📄 কবি ইবনে হানি আন্দালুসি
ইবনে হানি আন্দালুসি। সীমালঙ্ঘনকারী পাপিষ্ঠ এক কবি। একবার সে খলিফার দরবারে গমন করলো। মনতুষ্টির জন্য খলিফার স্তুতি গেয়ে কবিতা পাঠ করলো-
আমি আস্থা রাখি অদৃষ্টে, পরাক্রান্ত পরাক্রমশালী,
যা করার তাই করুন হে!
আল্লাহ -র সাথে ধৃষ্টতা! আল্লাহ বিনে আর কাউকে পরাক্রমশালী ঘোষণা করা! আল্লাহ তাকে পাকড়াও করলেন। মরণ পর্যন্ত বুঝিয়ে দিলেন, কে একচ্ছত্র পরাক্রমশালী! কে পরাক্রান্ত মহাপ্রতাপশালী! ইবনে হানি আন্দালুসি খলিফার ভবন থেকে বের হতেই অজ্ঞাত এক রোগে আক্রান্ত হলো। বিছানায় কাৎরাতে লাগলো কুকুরের ন্যায়। আক্ষেপের ক্রন্দনে বলতে লাগলো, আল্লাহ, তুমিই পরাক্রান্ত। তুমিই পরাক্রমশালী। তখন সে নতুন করে কবিতা গাঁথলো-
ঐ চোখ আশ্রিত তোমার কাছে,
যে চোখের কৃপাডোর চেয়েছি আমি;
তুচ্ছ পরিণামে করেছো আমায়
প্রভুর রহম বঞ্চিত।
লাঞ্ছিত আমি, আমি লাঞ্ছিত,
জীবনের লাগি অপ্রভুরে মানি
পরাক্রমশালী পরাক্রান্ত।
📄 কবি কুরাযি
কুরাবি। লেবাননের বিকৃত পাপাচারী নামধেয় এক কবি। একবার সে দামেস্ক ভ্রমণ করেছিলো। দামেস্কবাসী তাকে সম্মানের শিখরে চড়িয়ে সাদরে গ্রহণ করলো। চারদিকে বেজে উঠলো তুমুল করতালি। কুরাবি তখন আনন্দে ডগমগ হয়ে কবিতা পাঠ করলো-
ঐক্যআরব গড়বো সবাই নবধর্মের আশ্রয়ে,
চলো সমর্থনে, পরিভ্রমণে, বারহাম ধর্মের ঐকতানে,
সাবাস বারহাম! সাবাস বারহাম! লঙ্ঘিলে চলো জাহান্নামে।
আজি ঐক্যআরব গড়বো সবাই নবধর্মের আশ্রয়ে।
📄 কবি ইলিয়া আবু মাযি
আরেক নাস্তিক্যমনা কবি ইলিয়া আবু মাজি। এক কবিতায় সে লিখেছে-
আমি এসেছি, পৃথিবীর পথে পথে হেঁটেছি-
এসেছি কোথা থেকে জানিনা।
মনের চাওয়ায় আমি চিরঞ্জীব নাকি রাতের পথিক;
জানিনা, আমি জানিনা।
সে জানতে পারেনি, কোথা থেকে এসেছে! সে অবাধ্যতা করেছে। পাপ করেছে। বিচ্যুত হয়েছে। আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেছেন। শাস্তি দিয়েছেন। নির্মম মৃত্যুর লাঞ্চনা দিয়েছেন।