📘 আল কুরআনে নারী 📄 সাধারণত নারীরা যাদুতোনা করে থাকে বা তাদের মাধ্যমে যাদু করা হয়

📄 সাধারণত নারীরা যাদুতোনা করে থাকে বা তাদের মাধ্যমে যাদু করা হয়


قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَهُ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَهُ وَمِنْ شَرِّ النَّفْتُتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَةً

"বলো, আমি আশ্রয় চাই প্রভাতের স্রষ্টার কাছে, সেসবের অনিষ্ট হতে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন, রাতের অনিষ্ট হতে যখন তা গভীর হয় এবং অনিষ্ট হতে সেসব নারীর যারা গিরায় ফুঁক দিয়ে যাদু করে, আর হিংসুকের অনিষ্ট হতে যখন সে হিংসা করে।"-সূরা ফালাক

আল কুরআনের সর্বশেষ সূরা দুটির নাম 'আল মুআওয়াযাতাইন'। ইহুদীদের মিত্র মুনাফিক লবীদ ইবনে আ'সাম আল্লাহর নবী মুহাম্মদ (স)-কে যাদু করেছিল। সে একটি সূতোয় এগারটি গিরা দিয়ে যাদু করিয়েছিল। পাপীষ্ঠ লবীদ তার কন্যাদের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (স)-এর ওপর এ যাদুটি প্রয়োগ করে। নবী করীম (স) এতে ছয় মাস অসুস্থ ছিলেন। আল্লাহ তাআলা এ দুটো সূরা নাযিল করলে আল্লাহর নবী এর আয়াতগুলো পড়ে এক একটি গিরা খুলতে থাকেন এবং আরোগ্য লাভ করেন।

যাদুর ক্রিয়াও আগুন-পানির ক্রিয়ার মত স্বাভাবিক। নবী-রসূলগণও এসবের ক্রিয়ার বাইরে নন। সূরা ফালাকের চতুর্থ আয়াতে বলা হয়েছে 'ওয়া মিন শাররিন নাফফাসাতি ফিল উকাদ' অর্থাৎ আশ্রয় চাই গিরায় ফুঁকদানকারিণীর অনিষ্ট থেকে। যারা যাদু করে তারা ডোর ইত্যাদিতে যাদুর মন্ত্র পড়ে ফুঁক দিয়ে গিরা দেয়। যাদুর কাজ সাধারণত নারীরাই করে এবং জন্মগতভাবে এর সাথে তাদের সম্পর্কই বেশী। লবীদ বিন আ'সামের পাপিষ্ঠ কন্যারা পিতার আদেশে রসূলুল্লাহ (স)-এর ওপর যাদু করেছিল।

যাদু সম্পর্কে মনে রাখা আবশ্যক যে, এতে শয়তান বা খবীস রূহের সাহায্য চাওয়া হয়, এজন্য কুরআন মজীদে যাদুকে কুফরী বলা হয়েছে। এমনকি যাদুতে যদি কোনো কুফরী কথা বা শেরকী কাজ নাও থাকে তবুও তা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। নবী করীম (স) যাদুকে পরকাল বিনষ্টকারী সাতটি কবীরা গুনাহর মধ্যে গণ্য করেছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা সাতটি ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে দূরে থাক। তার মধ্যে যাদু করা অন্যতম।

টিকাঃ
-(তাফসীরে মাআরেফুল কুরআন), (তাফহীমুল কুরআন)

ফন্ট সাইজ
15px
17px