📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 আমল

📄 আমল


اَللَّهُمَّ أَعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার যিকর করার ও শুকর আদায় করার এবং ভালোভাবে তোমার ইবাদাত করার তাওফীক দাও।" [রাসূল ﷺ প্রত্যেক নামাযের পর এ দোয়া করতে মায়ায (রা)-কে শিক্ষা দিয়েছেন।]
اللهُمْ وَفَقْنَا لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى مِنَ الْقَوْلِ وَالْفِعْلِ وَالْعَمَلِ وَالنِّيَّةِ وَالهَدى - إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرُ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে কথা বলায়, দুনিয়ার কাজে ও দ্বীনী আমলে, নিয়ত করায় ও সঠিক পথে এমনভাবে চলার তাওফীক দাও যা তুমি পছন্দ কর ও যাতে তুমি খুশী হও।”
اَللهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ .
“হে আল্লাহ! তোমার কাছে তাওফীক চাই যাতে আমরা নেক কাজ করতে পারি, মন্দ কাজ ত্যাগ করতে পারি ও মিসকীনদেরকে ভালোবাসতে পারি।”

اَللَّهُمَّ أَعِنَّا عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার যিকর করার ও শুকর আদায় করার এবং ভালোভাবে তোমার ইবাদাত করার তাওফীক দাও।" [রাসূল ﷺ প্রত্যেক নামাযের পর এ দোয়া করতে মায়ায (রা)-কে শিক্ষা দিয়েছেন।]
اللهُمْ وَفَقْنَا لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى مِنَ الْقَوْلِ وَالْفِعْلِ وَالْعَمَلِ وَالنِّيَّةِ وَالهَدى - إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرُ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে কথা বলায়, দুনিয়ার কাজে ও দ্বীনী আমলে, নিয়ত করায় ও সঠিক পথে এমনভাবে চলার তাওফীক দাও যা তুমি পছন্দ কর ও যাতে তুমি খুশী হও।”
اَللهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِينِ .
“হে আল্লাহ! তোমার কাছে তাওফীক চাই যাতে আমরা নেক কাজ করতে পারি, মন্দ কাজ ত্যাগ করতে পারি ও মিসকীনদেরকে ভালোবাসতে পারি।”

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 ক্ষমা চাওয়া

📄 ক্ষমা চাওয়া


رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الخَاسِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমরা গুনাহ করে নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদের মাফ না কর ও আমাদের উপর রহম না কর তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে শামিল হতে বাধ্য হব।” (সূরা আল আরাফ: আয়াত-২৩)
ربَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ، رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّnَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَالًا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ، وَاعْفُ عَنَّا وقف وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلُنَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَفِرِينَ .
“হে আমাদের রব! যদি আমরা যা করণীয় তা ভুলে যাই এবং যা করা উচিত নয় তা ভুলক্রমে করে ফেলি তাহলে সে জন্য আমাদেরকে পাকড়াও কর না। পূর্ববর্তী লোকদের উপর তুমি যে আপদ-বিপদের বোঝা পরীক্ষা স্বরূপ দিয়েছ আমাদের উপর তেমন বোঝা চাপিয়ে দিও না। হে আমাদের রব! যে বোঝা বইবার আমাদের শক্তি নেই তেমন বোঝা আমাদের উপর দিও না। আমাদের গুনাহকে ধরো না, আমাদেরকে ক্ষমা কর ও আমাদের উপর রহম কর। তুমিই আমাদের মাওলা। কাফিরদের মুকাবিলায় তুমি আমাদেরকে সাহায্য কর।” (সূরা আল বাকারা: আয়াত-২৮৬)
اللَّهُمَّ إِنَّ مَغْفِرَتَكَ أَوْسَعُ مِنْ ذُنُوبِنَا وَرَحْمَتَكَ أَرْجُي عِنْدَنَا مِنْ عَمَلِنَا .
“হে আল্লাহ! আমাদের গুনাহের চেয়ে তোমার মাগফিরাত অনেক প্রশস্ত। আর আমরা আমাদের আমলের চেয়ে তোমার রহমতের আশাই বেশি করি।"

رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الخَاسِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমরা গুনাহ করে নিজেদের উপর যুলুম করেছি। তুমি যদি আমাদের মাফ না কর ও আমাদের উপর রহম না কর তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে শামিল হতে বাধ্য হব।” (সূরা আল আরাফ: আয়াত-২৩)
ربَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِن نَّسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا ، رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهُ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِنَا رَبَّnَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَالًا طَاقَةَ لَنَا بِهِ ، وَاعْفُ عَنَّا وقف وَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا أَنْتَ مَوْلُنَا فَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَفِرِينَ .
“হে আমাদের রব! যদি আমরা যা করণীয় তা ভুলে যাই এবং যা করা উচিত নয় তা ভুলক্রমে করে ফেলি তাহলে সে জন্য আমাদেরকে পাকড়াও কর না। পূর্ববর্তী লোকদের উপর তুমি যে আপদ-বিপদের বোঝা পরীক্ষা স্বরূপ দিয়েছ আমাদের উপর তেমন বোঝা চাপিয়ে দিও না। হে আমাদের রব! যে বোঝা বইবার আমাদের শক্তি নেই তেমন বোঝা আমাদের উপর দিও না। আমাদের গুনাহকে ধরো না, আমাদেরকে ক্ষমা কর ও আমাদের উপর রহম কর। তুমিই আমাদের মাওলা। কাফিরদের মুকাবিলায় তুমি আমাদেরকে সাহায্য কর।” (সূরা আল বাকারা: আয়াত-২৮৬)
اللَّهُمَّ إِنَّ مَغْفِرَتَكَ أَوْسَعُ مِنْ ذُنُوبِنَا وَرَحْمَتَكَ أَرْجُي عِنْدَنَا مِنْ عَمَلِنَا .
“হে আল্লাহ! আমাদের গুনাহের চেয়ে তোমার মাগফিরাত অনেক প্রশস্ত। আর আমরা আমাদের আমলের চেয়ে তোমার রহমতের আশাই বেশি করি।"

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 আখিরাত

📄 আখিরাত


ربَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণও দান কর এবং আখিরাতের কল্যাণও দান কর। আর আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে হিফাযত কর।”
(সূরা আল বাকারা : আয়াত-২০১)
اللهُمَّ أَحْسِنُ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْآخِرَةِ .
“হে আল্লাহ! আমাদের সব ব্যাপারে পরিণাম সুন্দর ও কল্যাণকর এবং আমাদেরকে দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও আখিরাতের আযাব থেকে রক্ষা কর।”
اللهُمَّ غَشِنَا بِرَحْمَتِكَ وَانْزِلْ عَلَيْنَا مِنْ بَرَكَاتِكَ وَأَظِلْنَا تحتَ عَرْشِكَ يَوْمَ لَا ظِلَّ ظِلُّكَ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার রহমত দ্বারা ঢেকে দাও। আমাদের উপর তোমার পক্ষ থেকে যাবতীয় বরকত নাযিল কর। আর যেদিন তোমার (রহমতের) ছাড়া কোনো ছায়া থাকবে না সেদিন আমাদের উপর তোমার আরশের ছায়া দিও।”

📘 আল্লাহর ভয়ে কাঁদা > 📄 পানাহ বা আশ্রয় চাওয়া

📄 পানাহ বা আশ্রয় চাওয়া


রাসূল ﷺ বিভিন্ন হাদীসে বিভিন্ন বিষয় থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চেয়েছেন। এর বেশ কয়টিকে একত্র করে এখানে পেশ করছি। পানাহ চাওয়ার আগে কিছু বিষয় কামনাও করেছেন। সে সবকে আলাদা না করে যেভাবে তিনি চেয়েছেন সেভাবেই রেখে দিলাম।
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْتَلْكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ وَالْمُعَافَاةَ الدَّائِمَة فِي الدِّينِ وَالدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ - وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحُزْنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَرَمِ وَالْمَغْرَمَ وَالْمَائِمِ وَارْذَلِ الْعُمُرِ وَسُوءِ الْكَبِرِ وَمَوْتَةِ الْبَغْنَةِ وَالذِلَّةِ ، وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَغَلَبَةِ الدِّينِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ .
“হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে ক্ষমা, শান্তি ও সুস্বাস্থ্য চাই এবং দ্বীন, দুনিয়া ও আখিরাতে স্থায়ীভাবে আমাদেরকে দোষমুক্ত রাখ। আর আমরা তোমার কাছে দুশ্চিন্তা, দুঃখ-বেদনা, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে পানাহ চাই। আমরা আরও পানাহ চাই, অচল বার্ধক্য, ঋণ, গুনাহ, বৃদ্ধ বয়সের অনিষ্ট ও বয়সের ভারে অথর্ব হওয়া থেকে এবং অপমানজনক ও হঠাৎ মৃত্যু থেকে। আরও পানাহ চাই কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে এবং দেনার বোঝা ও মানুষের দাপট থেকে।”
اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْئَلُكَ الْعَفَافِ وَالغنى وَالْتَّقَى وَالْهُدَى وَحُسْنَ عَاقِبَةِ الْآخِرَةِ وَالدُّنْيَا - وَنَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ وَالشَّقَاقِ والنِّفَاقِ وَالرِّيَاءِ وَالسَّمْعَةِ فِي دِينِكَ .
“হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছ থেকে পেতে চাই নৈতিক পবিত্রতা, অভাব শূন্যতা, তাকওয়া, হেদায়াত এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সুন্দর পরিণাম। আর আমরা পানাহ চাই সন্দেহ, ঝগড়া, মুনাফিকী, রিয়া ও তোমার দ্বীনের ব্যাপারে সুনামের ইচ্ছা থেকে।”
اللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُبِكَ مِنْ عِلْمٍ لَّا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبِ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَّفْسِ لا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا .
“হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে পানাহ চাই ঐ ইলম থেকে যা উপকার দেয় না, ঐ দিল থেকে যে তোমাকে ভয় করে না, ঐ নফস থেকে যার তৃপ্তি হয় না এবং ঐ দোয়া থেকে যা কবুল হয় না।”
اللهُمَّ إِنَّا نَعُوذُبِكَ مِنْ جَهْدِ الْبَلَاءِ وَدَرْكِ الشَّقَاءِ وَسُوءِ الْقَضَاءِ وَشَمَائَةِ الْأَعْدَاء .
“হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে পানাহ চাই আপদ-বিপদের পেরেশানী থেকে, দূর্ভাগ্যজনক অবস্থা থেকে, ক্ষতিকর ফয়সালা থেকে এবং দুশমনদের খুশী হওয়া থেকে।”
اَللهُمَّ إِنَّا نَعُوذُبِكَ مِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الصَّدْرِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْقِلَّةِ وَالدَّلَّةِ .
“হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে পানাহ চাই সচ্ছলতা ও দারিদ্র্যের ফিতনার (পরীক্ষা) ক্ষতি থেকে, মনের ফিতনার ক্ষতি থেকে, হায়াত ও মৃত্যুর ফিতনা এবং অভাব ও লাঞ্ছনার ফিতনার ক্ষতি থেকে।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00