📄 বাবা-মা ও সন্তানের ভালবাসা
ভাবছেন এ ভালবাসা বাবা-মামা ও সন্তানদের মাঝের ভালবাসা!? সন্তান ইউসুফ []কে বাবা ইয়াকুব []-এর ভালবাসার ঘটনা সবার জানা। আল্লাহ তা'য়ালা কুরআনে এ ঘটনা বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন:
ף ן μ
وَتَوَلَّى عَنْهُمْ وَقَالَ يَتَأَسَفَى عَلَى
الْحُزْنِ فَهُوَ كَظِيمُ 2 يوسف: ٨٤
“এবং তাদের দিক থেকে তিনি মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং বললেন: হায় আফসোস ইউসুফের জন্যে! এবং দুঃখে তাঁর চক্ষুদয় সাদা হয়ে গেল। আর অসহনীয় মনস্তাপে তিনি ছিলেন ক্লিষ্ট।” [সূরা ইউসুফ: ৮৪]
আবু কেলাব উমাইয়া ইবনে আস্কার তার সন্তান কেলাবকে ভালবাসার ঘটনা প্রসিদ্ধ।
ইমাম জুহরী উর'আহ্ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: কেলাব ইবনে উমাইয়া [] উমার ফারুক []-এর খেলাফাত কালে মদিনায় হিজরত করেন।
এখানে কিছুদিন অবস্থান করেন। একদিন তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ ও জুবাইর ইবনে আওওয়াম []- এর সাথে সাক্ষাত করেন। তাঁদের দু'জনকে ইসলামে সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে বলেন: ইসলামে সর্বোত্তম আমল হচ্ছে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এরপর উমার ফারুক []-এর সাথে পরামর্শ করলে তিনি তাকে জিহাদে প্রেরণ করেন।
এ দিকে তার বাবা-মা বয়োবৃদ্ধ ও অতি দুর্বল ছিলেন। সন্তানের অনুপস্থিত দীর্ঘ দিন হলে আবু কিলাব [] কবিতা লেখে তাঁর দুঃখের কথা প্রকাশ করেন এবং মদিনার অলিগলি আবৃতি করে বেড়ান। এমনকি তার কবিতা উমার ফারুকের নিকট পৌঁছালেও তিনি সন্তান কেলাবকে ফেরৎ নিয়ে আনার কোন ব্যবস্থা গ্রহণের ফরমান জারি করেন না।
অবস্থা কঠিন আকার ধারণ করলে আবু কেলাব একদিন উমারের নিকট আসেন। এ সময় তিনি মসজিদে নববীতে ছিলেন আর তাঁর আস-পাশ ছিলেন মুহাজির ও আনসার সাহাবাগণ। আবু কেলাব উমারের সামনে দাঁড়িয়ে তার দুঃখ ও কষ্টের কথা কবিতা আকারে পড়তে শুরু করেন।
কবিতা শুনে উমার ফারুক [] প্রচণ্ডভাবে কাঁদেন এবং কুফার আমীর সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস []কে পত্র লিখেন যে, দ্রুত কেলাব ইবনে উমাইয়াকে মদিনায় পেঁছানোর জন্যে ব্যবস্থা কর। কেলাব মদীনায় পৌঁছলে উমার [২] তাকে জিজ্ঞাসা করেন তোমার বাবার সাথে কি ধরণের সদ্ব্যবহার করতে? কেলাব তার সদ্ব্যবহারের বর্ণনা দেন।
উমার (4) বাবা উমাইয়াকে হাজির করার জন্য লোক পাঠান। তিনি টলতে টলতে এসে উপস্থিত হলেন। তার চুক্ষদ্বয় দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং পিঠ বেঁকে গেছে। উমার [] বললেন: আবু কেলাব! কেমন আছেন? উত্তরে বললেন: যেমন দেখছেন আমীরুল মুমিনীন!
উমার [] বললেন: আপনার কোন প্রয়োজন আছে কী? বললেন: হ্যাঁ, একবার প্রিয় সন্তান কেলাবকে দেখতে চাই। মৃত্যুর পূর্বে তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে তার শরীরের গন্ধ নিতে চাই। এ কথা শুনে উমার [] কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন: আল্লাহ চাহে আপনার আশা পূরণ করা হবে। অত:পর উমার[] কেলাবকে তার বাবার জন্যে যেভাবে দুধ দহন করত সেরূপ এক গ্লাস দুধ দহন করতে আদেশ করলেন। সে তাই করলে দুধের পেয়ালা উমার[] নিয়ে আবু কেলাবের হাতে দিয়ে বললেন, ধরুন হে আবু কেলাব।
আবু কেলাব পেয়ালা হাতে নিয়ে মুখের নিকট নিতেই উমার[]কে বলেন: হে আমীরুল মুমিনীন! আমি এ পেয়ালাতে কেলাবের দু'হাতের গন্ধ পাচ্ছি। এ শুনে উমার [] ক্রন্দন করতে লাগলেন এবং বললেন: এই যে কেলাব আপনার নিকটে হাজির। তাকে আমি উপস্থিত করেছি। শুনামাত্র সন্তানের দিকে লাফ দিয়ে উঠেন এবং বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে চুমা দিতে থাকেন। এ দেখে আবার উমার [] এবং উপস্থিত সকলে কাঁদতে লাগলেন। অত:পর উমার [] কেলাবকে তার বাবা-মার খেদমত করার নির্দেশ করে বললেন: যতদিন তাঁরা বেঁচে থাকেন ততদিন তাঁদের দু'জনের খেদমত করেই জিহাদ কর। এরপর তোমার যা হবাব হবে। এ ছাড়া উমার ফারুক [] কেলাবের সরকারী ভাতা চালু রাখার নির্দেশ করলেন। কেলাব [১] তাঁর বাবা-মার মৃত্যু পর্যন্ত তাঁদের সাথেই অবস্থান করেন।১
যুদ্ধ বন্দীদের মধ্য হতে একজন মহিলা তার সন্তানকে পাওয়ার জন্য পাগল পরা হয়ে ছুটাছুটি করতে ছিল। সন্তানকে পেয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে লাগল। এ অবস্থা দেখে রসূলুল্লাহ [] সাহাবাদেরকে বললেন: এ মহিলাটি কী তার এ সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে পারে? সাহাবাগণ উত্তর দিলেন: পারতপক্ষে সন্তানকে আগুনে কক্ষনো নিক্ষেপ করতে পারে না। নবী [] বললেন: এ মা তার সন্তানকে যতটুকু দয়া করে তার চাইতেও আল্লাহ তার বান্দার প্রতি বেশি দয়াবান।২
আয়েশা [রাঃ] বলেন: তাঁর নিকটে একজন মিসকিন মহিলা দু'টি মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়। আমি তাকে তিনটি খেজুর দেই। সে প্রতিটি মেয়েকে একটি করে খেজুর দেয়। অত:পর সে তৃতীয় খেজুরটি নিজে খাওয়ার জন্য মুখের দিকে উত্তোলন করে। এ অবস্থায় মেয়ে দু'টি হাত বাড়ালে মা তার খেজুরটিকে দু'ভাগ করে তাদেরকে দিয়ে দেন।
আয়েশা [রাঃ] বলেন: এ দেখে আমাকে বড় আশ্চর্য লাগলে। ঘটনাটি আমি রসূলুল্লাহ []-এর নিকট বর্ণনা করি। তিনি [] বলেন: আল্লাহ তা'য়ালা এর দ্বারা সে মহিলাটির জন্য জান্নাতকে ওয়াজিব করে দিয়েছেন বা বলেন: এর দ্বারা তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি করে দিয়েছেন।'
টিকাঃ
১. খাজ্জানাতুল আদাব: ২/২৭৩
২. বুখারী ও মুসলিম
১. মুসলিম
📄 নবী ﷺকে ভালবাসা
ভাবছেন এ ভালবাসা নবী []কে ভালবাসা? নবী []কে নিজের আত্মা, ধন-সম্পদ, পরিবার-পরিজন, বাবা-মা ও সন্তান-সন্ততি দুনিয়ার সবকিছুর ঊর্ধ্বে ভালবাসতে হবে।১
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنَ هِشَامٍ قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ آخِذٌ بِيَدِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ لَأَنْتَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ إِلَّا مِنْ نَفْسِي، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: « لَا وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْكَ مِنْ نَفْسِكَ ». فَقَالَ لَهُ عُمَرُ : فَإِنَّهُ الْآنَ وَاللَّهِ لَأَنْتَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِي فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: « الْآنَ يَا عُمَرُ » . رواه البخاري.
আব্দুল্লাহ ইবনে হিশাম [] থেকে বর্ণিত তিনি বলেন। আমরা নবী []-এর সঙ্গে ছিলাম। এ সময় তিনি [] উমার[]-এর হাত ধরে ছিলেন। উমার ফারুক [] নবী []কে বললেন: হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার নক্স (আত্মা) ব্যতীত সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার নিকট প্রিয়। নবী [] বললেন: “যাঁর হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার আত্মার চেয়েও অধিক প্রিয় না হব।” তখন উমার [] বললেন: আল্লাহর কসম! এখন আপনি আমার আত্মার চেয়েও বেশি প্রিয়। নবী [] বললেন: “এখন হে উমার (জানলে ও যা ওয়াজিব তা বললে)। [বুখারী হা: নং ৬৬৩২ ফাতহুল বারী: ১১/৫৩২]
عَنْ أَنَسِ هُ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: « لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ ». متفق عليه.
আনাস [] থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ [] বলেছেন: “যাঁর হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! তোমাদের কেউ ততক্ষণ মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ আমি তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি ও সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় না হব।”১
عَنْ أَنَسِ هُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:« لَا يُؤْمِنُ عَبْدٌ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ». رواه مسلم.
আনাস [১] হতে বর্ণিত নবী [] বলেছেন: “ততক্ষণ কোন বান্দা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ আমি তার নিকটে তার পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ ও সকল মানুষ থেকে অধিক প্রিয় না হব।”২
عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: لَأَنْتَأَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ نَفْسِي وَوَلَدِي وَأَهْلِي وَمَالِي، وَلَوْلَا أَنِّي آتِيَكَ فَأَرَاكَ لَظَنَنْتُ أَنِّي سَأَمُوتُ، وَبَكَى الْأَنْصَارِيُّ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا أَبْكَاكَ ؟ " قَالَ: ذَكَرْتُ أَنَّكَ سَتَمُوتُ وَنَمُوتُ فَتُرْفَعُ مَعَ النَّبِيِّينَ، وَنَحْنُ إِنْ دَخَلْنَا الْجَنَّةَ كُنَّا دُونَكَ، فَلَمْ يُخْبِرْهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى رَسُولِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ] | K J N M L W V U T SR QPО cba ^ ] \[ Z Y Zed النساء: ٦٩ - ٧٠ ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَبشر ». رواه البيهقي في شعب الإيمان: ٢ / ٥٠٥
আতা ইবনে সায়েব থেকে বর্ণিত, তিনি শা'বী থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: একজন আনসারী ব্যক্তি রসূলুল্লাহ []-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমার নিকট আমার জীবন, সন্তান-সন্ততি, পরিবার-পরিজন ও সম্পদের চাইতে অধিক প্রিয়। আর আপনাকে না দেখে আমি যেন বাঁচতেই পারি না। এরপর আনসারী লোকটি কাঁদতে লাগল।
নবী [] লোকটিকে বললেন: কেন কাঁদতেছ? বলল: আমি স্মরণ করি যে, আপনি মারা যাবেন এবং আমরাও মারা যাব। এরপর আপনি থাকবেন নবী-রসূলদের সাথে। আর আমরা জান্নাতে প্রবেশ করলে থাকব আপনার চেয়ে নিচে। (যার ফলে আর আপনাকে দেখতে পাব না) নবী [২] তার কোন উত্তর দিলেন না। অত:পর রসূলুল্লাহ []-এর প্রতি নাজিল হলো আল্লাহর বাণী:
“আর যারা আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করবে, তারা যাঁদের প্রতি আল্লাহ নেয়ামত দান করেছেন তাদের সঙ্গী হবে। তাঁরা হলেন নবী, ছিদ্দীক, শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ। আর তাঁদের সান্নিধ্যই হল উত্তম। এটা হল আল্লাহ-প্রদত্ত মহত্ত্ব। আর আল্লাহ যথেষ্ট পরিজ্ঞাত। [সূরা নিসা:৬৯-৭০]
এরপর নবী [] লোকটিকে বললেন: “সুসংবাদ গ্রহণ কর।”১
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: » مِنْ أَشَدَّ أُمَّتِي لِي حُبًّا نَاسٌ يَكُونُونَ بَعْدِي يَوَدُّ أَحَدُهُمْ لَوْ رَآنِي بأَهْله وماله ». مسلم.
আবু হুরাইরা [] থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ [] বলেছেন: আমার মৃত্যুর পর কিছু মানুষ আসবে যারা উম্মতের মধ্যে হতে আমাকে প্রচণ্ডভাবে ভালবাসবে। তাদের কেউ তার সমস্ত পরিবার-পরিজন ও সম্পদ দিয়ে হলেও আমাকে একবার দেখার জন্য আশা পোষণ করবে।১
টিকাঃ
১. এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আমাদের লেখা “যে ভালবাসা কাঁদালো” বইটি পড়ুন।
১. বুখারী ও মুসলিম
২. মুসলিম
১. বাইহাকী শু'য়াবুল ঈমানে: ২/৫০৫, হাদিসটি হাসান, সিলসিলা সহীহা-আলবানী হা: নং ২৯৩৩
১. মুসলিম
📄 আল্লাহ তা‘য়ালাকে ভালবাসা
ভাবছেন এ ভালবাসা আল্লাহকে ভালবাসা? আল্লাহকে ভালবাসা তাওহীদের মূল ও আত্মা। খাঁটিভাবে আল্লাহকে ভালাবাসা সকল এবাদতের হকিকত। আল্লাহর ভালবাসা ছাড়া বান্দার তাওহীদ অপূর্ণ। এ ভালবাসা সকল ভালবাসার জিনিসের ঊর্ধ্বে হতে হবে। সকল ভালবাসার বস্তু এ ভালবাসার আওতাধীন হতে হবে। নিশ্চয়ই এ ভালবাসার দ্বারা বান্দার সুখ-স্বাচ্ছন্দ ও বিজয় নিশ্চিত।
এ ভালবাসার পূর্ণতার দাবী হলো: কাউকে আল্লাহর জন্যে ও ওয়াস্তে ভালবাসা। তাই বান্দার উচিত আল্লাহ যেসব কাজ-কর্ম, ব্যক্তি, স্থান, সময় ইত্যাদিকে ভালবাসেন সেসবকে সেও ভালবাসবে। আর আল্লাহ তা'য়ালা যেসবকে ঘৃণা করেন সেও সেসবকে ঘৃণা করবে।
📄 আল্লাহকে ভালবাসার ক্ষেত্রে মানুষ
আল্লাহ তা'য়ালাকে ভালবাসার ক্ষেত্রে মানুষ চার প্রকার:
ক) আল্লাহকে ছাড়া অন্যকে ভালবাসে। ইহা বিড় শিরক।
খ) আল্লাহকে ভালবাসে কিন্তু অন্যকে তাঁর চাইতে বেশি ভালবাসে। ইহাও বড় শিরক।
গ) আল্লাহকে যেমন ভালবাসে তেমনি অন্যকেও ভালবাসে। ইহাও বড় শিরক।
ঘ) শুধুমাত্র আল্লাহকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে ভালবাসে। ইহা তাওহীদ যা মুমিনদের ভালবাসা।
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন:
WV U T SRQP ON M[
البقرة: ١٦٥ Zn ]\[Z Y
“আর কিছু লোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা আল্লাহর প্রতি ঈমানদার তাদের ভালবাসা ওদের তুলনায় বহুগুণ বেশি।” [সূরা বাকারা: ১৬৫]