপে উঠল এবং তার হাত থেকে তলোয়ার পড়ে গেল।
এবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে তলোয়ার হাতে নিয়ে বললেন, 'তোমাকে আমার থেকে কে বাঁচাবে?' লোকটি হতভম্ব হয়ে গেল। কী বলবে বুঝতে পারছিল না। লাত, উজ্জা! লাত ও উজ্জা কীভাবে বাঁচাবে? তাই লোকটি একেবারে নিরুপায় হয়ে বলল, 'কেউ নেই। আপনিই ভালো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।' নবিজি বললেন, 'ইসলাম গ্রহণ করবে?' সে বলল, 'না; কিন্তু প্রতিজ্ঞা করছি, কখনো আপনার সাথে যুদ্ধ করব না এবং সেই কওমের সাথেও থাকব না, যারা আপনার সাথে যুদ্ধ করে।' লোকটি ছিল তার কওমের সর্দার। নবিজি তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সে তার কওমের কাছে চলে গেল, তবে অল্প কিছুদিন পরই সে ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হলো।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিগণকে নিয়ে একযুদ্ধে গেলেন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে তাঁরা একটি উপত্যকায় যাত্রাবিরতি করলেন। সাহাবিগণ আলাদা আলাদা হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়লেন। নবিজিও একটি গাছের ছায়ায় গিয়ে শয়ন করলেন এবং তাঁর তলোয়ারটি গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখলেন। নবিজি ঘুমিয়ে আছেন; ইতোমধ্যেই একমুশরিক তাঁদের অনুসরণ করতে করতে এখানে পৌঁছে গেল। সে নবিজির কাছে চলে এল এবং শিয়রের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। নবিজি তখনো ঘুমিয়ে আছেন। সে গাছে ঝুলানো নবিজির তলোয়ারটি হাতে নিল এবং খাপ থেকে বের করে নবিজির মাথার ওপর উঁচু করে বিজয়ী হওয়ার নেশায় চিৎকার করে বলে উঠল— مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟ 'আমার থেকে কে তোমাকে বাঁচাবে?'
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চোখ খুললেন। হঠাৎ দেখতে পেলেন একলোক তলোয়ার নিয়ে তাঁর শিয়রে দাঁড়িয়ে আছে আর সাহাবিগণ বিভিন্ন স্থানে বিশ্রাম করছেন। লোকটি নিশ্চিত ছিল, তার হাত থেকে নবিজি মুক্তি পাবেন না, মুক্তি পাওয়ার কোনো পথ তার সামনে খোলা নেই। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুখ থেকে কেবল তিনটি কথাই শুনেছেন— 'কে, তোমাকে বাঁচাবে, আমার থেকে?' নবিজি একেবারে প্রশান্তভাবে পূর্ণ আস্থা নিয়ে বললেন, 'আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ!' নবিজির এমন কথা শোনামাত্র লোকটি কেঁপে উঠল এবং তার হাত থেকে তলোয়ার পড়ে গেল।
এবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে তলোয়ার হাতে নিয়ে বললেন, 'তোমাকে আমার থেকে কে বাঁচাবে?' লোকটি হতভম্ব হয়ে গেল। কী বলবে বুঝতে পারছিল না। লাত, উজ্জা! লাত ও উজ্জা কীভাবে বাঁচাবে? তাই লোকটি একেবারে নিরুপায় হয়ে বলল, 'কেউ নেই। আপনিই ভালো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।' নবিজি বললেন, 'ইসলাম গ্রহণ করবে?' সে বলল, 'না; কিন্তু প্রতিজ্ঞা করছি, কখনো আপনার সাথে যুদ্ধ করব না এবং সেই কওমের সাথেও থাকব না, যারা আপনার সাথে যুদ্ধ করে।' লোকটি ছিল তার কওমের সর্দার। নবিজি তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সে তার কওমের কাছে চলে গেল, তবে অল্প কিছুদিন পরই সে ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হলো।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবিগণকে নিয়ে একযুদ্ধে গেলেন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে তাঁরা একটি উপত্যকায় যাত্রাবিরতি করলেন। সাহাবিগণ আলাদা আলাদা হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়লেন। নবিজিও একটি গাছের ছায়ায় গিয়ে শয়ন করলেন এবং তাঁর তলোয়ারটি গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখলেন। নবিজি ঘুমিয়ে আছেন; ইতোমধ্যেই একমুশরিক তাঁদের অনুসরণ করতে করতে এখানে পৌঁছে গেল।
সে নবিজির কাছে চলে এল এবং শিয়রের কাছে গিয়ে দাঁড়াল। নবিজি তখনো ঘুমিয়ে আছেন। সে গাছে ঝুলানো নবিজির তলোয়ারটি হাতে নিল এবং খাপ থেকে বের করে নবিজির মাথার ওপর উঁচু করে বিজয়ী হওয়ার নেশায় চিৎকার করে বলে উঠল—
مَنْ يَمْنَعُكَ مِنِّي؟
'আমার থেকে কে তোমাকে বাঁচাবে?'
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চোখ খুললেন। হঠাৎ দেখতে পেলেন একলোক তলোয়ার নিয়ে তাঁর শিয়রে দাঁড়িয়ে আছে আর সাহাবিগণ বিভিন্ন স্থানে বিশ্রাম করছেন। লোকটি নিশ্চিত ছিল, তার হাত থেকে নবিজি মুক্তি পাবেন না, মুক্তি পাওয়ার কোনো পথ তার সামনে খোলা নেই। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মুখ থেকে কেবল তিনটি কথাই শুনেছেন— 'কে, তোমাকে বাঁচাবে, আমার থেকে?'
নবিজি একেবারে প্রশান্তভাবে পূর্ণ আস্থা নিয়ে বললেন, 'আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ!' নবিজির এমন কথা শোনামাত্র লোকটি কেঁপে উঠল এবং তার হাত থেকে তলোয়ার পড়ে গেল।
এবার নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে তলোয়ার হাতে নিয়ে বললেন, 'তোমাকে আমার থেকে কে বাঁচাবে?' লোকটি হতভম্ব হয়ে গেল। কী বলবে বুঝতে পারছিল না। লাত, উজ্জা! লাত ও উজ্জা কীভাবে বাঁচাবে? তাই লোকটি একেবারে নিরুপায় হয়ে বলল, 'কেউ নেই। আপনিই ভালো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।' নবিজি বললেন, 'ইসলাম গ্রহণ করবে?'
সে বলল, 'না; কিন্তু প্রতিজ্ঞা করছি, কখনো আপনার সাথে যুদ্ধ করব না এবং সেই কওমের সাথেও থাকব না, যারা আপনার সাথে যুদ্ধ করে।' লোকটি ছিল তার কওমের সর্দার। নবিজি তাকে ক্ষমা করে দিলেন। সে তার কওমের কাছে চলে গেল, তবে অল্প কিছুদিন পরই সে ইসলাম গ্রহণ করে ধন্য হলো।
📄 মেয়েটির কোনো সন্তান নেই
যেসব গণক, জ্যোতিষী এবং ভাগ্যবর্ণনাকারী দাবি করে, তারা অদৃশ্যের সংবাদ জানে; একবার একখলিফার দরবারে তাদের একজন গেল। সেখানে প্রবেশ করেই দেখল, খলিফার কোলে একটি শিশু। জ্যোতিষী কোনোভাবে খলিফার দৃষ্টি আকর্ষণ করার ইচ্ছা করল। সে সামনে এগিয়ে গিলে বলল, 'হে খলিফা' খলিফা : হ্যাঁ। জ্যোতিষী : আমি কি এই শিশুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনাকে কিছু বলব? খলিফা : হ্যাঁ, বলো। জ্যোতিষী তারকার দিকে তাকিয়ে আঙুল গণনা করতে শুরু করল এবং বিস্ময়কর সব কথাবার্তা বলতে লাগল। পরে বলল, 'হায়, শিশুটি খুব দ্রুত বড় হবে, একজন বিচক্ষণ অশ্বারোহী হবে এবং একই সাথে দুই তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধকারী হবে। এমনকি সে যুদ্ধ করার সময় লাগাম ধরে বসে থাকার প্রয়োজন বোধ করবে না। সে অতিসত্বর অমুক দেশের অমুক রাজার মেয়েকে বিয়ে করবে এবং সেখানকারও রাজা হবে।' জ্যোতিষী আরও বলল, 'শিশুটি এই এই রিজিক পাবে, এতগুলো ছেলেমেয়ে পাবে, তার জীবদ্দশাতেই রাষ্ট্র অনেক বড় হবে।' এভাবে সে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যেতে থাকল। মোটকথা, শিশুকে সকল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে দিলো। পরিশেষে বখশিশের অপেক্ষায় থাকল।
খলিফা : হে মিথ্যুক, এটা কন্যাসন্তান, পুত্রসন্তান নয়! মূলত এসব জ্যোতিষরা অনুমান করে ঢিল মারে এবং অধিকাংশ সময় মানুষের বুদ্ধি নিয়ে খেলা করে।
যেসব গণক, জ্যোতিষী এবং ভাগ্যবর্ণনাকারী দাবি করে, তারা অদৃশ্যের সংবাদ জানে; একবার একখলিফার দরবারে তাদের একজন গেল। সেখানে প্রবেশ করেই দেখল, খলিফার কোলে একটি শিশু। জ্যোতিষী কোনোভাবে খলিফার দৃষ্টি আকর্ষণ করার ইচ্ছা করল। সে সামনে এগিয়ে গিলে বলল, 'হে খলিফা' খলিফা : হ্যাঁ। জ্যোতিষী : আমি কি এই শিশুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনাকে কিছু বলব? খলিফা : হ্যাঁ, বলো। জ্যোতিষী তারকার দিকে তাকিয়ে আঙুল গণনা করতে শুরু করল এবং বিস্ময়কর সব কথাবার্তা বলতে লাগল। পরে বলল, 'হায়, শিশুটি খুব দ্রুত বড় হবে, একজন বিচক্ষণ অশ্বারোহী হবে এবং একই সাথে দুই তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধকারী হবে। এমনকি সে যুদ্ধ করার সময় লাগাম ধরে বসে থাকার প্রয়োজন বোধ করবে না। সে অতিসত্বর অমুক দেশের অমুক রাজার মেয়েকে বিয়ে করবে এবং সেখানকারও রাজা হবে।' জ্যোতিষী আরও বলল, 'শিশুটি এই এই রিজিক পাবে, এতগুলো ছেলেমেয়ে পাবে, তার জীবদ্দশাতেই রাষ্ট্র অনেক বড় হবে।' এভাবে সে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যেতে থাকল। মোটকথা, শিশুকে সকল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে দিলো। পরিশেষে বখশিশের অপেক্ষায় থাকল।
খলিফা : হে মিথ্যুক, এটা কন্যাসন্তান, পুত্রসন্তান নয়! মূলত এসব জ্যোতিষরা অনুমান করে ঢিল মারে এবং অধিকাংশ সময় মানুষের বুদ্ধি নিয়ে খেলা করে।
যেসব গণক, জ্যোতিষী এবং ভাগ্যবর্ণনাকারী দাবি করে, তারা অদৃশ্যের সংবাদ জানে; একবার একখলিফার দরবারে তাদের একজন গেল। সেখানে প্রবেশ করেই দেখল, খলিফার কোলে একটি শিশু। জ্যোতিষী কোনোভাবে খলিফার দৃষ্টি আকর্ষণ করার ইচ্ছা করল। সে সামনে এগিয়ে গিলে বলল, 'হে খলিফা'
খলিফা : হ্যাঁ।
জ্যোতিষী : আমি কি এই শিশুর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনাকে কিছু বলব?
খলিফা : হ্যাঁ, বলো।
জ্যোতিষী তারকার দিকে তাকিয়ে আঙুল গণনা করতে শুরু করল এবং বিস্ময়কর সব কথাবার্তা বলতে লাগল। পরে বলল, 'হায়, শিশুটি খুব দ্রুত বড় হবে, একজন বিচক্ষণ অশ্বারোহী হবে এবং একই সাথে দুই তলোয়ার দিয়ে যুদ্ধকারী হবে। এমনকি সে যুদ্ধ করার সময় লাগাম ধরে বসে থাকার প্রয়োজন বোধ করবে না। সে অতিসত্বর অমুক দেশের অমুক রাজার মেয়েকে বিয়ে করবে এবং সেখানকারও রাজা হবে।' জ্যোতিষী আরও বলল, 'শিশুটি এই এই রিজিক পাবে, এতগুলো ছেলেমেয়ে পাবে, তার জীবদ্দশাতেই রাষ্ট্র অনেক বড় হবে।' এভাবে সে দীর্ঘ আলোচনা চালিয়ে যেতে থাকল। মোটকথা, শিশুকে সকল বৈশিষ্ট্যের অধিকারী বানিয়ে দিলো। পরিশেষে বখশিশের অপেক্ষায় থাকল।
খলিফা : হে মিথ্যুক, এটা কন্যাসন্তান, পুত্রসন্তান নয়!
মূলত এসব জ্যোতিষরা অনুমান করে ঢিল মারে এবং অধিকাংশ সময় মানুষের বুদ্ধি নিয়ে খেলা করে।