📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 মৃতদের জন্য দোয়া

📄 মৃতদের জন্য দোয়া


ربَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلاِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالْإِيْمَانِ وَلَا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلا لِلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ .
“হে আমাদের বর! আমাদেরকে এবং আমাদের পূর্বে যারা ঈমান নিয়ে চলে গেছেন সে ভাইদেরকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের ব্যাপারে আমাদের দিলে কোনোরূপ অসন্তোষ ও কলুষতা সৃষ্টি হতে দিও না। হে আমাদের রব!, তুমি বড়ই স্নেহপরায়ণ ও মেহেরবান।” (সূরা আল হাশর: আয়াত-১০)
اللهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأَنْثَانَا - اَللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلامَ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيْمَانِ .
“হে আল্লাহ! তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর যারা আমাদের মধ্যে জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং পুরুষ ও নারী। হে আল্লাহ আমাদের মধ্যে যাকে তুমি জীবিত রেখেছ তাকে দ্বীনের উপর কায়েম রাখ এবং যাকে মৃত্যু দিয়েছ তাকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দাও।”

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 পিতা-মাতা ও সন্তানদের জন্য দোয়া

📄 পিতা-মাতা ও সন্তানদের জন্য দোয়া


ربِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلوةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي وَ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ
ربَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَى وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ .
“হে আমার রব! আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে নামায কায়েম করার তাওফীক দাও এবং আমাদের দোয়া কবুল কর। হে আমাদের রব! বিচার দিবসে আমার, আমার পিতা-মাতার ও সকল মু'মিনের গুনাহ মাফ কর।”
(সূরা ইবরাহীম : ৪০)
رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا .
“হে আমার রব! আমার পিতা-মাতর উপর তেমনি রহম কর যেমন তারা ছোট সময় আমাকে লালন-পালন করেছেন।” (সূরা বনী ইসরাঈল: ২৪)
এখানে পিতা-মাতা, দাদা-দাদী, নানা-নানী ইত্যাদি যারা স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে প্রতিপালন করেছেন তাদের জন্য আবেগ সহকারে নিজের ভাষায় দোয়া করা দরকার যাতে আল্লাহ পাক তাদের নেক আমল কবুল করেন। গুনাহ মাফ করেন ও কবর আযাব থেকে তাদেরকে হেফাযত করেন।
ربَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا للْمُتَّقِينَ إِمَامًا ، وَارْزُقْهُمْ حَيَاةٌ طَيِّبَةً وَصِحَةً نَامَةً وَعِلْمًا نَافِعًا وَعَمَلاً صَالِحًا وخُلْقًا حَسَنًا وَرِزْقًا طَيِّبًا واسعًا.
“হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী (বা স্বামী) ও সন্তানদেরকে এমন বানাও যাতে তাদের দেখে আমাদের চোখ জুড়ায় এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের মধ্যে অগ্রগামী হওয়ার তাওফীক দাও। (সূরা আল ফুরকান: ৭৪)
* তাদেরকে পৰিত্র জীবন, পূর্ণ স্বাস্থ্য, কল্যাণকর ইলম, নেক আমল, সুন্দর চরিত্র এবং পবিত্র ও প্রচুর রিযিক দাও।”
এখানে সন্তানদের প্রত্যেকের জন্য তার প্রয়োজন ও অবস্থা অনুযায়ী আলাদা আলাদাভাবে দোয়া করা দরকার। সবচেয়ে বড় কথা হলো, তাদেরকে যেন আমাদের মাগফিরাতের জন্য কেঁদে কেঁদে আল্লাহর দরবারে দোয়া করার যোগ্য রেখে যেতে পারে সে তাওফীকও কামনা করতে হবে।

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 বিরোধীদের সম্পর্কে

📄 বিরোধীদের সম্পর্কে


رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةٌ لِلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে যালেম সম্প্রদায়ের জন্য ফিতনা বানিও না এবং তোমার রহমত দ্বারা আমাদেরকে কাফির কাওম থেকে নাজাত দাও।
(সূরা ইউনূস : ৮৫-৮৬)
হে আল্লাহ! তোমাকে তাদের ঘাড়ের উপর বসালাম এবং তাদের ক্ষতি থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম।”
اللهُمَّ انْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا غَايَةَ رَغْبَتِنَا وَلَا تُسَلِّطَ عَلَيْنَا مِنْ لَّا يَرْحَمْنَا .
“হে আল্লাহ! যারা আমাদের সাথে দুশমনী করছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর। আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোন মুসিবত দিও না। দুনিয়াকেই আমাদের বড় ধান্দা, আমাদের ইলমের আসল উদ্দেশ্য ও আকর্ষণের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে দিও না। যারা আমাদের সাথে সদয় আচরণ করে না তাদেরকে আমাদের উপর কর্তৃত্ব দিও না।”
اللهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَسَرِيعَ الْحِسَابِ وَمُجْرِي السَّحَابِ وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ - اللَّهُمَّ اهْزِمِ الْأَحْزَابَ - اللَّهُمَّ اهْزِمُهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ .
“হে আল্লাহ! তুমিই কিতাব নাযিল করেছ, জলদি হিসাব নেবার ক্ষমতা রাখ, মেঘমালাকে পরিচালিত কর এবং বাহিনীকে পরাজিত করে থাক। হে আল্লাহ! তুমি এ বাহিনীকে পরাজিত কর। “হে আল্লাহ! তাদেরকে পরাজিত কর ও কাঁপিয়ে দাও এবং তাদের মুকাবিলায় আমাদেরকে সাহায্য কর।” [আহযাবের যুদ্ধের সময় রাসূল ﷺ এ দোয়াটি শিক্ষা দিয়েছেন।]
اَللّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ - اَللَّهُمَّ انْصُرِ الإِسْلاَمِ وَالْمُسْلِمِينَ وانجز وَعْدَكَ وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ - اَللَّهُمَّ اهزم أعْدَاءَنَا وَأَعْدَاءَ الدِّينِ - اللَّهُمَّ شَيِّتْ شَمْلَهُمْ وَمَزَّقَ جَمْعَهُمْ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَاسَكَ الَّذِي لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ .
“হে আল্লাহ! মু'মিন ও মুসলিম পুরুষ ও নারীদেরকে মাফ করে দাও। তাদের মধ্যে আন্তরিক মহব্বতের সম্পর্ক সৃষ্টি কর। তাদের একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক কায়েম রাখ। তোমার ও তাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সাহায্য কর। হে আল্লাহ! ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য কর। তোমার সাহায্য পাওয়া মু'মিনদের হক বলে যে ওয়াদা করেছ তা পালন কর। হে আল্লাহ! আমাদের ও দ্বীনের দুশমনদেরকে পরাজিত কর। তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি কর। তাদের সম্মিলিত শক্তিকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দাও, তাদের পায়ে কাঁপুনি সৃষ্টি কর। তাদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করে দাও। তাদের উপর তোমার ঐ দাপট নাযিল কর যা অপরাধী কাওম থেকে কখনও ফিরাও না।” (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা: আ. প্র.)

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةٌ لِلْقَوْمِ الظَّالِمِينَ وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে যালেম সম্প্রদায়ের জন্য ফিতনা বানিও না এবং তোমার রহমত দ্বারা আমাদেরকে কাফির কাওম থেকে নাজাত দাও।
(সূরা ইউনূস : ৮৫-৮৬)
হে আল্লাহ! তোমাকে তাদের ঘাড়ের উপর বসালাম এবং তাদের ক্ষতি থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাইলাম।”
اللهُمَّ انْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا غَايَةَ رَغْبَتِنَا وَلَا تُسَلِّطَ عَلَيْنَا مِنْ لَّا يَرْحَمْنَا .
“হে আল্লাহ! যারা আমাদের সাথে দুশমনী করছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য কর। আমাদের দ্বীনের মধ্যে কোন মুসিবত দিও না। দুনিয়াকেই আমাদের বড় ধান্দা, আমাদের ইলমের আসল উদ্দেশ্য ও আকর্ষণের প্রধান লক্ষ্য বানিয়ে দিও না। যারা আমাদের সাথে সদয় আচরণ করে না তাদেরকে আমাদের উপর কর্তৃত্ব দিও না।”
اللهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَسَرِيعَ الْحِسَابِ وَمُجْرِي السَّحَابِ وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ - اللَّهُمَّ اهْزِمِ الْأَحْزَابَ - اللَّهُمَّ اهْزِمُهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ .
“হে আল্লাহ! তুমিই কিতাব নাযিল করেছ, জলদি হিসাব নেবার ক্ষমতা রাখ, মেঘমালাকে পরিচালিত কর এবং বাহিনীকে পরাজিত করে থাক। হে আল্লাহ! তুমি এ বাহিনীকে পরাজিত কর। “হে আল্লাহ! তাদেরকে পরাজিত কর ও কাঁপিয়ে দাও এবং তাদের মুকাবিলায় আমাদেরকে সাহায্য কর।” [আহযাবের যুদ্ধের সময় রাসূল ﷺ এ দোয়াটি শিক্ষা দিয়েছেন।]
اَللّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُسْلِمِينَ وَالْمُسْلِمَاتِ وَالفْ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَانْصُرْهُمْ عَلَى عَدُوِّكَ وَعَدُوِّهِمْ - اَللَّهُمَّ انْصُرِ الإِسْلاَمِ وَالْمُسْلِمِينَ وانجز وَعْدَكَ وَكَانَ حَقًّا عَلَيْنَا نَصْرُ الْمُؤْمِنِينَ - اَللَّهُمَّ اهزم أعْدَاءَنَا وَأَعْدَاءَ الدِّينِ - اللَّهُمَّ شَيِّتْ شَمْلَهُمْ وَمَزَّقَ جَمْعَهُمْ وَزَلْزِلْ أَقْدَامَهُمْ وَخَالِفْ بَيْنَ كَلِمَتِهِمْ وَأَنْزِلْ بِهِمْ بَاسَكَ الَّذِي لَا تَرُدُّهُ عَنِ الْقَوْمِ الْمُجْرِمِينَ .
“হে আল্লাহ! মু'মিন ও মুসলিম পুরুষ ও নারীদেরকে মাফ করে দাও। তাদের মধ্যে আন্তরিক মহব্বতের সম্পর্ক সৃষ্টি কর। তাদের একে অপরের মধ্যে সম্পর্ক কায়েম রাখ। তোমার ও তাদের দুশমনদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সাহায্য কর। হে আল্লাহ! ইসলাম ও মুসলমানদেরকে সাহায্য কর। তোমার সাহায্য পাওয়া মু'মিনদের হক বলে যে ওয়াদা করেছ তা পালন কর। হে আল্লাহ! আমাদের ও দ্বীনের দুশমনদেরকে পরাজিত কর। তাদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি কর। তাদের সম্মিলিত শক্তিকে ভেঙ্গে টুকরা টুকরা করে দাও, তাদের পায়ে কাঁপুনি সৃষ্টি কর। তাদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করে দাও। তাদের উপর তোমার ঐ দাপট নাযিল কর যা অপরাধী কাওম থেকে কখনও ফিরাও না।” (আল্লাহর দুয়ারে ধরণা: আ. প্র.)

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 রাসূল ﷺ এর প্রতি দরূদ

📄 রাসূল ﷺ এর প্রতি দরূদ


রাসূল ﷺ বলেছেন যে, দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরূদ পেশ করা হলে দোয়া কবুলের বেশি আশা করা যায়। তাই দেখা যায়, বিশেষ করে দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করার রীতি গোটা উম্মতের মধ্যে চালু রয়েছে। আল্লাহ পাক কুরআনের মজীদে এভাবে দরূদের হুকুম দিয়েছেন:
إِنَّ اللهَ وَمَلَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে ঐসব লোক! যারা ঈমান এনেছ তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাও।”
(সূরা আল আহযাব : আয়াত-৫৬)
আল্লাহ তায়ালা তাঁর আর কোন হুকুম সম্পর্কে এভাবে বলেননি যে, আমি নিজেও এ কাজ করি, তোমরাও তা কর। একমাত্র দরূদের বেলায়ই এ কথা বলেছেন। এ দ্বারা দরূদের মর্যাদা যে কত বড় তা সহজেই বুঝা যায়।
তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদ পাঠানো, আর ফেরেশতা ও মানুষের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার মানে এক রকম নয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদের অর্থ হলো: "আল্লাহ রাসূলের প্রশংসা করেন; তাঁর উপর রহমত, বরকত ও শান্তি নাযিল করেন। তার নাম উন্নত করেন এবং তাঁকে মহব্বত করেন।” ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার অর্থ হলো: তাঁরা রাসূলকে খুবই মহব্বত করেন এবং তাঁকে উন্নত মর্যাদা দেবার জন্য তাঁরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। মু'মিনদের দরূদের উদ্দেশ্যেও রাসূলের প্রতি রহমত, বরকত ও শান্তি বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা।

রাসূল ﷺ বলেছেন যে, দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরূদ পেশ করা হলে দোয়া কবুলের বেশি আশা করা যায়। তাই দেখা যায়, বিশেষ করে দরূদ দ্বারা দোয়া শেষ করার রীতি গোটা উম্মতের মধ্যে চালু রয়েছে। আল্লাহ পাক কুরআনের মজীদে এভাবে দরূদের হুকুম দিয়েছেন:
إِنَّ اللهَ وَمَلَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا .
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ পাঠান। হে ঐসব লোক! যারা ঈমান এনেছ তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠাও।”
(সূরা আল আহযাব : আয়াত-৫৬)
আল্লাহ তায়ালা তাঁর আর কোন হুকুম সম্পর্কে এভাবে বলেননি যে, আমি নিজেও এ কাজ করি, তোমরাও তা কর। একমাত্র দরূদের বেলায়ই এ কথা বলেছেন। এ দ্বারা দরূদের মর্যাদা যে কত বড় তা সহজেই বুঝা যায়।
তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদ পাঠানো, আর ফেরেশতা ও মানুষের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার মানে এক রকম নয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে দরূদের অর্থ হলো: "আল্লাহ রাসূলের প্রশংসা করেন; তাঁর উপর রহমত, বরকত ও শান্তি নাযিল করেন। তার নাম উন্নত করেন এবং তাঁকে মহব্বত করেন।” ফেরেশতাদের পক্ষ থেকে দরূদ পাঠাবার অর্থ হলো: তাঁরা রাসূলকে খুবই মহব্বত করেন এবং তাঁকে উন্নত মর্যাদা দেবার জন্য তাঁরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। মু'মিনদের দরূদের উদ্দেশ্যেও রাসূলের প্রতি রহমত, বরকত ও শান্তি বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00