📄 অবসর সময়ের দোয়া
যখন মন অবসর থাকে তখন তাকে কর্মব্যস্ত রাখার জন্য মুখে নিম্নের যে কোনো যিকর মনের দিকে খেয়াল রেখে মুখে চালু করলে বাজে চিন্তা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সবসময় আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ রাখার এটাই সহজ উপায়।
سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلَا حوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ.
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ .
لا إلهَ إِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ .
তাছাড়া দরূদ পড়তে থাকা। কুরআনের যেসব অংশ মুখস্ত আছে তা গুনগুণিয়ে আবৃতি করা যায়। মোটকথা হলো মনটাকে সবসময় কাজ দিতে হবে। যদি সচেতনভাবে তাকে ব্যস্ত না রাখা হয় তাহলে যখনই সে অবসর পাবে তখনই ইবলীস তাকে কাজ দেবে। মন বিনা কাজে থাকতে পারে না। তাকে কাজ না দিয়ে শয়তানের বেগার খাটতে বাধ্য হবে।
📄 দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ দিন ও সময়
আল্লাহ তায়ালা সব সময়ই তাঁর বান্দার দোয়া শুনেন কবুল করতে পারেন। বান্দা তো যখনই যে দোয়া করার প্রয়োজন বোধ করে তখনই মনিবকে ডাকে ও তাঁর কাছে যা ইচ্ছা করে তাই চায়।
তবে রাসূল ﷺ দোয়া কবুলের জন্য বিশেষ কতক দিন ও সময় জানিয়ে দিয়েছেন যাতে আল্লাহর বান্দাহারা ঐ সব দিন ও সময়কে অবহেলা না করে, বরং বিশেষ যত্ন সহকারে ঐ বিশেষ সুযোগকে ব্যবহার করে দয়াময় প্রভুর দুয়ারে ধরণা দেয়।
১. লাইলাতুল কদর।
২. রমযান মাস।
৩. ফরয নামাযের পর।
৪. আরাফার দিন।
৫. আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়।
৬. জুমুআর দিন।
৭. রাতের শেষ তৃতীয়াংশ।
৮. সিজদারত অবস্থায়।
৯. আল্লাহর পথে যুদ্ধ করার সময়।
১০. রোযাদার অবস্থায়, বিশেষ করে ইফতার করার পূর্বক্ষণে।