📘 আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার > 📄 জরুরী সংযোজন

📄 জরুরী সংযোজন


শু’রা বা পরামর্শ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের গুরুত্ব স্বীকার করার সাথে সাথে একটি জরুরী বিষয় মনে রাখা আবশ্যক। ইসলামে সংখ্যার আধিক্যই সত্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। কুরআনে বলা হয়েছেঃ

وَإِن تُطِعْ أَكْثَرَ مَن فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَن سَبِিলِ اللَّهِ
‘আর আপনি যদি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চলেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে।’ (সূরা আনআমঃ ১১৬)

অতএব, আইন প্রণয়ন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায় তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তা কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট বিধানের বিরোধী হবে না। হারামকে হালাল বা হালালকে হারাম করার ক্ষমতা পৃথিবীর কোন পার্লামেন্ট বা মজলিসে শুরার নেই, তা তারা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিলেও।

ইসলামী রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের (Democracy) স্থান আছে বটে, তবে তা ‘লিবারেল ডেমোক্রেসি’ বা স্বেচ্ছাচারী গণতন্ত্র নয়। এটি হলো ‘থিও-ডেমোক্রেসি’ বা ‘ইলাহী গণতন্ত্র’, যেখানে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও আইনের অধীনে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন ও রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার ভোগ করে।

শু’রা বা পরামর্শ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের গুরুত্ব স্বীকার করার সাথে সাথে একটি জরুরী বিষয় মনে রাখা আবশ্যক। ইসলামে সংখ্যার আধিক্যই সত্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। কুরআনে বলা হয়েছেঃ

وَإِن تُطِعْ أَكْثَرَ مَن فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَن سَبِিলِ اللَّهِ
‘আর আপনি যদি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চলেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে।’ (সূরা আনআমঃ ১১৬)

অতএব, আইন প্রণয়ন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠের রায় তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তা কুরআন ও সুন্নাহর সুস্পষ্ট বিধানের বিরোধী হবে না। হারামকে হালাল বা হালালকে হারাম করার ক্ষমতা পৃথিবীর কোন পার্লামেন্ট বা মজলিসে শুরার নেই, তা তারা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিলেও।

ইসলামী রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের (Democracy) স্থান আছে বটে, তবে তা ‘লিবারেল ডেমোক্রেসি’ বা স্বেচ্ছাচারী গণতন্ত্র নয়। এটি হলো ‘থিও-ডেমোক্রেসি’ বা ‘ইলাহী গণতন্ত্র’, যেখানে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও আইনের অধীনে জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন ও রাষ্ট্র পরিচালনার অধিকার ভোগ করে।

বর্তমান সময়ে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ও ইসলামী আদর্শবাদী ব্যক্তিবর্গের দ্বারা পরিচালিত সরকারকে সর্বসম্মতভাবে কুরআন সুন্নাহর ভিত্তিতে রচিত সংবিধানের পুরাপুরি অনুসরণকারী করে রাখা এবং তাকে আদর্শ বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ ও অমোঘ ভাবে কার্যকর পন্থা গ্রহণ করা একান্তই জরুরী মনে করি। সে পন্থাটি এই হতে পারে যে, দেশের সর্বজন পরিচিত, কুরআন ও সুন্নাহর গভীর ও ব্যাপক ইল্ম-এর ধারক এবং তাকওয়া-পরহেযগারীর দিক দিয়ে পরীক্ষিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিকে 'ইসলামী আদর্শের সংরক্ষক' মর্যাদায় নির্বাচিত করা হবে, যাকে সকল প্রকারের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব থেকে দূরে ও নিঃসম্পর্ক রাখা হবে। সংবিধানের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন বা কুরআন ও সুন্নাহর বিরুদ্ধতা দেখলে সে কঠোর হাতে তা দমন করবে এবং শুধু এই ব্যাপারে তার কথাই হবে চূড়ান্ত। অবশ্য এ পর্যায়ে তার বক্তব্য হতে হবে অকাট্য দলীল প্রমাণভিত্তিক।
এ কথা স্বীকৃত ও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলো শুধু পদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের ব্যাখ্যা এবং যোগ্যতার মান বা শর্তসমূহ জনগণের নিকট পেশ করে স্বতন্ত্রভাবে এই পদে একজন বিশেষ ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা যেতে পারে। -গ্রন্থকার

বর্তমান সময়ে ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত ও ইসলামী আদর্শবাদী ব্যক্তিবর্গের দ্বারা পরিচালিত সরকারকে সর্বসম্মতভাবে কুরআন সুন্নাহর ভিত্তিতে রচিত সংবিধানের পুরাপুরি অনুসরণকারী করে রাখা এবং তাকে আদর্শ বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ ও অমোঘ ভাবে কার্যকর পন্থা গ্রহণ করা একান্তই জরুরী মনে করি। সে পন্থাটি এই হতে পারে যে, দেশের সর্বজন পরিচিত, কুরআন ও সুন্নাহর গভীর ও ব্যাপক ইল্ম-এর ধারক এবং তাকওয়া-পরহেযগারীর দিক দিয়ে পরীক্ষিত ও আস্থাভাজন ব্যক্তিকে 'ইসলামী আদর্শের সংরক্ষক' মর্যাদায় নির্বাচিত করা হবে, যাকে সকল প্রকারের প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব থেকে দূরে ও নিঃসম্পর্ক রাখা হবে। সংবিধানের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন বা কুরআন ও সুন্নাহর বিরুদ্ধতা দেখলে সে কঠোর হাতে তা দমন করবে এবং শুধু এই ব্যাপারে তার কথাই হবে চূড়ান্ত। অবশ্য এ পর্যায়ে তার বক্তব্য হতে হবে অকাট্য দলীল প্রমাণভিত্তিক।
এ কথা স্বীকৃত ও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলো শুধু পদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের ব্যাখ্যা এবং যোগ্যতার মান বা শর্তসমূহ জনগণের নিকট পেশ করে স্বতন্ত্রভাবে এই পদে একজন বিশেষ ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা যেতে পারে। -গ্রন্থকার

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00