📄 আল্লাহর ভয়ে কাঁদার সুফল
যারা আল্লাহর ভয়ে কাঁদে তাদের জন্য এতে অনেক সুফল রয়েছে। আল্লাহর ভয়ে অশ্রুসিক্ত করে ব্যক্তি অনেকভাবে লাভবান হতে পারে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো ....।
১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কিয়ামতের দিন তাদেরকে তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দিবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যাতিত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না।
২. তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে না এমনকি জাহান্নামের আগুন তাদেরকে স্পর্শও করবে না।
৩. তারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ভালোবাসা অর্জনে সফল হবে। যেমনটি নবী করীম ﷺ বলেন, "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দুটি ফোঁটা এবং দুটি চিহ্ন ছাড়া আর প্রিয় কিছু নেই .... এক ফোঁটা অশ্রু যা আল্লাহর ভয়ে গড়িয়ে পরে।”
৪. পরকালীন জীবনে তুবা বৃক্ষের (১৭ নং টীকা দেখুন) সুসংবাদ এবং সকল আরাম-আয়েশ ও সুখ-শান্তির জান্নাত লাভ।
অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে সেদিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদেরকে দিবেন সজীবতা ও আনন্দ। আর তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।১৩৯
৫. পৃথিবীতে মর্যাদা এবং ঈমানের সুমিষ্ট স্বাদ।
৬. ঈমান ও হেদায়াত সুনিশ্চিত করণ।
৭. স্থিরতা ও আত্মার প্রশান্তি।
৮. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদেরকে সঠিক পথ দেখাবেন এবং এমন দিক থেকে জীবনোপকরণ প্রদান করবেন যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
“আর যে ব্যক্তিই আল্লাহকে ভয় করে চলবে আল্লাহ তার জন্য কঠিন অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় সৃষ্টি করে দেবেন এবং এমন পন্থায় তাকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।১৪০
৯. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদের কাজকর্ম তাদের জন্য সহজ করে দিবেন, যারাই তাকওয়া (আল্লাহকে ভয় করা এবং তাঁর প্রতি কৃত অঙ্গীকার রক্ষা করা) অবলম্বন করবে। তিনি (আল্লাহ) তার কাজ সহজসাধ্য করে দেবেন।১৪১
১০. তারা নবী ﷺ এর সাহচর্য পেতে সফল হবে। কেননা আল্লাহর ভয়ে কাঁদা নবী ﷺ এর পথনির্দেশ থেকেই এসে থাকে।
১১. তারা সাহাবায়ে কেরাম (রা)-এর এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অনুসরণে সফল হবে। কেননা আল্লাহর ভয়ে অশ্রু বিসর্জন তাদের পথ নির্দেশ থেকেও এসেছে।
১২. জান্নাতে তারা পৃথিবীতে আল্লাহর ভয়ে কাঁদার কথা স্মরণ করে আনন্দিত হবে। যেমন আল্লাহ বলেন, তারা একে অপরকে (পৃথিবীতে অতিবাহিত) অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তারা বলবে আমরা প্রথমে নিজেদের পরিবারের লোকদের ভয়ে ভয়ে জীবন যাপন করতাম। পরিশেষে আল্লাহ আমাদের ওপর মেহেরবানী করেছেন এবং দগ্ধকারী আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই অতীত জীবনে আমরা তাঁর কাছেই দোয়া করতাম, সত্যিই তিনি বড় উপকারী ও দয়াবান।১৪২
টিকাঃ
১৩৯. সূরা আল ইনসান (একে আদ দাহর ও বলা হয়) ৭৬ : ১১০১২
১৪০. সূরা আত তালাক ৬৫: আয়াত-২-৩
১৪১. সূরা আত তালাক ৬৫ : আয়াত-৪
১৪২. সূরা আত তূর (৫২): ২৬-২৮
যারা আল্লাহর ভয়ে কাঁদে তাদের জন্য এতে অনেক সুফল রয়েছে। আল্লাহর ভয়ে অশ্রুসিক্ত করে ব্যক্তি অনেকভাবে লাভবান হতে পারে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো ....।
১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কিয়ামতের দিন তাদেরকে তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দিবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যাতিত অন্য কোনো ছায়া থাকবে না।
২. তারা জাহান্নামে প্রবেশ করবে না এমনকি জাহান্নামের আগুন তাদেরকে স্পর্শও করবে না।
৩. তারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ভালোবাসা অর্জনে সফল হবে। যেমনটি নবী করীম ﷺ বলেন, "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দুটি ফোঁটা এবং দুটি চিহ্ন ছাড়া আর প্রিয় কিছু নেই .... এক ফোঁটা অশ্রু যা আল্লাহর ভয়ে গড়িয়ে পরে।”
৪. পরকালীন জীবনে তুবা বৃক্ষের (১৭ নং টীকা দেখুন) সুসংবাদ এবং সকল আরাম-আয়েশ ও সুখ-শান্তির জান্নাত লাভ।
অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে সেদিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদেরকে দিবেন সজীবতা ও আনন্দ। আর তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।১৩৯
৫. পৃথিবীতে মর্যাদা এবং ঈমানের সুমিষ্ট স্বাদ।
৬. ঈমান ও হেদায়াত সুনিশ্চিত করণ।
৭. স্থিরতা ও আত্মার প্রশান্তি।
৮. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদেরকে সঠিক পথ দেখাবেন এবং এমন দিক থেকে জীবনোপকরণ প্রদান করবেন যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না।
“আর যে ব্যক্তিই আল্লাহকে ভয় করে চলবে আল্লাহ তার জন্য কঠিন অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় সৃষ্টি করে দেবেন এবং এমন পন্থায় তাকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।১৪০
৯. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাদের কাজকর্ম তাদের জন্য সহজ করে দিবেন, যারাই তাকওয়া (আল্লাহকে ভয় করা এবং তাঁর প্রতি কৃত অঙ্গীকার রক্ষা করা) অবলম্বন করবে। তিনি (আল্লাহ) তার কাজ সহজসাধ্য করে দেবেন।১৪১
১০. তারা নবী ﷺ এর সাহচর্য পেতে সফল হবে। কেননা আল্লাহর ভয়ে কাঁদা নবী ﷺ এর পথনির্দেশ থেকেই এসে থাকে।
১১. তারা সাহাবায়ে কেরাম (রা)-এর এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অনুসরণে সফল হবে। কেননা আল্লাহর ভয়ে অশ্রু বিসর্জন তাদের পথ নির্দেশ থেকেও এসেছে।
১২. জান্নাতে তারা পৃথিবীতে আল্লাহর ভয়ে কাঁদার কথা স্মরণ করে আনন্দিত হবে। যেমন আল্লাহ বলেন, তারা একে অপরকে (পৃথিবীতে অতিবাহিত) অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তারা বলবে আমরা প্রথমে নিজেদের পরিবারের লোকদের ভয়ে ভয়ে জীবন যাপন করতাম। পরিশেষে আল্লাহ আমাদের ওপর মেহেরবানী করেছেন এবং দগ্ধকারী আযাব থেকে আমাদের রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই অতীত জীবনে আমরা তাঁর কাছেই দোয়া করতাম, সত্যিই তিনি বড় উপকারী ও দয়াবান।১৪২
টিকাঃ
১৩৯. সূরা আল ইনসান (একে আদ দাহর ও বলা হয়) ৭৬ : ১১০১২
১৪০. সূরা আত তালাক ৬৫: আয়াত-২-৩
১৪১. সূরা আত তালাক ৬৫ : আয়াত-৪
১৪২. সূরা আত তূর (৫২): ২৬-২৮
📄 গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
رَبِّ أَعُوذُبِكَ مِنْ هَمَرْتِ الشَّيطِينَ - وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَحْضُرُونَ .
“হে আমার রব! শয়তান মনে যেসব কুভাব সৃষ্টি করে তা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। হে আমার রব! শয়তান যেন আমার কাছেই না আসে।”
(সূরা আল মু'মিনূন : আয়াত-৯৭-৯৮)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتِ فِي الْأَمْرِ وَالْعَزِيمَةَ عَلَى الرَّشْدِ .
“হে আল্লাহ! আমাকে প্রত্যেক বিষয়ে মযবৃতী দাও এবং হেদায়াতের পথে চলায় দৃঢ়তা দান কর।”
اللهُمَّ اجْعَلْنِي صَبُورًا وَاجْعَلْنِي شَكُورًا وَاجْعَلْنِي فِي عَيْنِي صَغِيرًا وَفِي وَاعْيُنِ النَّاسِ كَبِيرًا .
“হে আল্লাহ! আমাকে ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ বানাও। আমার চোখে আমাকে যেন ছোট মনে করি এবং মানুষ যেন আমাকে বড় মনে করে।”
اَللّهُمَّ احْفَظْ قَلْبِي مِنَ النِّفَاقِ وَعَمَلِي مِنَ الرِّيَاءِ وَلِسَانِي مِنَ الْكِدْبِ وَعَيْنِي مِنَ الْخِيَانَةِ .
“হে আল্লাহ! হেফাযত কর আমার দিলকে মুনাফেকী থেকে, আমার আমলকে রিয়া থেকে, আমার জিহ্বাকে মিথ্যা থেকে ও আমার চোখকে খেয়ানত থেকে।”
اَللّهُمَّ اجْعَلِ الْحَيَوةَ زِيَادَةً لِى فِي كُلِّ خَيْرٍ وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِى مِنْ كُلِّ شَرٌّ .
“হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে আছি বেশি বেশি নেকী কামাই করার তাওফীক দাও এবং মৃত্যু যেন আমাকে সকল মন্দ থেকে রেহাই দেয়।”
اللهُمَّ احْيِنِى مَا كَانَتِ الْحَيَوةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لى -
“হে আল্লাহ! যতিদন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর ততদিন আমাকে বাঁচিয়ে রাখ এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তখন আমাকে মৃত্যু দিও।”
اللَّهُمْ فَنِعَنِي بِمَا رَZَقْتَنِي وَبَارِكْ لِي فِي مَا أَعْطَيْتَنِي .
“হে আল্লাহ! তুমি আমাকে রিযক স্বরূপ যা দিয়েছ তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট রাখ এবং যতটুকু দিয়েছ তাতেই বরকত দান কর।”
اللهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سواك .
“হে আল্লাহ! হালাল কামাই যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয়, হারামের যেন দরকারই না হয়। আর তোমার দান দ্বারা আমাকে অভাবমুক্ত কর যাতে কারো মুখপেক্ষী হতে না হয়।”
اَللهُمَّ وَفَقْنِى لاقَامَةِ دِينِكَ وَارْزُقْنِي الشَّهَادَةَ فِي سَبِيلِكَ وَشَفَاعَةَ نَبِيِّكَ وَرِضْوَانًا مِّنْ عِنْدِكَ .
“হে আল্লাহ! তোমার দ্বীনকে কায়েম করার তাওফীক দাও। তোমার পথে শহীদ হওয়ার সুযোগ দাও এবং তোমার নবীর শাফায়াত ও তোমার সন্তুষ্টি হাসিলের তাওফীক দাও।”
اَللهُمَّ اجْعَلْنِى مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ وَاجْعَلْنِي مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ وَاجْعَلْنِي مِنْ عِبَادِكَ الْمُخْلَصِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ السَّابِقِيْنَ الْمُقَرِّبِينَ .
“হে আল্লাহ! আমাকে তাওফীক দাও যাতে আমি তাওবাকারী হই, আমাকে পবিত্র লোকদের মধ্যে শামিল কর, তোমার সালেহ ও মুখলিস বান্দাদের মধ্যে গণ্য হবার যোগ্য বানাও এবং তোমার নৈকট্যলাভকারী অগ্রবর্তীদের অন্তর্ভুক্ত কর।”
ঐসব অগণিত দোয়া থেকে ৯টি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে কয়েকটি করে দোয়া বাছাই করে পেশ করছি যাতে যারা মুখস্থ করতে চান তারা রেডীমেড হাতের কাছে পেতে পারেন। বিষয়ভিত্তিক দোয়ার তালিকা পেশ করার পূর্বে দোয়া শুরু করার সময় যে ভাষায় রাসূল ﷺ শুরু করতেন বলে কোন কোন হাদীসে আছে তা নকল করা হচ্ছে। অবশ্য বিভিন্ন হাদীস থেকে সন্নিবেশিত হওয়ায় যে শব্দ সম্ভারে সজ্জিত করা হয়েছে তা কোন একটি হাদীসে এ আকারে নেই। কিন্তু সবটুকু হাদীস থেকেই নেয়া হয়েছে। দোয়ার শুরুতে হামদ, সানা, দরূদ ও ইস্তিগফার থাকা উচিত বলে সেভাবেই সাজানো হলো।
(আল্লাহর দুয়ারে ধরণা : আ. প্র.)
رَبِّ أَعُوذُبِكَ مِنْ هَمَرْتِ الشَّيطِينَ - وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ يَحْضُرُونَ .
“হে আমার রব! শয়তান মনে যেসব কুভাব সৃষ্টি করে তা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। হে আমার রব! শয়তান যেন আমার কাছেই না আসে।”
(সূরা আল মু'মিনূন : আয়াত-৯৭-৯৮)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتِ فِي الْأَمْرِ وَالْعَزِيمَةَ عَلَى الرَّشْدِ .
“হে আল্লাহ! আমাকে প্রত্যেক বিষয়ে মযবৃতী দাও এবং হেদায়াতের পথে চলায় দৃঢ়তা দান কর।”
اللهُمَّ اجْعَلْنِي صَبُورًا وَاجْعَلْنِي شَكُورًا وَاجْعَلْنِي فِي عَيْنِي صَغِيرًا وَفِي وَاعْيُنِ النَّاسِ كَبِيرًا .
“হে আল্লাহ! আমাকে ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ বানাও। আমার চোখে আমাকে যেন ছোট মনে করি এবং মানুষ যেন আমাকে বড় মনে করে।”
اَللّهُمَّ احْفَظْ قَلْبِي مِنَ النِّفَاقِ وَعَمَلِي مِنَ الرِّيَاءِ وَلِسَانِي مِنَ الْكِدْبِ وَعَيْنِي مِنَ الْخِيَانَةِ .
“হে আল্লাহ! হেফাযত কর আমার দিলকে মুনাফেকী থেকে, আমার আমলকে রিয়া থেকে, আমার জিহ্বাকে মিথ্যা থেকে ও আমার চোখকে খেয়ানত থেকে।”
اَللّهُمَّ اجْعَلِ الْحَيَوةَ زِيَادَةً لِى فِي كُلِّ خَيْرٍ وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِى مِنْ كُلِّ شَرٌّ .
“হে আল্লাহ! যতদিন বেঁচে আছি বেশি বেশি নেকী কামাই করার তাওফীক দাও এবং মৃত্যু যেন আমাকে সকল মন্দ থেকে রেহাই দেয়।”
اللهُمَّ احْيِنِى مَا كَانَتِ الْحَيَوةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لى -
“হে আল্লাহ! যতিদন বেঁচে থাকা আমার জন্য কল্যাণকর ততদিন আমাকে বাঁচিয়ে রাখ এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর হয় তখন আমাকে মৃত্যু দিও।”
اللَّهُمْ فَنِعَنِي بِمَا رَZَقْتَنِي وَبَارِكْ لِي فِي مَا أَعْطَيْتَنِي .
“হে আল্লাহ! তুমি আমাকে রিযক স্বরূপ যা দিয়েছ তাতেই আমাকে সন্তুষ্ট রাখ এবং যতটুকু দিয়েছ তাতেই বরকত দান কর।”
اللهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سواك .
“হে আল্লাহ! হালাল কামাই যেন আমার জন্য যথেষ্ট হয়, হারামের যেন দরকারই না হয়। আর তোমার দান দ্বারা আমাকে অভাবমুক্ত কর যাতে কারো মুখপেক্ষী হতে না হয়।”
اَللهُمَّ وَفَقْنِى لاقَامَةِ دِينِكَ وَارْزُقْنِي الشَّهَادَةَ فِي سَبِيلِكَ وَشَفَاعَةَ نَبِيِّكَ وَرِضْوَانًا مِّنْ عِنْدِكَ .
“হে আল্লাহ! তোমার দ্বীনকে কায়েম করার তাওফীক দাও। তোমার পথে শহীদ হওয়ার সুযোগ দাও এবং তোমার নবীর শাফায়াত ও তোমার সন্তুষ্টি হাসিলের তাওফীক দাও।”
اَللهُمَّ اجْعَلْنِى مِنَ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ الْمُتَطَهِّرِينَ وَاجْعَلْنِي مِنْ عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ وَاجْعَلْنِي مِنْ عِبَادِكَ الْمُخْلَصِينَ وَاجْعَلْنِي مِنَ السَّابِقِيْنَ الْمُقَرِّبِينَ .
“হে আল্লাহ! আমাকে তাওফীক দাও যাতে আমি তাওবাকারী হই, আমাকে পবিত্র লোকদের মধ্যে শামিল কর, তোমার সালেহ ও মুখলিস বান্দাদের মধ্যে গণ্য হবার যোগ্য বানাও এবং তোমার নৈকট্যলাভকারী অগ্রবর্তীদের অন্তর্ভুক্ত কর।”
ঐসব অগণিত দোয়া থেকে ৯টি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে কয়েকটি করে দোয়া বাছাই করে পেশ করছি যাতে যারা মুখস্থ করতে চান তারা রেডীমেড হাতের কাছে পেতে পারেন। বিষয়ভিত্তিক দোয়ার তালিকা পেশ করার পূর্বে দোয়া শুরু করার সময় যে ভাষায় রাসূল ﷺ শুরু করতেন বলে কোন কোন হাদীসে আছে তা নকল করা হচ্ছে। অবশ্য বিভিন্ন হাদীস থেকে সন্নিবেশিত হওয়ায় যে শব্দ সম্ভারে সজ্জিত করা হয়েছে তা কোন একটি হাদীসে এ আকারে নেই। কিন্তু সবটুকু হাদীস থেকেই নেয়া হয়েছে। দোয়ার শুরুতে হামদ, সানা, দরূদ ও ইস্তিগফার থাকা উচিত বলে সেভাবেই সাজানো হলো।
(আল্লাহর দুয়ারে ধরণা : আ. প্র.)
📄 ঈমান
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي هَدْنَا لِهَذَا قَد وَمَا كُنَّا لِنَهْتَدِي لَوْلا أَنْ هَدْنَا الله .
"সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহর যিনি আমাদেরকে এ পথে হেদায়েত করেছেন। আল্লাহ যদি হেদায়াত না করতেন তাহলে আমরা কিছুতেই হেদায়াত পেতাম না।” (সূরা আল আ'রাফ : আয়াত-৪৩)
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنْكَ رَحْمَةً ، إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ .
“হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে হেদায়াত করার পর আমাদের দিলকে বাঁকা করে দিও না। তোমার পক্ষ থেকে আমাদের উপর রহমত দান কর। নিশ্চয়ই তুমি যে বড় দাতা।" (সূরা আলে ইমরান : আয়াত-৮)
رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنْزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّهِدِينَ .
“হে আমাদের রব! তুমি যা নাযিল করেছ তার প্রতি আমরা ঈমান এনেছি এবং রাসূলের আনুগত্য করেছি। আমাদেরকে সাক্ষ্যদাতা অনুগতদের মধ্যে গণ্য কর।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত-৫৩)
ربَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَفِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে পরিপূর্ণ সবরের শক্তি দান কর, আমাদের কদমকে মযবুত করে দাও এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে বিজয়ী কর।” (সূরা আল বাকারা : আয়াত-২৫০)
(٥) اَللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيْمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِنَا وَكَرِهُ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّشِدِينَ .
(সূরা হুজরাতের ৭ নং আয়াত অবলম্বনে)
"হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে ঈমানের মহব্বত দান কর। আমাদের দিলকে ঈমান দ্বারা সজ্জিত কর। আমাদের মনে কুফরী, ফাসেকী ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে হেদায়াত প্রাপ্তদের মধ্যে শামিল কর।”
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي هَدْنَا لِهَذَا قَد وَمَا كُنَّا لِنَهْتَدِي لَوْلا أَنْ هَدْنَا الله .
"সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহর যিনি আমাদেরকে এ পথে হেদায়েত করেছেন। আল্লাহ যদি হেদায়াত না করতেন তাহলে আমরা কিছুতেই হেদায়াত পেতাম না।” (সূরা আল আ'রাফ : আয়াত-৪৩)
رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنْكَ رَحْمَةً ، إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ .
“হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে হেদায়াত করার পর আমাদের দিলকে বাঁকা করে দিও না। তোমার পক্ষ থেকে আমাদের উপর রহমত দান কর। নিশ্চয়ই তুমি যে বড় দাতা।" (সূরা আলে ইমরান : আয়াত-৮)
رَبَّنَا آمَنَّا بِمَا أَنْزَلْتَ وَاتَّبَعْنَا الرَّسُولَ فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّهِدِينَ .
“হে আমাদের রব! তুমি যা নাযিল করেছ তার প্রতি আমরা ঈমান এনেছি এবং রাসূলের আনুগত্য করেছি। আমাদেরকে সাক্ষ্যদাতা অনুগতদের মধ্যে গণ্য কর।” (সূরা আলে ইমরান : আয়াত-৫৩)
ربَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبِّتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الْكَفِرِينَ .
“হে আমাদের রব! আমাদেরকে পরিপূর্ণ সবরের শক্তি দান কর, আমাদের কদমকে মযবুত করে দাও এবং কাফিরদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে বিজয়ী কর।” (সূরা আল বাকারা : আয়াত-২৫০)
(٥) اَللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيْمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِنَا وَكَرِهُ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّشِدِينَ .
(সূরা হুজরাতের ৭ নং আয়াত অবলম্বনে)
"হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে ঈমানের মহব্বত দান কর। আমাদের দিলকে ঈমান দ্বারা সজ্জিত কর। আমাদের মনে কুফরী, ফাসেকী ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদেরকে হেদায়াত প্রাপ্তদের মধ্যে শামিল কর।”
📄 ইলম
اَللَّهُمَّ ارْحَمْنَا بِالْقَرْآنِ الْعَظِيمِ وَاجْعَلْهُ لَنَا إِمَامًا وَنُورًا وهُدًى وَرَحْمَةٌ وَاجْعَلْهُ رَبِيعَ قُلُوبِنَا وَنُورَ بَصَرِنَا وَجَلاءَ حُزْنِنَا وَذَهَابَ هَمِّنَا - اَللَّهُمَّ ذَكِّرْنَا مِنْهُ مَا نَسِينَا وَعَلَّمْنَا مِنْهُ مَا جَهِلْنَا وَارْزُقْنَا تِلَاوَتَهُ أَنَاءَ اللَّيْلِ وَأَنَاءَ النَّهَارِ وَاجْعَلْهُ لَنَا حُجَّةً يَارَبِّ الْعَلَمِيْنِ .
“হে আল্লাহ! মহান কুরআনের দ্বারা আমাদের উপর রহম কর। কুরআনকে আমাদের জন্য ইমাম, নূর, হেদায়াত ও রহমত বানাও। কুরআন দ্বারা আমাদের কলবকে সজীব কর, আমাদের দৃষ্টিকে আলোকিত কর, আমাদের দুঃখ-বেদনা দূর কর এবং আমাদেরকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দাও। কুরআনের যতটুকু ভুলে গেছি তা মনে করিয়ে দাও এবং যা জানা নেই তা শিখিয়ে দাও। রাতে ও দিনে কুরআন তিলাওয়াত করার তাওফীক দাও। হে রাব্বুল আলামীন, কুরআনকে আমার পক্ষে সাক্ষীদাতা বানাও।”
اللهُمَّ أَخْرِجْنَا مِنْ ظُلُمَاتِ الْوَهُمِ وَأَكْرِمْنَا بِنُورِ الْفَهْمِ وَافْتَحْ عَلَيْنَا أَبْوَابَ فَضْلِكَ وَيَسِّرْ عَلَيْنَا خَزَائِنَ عِلْمِكَ ربَّنَا لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে অনুমানের অন্ধকার থেকে উদ্ধার কর এবং জ্ঞান-বুদ্ধির আলো দ্বারা সম্মানিত কর, আমাদের উপর তোমার অনুগ্রহের দরজা খুলে দাও এবং আমাদের জন্য তোমার জ্ঞান-ভাণ্ডার সহজ করে দাও। হে আমাদের রব! তুমি যতটুকু ইলম দান করেছ তাছাড়া আর কোনো ইলম আমাদের নেই। তুমিই সব ইলম ও হিকমতের মালিক।”
اَللهُمَّ ارْزُقْنَا فَهُمَ النَّبِيِّينَ وَحفَظَ الْمُرْسَلِينَ وَالْهَامَ الْمُجْتَهِدِينَ وَدَرَجَةَ الصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে নবীদের মতো বুঝবার যোগ্যতা, রাসূলগণের মতো স্মরণশক্তি, মুজতাহিদগণের ইলহাম এবং সিদ্দীক, শহীদ ও সালেহ লোকদের মর্যাদা দান কর।"
اللَّهُمَّ أَعِنَّا بِالْعِلْمِ وَزَيَّنَنَا بِالْحِلْمِ وَأَكْرِمْنَا بِالتَّقْوى .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে ইলম দ্বারা সাহায্য কর, সহনশীলতা দ্বারা সজ্জিত কর, তাকওয়া দ্বারা সম্মানিত কর এবং সুস্থতা দ্বারা সুন্দর কর।”
اَللَّهُمَّ ارْحَمْنَا بِالْقَرْآنِ الْعَظِيمِ وَاجْعَلْهُ لَنَا إِمَامًا وَنُورًا وهُدًى وَرَحْمَةٌ وَاجْعَلْهُ رَبِيعَ قُلُوبِنَا وَنُورَ بَصَرِنَا وَجَلاءَ حُزْنِنَا وَذَهَابَ هَمِّنَا - اَللَّهُمَّ ذَكِّرْنَا مِنْهُ مَا نَسِينَا وَعَلَّمْنَا مِنْهُ مَا جَهِلْنَا وَارْزُقْنَا تِلَاوَتَهُ أَنَاءَ اللَّيْلِ وَأَنَاءَ النَّهَارِ وَاجْعَلْهُ لَنَا حُجَّةً يَارَبِّ الْعَلَمِيْنِ .
“হে আল্লাহ! মহান কুরআনের দ্বারা আমাদের উপর রহম কর। কুরআনকে আমাদের জন্য ইমাম, নূর, হেদায়াত ও রহমত বানাও। কুরআন দ্বারা আমাদের কলবকে সজীব কর, আমাদের দৃষ্টিকে আলোকিত কর, আমাদের দুঃখ-বেদনা দূর কর এবং আমাদেরকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দাও। কুরআনের যতটুকু ভুলে গেছি তা মনে করিয়ে দাও এবং যা জানা নেই তা শিখিয়ে দাও। রাতে ও দিনে কুরআন তিলাওয়াত করার তাওফীক দাও। হে রাব্বুল আলামীন, কুরআনকে আমার পক্ষে সাক্ষীদাতা বানাও।”
اللهُمَّ أَخْرِجْنَا مِنْ ظُلُمَاتِ الْوَهُمِ وَأَكْرِمْنَا بِنُورِ الْفَهْمِ وَافْتَحْ عَلَيْنَا أَبْوَابَ فَضْلِكَ وَيَسِّرْ عَلَيْنَا خَزَائِنَ عِلْمِكَ ربَّنَا لَا عِلْمَ لَنَا إِلَّا مَا عَلَّمْتَنَا إِنَّكَ أَنْتَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে অনুমানের অন্ধকার থেকে উদ্ধার কর এবং জ্ঞান-বুদ্ধির আলো দ্বারা সম্মানিত কর, আমাদের উপর তোমার অনুগ্রহের দরজা খুলে দাও এবং আমাদের জন্য তোমার জ্ঞান-ভাণ্ডার সহজ করে দাও। হে আমাদের রব! তুমি যতটুকু ইলম দান করেছ তাছাড়া আর কোনো ইলম আমাদের নেই। তুমিই সব ইলম ও হিকমতের মালিক।”
اَللهُمَّ ارْزُقْنَا فَهُمَ النَّبِيِّينَ وَحفَظَ الْمُرْسَلِينَ وَالْهَامَ الْمُجْتَهِدِينَ وَدَرَجَةَ الصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ وَالصَّالِحِينَ .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে নবীদের মতো বুঝবার যোগ্যতা, রাসূলগণের মতো স্মরণশক্তি, মুজতাহিদগণের ইলহাম এবং সিদ্দীক, শহীদ ও সালেহ লোকদের মর্যাদা দান কর।"
اللَّهُمَّ أَعِنَّا بِالْعِلْمِ وَزَيَّنَنَا بِالْحِلْمِ وَأَكْرِمْنَا بِالتَّقْوى .
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে ইলম দ্বারা সাহায্য কর, সহনশীলতা দ্বারা সজ্জিত কর, তাকওয়া দ্বারা সম্মানিত কর এবং সুস্থতা দ্বারা সুন্দর কর।”