📄 ৬.২ যারা দুনিয়া আঁকড়ে ধরে এবং যারা আখিরাত আঁকড়ে ধরে
একজন মানুষের যোগ্যতা বিচার করা হয় সে কি অন্বেষণ করে তার উপর ভিত্তি করে। এমন একজনকে কেউ বিচার করতে পারে না যে আল্লাহকে অন্বেষণ করে কেননা তা অপরিমেয়। যে দুনিয়া অন্বেষণ করে সে এত মূল্যহীন যে তাকে বিচার করা যায় না। শিবলি বলেন, 'যেকেউ এই দুনিয়াকে আঁকড়ে ধরবে সে এর অগ্নিশিখা দ্বারা পুড়তে থাকবে যতক্ষণ না সে ছাই হয়ে বাতাসে উড়ে যায়। যেকেউ আখিরাতকে আঁকড়ে ধরবে সে এর আলো দ্বারা এমনভাবে পুড়তে থাকবে যে সে গুণগতমানসম্পন্ন খাঁটি স্বর্ণে পরিণত হয় এবং এর দ্বারা উপকৃত হয়। যেকেউ আল্লাহকে আঁকড়ে ধরবে সে তাওহীদের আলো দ্বারা দাহ্য হবে এবং সে অমূল্য মণিতে পরিণত হবে।'
উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে তার, বৃহত্তমটি হল অনন্ত;
আর ক্ষুদ্রতমটি, সময় নিজেই তাকে খুঁজে পায় অস্পৃশ্য।
আল-শিবলিকে জিজ্ঞাসা করা হল, 'প্রিয়জনের সাথে সাক্ষাত করার আগে এমন আর কিছু কি আছে যা কখনও প্রেমিকের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে?' নিচের শ্লোক দিয়ে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন,
ওয়াল্লাহি! যদি তুমি আমায় মুকুট পরিয়ে দিতে খসরুর মুকুট,
পূর্বের রাজা, আর সম্মুখে হাজির করতে সৃষ্টজীবের ধন-সম্পদ-
আজকের ও গতকালের ধন-সম্পদ
আমায় বলা হল 'কিন্তু তোমার সাথে আঁমরা একবার দেখা করবনা।'
হে প্রভূ, তোমার সাথে সাক্ষাতেই আমার হৃষ্ট সম্মতি!
যেরূপ মহৎ উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে সে কেবলমাত্র আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা'আলাকে খুঁজার মাঝেই সন্তুষ্টি খুঁজে পাবে।
ইতস্তত আমার প্রত্যেক যাত্রা
সকালে ও সন্ধ্যায়- আর তোমার যিকিরও -
আমার জীবনের শ্বাস, সতেজ মৃদু হাওয়া
আর ভেঙ্গে ফেলে নিস্তব্ধতা।
তুমি আমার উচ্চাভিলাষ আমার সব, আমার লক্ষ্য আমার সফলতা।
হে আমার আশ্রয় ও ত্রাণকর্তা, আমায় সংশোধন করে হিদায়াতের পথে রাখো।