📘 আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার > 📄 রাসূলে করীম(স)-এর যুগে প্রশাসনিক দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ

📄 রাসূলে করীম(স)-এর যুগে প্রশাসনিক দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ


রাসূল করীম (স) তাঁর নিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উন্নতমানের নৈতিক ও চারিত্রিক প্রশিক্ষণ দান করতেন। তাদের মনে আল্লাহ-ভীতি ও পরকালীন জবাবদিহির অনুভূতি তীব্রভাবে জাগরূক করে দিতেন। হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের শাসনকর্তা হিসেবে পাঠানোর সময় তিনি যে সব উপদেশ দিয়েছিলেন, তা প্রশাসনিক প্রশিক্ষণের এক অনন্য দলিল। তিনি বলেছিলেনঃ
'হে মুয়ায! তুমি আহলে কিতাবদের এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ। সুতরাং সর্বপ্রথম তাদেরকে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল—এ কথার সাক্ষ্য দানের আহ্বান জানাবে। যদি তারা তা মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানাবে যে, আল্লাহ তাদের উপর দিনে-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। যদি তারা তাও মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানাবে যে, আল্লাহ তাদের ধন-সম্পদে যাকাত ফরয করেছেন, যা তাদের ধনীদের নিকট থেকে গ্রহণ করা হবে এবং তাদের দরিদ্রদের মধ্যে বন্টন করা হবে। সাবধান! তাদের উত্তম ও উৎকৃষ্ট মালগুলো বেছে নেবে না। আর মজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা তার ও আল্লাহর মাঝখানে কোন পর্দা থাকে না।'

📘 আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার > 📄 প্রশাসনিক দায়িত্বে নিযুক্ত লোকদের জরুরী গুণাবলী

📄 প্রশাসনিক দায়িত্বে নিযুক্ত লোকদের জরুরী গুণাবলী


প্রশাসনিক দায়িত্বে নিযুক্ত লোকদের মধ্যে কতিপয় জরুরী গুণ থাকা আবশ্যক। হযরত আলী (রা) মালিক আশতারকে লিখিত পত্রে এই গুণাবলীর উল্লেখ করেছেনঃ
১. অভিজ্ঞতা (Experience)।
২. লজ্জা ও সম্ভ্রমবোধ (Modesty)।
৩. এমন বংশের হওয়া যা ইসলাম গ্রহণ ও খিদমতের দিক দিয়ে অগ্রবর্তী ও উন্নত।
৪. চরিত্র ও স্বভাবের দিক দিয়ে উত্তম।
৫. অধিক সহিষ্ণু (Patient)।
৬. লোভ ও লালসা কম।
৭. পরিণামদর্শী।

এছাড়া যোগ্যতা, দক্ষতা, আমানতদারী ও আল্লাহভীতি তো অপরিহার্য গুণ। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেনঃ
إِنَّ خَيْرَ مَنِ اسْتَأْجَرْتَ الْقَوِيُّ الْأَمِينَ (القصص: ২৬)
নিশ্চয়ই তোমার জন্য উত্তম কর্মচারী সে-ই হতে পারে, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00