📄 বিরোধীদের সম্পর্কে
رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةٌ لِلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে যালেম সম্প্রদায়ের জন্য ফিতনা বানিও না এবং তোমার রহমত দ্বারা আমাদেরকে কাফির কাওম থেকে নাজাত দাও।
(সূরা ইউনূস : ৮৫-৮৬)
হে আল্লাহ! তোমাকে তাদের ঘাড়ের উপর বসালাম এবং তাদের ক্ষতি থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম।”
اللهُمَّ انْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا غَايَةَ رَغْبَتِنَا وَلَا تُسَلِّطَ عَلَيْنَا مِنْ لَّا يَرْحَمْنَا .
“হে আল্লাহ! যারা আমাদের সাথে দুশমনী করছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর। আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোন মুসিবত দিও না। দুনিয়াকেই আমাদের বড় ধান্দা, আমাদের ইলমের আসল উদ্দেশ্য ও আকর্ষণের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে দিও না। যারা আমাদের সাথে সদয় আচরণ করে না তাদেরকে আমাদের উপর কর্তৃত্ব দিও না।”
اللهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَسَرِيعَ الْحِسَابِ وَمُجْرِي السَّحَابِ وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ - اللَّهُمَّ اهْزِمِ الْأَحْزَابَ - اللَّهُمَّ اهْزِمُهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ .
“হে আল্লাহ! তুমিই কিতাব নাযিল করেছ, জলদি হিসাব নেবার ক্ষমতা রাখ, মেঘমালাকে পরিচালিত কর এবং বাহিনীকে পরাজিত করে থাক। হে আল্লাহ! তুমি এ বাহিনীকে পরাজিত কর। “হে আল্লাহ! তাদেরকে পরাজিত কর ও কাঁপিয়ে দাও এবং তাদের মুকাবিলায় আমাদেরকে সাহায্য কর।” [আহযাবের যুদ্ধের সময় রাসূল ﷺ এ দোয়াটি শিক্ষা দিয়েছেন।]
اَللّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ - اَللَّهُمَّ انْصُرِ الإِسْلاَمِ وَالْمُسْلِمِينَ وانجز وَعْدَكَ وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ - اَللَّهُمَّ اهزم أعْدَاءَنَا وَأَعْدَاءَ الدِّينِ - اللَّهُمَّ شَيِّتْ شَمْلَهُمْ وَمَزَّقَ جَمْعَهُمْ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَاسَكَ الَّذِي لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ .
“হে আল্লাহ! মু'মিন ও মুসলিম পুরুষ ও নারীদেরকে মাফ করে দাও। তাদের মধ্যে আন্তরিক মহব্বতের সম্পর্ক সৃষ্টি কর। তাদের একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক কায়েম রাখ। তোমার ও তাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সাহায্য কর। হে আল্লাহ! ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য কর। তোমার সাহায্য পাওয়া মু'মিনদের হক বলে যে ওয়াদা করেছ তা পালন কর। হে আল্লাহ! আমাদের ও দ্বীনের দুশমনদেরকে পরাজিত কর। তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি কর। তাদের সম্মিলিত শক্তিকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দাও, তাদের পায়ে কাঁপুনি সৃষ্টি কর। তাদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করে দাও। তাদের উপর তোমার ঐ দাপট নাযিল কর যা অপরাধী কাওম থেকে কখনও ফিরাও না।” (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা: আ. প্র.)
رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةٌ لِلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে যালেম সম্প্রদায়ের জন্য ফিতনা বানিও না এবং তোমার রহমত দ্বারা আমাদেরকে কাফির কাওম থেকে নাজাত দাও।
(সূরা ইউনূস : ৮৫-৮৬)
হে আল্লাহ! তোমাকে তাদের ঘাড়ের উপর বসালাম এবং তাদের ক্ষতি থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম।”
اللهُمَّ انْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا غَايَةَ رَغْبَتِنَا وَلَا تُسَلِّطَ عَلَيْنَا مِنْ لَّا يَرْحَمْنَا .
“হে আল্লাহ! যারা আমাদের সাথে দুশমনী করছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর। আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোন মুসিবত দিও না। দুনিয়াকেই আমাদের বড় ধান্দা, আমাদের ইলমের আসল উদ্দেশ্য ও আকর্ষণের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে দিও না। যারা আমাদের সাথে সদয় আচরণ করে না তাদেরকে আমাদের উপর কর্তৃত্ব দিও না।”
اللهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَسَرِيعَ الْحِسَابِ وَمُجْرِي السَّحَابِ وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ - اللَّهُمَّ اهْزِمِ الْأَحْزَابَ - اللَّهُمَّ اهْزِمُهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ .
“হে আল্লাহ! তুমিই কিতাব নাযিল করেছ, জলদি হিসাব নেবার ক্ষমতা রাখ, মেঘমালাকে পরিচালিত কর এবং বাহিনীকে পরাজিত করে থাক। হে আল্লাহ! তুমি এ বাহিনীকে পরাজিত কর। “হে আল্লাহ! তাদেরকে পরাজিত কর ও কাঁপিয়ে দাও এবং তাদের মুকাবিলায় আমাদেরকে সাহায্য কর।” [আহযাবের যুদ্ধের সময় রাসূল ﷺ এ দোয়াটি শিক্ষা দিয়েছেন।]
اَللّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ - اَللَّهُمَّ انْصُرِ الإِسْلاَمِ وَالْمُسْلِمِينَ وانجز وَعْدَكَ وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ - اَللَّهُمَّ اهزم أعْدَاءَنَا وَأَعْدَاءَ الدِّينِ - اللَّهُمَّ شَيِّتْ شَمْلَهُمْ وَمَزَّقَ جَمْعَهُمْ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَاسَكَ الَّذِي لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ .
“হে আল্লাহ! মু'মিন ও মুসলিম পুরুষ ও নারীদেরকে মাফ করে দাও। তাদের মধ্যে আন্তরিক মহব্বতের সম্পর্ক সৃষ্টি কর। তাদের একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক কায়েম রাখ। তোমার ও তাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সাহায্য কর। হে আল্লাহ! ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য কর। তোমার সাহায্য পাওয়া মু'মিনদের হক বলে যে ওয়াদা করেছ তা পালন কর। হে আল্লাহ! আমাদের ও দ্বীনের দুশমনদেরকে পরাজিত কর। তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি কর। তাদের সম্মিলিত শক্তিকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দাও, তাদের পায়ে কাঁপুনি সৃষ্টি কর। তাদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করে দাও। তাদের উপর তোমার ঐ দাপট নাযিল কর যা অপরাধী কাওম থেকে কখনও ফিরাও না।” (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা: আ. প্র.)
📄 রাসূল ﷺ এর প্রতি দরূদ
রাসূল ﷺ বলেছেন যে, দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরূদ পেশ করা হলে দোয়া কবুলের বেশি আশা করা যায়। তাই দেখা যায়, বিশেষ করে দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করার রীতি গোটা উম্মতের মধ্যে চালু রয়েছে। আল্লাহ পাক কুরআনের মজীদে এভাবে দরূদের হুকুম দিয়েছেন:
إِنَّ اللهَ وَمَلَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে ঐসব লোক! যারা ঈমান এনেছ তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাও।”
(সূরা আল আহযাব : আয়াত-৫৬)
আল্লাহ তায়ালা তাঁর আর কোন হুকুম সম্পর্কে এভাবে বলেননি যে, আমি নিজেও এ কাজ করি, তোমরাও তা কর। একমাত্র দরূদের বেলায়ই এ কথা বলেছেন। এ দ্বারা দরূদের মর্যাদা যে কত বড় তা সহজেই বুঝা যায়।
তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদ পাঠানো, আর ফেরেশতা ও মানুষের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার মানে এক রকম নয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদের অর্থ হলো: "আল্লাহ রাসূলের প্রশংসা করেন; তাঁর উপর রহমত, বরকত ও শান্তি নাযিল করেন। তার নাম উন্নত করেন এবং তাঁকে মহব্বত করেন।” ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার অর্থ হলো: তাঁরা রাসূলকে খুবই মহব্বত করেন এবং তাঁকে উন্নত মর্যাদা দেবার জন্য তাঁরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। মু'মিনদের দরূদের উদ্দেশ্যেও রাসূলের প্রতি রহমত, বরকত ও শান্তি বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা।
রাসূল ﷺ বলেছেন যে, দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরূদ পেশ করা হলে দোয়া কবুলের বেশি আশা করা যায়। তাই দেখা যায়, বিশেষ করে দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করার রীতি গোটা উম্মতের মধ্যে চালু রয়েছে। আল্লাহ পাক কুরআনের মজীদে এভাবে দরূদের হুকুম দিয়েছেন:
إِنَّ اللهَ وَمَلَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে ঐসব লোক! যারা ঈমান এনেছ তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাও।”
(সূরা আল আহযাব : আয়াত-৫৬)
আল্লাহ তায়ালা তাঁর আর কোন হুকুম সম্পর্কে এভাবে বলেননি যে, আমি নিজেও এ কাজ করি, তোমরাও তা কর। একমাত্র দরূদের বেলায়ই এ কথা বলেছেন। এ দ্বারা দরূদের মর্যাদা যে কত বড় তা সহজেই বুঝা যায়।
তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদ পাঠানো, আর ফেরেশতা ও মানুষের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার মানে এক রকম নয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদের অর্থ হলো: "আল্লাহ রাসূলের প্রশংসা করেন; তাঁর উপর রহমত, বরকত ও শান্তি নাযিল করেন। তার নাম উন্নত করেন এবং তাঁকে মহব্বত করেন।” ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার অর্থ হলো: তাঁরা রাসূলকে খুবই মহব্বত করেন এবং তাঁকে উন্নত মর্যাদা দেবার জন্য তাঁরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। মু'মিনদের দরূদের উদ্দেশ্যেও রাসূলের প্রতি রহমত, বরকত ও শান্তি বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা।
📄 সালাতের মধ্যে দোয়া
রাসূল ﷺ সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন এবং সকল অবস্থায়ই আল্লাহর কাছে যখন যা দরকার চাইতে থাকতেন। তাই সব অবস্থার উপযোগী চমৎকার দোয়া হাদীসে পাওয়া যায়। তা থেকে এখানে শুধু তাহাজ্জুদ ও নফল নামাযের বিভিন্ন অংশে এবং ফরয নামাযের পর যেসব দোয়া করতেন তা থেকে মাত্র কয়েকটি বাছাই করে এখানে পেশ করছি। তাছাড়া সকাল ও সন্ধ্যার দোয়াগুলো থেকেও কিছু এখানে উল্লেখ করছি। সবশেষে ঘুমানোর সময়ের দোয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
রাসূল ﷺ সবসময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন এবং সকল অবস্থায়ই আল্লাহর কাছে যখন যা দরকার চাইতে থাকতেন। তাই সব অবস্থার উপযোগী চমৎকার দোয়া হাদীসে পাওয়া যায়। তা থেকে এখানে শুধু তাহাজ্জুদ ও নফল নামাযের বিভিন্ন অংশে এবং ফরয নামাযের পর যেসব দোয়া করতেন তা থেকে মাত্র কয়েকটি বাছাই করে এখানে পেশ করছি। তাছাড়া সকাল ও সন্ধ্যার দোয়াগুলো থেকেও কিছু এখানে উল্লেখ করছি। সবশেষে ঘুমানোর সময়ের দোয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
📄 তাকবীর তাহরীমের পর
আল্লাহু আকবার বলে নামাযের শুরুতে হাত বেঁধে দাঁড়ানো অবস্থায় কিরাআতের পূর্বে বিভিন্ন দোয়া রাসূল ﷺ পড়তেন। এর মধ্যে তিনটি এখানে উল্লেখ করা হলো-
وجَهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ - إِنَّ صَلاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ العَلَمِينَ - لَا شَرِيكَ لَهُ ، وَبَذَالِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ .
“আসমান ও যমীনকে যিনি সৃষ্টি করেছেন তার দিকে আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরালাম ও মনোযোগ দিলাম। আর আমি মুশরিকদের মধ্যে শামিল নই। নিশ্চয় আমার নামায, কুরবানী, হায়াত ও মওত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। তাঁর কোনো শরীক নেই। আমাকে এ রকমই আদেশ করা হয়েছে এবং আমি মুসলিমদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
(সূরা আল আনআম : ৭৯ ও ১৬২)
اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ .
“হে আল্লাহ! তুমি বাদশাহ। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমি আমার রব, আর আমি তোমার গোলাম। আমি নিজের উপর যুলুম করেছি। আমার গুনাহর কথা স্বীকার করছি। আমার সব গুনাহ মাফ করে দাও। তুমি ছাড়া আর কেউ ক্ষমা করতে পারে না।”
اللهُمَّ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ الَيْكَ وَالْمَهْدِي مَنْ هَدَيْتَ أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ لَا مَنْجَا مِنْكَ وَلَا مَلْجَا إِلَّا إِلَيْكَ تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ اسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ .
“হে আল্লাহ! আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে হাযির হয়ে গেছি। তোমার মহান দরবারে উপস্থিত হবার সৌভাগ্য হলো। সব কল্যাণ তোমারই হাতে আছে। কোনো মন্দই তোমার প্রতি আরোপ করা যায় না। তুমি যাকে হেদায়াত কর সেই হেদায়াত পায়। আমি তোমার কাছ থেকে এসেছি। তোমার কাছেই যাব। তোমার শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে তোমারই কাছে ধরণা দিতে হবে। তুমি ছাড়া কোনো আশ্রয়ই নেই, তুমি বরকতওয়ালা ও মহান। আমি তোমার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তোমার নিকট তাওবা করছি।"
তাকবীর তাহরীমের পর “সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তায়ালা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা” আমরা সবাই পড়ি। এটাও হাদীসে আছে। এরপর ঐ তিনটির মধ্যে যখন যেটা ইচ্ছে পড়া যেতে পারে। (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা : আ. প্র.)
আল্লাহু আকবার বলে নামাযের শুরুতে হাত বেঁধে দাঁড়ানো অবস্থায় কিরাআতের পূর্বে বিভিন্ন দোয়া রাসূল ﷺ পড়তেন। এর মধ্যে তিনটি এখানে উল্লেখ করা হলো-
وجَهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ - إِنَّ صَلاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ العَلَمِينَ - لَا شَرِيكَ لَهُ ، وَبَذَالِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ .
“আসমান ও যমীনকে যিনি সৃষ্টি করেছেন তার দিকে আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরালাম ও মনোযোগ দিলাম। আর আমি মুশরিকদের মধ্যে শামিল নই। নিশ্চয় আমার নামায, কুরবানী, হায়াত ও মওত আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। তাঁর কোনো শরীক নেই। আমাকে এ রকমই আদেশ করা হয়েছে এবং আমি মুসলিমদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
(সূরা আল আনআম : ৭৯ ও ১৬২)
اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ .
“হে আল্লাহ! তুমি বাদশাহ। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমি আমার রব, আর আমি তোমার গোলাম। আমি নিজের উপর যুলুম করেছি। আমার গুনাহর কথা স্বীকার করছি। আমার সব গুনাহ মাফ করে দাও। তুমি ছাড়া আর কেউ ক্ষমা করতে পারে না।”
اللهُمَّ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ الَيْكَ وَالْمَهْدِي مَنْ هَدَيْتَ أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ لَا مَنْجَا مِنْكَ وَلَا مَلْجَا إِلَّا إِلَيْكَ تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ اسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ .
“হে আল্লাহ! আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়ে হাযির হয়ে গেছি। তোমার মহান দরবারে উপস্থিত হবার সৌভাগ্য হলো। সব কল্যাণ তোমারই হাতে আছে। কোনো মন্দই তোমার প্রতি আরোপ করা যায় না। তুমি যাকে হেদায়াত কর সেই হেদায়াত পায়। আমি তোমার কাছ থেকে এসেছি। তোমার কাছেই যাব। তোমার শাস্তি থেকে বাঁচতে হলে তোমারই কাছে ধরণা দিতে হবে। তুমি ছাড়া কোনো আশ্রয়ই নেই, তুমি বরকতওয়ালা ও মহান। আমি তোমার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং তোমার নিকট তাওবা করছি।"
তাকবীর তাহরীমের পর “সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তায়ালা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা” আমরা সবাই পড়ি। এটাও হাদীসে আছে। এরপর ঐ তিনটির মধ্যে যখন যেটা ইচ্ছে পড়া যেতে পারে। (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা : আ. প্র.)