📘 আল্লাহকে মানুন নিরাপদ থাকুন > 📄 লেখকের ভূমিকা

📄 লেখকের ভূমিকা


রাসুল আমাদের জীবন-সাফল্যের জন্য একটি সুসমৃদ্ধ নির্দেশনা দিয়েছেন- 'ইহফাযিল্লাহ, ইয়াহফাযকা'। 'তুমি আল্লাহর বিধান রক্ষা কর, আল্লাহ তোমার জীবনে সুরক্ষা দিবেন'।
কেয়ামত পর্যন্ত রাসুল-র এই বাণী সত্য, সুপ্রতিষ্ঠিত। জীবনের পরতে পরতে পরিলক্ষিত, বাস্তবায়িত। মুসলমানের অন্তরে অন্তরে প্রোথিত, অনুরণিত। এ যেন ঈমানদারের নির্বিঘ্ন জীবন বাঁচার অনাদি আশা, অপার প্রেরণা।
আল্লাহ -কে যে ভয় করবে, পরিশেষে সে প্রশংসিত হবে। সবল-দুর্বল সকলের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা পাবে। বিপদে আপদে যে আল্লাহ-কে ভুলে যাবে, সে যেন মনে রাখে, আল্লাহ ছাড়া অন্যসব সাহায্যকারী ব্যর্থ, অক্ষম। সুতরাং আল্লাহ -র রজ্জু আঁকড়ে ধরো, পৃথিবীর সকল সাহায্যক্ষেত্র বিশ্বাসভঙ্গ করলেও আল্লাহ আছেন বিশ্বাসের স্তম্ভ, আল্লাহ আছেন সদা-সর্বত্র।
রাসুল ইবনে আব্বাস -কে নসিহত করেছিলেন-
তুমি আল্লাহর বিধান রক্ষা করো, আল্লাহ তোমাকে সুরক্ষা দিবেন। তুমি আল্লাহর বিধান প্রতিপালন করো, আল্লাহকে তোমার কাছেই পাবে। তোমার কোন সাহায্যের কথা শুধু আল্লাহকেই বলো। কোন কিছুর প্রয়োজন হলে আল্লাহর কাছেই হাত তোলো। শোনো, পৃথিবীর সকল মানুষ তোমার সাহায্যের জন্য প্রস্তুত হলেও আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া তারা তোমার কোন সাহায্য করতে পারবেনা। পৃথিবীর সকল মানুষ তোমার ক্ষতি করার জন্য প্রস্তুত হলেও আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া তারা তোমার কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। মানুষের ভাগ্য সুস্থির, লিপিবদ্ধ। [তিরমিযি]
মুসনাদে আহমদে নসিহতপূর্ণ এই হাদিসে আরো কিছু বৃদ্ধি রয়েছে। বর্ণিত হয়েছে-
নিশ্চয় ধৈর্যের সাথেই রয়েছে সাহায্য। বিপদের মাঝেই রয়েছে লাঘব ও উপশম। কষ্টের পরেই রয়েছে সারল্য ও সহজ পথ। [মুসনাদে আহমদ]
রাসুল ﷺ এই নসিহত করেছেন অনাগতকালের সকলের জন্য। বুযুর্গগণ বলেন, তোমার সন্তানকে, ভাই-বন্ধুকে এই নসিহত অবশ্যই করো- 'ইহফাযিল্লাহ, ইয়াফাযকা'। 'তুমি আল্লাহর বিধান রক্ষা করো, আল্লাহ তোমার জীবনে সুরক্ষা দিবেন'।
ওলামায়ে কেরাম বলেন, 'এই হাদিসের অর্থ নিয়ে যতই গবেষণা করা হয়, এর সুসমৃদ্ধ অর্থ দেখে ততই আশ্চর্য, পরমাশ্চর্য হতে হয়'।
সুলাইমান ইবনে দাউদ বলেন, 'মানুষ যেসব বিষয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে, আমরাও সেসব বিষয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি। মানুষ যেসব বিষয় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেনা, সেসব বিষয় থেকেও আমরা শিক্ষা গ্রহণ করি। কিন্তু গোচরে-অগোচরে আল্লাহ-র হেফাযতের চেয়ে উত্তম কিছু খুঁজে পাইনা'।
বক্ষমান বইটি সবার জন্য। যেমন পুরুষের জন্য, তেমনই নারীর জন্য। রাজা- বাদশাহ, আমলা-মন্ত্রী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং শাসকের জন্য, শাসিতের জন্য। ডাক্তার, অফিসার, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, কৃষক, মুনি-মূষী -সকল শ্রেণী- পেশার লোকদের জন্য। বইটির মাধ্যমে সকলের কাছে একটি বার্তা-
আসমানি ফয়সালা ছেড়ে দাও আসমানে।
তাকদিরি ফয়সালা ভেস্তে দিওনা তোমার ভঙ্গুর বেক্ষণে!
ওগো আল্লাহ আমার আশার আধার, লক্ষ-কোটি কৃপা তোমার, আমায় রক্ষা করেছো।
অত্যাচারির নিনাদ ভারি, ধ্বংস হবো সমূল ছাড়ি; তুমি রক্ষা করেছো।
তুমি আমায় রক্ষা করে জালিমমনে ভয়ের ভয়াল আঁধার দিয়েছো।

📘 আল্লাহকে মানুন নিরাপদ থাকুন > 📄 তারাই যথার্থ সফলকাম

📄 তারাই যথার্থ সফলকাম


কল প্রশংসা আল্লাহ -র জন্য। আমরা আল্লাহ -র কাছে ক্ষমা চাই। তারই কাছে হেদায়াত চাই। তারই কাছে আশ্রয় চাই আমাদের নফসের ধোঁকা থেকে। আশ্রয় চাই আমাদের খারাপ সকল আমল থেকে, আমলসমূহের বিচ্যুতি থেকে। আল্লাহ যাকে হেদায়াত দেন, তাকে ভ্রষ্টকারী কেউ নেই। আল্লাহ যাকে পথহারা করেন, তাকে হেদায়াত দানকারী কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মোহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। মোহাম্মাদের উপর বর্ষিত হোক অগুণতি দুরূদ ও সালাম।
মহান আল্লাহ বলেন- আলিফ লাম মীম। এ সেই কিতাব, যাতে কোনই সন্দেহ নেই, পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য। যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযি দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে। এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে বিশ্বাস করে। তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সুপথপ্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ সফলকাম। [বাকারা: ০১-০৫]

📘 আল্লাহকে মানুন নিরাপদ থাকুন > 📄 সূরা বাকারার ফযীলত

📄 সূরা বাকারার ফযীলত


ইমাম কুরতুবী বলেন, এই সূরায় একশটি আদেশ, একশটি নিষেধ এবং আরো একশ বার্তা রয়েছে।
যে ঘরে সূরা বাকারা তেলাওয়াত হয়, সে ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়। রাসূল ইরশাদ করেন-
তোমরা কোরআনের দুই কুসুমাংশ তেলাওয়াত করো- সূরা বাকারা এবং সূরা আলে ইমরান। সূরা দু'টি কেয়ামতের দিন মেঘের দু'টুকরো ছায়া হয়ে অথবা সারিবদ্ধ কোন পাখির ঝাঁকের মতো আত্মপ্রকাশ করে তার তেলাওয়াতকারীকে ছায়া দান করবে। [মুসলিম : ৮০৪]
আনাস বলেন, কোন সাহাবি যদি সূরা বাকারা মুখস্থ করতো, সে অন্যদের চেয়ে অগ্রজ, দলপতি ও ইমাম হওয়ার যোগ্যতা রাখতো।
রাসূল ﷺ একটি সারিয়‍্যা (যে যুদ্ধদলে রাসূল অংশগ্রহণ করেননি) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করার জন্য পাঠালেন। পাঠানোর সময় তাদের আমির নির্ধারণ করার জন্য জিজ্ঞেস করলেন, 'তোমাদের মধ্যে কোরআন বেশি শিখেছে কে?' জনৈক সাহাবি বললেন, 'আমি সূরা বাকার শিখেছি।' রাসূল বললেন, 'তুমি সূরা বাকারা শিখেছ?' সাহাবি বললেন, 'জী, আল্লাহর রাসূল!' রাসূল বললেন, 'ঠিক আছে, তুমিই দলের আমির।' [মুস্তাদরাকে হাকিম : ১৬২২]
রাসূল ইরশাদ করেন- তোমরা তোমাদের ঘরগুলো কবরে পরিণত করোনা। যে ঘরে সূরা বাকারা তেলাওয়াত হয়, সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করেনা। (তিরমিযী গ্রন্থে হাসান সনদে বর্ণিত) [মুসলিম : ৭৮০]
এক নেককার বান্দা তার ঘরে জিনের উপদ্রব পেয়েছিল। ওলামায়ে কেরام তাকে সূরা বাকারা তেলাওয়াত করতে বললেন। তিনি যখন সূরা বাকারা তেলাওয়াত করলেন, আল্লাহ-র হুকুমে তার ঘর থেকে জিন তাড়িত হল।

📘 আল্লাহকে মানুন নিরাপদ থাকুন > 📄 আয়াতগুলোর গভীর বার্তা

📄 আয়াতগুলোর গভীর বার্তা


আলিফ লাম মীম; এ হরফগুলোর কী এমন তাৎপর্য, যা দিয়ে আল্লাহ সূরা বাকারা শুরু করেছেন! এগুলো সেই মুজিযা, যা দিয়ে আল্লাহ আরবের কবি-সাহিত্যিকদের চ্যালেঞ্জ করেছেন। আল্লাহ তার কিতাব দিয়ে কাফেরদের অহঙ্কার মলীন করেছেন। শ্রেষ্ঠ বাগ্মীদের মুখে কুলুপ লাগিয়েছেন। বড় বড় কবিদের বাকহারায় পরিণত করেছেন।
প্রত্যেক উম্মতের কিছু বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য থাকে। আল্লাহ সমকালীন নবীদের সেই বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য প্রেরণ করেছেন।
মুসা-র উম্মত যাদুবিদ্যায় অনেক কৌশলবাজ হয়ে উঠেছিল। আল্লাহ মুসা-কে এক জিয়নকাঠি দান করলেন। উম্মত যা কিছু যাদুকুশল অর্জন করেছিল, মুসা-র জিয়নকাঠির এক ঝলকে সব এক নিমিষে হাওয়া হয়ে গেল।
ঈসা-র উম্মত চিকিৎসা ও টেকনোলজিতে কালের সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহণ করেছিল। আল্লাহ ঈসা-কে কুষ্ঠ ও অন্ধত্ব থেকে মুক্তি দানের অলৌকিকতা দান করেছিলেন। মৃতকে জীবিত করার মুজিযা দান করেছিলেন।
প্রসঙ্গত আমার কসীদায়ে বুরদার মতো একটি কবিতা বানানোর শখ হল-
তোমার ভাই ঈসা ডাকল এক মৃতকে, অমনি সে উঠে দাঁড়ালো! আর তুমি জীবিত করেছ কতো প্রজন্মকে, কালের ক্ষয় আর পচন থেকে!
আল্লাহ বলেন- আর যে মৃত ছিল, অতঃপর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন একটি আলো দিয়েছি যা নিয়ে সে মানুষের মধ্যে চলাফেরা করতে পারে; -সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য হতে পারে, যে অন্ধকারে রয়েছে, সেখান থেকে বেরুতে পারছে না! [আন'আম: ১২২]
মক্কার কাফেররা রাসূলের তেলাওয়াত শুনতো। তারা আরবী ভাষার অলঙ্কার শৈলী ভালোই জানতো। এজন্য কোরআনের ভাষাশৈলী এবং মুজিযা তারা বুঝতো। তারা ভয় পেয়ে গেল, কোরআন অবশ্যই আমাদের প্রভাবিত করবে।
তুফাইল ইবনে আমর বলেন, 'আমি তখনও মক্কার কাফের ছিলাম। আমি আমার কানে তুলা বুজে রাখতাম। একদিন রাসূল কাবার পাশে তিলাওয়াত করছেন। আমি যখন তার কাছাকাছি আসলাম এবং তার তিলাওয়াতের আওয়ায স্পষ্ট শুনলাম, মনে মনে ভাবলাম- আশ্চর্য! আমি একজন কবি ও সাহিত্যিক। আমি কেন তার তেলাওয়াত শুনছি না! আমি তার তেলাওয়াত শুনবো। তেলাওয়াত যদি আমাকে আচ্ছন্ন করে, তবে তো বেশ! আর যদি আচ্ছন্ন না করে, তাহলে বুঝবো কোরআন আসলে যাদু।'
আমি তার তেলাওয়াত শুনতে লাগলাম। আমার আরও শুনতে মন চাইল। কান থেকে তুলা ফেলে দিলাম। আল্লাহর কসম, তখন কোরআন আমার অন্তরে অঙ্কিত হয়ে গেল।
অতঃপর আমি রাসূলের কাছে গেলাম। রাসূলের সামনে বললাম, 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রাসূল।' [আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া : ৩/৯৯]
জুবাইর ইবনে মুতঈম (রাঃ)। তিনি ছিলেন মক্কার নেতৃস্থানীয় একজন। তিনি কসম করেছিলেন, কোরআনের একটি আয়াতও তিনি শুনবেন না।
সব আল্লাহরই ইচ্ছা। আল্লাহ (সঃ) যুবাইরকে দোযখ থেকে নিষ্কৃতি দিতে চাইলেন। একদিন রাসূল (সঃ) হারামের ভিতর কোরআন তেলাওয়াত করছেন। যুবাইর শুনলেন। রাসূল (সঃ) মাগরিবের সালাত আদায় করছেন। তার তিলাওয়াতের আওয়াযও ছিলো সজোরে-
وَالطُّورِ ﴿١﴾ وَكِتَبٍ مَسْطُورٍ ﴿٢﴾ فِي رَقٍ مَنْشُورٍ ﴿٣﴾ وَالْبَيْتِ الْمَعْمُورِ ﴿٤﴾ وَالسَّقْفِ الْمَرْفُوعِ ﴿٥﴾
শপথ তূর পর্বতের, এবং লিখিত কিতাবের, প্রশস্ত পত্রে, কসম বাইতুল মামুরের তথা আবাদ গৃহের, এবং সমুন্নত ছাদের...' [সূরা আত-তুর: ০১-০৫]
যুবাইর বলেন, তেলাওয়াত শুনে আমার অন্তর যেন উড়ে উড়ে যাচ্ছিল! রাসূলের তেলাওয়াত শুনে যুবাইর সাথে সাথে ঈমান আনলেন।
হারেস ইবনে কালাদা। বিচক্ষণ একজন দার্শনিক। বে-ঈমান। সে কোরআনের মতো একটি কিতাব রচনায় উদ্যোগ নিল।
হীতাকাঙ্ক্ষীরা তাকে এ কাজ থেকে বারণ করেছিল। হারেস কারও কথা শোনেনি। সে তার একগুয়েমিতে অটল রইল।
কোরআনের মত আরেকটি কিতাব রচনা শুরু করল। উদ্যত হারেসের তার দৃষ্টি পড়ল সূরা মায়েদার এই আয়াতের উপর-
মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গিকারসমূহ পূর্ণ করো। তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে, যা তোমাদের কাছে বিবৃত হবে তা ব্যতীত। কিন্তু ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শিকারকে হালাল মনে করোনা। নিশ্চয় আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন, নির্দেশ দেন। [মায়েদা: ০১]
হারেস এই আয়াত দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। সে বলল, এ কেমন আয়াত! একই আয়াতে প্রথমে আহ্বান, অতঃপর আদেশ! আবার আদেশ থেকে ব্যতিক্রম বিধান! প্রশংসা! বৈশিষ্ট্য বর্ণনা! একই আয়াতে এতকিছু!
হারেস বোকা বনে গেল। এক পর্যায়ে তার অর্ধেক শরীর অবস হয়ে গেল। এটি ছিল তার দুনিয়ার শাস্তি। আল্লাহ বলেন- নিশ্চয় আখিরাতের শাস্তি আরও লাঞ্ছনাকর, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না। [ফুসসিলাত: ১৬]
আবুল আলা আল-মারি। অত্যন্ত বিচক্ষণ একজন লোক। ঈমান গ্রহণের তাওফিক হয়নি তার। সে কোরআনকে পরীক্ষা ও যাচাইবাচাই করতে উদ্যত হয়েছিল।
আবুল আলা আল-মারির মৃত্যু হল। দাফনের পর কোন এক কারণে তার কবর খোলার প্রয়োজন হল। কবর খুলতেই দেখা গেল তার মুখের উপর একটি সাপ, লেজ দিয়ে তার দুই পা পেঁচিয়ে ধরে রেখেছে!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00