📘 আল্লাহর প্রিয় বান্দা হবেন কিভাবে > 📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা ও ঘৃণার গুরুত্ব

📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা ও ঘৃণার গুরুত্ব


ইহা দ্বীনের একটি মূলনীতি এবং শরিয়তে এর স্থান উচ্চ শিখরে যা নিম্নে বর্ণিত কারণসমূহ দ্বারা সুস্পষ্ট:
১. ইহা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহি”-এর সাক্ষ্য প্রদানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ও শর্ত। কেননা এর অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত যত কিছুর এবাদত করা হয় তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা। যেমন আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
M LK J I HG FE D[
X WV UT SR OPN
ba ` _ ^] \ [Z
النحل: ٣٦
“আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। অত:পর তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যককে আল্লাহ্ হেদায়েত করেছেন এবং কিছু সংখ্যকের জন্যে বিপথগামিতা অবধারিত হয়ে গেল। সুতরাং তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ মিথ্যারোপকারীদের কিরূপ পরিণতি হয়েছে।” [সূরা নাহল: ৩৬]
২. ইহা ঈমানের মজবুত বন্ধন। যেমন নবী [] এর বাণী:
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: « يَا ابْنَ مَسْعُودٍ، قُلْتُ: لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَهَا ثَلَاثًا، تَدْرِي أَيُّ عُرَى الإِيمَانِ أَوْثَقُ قُلْتُ : اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: فَإِنَّ أَوْثَقَ عُرَى الْإِسْلَامِ الْوَلايَةُ فِيهِ، الْحُبُّ فِيهِ وَالْبُغْضُ فيه». السلسلة الصحيحة للألباني برقم: ۹۹۸
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: আমার নিকট রসূলুল্লাহ [২] প্রবেশ করে বললেন: হে ইবনে মাসউদ! আমি বললাম, হাজির হে আল্লাহর রসূল []! তিনি এরূপ তিনবার বললেন। ঈমানের সাবচেয়ে মজবুত বন্ধন কী তুমি জান? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূল বেশি জানেন। তিনি [] বললেন: নিশ্চয়ই ইসলামের সবচেয়ে মজবুত বন্ধন হলো: ইসলামের বন্ধুত্ব, ইসলামের ওয়াস্তে ভালাবাসা এবং তারই ওয়াস্তে ঘৃণা করা।”১
৩. ইহা ঈমানের স্বাদ ও মজা অনুভব করার একটি কারণ। যেমন নবী []-এর বাণী:
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: « ثَلَاثَ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ حَلَاوَةَ الْإِيمَانِ، أَنْ يَكُونَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبُّ الْمَرْءَ لَا يُحِبُّهُ إِلَّا لِلَّهِ، وَأَنْ يَكْرَهَ أَنْ يَعُودَ فِي الْكُفْرِ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُقْذَفَ فِي النَّارِ ». متفق عليه.
আনাস ইবনে মালেক [] থেকে বর্ণিত, তিনি নবী [] থেকে বর্ণনা করেন। তিনি [] বলেছেন: “তিনিটি জিনিস যার মধ্যে থাকবে, সেই ঈমানের স্বাদ অনুভব করতে পারবে। (এক) সবকিছুর ঊর্ধ্বে আল্লাহ ও রসূলকে ভালাবাসা। (দুই) আল্লাহরই ওয়াস্তে কোন মানুষকে ভালবাসা। (তিন) আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে ঘৃণার অনরূপ কুফরিতে ফিরে যাওয়াকে ঘৃণা কর।”১
৪. এ আকীদার মাধ্যমে ঈমান পূর্ণতা লাভ করে। যেমন নবী [] বাণী:
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: « مَنْ أَحَبَّ لِلَّهِ وَأَبْغَضَ لِلَّهِ وَأَعْطَى لِلَّهِ وَمَنَعَ لِلَّهِ فَقَدْ اسْتَكْمَلَ الْإِيمَانَ ». أبو داود، الترمذي، أحمد.
আবু উমামা [] থেকে বর্ণিত, তিনি রসূলুল্লাহ [] হতে বর্ণনা করেন। তিনি [] বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহরই ওয়াস্তে ভালবাসে, আল্লাহরই ওয়াস্তে ঘৃণা করে, আল্লাহরই ওয়াস্তে দেয় এবং আল্লাহরই ওয়াস্তে বারণ করে সে তার ঈমান পূর্ণ করল।”২
৫. আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ও তার দ্বীনকে ভালবাসা এবং আল্লাহ ও তাঁর দ্বীনকে ঘৃণা করা আল্লাহর সাথে কুফরি করা। যেমন আল্লাহর বাণী:
{y xwvu t srqpon[
| { - أَكُونَ أَوَّلَ مَنْ أَسْلَمَ وَلَا تَكُونَنَّ مِنَ الْمُشْرِكِينَ
الأنعام: ١٤
“আপনি বলে দিন: আমি কি আল্লাহ ব্যতীত-যিনি নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের স্রষ্টা এবং যিনি সবাইকে আহার্য দান করেন ও তাঁকে কেউ আহার্য দান করে না-অপরকে সাহায্যকারী স্থির করব? আপনি বলে দিন: আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, সর্বাগ্রে আমিই আজ্ঞাবহ হব। আপনি কদাচ অংশীবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।” [সূরা আনআম: ১৪]
৬. ইহা এমন একটি ভিত্তি যার ভিত্তিতে গড়ে উঠে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা। যেমন নবী []-এর বাণী:
عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: « لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُحِبَّ لِأَخِيهِ مَا يُحِبُّ لِنَفْسِهِ ». البخاري.
আনাস [] থেকে বর্ণিত, তিনি নবী [] হতে বর্ণনা করেন। তিনি [] বলেছেন: “তোমাদের কেউ ততক্ষণ মমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ নিজের জন্য যা ভালবাসে তা অন্য ভাইয়ের জন্য না ভালবাসবে।”১

টিকাঃ
১. সিলসিলা সহীহা-আলবানী হা: নং ৯৯৮
১. বুখারী ও মুসলিম
২. আবু দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ
১. বুখারী

📘 আল্লাহর প্রিয় বান্দা হবেন কিভাবে > 📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা ও ঘৃণার ক্ষেত্রে মানুষ

📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা ও ঘৃণার ক্ষেত্রে মানুষ


আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসা ও আল্লাহর ওয়াস্তে ঘৃণা করার ক্ষেত্রে মানুষ তিন প্রকার:
(ক) যাঁদেরকে সম্পূর্ণভাবে ভালবাসতে হবে। এঁরা হচ্ছে পূর্ণ মুমিন বান্দাগণ। যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান এনেছে এবং এখলাসের সাথে দ্বীনের কার্যাদি আদায় করে। আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَيُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَهُمْ رَاكِعُونَ )) وَمَن يَتَوَلَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا فَإِنَّ حِزْبَ اللَّهِ هُمُ الْغَالِبُونَ ) المائدة: ٥٥ - ٥٦
“তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ্, তাঁর রসূল এবং মু'মিনগণ-যারা সালাত কায়েম করে, জাকাত দেয় এবং বিনম্র। আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূল এবং বিশ্বাসীদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারাই আল্লাহর দল এবং তারাই বিজয়ী।” [সূরা মায়েদা: ৫৫-৫৬]
(খ) যাদের সাথে পূর্ণ সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। এরা হচ্ছে কাফের ও মুশরেকরা। চাই ইহুদি হোক বা খ্রীষ্টান হোক কিংবা অগ্নীপূজক হোক বা মূর্তিপূজক হোক অথবা নাস্তিক হোক। আর মুসলিমদের মধ্যে যারা কুফরি ও শিরক করে তারাও এর অন্তর্ভুক্ত। যেমন: আল্লাহ ছাড়া অন্যকে ডাকে বা বিপদ মুক্তির জন্য আহ্বান করে, অন্যের প্রতি ভরসা করে, আল্লাহ ও রসূল বা দ্বীনকে গালি-গালাজ করে। অথবা দ্বীনকে বর্তমান যুগে অনুপযোগী ভেবে দুনিয়ার জীবন থেকে আলাদা মনে করে ইত্যাদি। কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্যে এদের সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক রাখা যাবে না, যদিও আপনজন হয় না কেন।
আল্লাহ তা'য়ালার বাণী:
Y WVU T SRQ[
[^Z التحريم: 9
“হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট স্থান।” [তাহরীম:৯]
W vut S r qpon [
{ - مبينًا ( النساء: ١٤٤ |{ zy
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানাবে না মুমিনদের বাদ দিয়ে। তোমরা কি এমনটি করে নিজের উপর আল্লাহর প্রকাশ্য দলীল কায়েম করে দেবে!” [সূরা নিসা: ১৪৪]
.- +) ( ' & %$ # " [
Z; : 98 76543 21 0/
المائدة: ٥١
“হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। আর আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।” [সূরা মায়েদা: ৫১]
= < ; : 98 7 ɓ
| IG F E DCBA @ ▷
X WVU TSOP Ο ML KJ
ZY المجادلة: ۲۲
“যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে।” [সূরা মুজাদালাহ: ২২]
(গ) যাদের সাথে এক দিক থেকে সম্পর্ক রাখা যাবে আবার অন্য দিক থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে: এরা হলো ফাসেক-ফাজের পাপী মুসলিমরা। এমন পাপ করে না যার দরুন কুফরি পর্যন্ত পৌঁছায়। তারা যতটুকু ভাল করে ততটুকু সম্পর্ক রখতে হবে আর যতটুকু খারাপ করে ততটুকু সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। এদেরকে ওয়াজ-নসিহত দ্বারা অন্যায়, অশ্লীল ও নোংরা কাজ থেকে বারণ ও সৎকাজের নির্দেশ করতে হবে। এদের উপরে দ্বীনের নির্দিষ্ট দণ্ড, সাজা ও শাস্তি কায়েম করতে হবে, যাতে করে তারা তওবা করে ফিরে আসে। যেমন নবী [] আব্দুল্লাহ ইবনে হিমারকে মদ পান করার পর নিয়ে আসা হলে শাস্তি দেন। কিন্তু কোন একজন তার প্রতি অভিশাপ করলে তিনি বলেন:
« لَا تَلْعَنُوهُ فَوَاللَّهِ مَا عَلِمْتُ إِنَّهُ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ ». البخاري.
“তার প্রতি অভিশাপ কর না; আল্লাহর কসম! আমার জানামতে সে আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসে।”১

টিকাঃ
১. বুখারী

📘 আল্লাহর প্রিয় বান্দা হবেন কিভাবে > 📄 আল্লাহর জন্য ভালবাসার কিছু দাবি

📄 আল্লাহর জন্য ভালবাসার কিছু দাবি


আল্লাহর ওয়াস্তে ভালবাসার কিছু দাবী রয়েছে তা আদায় করা জরুরি:
১. কুফুরের দেশ ত্যাগ করে মুসলমানের দেশে হিজরত করা। কিন্তু যদি দুর্বল হয় যার হিজরত করা শরিয়ত সম্মত কারণে সম্ভব নয় তার বিধান ভিন্ন।
২. মুসলিমদের সাহায্য করা, জানমাল ও জবান দ্বারা সহযোগিতা করা, তাদের সুখে-দুঃখে অংশগ্রহণ করা।
৩. নিজের জন্য যা ভালবাসে তা মুসলিমদের জন্য ভালবাসা। তাঁদের কাউকে ঠাট্টা-বিদ্রুপ না করা এবং তাঁদের অন্তর দিয়ে ভালবাসা, মজলিসে বসা ও পরামর্শের ব্যাপারে আগ্রহী হওয়া।
৪. মুসলমানদের অধিকার যেমন: রোগীর পরিদর্শন, জানাজায় অংশগ্রহণ, তাদের সাথে নরম ব্যবহার, তাদের জন্যে দোয়া-এস্তেগফার করা, তাদের প্রতি সালাম দেয়া, লেনদেনে কোন প্রকার ধোঁকাবাজি না করা এবং বাতিল পন্থায় তাদের সম্পদ ভক্ষণ না করা।
৫. তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার গোয়েন্দাগিরী না করা, তাদের গোপন কোন তথ্য শত্রুদেরকে অবহিত না করানো, তাদের হতে সর্বপ্রকার কষ্টদায়ক জিনিস দূর করা, তাদের আপোসে ঝগড়া-বিবাদ হলে মীমাংসা করা।
৬. সকল মুসলিদের একত্রে সম্মিলিত জামাত "জামাতুল মুসলিমীন”-এর সাথে থাকা এবং কোন দলাদলি না করা। ভাল, নেক, তাকওয়া এবং সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধের কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করা।

📘 আল্লাহর প্রিয় বান্দা হবেন কিভাবে > 📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ঘৃণার জন্য যা জরুরি

📄 আল্লাহর ওয়াস্তে ঘৃণার জন্য যা জরুরি


১. শিরক, কুফরি ও কাফের, মুশরিকদেরকে ঘৃণা করা এবং অন্তরে তাদের ব্যাপারে দুশমনি রাখা।
২. কাফেরদেরকে বন্ধু না বানানো এবং তাদেরকে ভাল না বাসা। তাদের সাথে পূর্ণ সম্পর্ক ছিন্ন করা। যদিও তারা আপনজন হয় না কেন।
৩. কুফরের দেশে অতি প্রয়োজন ছাড়া সফর না করা। যদি দ্বীনের কার্যাদি কায়েম করা অসম্ভব হয় তাহলে সফর করা হারাম।
৪. কাফেরদের কৃষ্টি-কালচারের সাথে দ্বীন-দুনিয়ার কোন বিষয়ে সদৃশ না করা।
৫. কাফেরদেরকে কোন প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা না করা। তাদের প্রশংসা না করা, মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাহায্য না করা, অতি প্রয়োজন ও শর্ত ছাড়া তাদের সাহায্য গ্রহণ না করা, তাদের সঙ্গ ও মজলিস ত্যাগ করা, তাদেরকে কোন দায়িত্বশীল না বানানো।
৬. তাদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও খুশীতে অংশগ্রহণ না করা এবং শুভেচ্ছা না জানানো। অনুরূপ তাদেরকে সম্মান প্রদর্শন করা এবং সায়্যেদ কিংবা মাওলা ইত্যাদি বলে সম্বোধন না করা।
৭. তাদের জন্যে আল্লাহর নিকট ক্ষমা ও দয়া চেয়ে দোয়া না করা। তবে তাদের হেদায়াতের জন্য দোয়া করা যাবে।
৮. তাদের সাথে কোন প্রকার চাপরাশি বা মোসাহেবি না করা।
৯. তাদের নিকট কোন বিচার প্রার্থী না হওয়া এবং তাদের বিচারে সন্তুষ্টি প্রকাশ না করা। তাদের অনুসরণ ও প্রবৃত্তির অনুকরণ ত্যাগ করা।
১০. তাদেরকে “আসসালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ” বলে সালাম না দেয়া। তবে তারা সালাম দিলে শুধুমাত্র “ওয়া 'আলাইকুম” বলা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00