📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 আল্লাহ্র উপর ভরসার তাৎপর্য

📄 আল্লাহ্র উপর ভরসার তাৎপর্য


তাওয়াক্কুলের হাকীকত বা মূল কথা হ'ল অন্তর থেকে আল্লাহ্র উপর ভরসা করা, সেই সাথে পার্থিব নানা উপায়-উপকরণ ব্যবহার করা এবং পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহই রিযিকদাতা, তিনিই একমাত্র স্রষ্টা, জীবন ও মৃত্যু দাতা। তিনি ছাড়া যেমন কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই, তেমনি তিনি ছাড়া কোন প্রতিপালক নেই।

তাওয়াক্কুল শব্দটি ইসতি'আনাহ (الاستعانة) থেকে ব্যাপক অর্থবোধক। কেননা ইসতি‘আনাহ (সাহায্য প্রার্থনা) হ'ল, যে কোন কাজে আল্লাহ তা'আলা যাতে বান্দাকে সাহায্য করেন সেজন্য তাঁর দরবারে সাহায্যের আবেদন-নিবেদন করা।

পক্ষান্তরে তাওয়াক্কুলের মধ্যে যেমন আমাদের যাবতীয় কাজে আল্লাহ্র সাহায্য প্রার্থনা শামিল আছে, তদ্রূপ সব রকম কল্যাণ লাভ ও অকল্যাণ প্রতিহত করতে আল্লাহ্র উপর ভরসাও শামিল আছে। অন্যান্য বিষয়ও তাওয়াক্কুলের আওতাভুক্ত।

ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, যে কাজ করতে আল্লাহ হুকুম করেছেন তাতে আল্লাহ্র সাহায্য চাওয়া তাওয়াক্কুল। আবার যে কাজ বান্দার সামর্থ্যের বাইরে আল্লাহ যাতে তা যুগিয়ে দেন সে নিবেদনও তাওয়াক্কুল। সুতরাং ইসতি‘আনাহ বা সাহায্য প্রার্থনা বান্দার নানা আমলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু তাওয়াক্কুল তার থেকেও কিছু বেশী। মানুষ যাতে কল্যাণ লাভ করতে পারে এবং ক্ষতি থেকে বাঁচতে পারে সেজন্যও আল্লাহ্র উপর তাওয়াক্কুল করতে হয়। আল্লাহ বলেন, وَلَوْ أَنَّهُمْ رَضُوا مَا آتَاهُمُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَقَالُوا حَسْبُنَا اللهُ سَيُؤْتِينَا اللهُ مِنْ فَضْلِهِ وَرَسُولُهُ إِنَّا إِلَى اللَّهِ

টিকাঃ
৯. শায়খ সুলায়মান বিন আব্দুল্লাহ, তায়সীরুল আযীযিল হামীদ, পৃঃ ৮৬।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 উপায়-উপকরণ বা মাধ্যম গ্রহণ

📄 উপায়-উপকরণ বা মাধ্যম গ্রহণ


যে কোন চাহিদা পূরণে উপায়-উপকরণ ও মাধ্যম গ্রহণ না করা কোন অবস্থাতেই আল্লাহ্র উপর তাওয়াক্কুল বা ভরসার মর্মার্থ নয়। তাওয়াক্কুলের বরং দু'টি দিক রয়েছে। এক. আল্লাহ্র উপর ভরসা ও নির্ভরতা। দুই. তাঁর সাথে কাজের উপকরণ অবলম্বন করা।

আসলে লক্ষণীয় যা তা হ'ল- শুধুই উপায়-উপকরণের উপর নির্ভর না করা। বান্দাকে জানতে ও বুঝতে হবে যে, উপায়-উপকরণ গ্রহণ করে চাহিদা পূরণ ও সমস্যা সমাধান কেবল জাগতিক নিয়ম মাত্র। উপকারকারী ও অপকারকারী কেবলই আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা ।

ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, سر التوكل وحقيقته هو اعتماد القلب على الله وحده، فلا يضره مباشرة الأسباب مع خلو القلب من الاعتماد عليها والركون إليها - 'তাওয়াক্কুলের রহস্য ও তাৎপর্য হ'ল- বান্দার অন্তর এক আল্লাহ্র উপর নির্ভরশীল হওয়া; জাগতিক উপায়-উপকরণের প্রতি অন্তরের মোহশূন্য থাকা, তার প্রতি আকৃষ্ট না হওয়া। এসব উপায়-উপকরণের সরাসরি ক্ষতি কিংবা উপকার করার কোনই ক্ষমতা নেই'।

আল্লাহ্র উপর প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী এবং তাওয়াক্কুলের মৌখিক দাবীদারদের মধ্যে এটাই বুনিয়াদী পার্থক্য। কেননা প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারীর উপায়-উপকরণ যদি হাতছাড়া হয়েও যায় তবুও তার কিছু যায় আসে না, সে তো ভাল করেই জানে, যে আল্লাহ্র উপর সে নির্ভর করে তিনি নিত্য ও চিরস্থায়ী। কিন্তু তাওয়াক্কুলের মৌখিক দাবীদারের জাগতিক উপায়-উপকরণ হাতছাড়া হওয়ার সাথে সাথে সে ভেঙ্গে পড়ে। আল্লাহ্র উপর ভরসার মাত্রা দুর্বল হওয়ার কারণেই তার এমনটা হয়।

টিকাঃ
১১. ইবনুল কাইয়িম, আল-ফাওয়ায়েদ, পৃঃ ৮৭।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 নবী করীম (ছাঃ)-এর উপায়-উপকরণ গ্রহণ

📄 নবী করীম (ছাঃ)-এর উপায়-উপকরণ গ্রহণ


নবী করীম (ছাঃ) ছিলেন আল্লাহ্র উপর সবচেয়ে বড় তাওয়াক্কুলকারী। তা সত্ত্বেও তিনি বহুক্ষেত্রে জাগতিক উপায়-উপকরণ অবলম্বন করেছেন তাঁর উম্মতকে একথা বুঝানোর জন্য যে, উপায়-উপকরণ গ্রহণ তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী নয়।

ওহোদ যুদ্ধে তিনি একটার পর একটা করে দু'টো বর্ম গায়ে দিয়েছিলেন। সায়েব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, أَنَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ظَاهَرَ بَيْنَ دِرْعَيْنِ يَوْمَ أُحُدٍ - 'ওহোদ যুদ্ধের দিনে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ( দু'টি বর্ম পরে জনসমক্ষে এসেছিলেন'। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর উম্মতের জন্যও যুদ্ধের পোশাকের ব্যবস্থা করেছেন।

মক্কা বিজয়ের দিনে তিনি শিরস্ত্রাণ ব্যবহার করেছিলেন। আনাস বিন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মক্কা বিজয় দিবসে যখন মক্কায় প্রবেশ করেন তখন তাঁর মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল'।

হিজরতের সময় তিনি একজন পথপ্রদর্শক সাথে নিয়েছিলেন, যে তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর যাত্রাপথে কোন পদচিহ্ন যাতে না থাকে তিনি সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলেন। তিনি যাত্রার জন্য এমন সময় বেছে নিয়েছিলেন যখন লোকজন সাধারণতঃ সজাগ থাকে না। আবার জনগণ সচরাচর যে পথে চলাচল করে তিনি তা বাদ দিয়ে অন্য রাস্তা ধরেছিলেন।

এসব কিছুই উপায় ও মাধ্যম অবলম্বনের অন্তর্গত। তিনি তাঁর উম্মতকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন যে, উপায়-উপকরণ গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আল্লাহ্র উপর ভরসাকারী কোন মুসলিমই উপায়-উপকরণ গ্রহণ থেকে দূরে থাকতে পারে না।

টিকাঃ
১২. আহমাদ হা/১৫৭৬০, শু'আইব আরনাউত হাদীছটিকে ছহীহ গণ্য করেছেন।
১৩. ছহীহ ইবনু হিব্বান হা/৭০২৮।
১৪. বুখারী হা/৪২৮৬; মুসলিম হা/১৩৫৭; মিশকাত হা/২৭১৮।

📘 আল্লাহর উপর ভরসা > 📄 তাওয়াক্কুল ও তাওয়াকুলের (ভান) মধ্যে পার্থক্য

📄 তাওয়াক্কুল ও তাওয়াকুলের (ভান) মধ্যে পার্থক্য


ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,

لَوْ أَنَّكُمْ كُنتُمْ تَوَكَّلُوْنَ عَلَى اللهِ حَقَّ تَوَكَّلِهِ لَرُزِقْتُمْ كَمَا تُرْزَقُ الطَّيْرُ تَغْدُو خِمَاصًا وَتَرُوْحُ بِطَانًا -

'তোমরা যদি আল্লাহ্র উপর যথার্থভাবে ভরসা করতে তাহ'লে পাখ-পাখালির মতই তোমরা জীবিকা পেতে। তারা ভোর বেলায় ওঠে ক্ষুধার্ত অবস্থায় আর সন্ধ্যায় ভরাপেটে নীড়ে ফেরে'।

এ হাদীছে উপায়-উপকরণ গ্রহণের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। যে পাখির খাবার যোগাড়ের দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন সে তো তার কাছে খাবার আপনা থেকে আসবে সেই আশায় তার বাসায় বসে থাকে না। বরং খুব ভোরে ক্ষুধার্ত অবস্থায় খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে। আল্লাহ তার ইচ্ছে পূরণ করে দেন। ফলে সে যখন বাসায় ফিরে তখন তার পেট ভরা ও পরিতৃপ্ত থাকে।

অবশ্য মুসলমানকে জাগতিক কোন উপকরণ ও পন্থা অবলম্বন করতে হ'লে প্রথমেই তাকে দেখতে হবে শরী'আতের নিরিখে তা বৈধ কি-না। আমরা কিছু লোককে দেখি, তারা তাদের উদ্দেশ্য হাছিলের জন্য কর্মচারীদের ঘুষ প্রদান করে আর বলে, এটা তাওয়াক্কুলের অংশ। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় নকল করে অথচ বলে এটাও তাওয়াক্কুল। অথচ এর কোনটাই আদৌ তাওয়াক্কুল নয়। বরং এগুলো তাওয়াক্কুলের সম্পূর্ণ বিপরীত ও বিরোধী। এহেন মুসলিম যদি আল্লাহ্র উপর প্রকৃতই ভরসা করত তাহ'লে তারা কখনই শরী'আত গর্হিত কোন কাজ করত না।

পূর্বেই বলা হয়েছে তাওয়াক্কুলের জন্য বিভিন্ন উপায়-উপকরণ ও কাজের পথ অবলম্বন অপরিহার্য। কিন্তু কোন কিছু না করে নিশ্চেষ্ট বসে থাকার নাম তাওয়াক্কুল নয়; বরং তা তাওয়াক্কুলের ভান (تواکل)। তাওয়াকুল বা নিশ্চেষ্ট বসে থেকে আল্লাহ্র উপর ভরসা যাহির করা আল্লাহ্র দ্বীনের কোন কিছুতেই পড়ে না।

বলা হয়ে থাকে, যে তাওয়াক্কুল ছেড়ে দেয় তার তাওহীদে খুঁত তৈরী হয়, আর যে জাগতিক উপায়-উপকরণ বা কাজকর্ম ছেড়ে দেয় তার বিবেক-বুদ্ধি বিনষ্ট হয়ে যায়। মুসলিম জাতির দুর্বলতার অন্যতম কারণ এই তাওয়াকুল বা নিশ্চেষ্ট বসে থেকে সময় পার করা। লোকে বাড়ি বসে থেকে জীবিকা লাভের আশা করে, একটু নড়েচড়ে দেখে না; আবার দাবী করে আমি আল্লাহ্র উপর ভরসা করে আছি। লোকেরা আশায় থাকে যে, আল্লাহ তাদেরকে তাদের শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন অথচ সেজন্য তাদের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, যুদ্ধের প্রস্তুতিজনিত অস্ত্র-শস্ত্র এবং আনুষঙ্গিক জিনিসের কোনই ব্যবস্থা ও উদ্যোগ নেই।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, كَانَ أَهْلُ الْيَمَنِ يَحُجُّونَ وَلَا يَتَزَوَّدُوْنَ وَيَقُولُوْنَ نَحْنُ الْمُتَوَكِّلُوْنَ، فَإِذَا قَدِمُوا مَكَّةَ سَأَلُوا النَّاسَ - 'ইয়ামানবাসীরা হজ্জ করতে আসত কিন্তু পথখরচ আনত না। তারা বলত, আমরা আল্লাহ্র উপর ভরসাকারী। তারপর যখন তারা মক্কায় পৌঁছত তখন মানুষের কাছে হাত পাতত'। এতদপ্রেক্ষিতে আল্লাহ নাযিল করেন, وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى 'আর (হজ্জের জন্য) তোমরা পাথেয় সাথে নাও। নিশ্চয়ই সর্বোত্তম পাথেয় হ'ল আল্লাহভীতি' (বাক্বারাহ ২/১৯৭)।

দেখুন, কিভাবে আল্লাহ তা'আলা তাদের তাওয়াক্কুলের দাবীকে প্রত্যাখ্যান করেছেন; অথচ তারা তো হজ্জের কাজে লাগতে পারে এমন কোন পাথেয়ই সাথে না এনে কেবলই আল্লাহ্র উপর ভরসা করেছিল। আবার তাওয়াক্কুলের ঈপ্সিত লক্ষ্য এটাও নয় যে, বান্দা উপকরণের পেছনে তার জীবনপাত করবে এবং সাধ্যাতীত কাজে নিজেকে নিয়োজিত করবে। বরং কখনো কখনো তার জন্য সহজ ও লঘু উপকরণও যথেষ্ট হ'তে পারে। তার প্রমাণ মারইয়াম (আঃ)-এর ঘটনা। আল্লাহ তা'আলা তাঁকে খেজুর গাছ ধরে ঝাঁকি দিতে বলেছিলেন, যাতে তাঁর সামনে খেজুর ঝরে পড়ে। আল্লাহ বলেন, وَهُزَّيْ إِلَيْكِ بِجذْعِ النَّخْلَةِ تُسَاقِطْ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا 'আর তুমি খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে নাড়া দাও। সেটি তোমার উপর পাকা খেজুর নিক্ষেপ করবে' (মারিয়াম ১৯/২৫)।

অনেকের মনে বিস্ময় জাগে- এহেন দুর্বল গর্ভবতী মহিলা কিভাবে মযবৃত ও শক্ত খেজুর গাছ ধরে এমনভাবে ঝাঁকি দিল যে টপটপ করে খেজুর ঝরে পড়ল? আমরা বলি, হ্যাঁ, এই মহীয়সী মহিলার ঘটনা দ্বারা আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে উপকরণ গ্রহণের গুরুত্ব শিক্ষা দিয়েছেন- চাই সেসব উপকরণ লঘু ও দুর্বল হৌক। কেননা এই সতী-সাধ্বী মহিলার সেই মুহূর্তে এরূপ দুর্বল ধরনের কাজ করা ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না।

আল্লাহ তা'আলার জন্য কোন মাধ্যম ছাড়াই খেজুর নীচে ফেলানো অবশ্যই সম্ভব ছিল। কিন্তু যেহেতু কোন কিছু পেতে হ'লে মাধ্যম একটি জাগতিক নিয়ম হিসাবে রয়েছে, সেহেতু আল্লাহ মারিয়াম (আঃ)-কে কাণ্ড ধরে ঝাঁকি দিতে বলেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি আল্লাহ্র উপর যথাযথভাবে ভরসা করেছিলেন এবং তাঁর দুর্বল পদ্ধতি কাজে লাগিয়েছিলেন তখন আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা ফলবতী করেছিলেন এবং ফলগুলোকে তাঁর নাগালের মধ্যে এনে দিয়েছিলেন। কবি বলেছেন,

توكل على الرحمن في كل حاجة + ولا تؤثرن العجز يوماً على الطلب
ألم تر أن الله قال لمريم + إليكِ فهنِّي الْحِزْعَ يَسَّاقَطِ الرُّطَب
ولو شاء أن تجنيه من غير هزّها + جَنَتْهُ ولكن كلُّ شيءٍ له سبب

ভরসা কর সকল কাজে আল্লাহ দয়াময়ের পরে
প্রাধান্য দিও না অক্ষমতাকে চেষ্টার পরে মুহূর্ত তরে।
তুমি কি দেখনি, বলেছেন আল্লাহ মারিয়ামকে
খেজুর পেতে নাড়া দাও তুমি খেজুর গাছের কাণ্ডটাকে
চাইলে তিনি দিতেন খেজুর ঝাঁকি ছাড়াই
কিন্তু কিছু পাইতে হ'লে উপকরণ বিনে উপায় নাই।

যখন মানুষ সম্ভাব্য সব উপকরণ হারিয়ে ফেলে তখন যেন সে সবচেয়ে মহান ও শক্তিশালী উপকরণের কথা ভুলে না যায়। তাহ'ল মহান আল্লাহ্র সমীপে দো'আ ও ফরিয়াদ।

টিকাঃ
১৫. তিরমিযী হা/২৩৪৪; ইবনু মাজাহ হা/৪১৬৪; হাকেম হা/৭৮৯৪, ৪/৩৫৪; মিশকাত হা/৫২৯৯।
১৬. বুখারী হা/১৫২৩; মিশকাত হা/২৫৩৩।
১৭. ইবনু আব্দিল বার, বাহজাতুল মাজালিস ওয়া উনসুল মাজালিস, ১/২৬ পৃঃ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00