📄 সুন্নাহয় যিকিরের ফযিলত
একজন শুভ্রকেশী হাড্ডিসার বয়োবৃদ্ধের জন্য সর্বোত্তম আমল আল্লাহর যিকির।
একজন সুদর্শন শক্তিভরা যুবকের জন্যও সর্বোত্তম আমল আল্লাহর যিকির।
আল্লাহর যিকিরের মত সর্বোত্তম আমল ইসলামে দ্বিতীয়টি নেই।
রাসূল একবার মক্কার রাস্তা দিয়ে ভ্রমণ করছিলেন। জুমদান নামক একটা পাহাড়ে উপনীত হয়ে তিনি বললেন, 'তোমরা ভ্রমণ করো, এটি জুমদান পাহাড়। (মনে রেখ) নির্জনবাসীরা আগে বেড়ে গেছে।'
সাথীরা জিজ্ঞেস করল, 'হে আল্লাহর রাসূল! নির্জনবাসী কারা?' রাসূল উত্তরে বললেন, 'বেশি বেশি আল্লাহর যিকিরে রত পুরুষ ও নারী।' [মুসলিম : ২৬৭৬]
নির্জনবাসী- যে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত নেক আমল করে।
নির্জনবাসী- যে ইলমে অনন্য। আল্লাহর যিকিরে অগ্রগণ্য। কোন মজলিসে- বৈঠকে সবাই যখন কথা বলতে পছন্দ করে, তখনও সে আল্লাহর যিকিরকে বেছে নেয়।
গাযালি বলেন, মানুষ যে কোন মজলিসে আপন আপন পেশা ও পছন্দের বিষয়ে কথা বলে। কাঠমিস্ত্রি কোথাও বসলে কাঠ-চৌকাঠের আলাপ জুড়ে দেয়। রাজমিস্ত্রি কোথাও বসলে তার নির্মাণের আলাপ জুড়ে দেয়। কামার জুড়ে দেয় লোহার আলাপ। বস্ত্র ব্যবসায়ী শুরু করে পোষাকের আলাপ। আর যারা আল্লাহর বন্ধু, তাদের মুখে সবসময় আল্লাহর যিকির। আল্লাহর যিকির।
ইউসুফ -কে যে কূপে ফেলা হয়েছিল, সেটিতে একটি পাথর ছিল। পাথরের চারপাশে পানি। তখন রাত, ইউসুফ পাথরের উপর। সেখানে তার কেউ নেই। আল্লাহ ছাড়া কোন সঙ্গী-সহচর, সাহায্যকারী কেউ নেই।
ইউসুফ আল্লাহ -র যিকির শুরু করলেন। ইবনে আব্বাস এর বর্ণনানুসারে তার যিকিরে সমুদ্রের মাছ থমকে দাঁড়িয়েছিল। ব্যাঙের ঘ্যাঙর- ঘ্যাঙ থেমে গিয়েছিল। আল্লাহ -এর একাগ্র যিকিরের প্রভাবেই এমন হয়েছিল। ইউসুফ আল্লাহকে স্মরণ করেছিলেন, আল্লাহও ইউসুফকে হেফাযত করেছিলেন। (ইবনে রজব-কৃত জামিউল উলূমি ওয়ালহিকাম)
ইউনুস । তিনি যখন মাছের পেটে, তখন আল্লাহকেই স্মরণ করেছিলেন। আল্লাহ বলেন-
যদি তিনি আল্লাহর তাসবিহ পাঠ না করতেন, তবে তাকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত। [সূরা সাফফাত: ১৪৩, ১৪৪]
আবু দারদা থেকে বর্ণিত-
রাসূল সাহাবিদের বললেন, 'আমি তোমাদের এমন একটি আমলের কথা বলব, যা সবচে ফযিলতপূর্ণ! তোমাদের প্রভুর কাছে সবচে পবিত্র! আল্লাহর রাস্তায় তোমাদের স্বর্ণ-রূপা ব্যয় করার চেয়ে উত্তম! শত্রুর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের চেয়ে উত্তম!'
সাহাবায়ে কেরام বললেন, 'হ্যাঁ, অবশ্যই বলুন।'
রাসূল বললেন- 'সেই আমলটি হল আল্লাহর যিকির।' [মুসলিম : ২১১৯৫]
আল্লাহর যিকির নফল জিহাদের চেয়ে উত্তম। নফল রোযা এবং সদকার চেয়েও উত্তম।
📄 যিকিরীনদের ঘটনাপাঠ
খালেদ ইবনে মাদানী। প্রতিদিন চল্লিশ হাজার বার আল্লাহ আল্লাহ যিকির করতেন।
ইউসুফ ইবনে আসবাত। প্রতিদিন এক লক্ষ বার আল্লাহর যিকির করতেন। তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করতেন।
মহান এই মনীষীদের প্রতিটি শ্বাসে-প্রশ্বাসে আল্লাহর যিকির মিশিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা?
কত কথা বলি!
কত অনর্থ করি!
প্রমোদ-বিনোদন করি!
কিন্তু জীবনের কতটুকু অংশ আল্লাহর স্মরণে ব্যয় করি।
কতটুকু সময় আল্লাহর যিকিরে বাহিত করি! রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন- مَثَلُ الَّذِي يَذْكُرُ رَبَّهُ وَالَّذِي لَا يَذْكُرُ رَبَّهُ مَثَلُ الْحَيَّ وَالْمَيِّتِ. যে ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করে এবং যে আল্লাহর যিকির করে না, উভয়ের দৃষ্টান্ত জীবিত এবং মৃতের ন্যায়। [বুখারি : ৬৪০৭]
যারা আল্লাহ -কে স্মরণ করে না, তারা মৃত। তারা খায়-দায়, ফুর্তি করে, গান-বাজনা করে, ভ্রমণ-প্রমোদ করে, কিন্তু-
তারা মৃত, প্রাণহীন এবং কবে পুনরুত্থিত হবে, জানে না। [সূরা নাহল: ২১]
আসল মৃত সে-ই, যে ঈমানের সাথে, কোরআনের সাথে, আল্লাহ -র আনুগত্যের সাথে জীবন চালায় না।
যে রাসূল -র নূর ও সুন্নাহকে জীবনের সাথে ঘনিষ্ঠ করে না।
যে জীবনের প্রকৃত পরিচয় জানে না। আল্লাহ বলেন-
আর যে মৃত ছিল, অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি আলো দিয়েছি, যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে চলাফেরা করে। সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য হতে পারে, যে অন্ধকারে রয়েছে- সেখান থেকে বের হতে পারছে না? [সূরা আনআম : ১২২]
অন্ধকার! এ হল আল্লাহ -র অবাধ্যতার অন্ধকার! কুপ্রবৃত্তির অন্ধকার! আল্লাহর সাথে দূরত্বের অন্ধকার!
রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন-
আমার নিকট ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ পাঠ করা পৃথিবীর যাবতীয় বস্তু থেকে অধিক প্রিয়, যেসব বস্তুর উপর সূর্য উদিত হয়।” অপর এক বর্ণনায় যেসব বস্তুর উপর সূর্য উদিত হয় এর স্থলে যেসব বস্তুর উপর সূর্য অস্ত যায় বর্ণিত হয়েছে। [মুসলিম: ২৬৯৫]
দুনিয়া অতি তুচ্ছ। দুনিয়ার সোনা-রূপা অতি নগণ্য। যেদিন মৃত্যু হবে, নেক আমল করার সব পথ রুদ্ধ হবে, সেদিন এসবের কোন মূল্যই থাকবে না।
'সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার' রাসূলের কাছে দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। রাসূল বলেন-
যে ব্যক্তি সুবহানাল্লাহিল আযীম ওয়াবিহামদিহী পাঠ করল, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপিত হল। [তিরমিযি : ৩৪৬৪]
জান্নাতের কত খেজুর গাছ প্রতিদিন না জানি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে! কবি বলেন-
ঐ দুনিয়ায় ঘর বাধো মন; ঘরের রক্ষী থাক রাযি আহমদ হবেন প্রতিবেশী, নির্মাতা তার মহান রব... ভবন হবে স্বর্ণালী তার মিসক হবে পলেস্তর যাফরানী ঘাস তরুলতায় মাঠ-জমি-ঘাট সব উর্বর...
ইবনুল কাইয়িম বলেন, রাসূল সবসময় যিকির করতেন। তার শ্বাস-প্রশ্বাস ছিল যিকির। তার কথাবার্তা, কাজকর্ম সবই ছিল আল্লাহর যিকির।
রাসূল দিনরাত আল্লাহ -কে স্মরণ করতেন। তিনি মানুষের সাথে থাকতেন, অথচ তার অন্তর আল্লাহ -র সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকত। আল্লাহ বলেন-
আপনি বলুন- আমার সালাত, আমার কোরবানী, এবং আমার জীবন ও মৃত্যু বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য। [সূরা আনয়াম : ১৬২]
রাসূল সবসময় আল্লাহ -র সাথে সম্পর্ক জুড়ে থাকতেন। রাসূলের অন্তর সর্বদা জাগ্রত থাকত। -এটি ছিল রাসূলের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
রাসূল রাতে ঘুমাতেন, কিন্তু তার অন্তর জাগ্রত থাকত। এজন্য রাসূল ঘুমালেও ঘুমের কারণে তার অযু ছুটত না। একবার তিনি ঘুমের আগের অযু দিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। আয়েশা -কে বললেন, 'আয়েশা! আমার চোখ ঘুমায়, কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না।'
অথচ আমরা যখন ঘুমাই, আমাদের অন্তরও ঘুমিয়ে থাকে।
কবির ভাষায়- সকল চোখই ঘুমে বিভোর, কিছু চোখে তন্দ্রা নাই! বিছানাতে পিঠ লাগে না, গলগলিয়ে অশ্রু বয়... এমনই যাকিরীনদের অন্তর। এমন ব্যক্তিই আল্লাহকে সর্বদা স্মরণকরী।
📄 যিকিরের নানা ধরন
ওলামায়ে কেরামের দৃষ্টিতে আল্লাহর যিকির তিন প্রকার।
এক. অন্তরে আল্লাহ -এর ধ্যান রেখে মুখে আল্লাহর স্মরণ করা। মুখেও আল্লাহ, মনেও আল্লাহ, -এটি হল সবচে তাৎপর্যময় যিকির। মুখে আল্লাহ -এর তাসবীহ পড়বে, অন্তরে তাসবীহর অর্থ চিন্তা করবে। মুখে ইসতিগফার পাঠ করবে, অন্তরে তার অর্থ ও তাৎপর্য চিন্তা করবে। মুখে রাসূলের দুরূদ পড়বে, অন্তরে তার প্রশান্তি অনুভব করবে। এটিই হল সবচে মহান ও তাৎপর্যবাহী যিকির।
দুই. শুধু অন্তরে আল্লাহর যিকির করা। মুখে যিকির নেই, কিন্তু অন্তরে আল্লাহ -এর ধ্যান! ঠোঁট নড়ছে না, জিহ্বা নড়ছে না, কিন্তু মনে মনে আল্লাহ -কে আওড়ানো! এটি হল দ্বিতীয় স্তরের তাৎপর্যবাহী যিকির।
তিন. শুধু মুখে মুখে আল্লাহ -এর যিকির। অন্তরে নেই, কিন্তু তার ঠোঁট নড়ছে। জিহ্বায় আল্লাহ -এর যিকিরের মিহিমিহি কম্পন উঠছে। এই ধরনের যিকিরেও আল্লাহ প্রতিদান দিবেন। বর্ণিত হয়েছে-
বান্দা যখন আমাকে স্মরণ করে, তার দুই ঠোঁট আমার যিকিরে কেঁপে কেঁপে ওঠে, আমি তখন বান্দার সাথেই থাকি! [তিরমিযি : ৩৩৭৫]
আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর থেকে বর্ণিত-
জনৈক বেদুঈন রাসূলের কাছে এসে বলল, 'হে আল্লাহর রাসূল! ইসলামের বিধি বিধান আমার প্রতি অনেক হয়ে গেছে। আমাকে তা থেকে কো একটি বলে দিন, যা আমি আঁকড়ে থাকবো।'
তিনি বললেন, 'তোমার জিহ্বা মহান আল্লাহ -র যিকিরে সর্বদা সজীব রাখবে।' [আহমাদ : ১৭২২৭]
উক্ত হাদীসদুটি থেকে এ কথা বোঝা যায়, অন্তরে ছাড়া শুধু মুখের যিকিরেও আল্লাহ প্রতিদান দিবেন।
আবু মুসলিম খাওলানি ছিলেন মহান একজন তাবেঈ। তাঁর জিহ্বা কখনও আল্লাহর যিকিরে অবসাদগ্রস্থ হত না।
যারা মিথ্যা নবুওয়াত দাবি করে নিজেদের নবি হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল, তাদের একজন ভণ্ডনবী আসওয়াদ আনাসি। সে ইয়েমেনের প্রান্তরে আবু মুসলিম খাওলানিকে গ্রেফতার করেছিল। আসওয়াদ তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, 'তুমি কি স্বাক্ষ্য দাও যে, মোহাম্মদ আল্লাহর নবি?'
আবু মুসলিম উত্তর দিলেন, 'হ্যাঁ।'
আসওয়াদ আবার জিজ্ঞেস করল, 'তুমি আমার উপর ঈমান রাখ কি? আমাকে নবি হিসেবে মান কি?'
আবু মুসলিম বললেন, 'তুমি কী বলেছ, আমি শুনিনি।'
আবু মুসলিমের উত্তর শুনে আসওয়াদ কিছু লাকড়িতে আগুন জ্বালাল এবং আবু মুসলিমকে সে আগুনে নিক্ষেপ করল।
আবু মুসলিম তখন আল্লাহ -কে স্মরণ করলেন। আল্লাহ আগুনকে শীতল ও আরামদায়ক বানিয়ে দিলেন। তিনি যখন মদিনায় ফিরে এলেন, আবু বকর ও ওমর খুশি হয়ে তার সাথে মোয়ানাকা করলেন এবং বললেন, ‘আল্লাহ তার বন্ধু ইবরাহিমের সাথে যে আচরণ করেছেন, একই আচরিত ব্যক্তি আবু মুসলিমকে মারহাবা! মোবারকবাদ! স্বাগতম!’
আবু মুসলিম সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর যিকির করতেন। রাতে তিনি অল্পই ঘুমাতেন, সারা রাত আল্লাহর যিকিরে ধ্যানমগ্ন থাকতেন। [সিয়ারু আলা মিন নুবালা : ৩৬৯]
কোন দীনী ইলমের মজলিস এবং দীনী মাদরাসাও আল্লাহর মহোত্তম যিকির। হাদিস পাঠের আসর, সালাত-রোযার মাসআলা শিক্ষার আসর, শরঈ বেচাকেনা এবং অন্যান্য মাসআলা শিক্ষার আসরও আল্লাহর কাছে মহোত্তম যিকিরের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ -র কাছে এগুলো হল ঈমানের মজলিস। জান্নাতের আসর।
📄 যিকিরের প্রেক্ষিত
প্রত্যেক যিকিরের একটি প্রেক্ষিত রয়েছে। আল্লাহ -র দাসত্ব করার ক্ষেত্রে প্রেক্ষিত অনুযায়ী যিকির করা উচিত। যিকিরের সময়োপযোগিতা, স্থান-উপযোগিতা লক্ষ রাখা উচিত। এতে আল্লাহ -র আনুগত্য বেশি প্রকাশ পায়।
সালাতের পর রাসূল ﷺ তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুলিল্লাহ, চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার, একশ বার লা ইলাহা ইল্লাহ, আয়াতুল কুরসী এবং মুয়াওয়াযাত (সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস) পাঠ করা সুন্নত করেছেন।
এমনই প্রত্যেক যিকিরের একটি প্রেক্ষিত বা উপযোগিতা ও সাজুয্যতা রয়েছে। যেমন-
পাহাড়ে আরোহণ বা ভারী কিছু উত্তোলনের সময় লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ করা।
আবু মুসা আশয়ারী বলেন, আমরা একটি উপত্যকায় উঠছিলাম। রাসূল আমাদের সাথে ছিলেন। লোকেরা উঁচু আওয়াযে তাকবির দিচ্ছিল। আমি মনে মনে লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠ করছিলাম। রাসূল আমাকে বললেন, 'আবু মুসা! আমি তোমাকে জান্নাতের একটি খাযানার কথা বলবো না!'
আমি বললাম, 'হ্যাঁ রাসূল, বলুন।'
রাসূল বললেন, 'লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।' [বুখারি : ৪২০৫]
তদ্রূপ আল্লাহ-র নিদর্শনাবলি ও আশ্চর্য সব সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করে সুবহানাল্লাহ পাঠ করা।
কোন গোনাহের কাজ বা আল্লাহ-র অবাধ্যতার কথা মনে আসলে আসতাগফিরুল্লাহি ওয়াআতুবু ইলাইহি পাঠ করা।
রাসূলের নাম আলোচনা হলে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করা।
খাওয়ার শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করা।
হাদিসে রাসূল যত যিকিরের কথা বলেছেন, চিন্তকদের কাছে প্রতিটি যিকিরেরই একটি প্রেক্ষিত রয়েছে। একটি সাজুয্যতা ও উপযোগিতা রয়েছে।