📘 আল কুরআনের দুআ 📄 যে সব সময় অবস্থা স্থান ও ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়

📄 যে সব সময় অবস্থা স্থান ও ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়


মূলত সব সময়, সব অবস্থা এবং সব স্থানেই দু'আ কবুল হয়। তবু কুরআন হাদিসে কিছু কিছু সময়, অবস্থা ও স্থানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো:
১. কদর রাত।
২. শেষ রাত।
৩. ফরয নামাযের পর।
৪. সিজদারত অবস্থায়।
৫. আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়।
৬. আযানের সময়।
৭. রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো অবস্থায়।
৮. আল্লাহর পথে জিহাদে যাত্রা করার সময়।
৯. জুমার দিন।
১০. এক সিজদা শেষ করে অপর সিজদায় যাওয়ার পূর্বে বা অবস্থায়।
১১. বৃষ্টি নামার সময়।
১২. যমযমের পানি পানকালে।
১৩. রাতে নিদ্রা ভংগ হলে।
১৪. কারো মৃত্যুর খবর শুনে।
১৫. নামাযের শেষ বৈঠকে আততাহিয়্যাতু এবং দরূদ পড়ার পর।
১৬. কারো অনুপস্থিতিতে তার জন্যে দু'আ করা হলে।
১৭. আরাফার দিন আরাফাতে।
১৮. রমযান মাসে।
১৯. ইফতারের পূর্বে।
২০. মুসলিমদের দীনি আলোচনার মজলিসে।
২১. বিপদের সময়।
২২. রোযা থাকা অবস্থায়।
২৩. যালিমের বিরুদ্ধে মযলুমের দু'আ।
২৪. সন্তানের জন্যে পিতা মাতার দু'আ।
২৫. সন্তানের উপর পিতা মাতার বদ দু'আ।
২৬. মুসাফিরের দু'আ।
২৭. অক্ষম ও মজবুর ব্যক্তির দু'আ।
২৮. ন্যায় পরায়ণ সুবিচারক নেতার দু'আ।
২৯. পিতা মাতার জন্যে সৎ সন্তানের দু'আ।
৩০. অযুর পর পর।
৩১. কা'বা ঘরে।
৩২. সাফা ও মারওয়ায়।
৩৩. মাশয়ারিল হারামে।
৩৪. আল্লাহ্র প্রতি একাগ্রতা এবং ভীতি ও ভালোবাসার আবেগ সৃষ্টি হলে।
৩৫. রোগীর দু'আ।
একথা মনে রাখা দরকার যে, আল্লাহ্ তা'আলা সব সময়ই তাঁকে ডাকতে এবং তাঁর কাছে চাইতে বলেছেন। উপরে যেসব স্থান কাল পাত্রকে খাস করা হয়েছে, এগুলো আমাদের প্রতি আল্লাহ্ পাকের অতিরিক্ত দয়া।

ফন্ট সাইজ
15px
17px