📄 শোবার দোয়া
اللهُم بِكَ أَمْسَيْنَا وَبِكَ أَصْبَحْنَا وَبِكَ نَحْى وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ .
“হে আল্লাহ! তোমার নাম নিয়ে সন্ধ্যা বেলাকে কবুল করলাম। তোমার নাম নিয়েই সকাল বেলাকেও কবুল করি। তোমার নামেই বাঁচি, তোমার নামেই মরি। কবর থেকে উঠে তোমারই কাছে যেতে হবে।”
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَنَا وَكَفَنَا وَآوَانَا فَكُمْ مِّمَّنْ لَا كَافِيَ لَهُ وَلَا مُؤْوِي .
(শোবার পর ও দোয়া শুকরিয়া আদায়ের জন্য)
“সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহর জন্য যিনি আমাদেরকে খাওয়ালেন, পান করালেন, আমাদের প্রয়োজন পূরণ করলেন এবং আমাদেরকে আশ্রয়ের জায়গা দিলেন। কত এমন লোক আছে যার প্রয়োজন পূরণের কেউ নেই এবং যার কোন আশ্রয়ের জায়গাও নেই।”
باسْمِكَ رَبِّي وَضَعْتُ جَنْبِي وَبِكَ اَرْفَعُهُ - إِنْ أَمْسَكَتَ نَفْسِي فَارْحَمْهَا وَإِنْ أَرْسَلْنَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفِظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِين .
(ডান কাতে শুয়ে ডান হাত গালের নিচে রেখে এ দোয়া)
“হে আমার রব! তোমার নাম নিয়েই আমার পার্শ্বকে বিছানায় রাখলাম। আবার তোমার নাম নিয়েই তাকে উঠাব। এ অবস্থায় যদি আমার জানকে তুমি রেখে দাও (মৃত্যু দাও) তবে এর উপরে রহম কর। আর যদি ফেরত পাঠাও তাহলে এর হেফাযত কর যেমন তোমার নেক বান্দাদের বেলায় করে থাক।”
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ نَفْسِي إِلَيْكَ وَوَجَّهْتُ وَجْهِيَ إِلَيْكَ وَفَوَّضْتُ أمْرِى إِلَيْكَ وَالْجَاتُ ظَهْرِى إِلَيْكَ رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ لا مَلْجَا وَلَا مَنْجَا مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ - أُمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أنزَلْتَ وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ .
“হে আল্লাহ! আমার নাফসকে তোমার নিকট সমর্পণ করলাম। আমার চেহারাকে তোমারা দিকে রুজু করলাম। আর সব ব্যাপারের ভার তোমার উপরই দিলাম। আমার সত্তাকে তোমার আশ্রয়ে রাখলাম। আগ্রহ ও আশংকা নিয়েই তোমার দিকে এসেছি। তোমার শাস্তি থেকে বাঁচতে হলেও তোমারই কাছে ধরণা দিতে হয়। তোমার কাছে ছাড়া কোনো আশ্রয়ও নেই। যে কিতাব তুমি নাযিল করেছ তার উপর ঈমান এনেছি এবং যে নৰী তুমি পাঠিয়েছ তাঁর উপরও ঈমান এনেছি।"
৩৩ বার সুবাহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ও ৩৪ বার আল্লাহু আকবার।
আয়াতুল কুরসি।
اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْى .
“হে আল্লাহ! তোমার নাম নিয়েই মরি ও বাঁচি।
📄 অবসর সময়ের দোয়া
যখন মন অবসর থাকে তখন তাকে কর্মব্যস্ত রাখার জন্য মুখে নিম্নের যে কোনো যিকর মনের দিকে খেয়াল রেখে মুখে চালু করলে বাজে চিন্তা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সবসময় আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ রাখার এটাই সহজ উপায়।
سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلَا حوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ.
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ .
لا إلهَ إِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللهِ .
তাছাড়া দরূদ পড়তে থাকা। কুরআনের যেসব অংশ মুখস্ত আছে তা গুনগুণিয়ে আবৃতি করা যায়। মোটকথা হলো মনটাকে সবসময় কাজ দিতে হবে। যদি সচেতনভাবে তাকে ব্যস্ত না রাখা হয় তাহলে যখনই সে অবসর পাবে তখনই ইবলীস তাকে কাজ দেবে। মন বিনা কাজে থাকতে পারে না। তাকে কাজ না দিয়ে শয়তানের বেগার খাটতে বাধ্য হবে।
📄 দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ দিন ও সময়
আল্লাহ তায়ালা সব সময়ই তাঁর বান্দার দোয়া শুনেন কবুল করতে পারেন। বান্দা তো যখনই যে দোয়া করার প্রয়োজন বোধ করে তখনই মনিবকে ডাকে ও তাঁর কাছে যা ইচ্ছা করে তাই চায়।
তবে রাসূল ﷺ দোয়া কবুলের জন্য বিশেষ কতক দিন ও সময় জানিয়ে দিয়েছেন যাতে আল্লাহর বান্দাহারা ঐ সব দিন ও সময়কে অবহেলা না করে, বরং বিশেষ যত্ন সহকারে ঐ বিশেষ সুযোগকে ব্যবহার করে দয়াময় প্রভুর দুয়ারে ধরণা দেয়।
১. লাইলাতুল কদর।
২. রমযান মাস।
৩. ফরয নামাযের পর।
৪. আরাফার দিন।
৫. আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়।
৬. জুমুআর দিন।
৭. রাতের শেষ তৃতীয়াংশ।
৮. সিজদারত অবস্থায়।
৯. আল্লাহর পথে যুদ্ধ করার সময়।
১০. রোযাদার অবস্থায়, বিশেষ করে ইফতার করার পূর্বক্ষণে।