📘 আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার > 📄 সাক্ষ্যদান

📄 সাক্ষ্যদান


ইসলামী বিচার ব্যবস্থায় সাক্ষ্যদান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচারক রায় প্রদান করেন। রাসূলে করীম (স) বলেছেনঃ

الْبَيِّنَةُ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينَ عَلَى مَنْ أَنْكَرَ

'প্রমাণ পেশ করা বাদীর দায়িত্ব আর (বাদী প্রমাণ পেশ করতে না পারলে) অস্বীকারকারীর দায়িত্ব হচ্ছে কসম খাওয়া।'

সাক্ষীর যোগ্যতাঃ সাক্ষীকে অবশ্যই ন্যায়পরায়ণ ও নির্ভরযোগ্য হতে হবে। মিথ্যাবাদী, ফাসিক বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। সাক্ষীর সংখ্যা ও যোগ্যতা সম্পর্কে কুরআনে বিস্তারিত নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ

وَاسْتَشْهِدُوا شَهِيدَيْنِ مِن رِّجَالِكُمْ ۖ فَإِن لَّمْ يَكُونَا رَجُلَيْنِ فَرَجُلٌ وَامْرَأَتَانِ مِمَّن تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ

'তোমাদের পুরুষদের মধ্য থেকে দুইজন সাক্ষী রাখ। যদি দুইজন পুরুষ না পাওয়া যায়, তবে একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষী রাখ, যাদের সাক্ষ্য সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট হতে পার।' (সূরা বাকারাহঃ ২৮২)

মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়াকে ইসলামে কবীরা গুনাহ বা মহাপাপ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আবার সত্য সাক্ষ্য গোপন করাও নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেনঃ

وَلَا تَكْتُمُوا الشَّهَادَةَ ۚ وَمَن يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ قَلْبُهُ

'তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। যে ব্যক্তি তা গোপন করে, তার অন্তর পাপী।' (সূরা বাকারাহঃ ২৮৩)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00