📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 পরিবার ও সন্তান-সন্ততির হেফাযত

📄 পরিবার ও সন্তান-সন্ততির হেফাযত


হযরত ইয়াকুব (আঃ) তাঁর পুত্রদের মিসর গমনকালে আত্মরক্ষামূলক কিছু উপদেশ দিয়েছিলেন। তারপর তিনি নিজের বিষয়-আশয়কে আল্লাহ্র যিম্মায় সোপর্দ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَعَلَيْهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُتَوَكَّلُوْنَ - 'আল্লাহ ব্যতীত কারো হুকুম চলে না। তাঁর উপরেই আমি ভরসা করি এবং তাঁর উপরেই ভরসা করা উচিত সকল ভরসাকারীর' (ইউসুফ ১২/৬৭)।

আল্লাহ্র উপর ভরসা এজন্যই করতে হবে যে, তিনিই হেফাযতকারী। নিজের জীবন, পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততি রক্ষায় তাঁর উপরই নির্ভর করা কর্তব্য।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 ৮. শয়তান থেকে রক্ষা

📄 ৮. শয়তান থেকে রক্ষা


আল্লাহ তা'আলা বলেন, إِنَّمَا النَّجْوَى مِنَ الشَّيْطَانِ لِيَحْزُنَ الَّذِينَ آمَنُوا ، وَلَيْسَ بِضَارِّهِمْ شَيْئًا إِلَّا بِإِذْنِ اللهِ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ - 'গোপন সলাপরামর্শ তো কেবল শয়তানের পক্ষ থেকে হয়, যাতে মুমিনরা কষ্ট পায়। কিন্তু আল্লাহ্র হুকুম না হ'লে সে তাদের কোনই ক্ষতি করতে পারে না। আর মুমিনদের কর্তব্য তো আল্লাহ্র উপর ভরসা করা' (মুজাদালাহ ৫৮/১০)।

এ আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, তার অনুমোদন ব্যতীত শয়তান তাঁর বান্দাদের ক্ষতি করতে পারে না। তারপর তিনি তার বান্দাদেরকে শয়তানের হাত থেকে নিরাপদে থাকার জন্য তাঁর উপর ভরসা করতে বলেছেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, مَنْ قَالَ : يَعْنِي إِذَا خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ - بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بالله. يُقَالُ لَهُ كُفِيتَ وَوُقِيتَ. وَتَنَحَّى عَنْهُ الشَّيْطَانُ - 'যখন কোন ব্যক্তি নিজ বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় বলে 'বিসমিল্লা-হি তাওয়াক্কালতু আলাল্লা-হি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ' (আল্লাহ্র নামে বের হ'লাম, আল্লাহ্র উপর ভরসা করলাম, আল্লাহ ছাড়া পাপ থেকে বাঁচা এবং নেকীর কাজ করার কোনই উপায় নেই')। তাকে লক্ষ্য করে বলা হয়, তোমার জন্য এটা যথেষ্ট হয়েছে এবং তোমার নিরাপত্তা মিলেছে। আর শয়তান তখন তার থেকে দূরে সরে যায়।

টিকাঃ
৩০. তিরমিযী হা/২৩৪৪, মিশকাত হা/৫২৯৯, ইবনু মাজাহ হা/২৩৪৪, সনদ ছহীহ।
৩১. তিরমিযী হা/৩৪২৬, সনদ ছহীহ।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 ৯. মানসিক প্রশান্তি

📄 ৯. মানসিক প্রশান্তি


মানুষ তার লক্ষ্য পূরণে যত প্রকারের উপকরণই ব্যবহার করুক না কেন তাতে এমন কিছু ফাঁক-ফোঁকর থেকেই যাবে, যা সে বন্ধ করতে পারেনি। যে কারণে তার ভয় থাকে- হয়তো ব্যর্থতা এসে তাকে ঘিরে ধরবে এবং তার আশা পূরণ হবে না।

কিন্তু যখনই সে আল্লাহ্র উপর ভরসা করবে এবং বিশ্বাস করবে যে, তার যাবতীয় কাজে আল্লাহই তার পক্ষে যথেষ্ট তখন আর তার ঐ সকল ফাঁক-ফোঁকরের ভয় থাকবে না। তখন সে এক ধরনের আত্মিক ও মানসিক প্রশান্তি ও আরাম উপভোগ করবে। আল্লাহ্র উপর ভরসার মাধ্যমে মানুষ মানসিক ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা থেকে নিরাপদ থাকতে পারে।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 ১০. কাজের প্রতি দৃঢ়তা;

📄 ১০. কাজের প্রতি দৃঢ়তা;


मनोरोग चिकित्सकगण यदि तावाक्कुलের গুরুত্ব ও উপকারিতা বুঝতেন তাহ'লে তাওয়াক্কুলকে তারা তাদের চিকিৎসার প্রথম কাতারে রাখতেন। আর যদি যথার্থভাবে আল্লাহ্র উপর ভরসা করত তাহ'লে তারা আত্মহত্যা করত না; বরং আল্লাহ্র উপর কাজ সোপর্দ করে তারা তার ফায়ছালা ও तकदीरे राज़ी-खुशी থাকতো।

আল্লাহ্র উপর ভরসা ব্যক্তির মনে কাজের প্রতি দৃঢ়তা ও প্রগাঢ় নিষ্ঠা জন্মিয়ে দেয়। কেননা তাওয়াক্কুলের ফলে বৈধ উপায়ের দ্বার খুলে যায়। মানুষ যখন এই তাওয়াক্কুলের বুঝ সঠিকভাবে লাভ করতে পারে, তখন সে প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ অবলম্বন করে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে উৎপাদনে মনোবল বেড়ে যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00