📄 কিয়ামতের আগে মানুষ নষ্ট হয়ে যাবে
পূর্বের বিভিন্ন হাদিসসমূহে বর্ণিত হয়েছে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। একসময় এমন হবে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশজন নারীর দেখাশোনা করতে হবে। তারা পশুর মতো রাস্তায় ফাসাদ সৃষ্টি করবে। এগুলো আমরা সনদ ও বর্ণনা সহকারেই বর্ণনা করেছি। আল-হামদুলিল্লাহ।
وقال الإمام أحمد: حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت عن أنس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "لا تقوم الساعة حتى لا يقال في الأرض لا إله إلا الله."
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না।
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى لَا يُقَالَ فِي الْأَرْضِ اللَّهُ الله " .
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে 'আল্লাহ' 'আল্লাহ' বলার মতো কেউ থাকবে ততদিন পর্যন্ত কিয়ামাত হবে না।
টিকাঃ
৯. মুসনাদে আহমাদ ৩/ প.২৬৮।
পূর্বের বিভিন্ন হাদিসসমূহে বর্ণিত হয়েছে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। একসময় এমন হবে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশজন নারীর দেখাশোনা করতে হবে। তারা পশুর মতো রাস্তায় ফাসাদ সৃষ্টি করবে। এগুলো আমরা সনদ ও বর্ণনা সহকারেই বর্ণনা করেছি। আল-হামদুলিল্লাহ।
وقال الإمام أحمد: حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت عن أنس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "لا تقوم الساعة حتى لا يقال في الأرض لا إله إلا الله."
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না।
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى لَا يُقَالَ فِي الْأَرْضِ اللَّهُ الله " .
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে 'আল্লাহ' 'আল্লাহ' বলার মতো কেউ থাকবে ততদিন পর্যন্ত কিয়ামাত হবে না।
টিকাঃ
৯. মুসনাদে আহমাদ ৩/ প.২৬৮।
পূর্বের বিভিন্ন হাদিসসমূহে বর্ণিত হয়েছে, পুরুষের সংখ্যা কমে যাবে এবং নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। একসময় এমন হবে, একজন পুরুষকে পঞ্চাশজন নারীর দেখাশোনা করতে হবে। তারা পশুর মতো রাস্তায় ফাসাদ সৃষ্টি করবে। এগুলো আমরা সনদ ও বর্ণনা সহকারেই বর্ণনা করেছি। আল-হামদুলিল্লাহ।
وقال الإمام أحمد: حدثنا عفان، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت عن أنس، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: "لا تقوم الساعة حتى لا يقال في الأرض لا إله إلا الله."
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না।
حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى لَا يُقَالَ فِي الْأَرْضِ اللَّهُ الله " .
আনাস রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন— যতদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে 'আল্লাহ' 'আল্লাহ' বলার মতো কেউ থাকবে ততদিন পর্যন্ত কিয়ামাত হবে না।
টিকাঃ
৯. মুসনাদে আহমাদ ৩/ প.২৬৮।
📄 কিয়ামত শুধু তাদের উপরই সংঘটিত হবে
যারা কোন ভালো কাজে আদেশ করেনা এবং কোন মন্দ কাজে বাঁধা দেয় না। রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী (لا تقوم الساعة حتى لا يقال - فی الارض لا اله الا الله) বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না) দুটি অর্থ হতে পারে।
প্রথমত কেউই মন্দ কাজে বাঁধা দিবে না। অর্থাৎ কেউ কাউকে কোন মন্দ কাজে লিপ্ত হতে দেখলে কোন প্রকার সতর্ক করবে না। যা নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী (حتى لا يقال في الأرض) থেকে বুঝে আসে। যেমন আব্দুল্লাহইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদিসে উল্লেখ আসে তিনি বলেন, তখন শুধু কতক বৃদ্ধ বেঁচে থাকবে। না তারা কোন ভালো কাজ করতে পারবে আর না তারা কোন মন্দ কাজে বাঁধা দিতে পারবে।
দ্বিতীয়তঃ জমিনে আল্লাহ আল্লাহ যিকির করার মত কেউই থাকবে না। দুনিয়াতে কেউ আল্লাহর নামও জানবে না। তখনই কালের অন্তিম লগ্নে এই মহাবিপর্যয় ঘটবে। তখন দুনিয়ার অবস্থা ফাসাদ হয়ে যাবে। মানব প্রকৃতি নাশ হয়ে যাবে। কুফুর বৃদ্ধি পাবে। নফরমানীর সয়লাভ ঘটবে। আমাদের গোটা আলোচনাই (لا تقوم الساعة) এই হাদিসের ভাব ভাষ্য।
টিকাঃ
১. ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। সহিহ মুসলিম, ১/২৩৪। ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী রাহিমাহুল্লাহও ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি উল্লেখ করেন। আর তিরমিযি রাহিমাহুল্লাহ এর হাদিসটি প্রথম বর্ণনারচেয়ে অধিক সহিহ।
যারা কোন ভালো কাজে আদেশ করেনা এবং কোন মন্দ কাজে বাঁধা দেয় না। রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী (لا تقوم الساعة حتى لا يقال - فی الارض لا اله الا الله) বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না) দুটি অর্থ হতে পারে।
প্রথমত কেউই মন্দ কাজে বাঁধা দিবে না। অর্থাৎ কেউ কাউকে কোন মন্দ কাজে লিপ্ত হতে দেখলে কোন প্রকার সতর্ক করবে না। যা নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী (حتى لا يقال في الأرض) থেকে বুঝে আসে। যেমন আব্দুল্লাহইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদিসে উল্লেখ আসে তিনি বলেন, তখন শুধু কতক বৃদ্ধ বেঁচে থাকবে। না তারা কোন ভালো কাজ করতে পারবে আর না তারা কোন মন্দ কাজে বাঁধা দিতে পারবে।
দ্বিতীয়তঃ জমিনে আল্লাহ আল্লাহ যিকির করার মত কেউই থাকবে না। দুনিয়াতে কেউ আল্লাহর নামও জানবে না। তখনই কালের অন্তিম লগ্নে এই মহাবিপর্যয় ঘটবে। তখন দুনিয়ার অবস্থা ফাসাদ হয়ে যাবে। মানব প্রকৃতি নাশ হয়ে যাবে। কুফুর বৃদ্ধি পাবে। নফরমানীর সয়লাভ ঘটবে। আমাদের গোটা আলোচনাই (لا تقوم الساعة) এই হাদিসের ভাব ভাষ্য।
টিকাঃ
১. ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। সহিহ মুসলিম, ১/২৩৪। ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী রাহিমাহুল্লাহও ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি উল্লেখ করেন। আর তিরমিযি রাহিমাহুল্লাহ এর হাদিসটি প্রথম বর্ণনারচেয়ে অধিক সহিহ।
যারা কোন ভালো কাজে আদেশ করেনা এবং কোন মন্দ কাজে বাঁধা দেয় না। রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী (لا تقوم الساعة حتى لا يقال - فی الارض لا اله الا الله) বলার মতো একটি মানুষ অবশিষ্ট থাকতে কিয়ামাত হবে না) দুটি অর্থ হতে পারে।
প্রথমত কেউই মন্দ কাজে বাঁধা দিবে না। অর্থাৎ কেউ কাউকে কোন মন্দ কাজে লিপ্ত হতে দেখলে কোন প্রকার সতর্ক করবে না। যা নাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী (حتى لا يقال في الأرض) থেকে বুঝে আসে। যেমন আব্দুল্লাহইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদিসে উল্লেখ আসে তিনি বলেন, তখন শুধু কতক বৃদ্ধ বেঁচে থাকবে। না তারা কোন ভালো কাজ করতে পারবে আর না তারা কোন মন্দ কাজে বাঁধা দিতে পারবে।
দ্বিতীয়তঃ জমিনে আল্লাহ আল্লাহ যিকির করার মত কেউই থাকবে না। দুনিয়াতে কেউ আল্লাহর নামও জানবে না। তখনই কালের অন্তিম লগ্নে এই মহাবিপর্যয় ঘটবে। তখন দুনিয়ার অবস্থা ফাসাদ হয়ে যাবে। মানব প্রকৃতি নাশ হয়ে যাবে। কুফুর বৃদ্ধি পাবে। নফরমানীর সয়লাভ ঘটবে। আমাদের গোটা আলোচনাই (لا تقوم الساعة) এই হাদিসের ভাব ভাষ্য।
টিকাঃ
১. ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। সহিহ মুসলিম, ১/২৩৪। ইমাম আহমাদ রাহিমাহুল্লাহ ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী রাহিমাহুল্লাহও ভিন্ন আরেকটি সনদে হাদিসটি উল্লেখ করেন। আর তিরমিযি রাহিমাহুল্লাহ এর হাদিসটি প্রথম বর্ণনারচেয়ে অধিক সহিহ।
📄 নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে তারা এখনো জীবিত
পূর্বে যেমন অন্যান্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আমি এমন লোকদের পেয়েছি যারা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতো। তারপরে, পরিস্থিতি আরও খারাপ এবং আরো খারাপ হয়ে যাবে, একপর্যায়ে তারা পৃথিবীতে আল্লাহর স্মরণ ছেড়ে দিবে এবং কি পুরোপুরি ভুলে যাবে। তারাই সেই দুষ্ট লোক, যাদের উপর কিয়ামত ঘটবে। যেমন অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে।
وفي اللفظ الآخر: "وشرار الناس الذين تدركهم الساعة وهم أحياء."
অপর ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে, নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে তারা এখনো জীবিত।
অপর আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে—
عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "لا يزداد الناس إلا شحاً، ولا يزداد الزمان إلا شدة، ولا تقوم الساعة إلى على شرار الناس."
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দিনে দিনে বিপদাপদ বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। দুনিয়াতে অভাব-অনটন ও দুর্ভিক্ষ বাড়তেই থাকবে এবং কৃপণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। নিকৃষ্ট লোকেদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
টিকাঃ
১. সুনানে ইবনু মাজাহ, ২/৪০৩৯।
পূর্বে যেমন অন্যান্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আমি এমন লোকদের পেয়েছি যারা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতো। তারপরে, পরিস্থিতি আরও খারাপ এবং আরো খারাপ হয়ে যাবে, একপর্যায়ে তারা পৃথিবীতে আল্লাহর স্মরণ ছেড়ে দিবে এবং কি পুরোপুরি ভুলে যাবে। তারাই সেই দুষ্ট লোক, যাদের উপর কিয়ামত ঘটবে। যেমন অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে।
وفي اللفظ الآخر: "وشرار الناس الذين تدركهم الساعة وهم أحياء."
অপর ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে, নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে তারা এখনো জীবিত।
অপর আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে—
عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "لا يزداد الناس إلا شحاً، ولا يزداد الزمان إلا شدة، ولا تقوم الساعة إلى على شرار الناس."
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দিনে দিনে বিপদাপদ বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। দুনিয়াতে অভাব-অনটন ও দুর্ভিক্ষ বাড়তেই থাকবে এবং কৃপণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। নিকৃষ্ট লোকেদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
টিকাঃ
১. সুনানে ইবনু মাজাহ, ২/৪০৩৯।
পূর্বে যেমন অন্যান্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আমি এমন লোকদের পেয়েছি যারা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলতো। তারপরে, পরিস্থিতি আরও খারাপ এবং আরো খারাপ হয়ে যাবে, একপর্যায়ে তারা পৃথিবীতে আল্লাহর স্মরণ ছেড়ে দিবে এবং কি পুরোপুরি ভুলে যাবে। তারাই সেই দুষ্ট লোক, যাদের উপর কিয়ামত ঘটবে। যেমন অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে।
وفي اللفظ الآخر: "وشرار الناس الذين تدركهم الساعة وهم أحياء."
অপর ভাষ্যে বর্ণিত হয়েছে, নিকৃষ্ট লোক যাদের উপর কিয়ামত কায়েম হবে তারা এখনো জীবিত।
অপর আরেক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে—
عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم: "لا يزداد الناس إلا شحاً، ولا يزداد الزمان إلا شدة، ولا تقوم الساعة إلى على شرار الناس."
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: দিনে দিনে বিপদাপদ বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। দুনিয়াতে অভাব-অনটন ও দুর্ভিক্ষ বাড়তেই থাকবে এবং কৃপণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। নিকৃষ্ট লোকেদের উপরই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
টিকাঃ
১. সুনানে ইবনু মাজাহ, ২/৪০৩৯।
📄 কিয়ামত সন্নিকটে
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী )بعثت أنا والساعة كهاتين আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ এ দু'টির ন্যায় নিকটবর্তী সময়ে)-এর আলোচনা।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاً حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ .
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির ন্যায় (নিকটবর্তী সময়ে)।
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الجُعْفِي حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَهُ عَنْ قَتَادَةَ وَأَبِي التَّيَّاحِ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ
আনাস ইবনু মালিক রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ রকম।
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ وَعَلَا صَوْتُهُ وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشِ يَقُولُ . صَبْحَكُمْ وَمَسَاكُمْ " . وَيَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ " . وَيَقْرُنُ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ السَّبَابَةِ وَالْوُسْطَى وَيَقُولُ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ " . ثُمَّ يَقُولُ " أَنَا أَوْلَى بِكُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ نَفْسِهِ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلأَهْلِهِ وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَإِلَى وَعَلَى " .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ্ (ভাষণ) দিতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হত এবং তাঁর রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেন: তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: আমি ও ক্বিয়ামাত এ দু'টির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যমা ও তর্জনী আঙুল মিলিয়ে দেখাতেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: অতঃপর উত্তম বাণী হল আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ'আত)। প্রতিটি বিদ'আত ভ্রষ্ট। তিনি আরো বলতেন—আমি প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي، حَازِمٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم .
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ - وَاللَّفظ لَهُ - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، عَنْ أبي حَازِمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلاً، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِإِصْبَعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَهُوَ يَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ هَكَذَا ".
সাহল ইবনু সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা ইঙ্গিত করে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির সদৃশ (কাছাকাছি সময়ে)।
يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ أَبِي حَصِينٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةً عَنْ النَّبي صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ يَعْنِي إِصْبَعَيْنِ
আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমাকে ও ক্বিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু'টি (আঙ্গুলের) ন্যায়।
টিকাঃ
২. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৪।
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৪।
২. সহিহ মুসলিম, ১/১২৩-১৩৫/১৮৯০।
১. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৩।
২. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৫।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী )بعثت أنا والساعة كهاتين আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ এ দু'টির ন্যায় নিকটবর্তী সময়ে)-এর আলোচনা।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاً حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ .
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির ন্যায় (নিকটবর্তী সময়ে)।
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الجُعْفِي حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَهُ عَنْ قَتَادَةَ وَأَبِي التَّيَّاحِ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ
আনাস ইবনু মালিক রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ রকম।
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ وَعَلَا صَوْتُهُ وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشِ يَقُولُ . صَبْحَكُمْ وَمَسَاكُمْ " . وَيَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ " . وَيَقْرُنُ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ السَّبَابَةِ وَالْوُسْطَى وَيَقُولُ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ " . ثُمَّ يَقُولُ " أَنَا أَوْلَى بِكُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ نَفْسِهِ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلأَهْلِهِ وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَإِلَى وَعَلَى " .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ্ (ভাষণ) দিতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হত এবং তাঁর রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেন: তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: আমি ও ক্বিয়ামাত এ দু'টির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যমা ও তর্জনী আঙুল মিলিয়ে দেখাতেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: অতঃপর উত্তম বাণী হল আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ'আত)। প্রতিটি বিদ'আত ভ্রষ্ট। তিনি আরো বলতেন—আমি প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي، حَازِمٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم .
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ - وَاللَّفظ لَهُ - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، عَنْ أبي حَازِمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلاً، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِإِصْبَعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَهُوَ يَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ هَكَذَا ".
সাহল ইবনু সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা ইঙ্গিত করে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির সদৃশ (কাছাকাছি সময়ে)।
يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ أَبِي حَصِينٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةً عَنْ النَّبي صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ يَعْنِي إِصْبَعَيْنِ
আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমাকে ও ক্বিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু'টি (আঙ্গুলের) ন্যায়।
টিকাঃ
২. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৪।
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৪।
২. সহিহ মুসলিম, ১/১২৩-১৩৫/১৮৯০।
১. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৩।
২. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৫।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী )بعثت أنا والساعة كهاتين আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ এ দু'টির ন্যায় নিকটবর্তী সময়ে)-এর আলোচনা।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاً حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ .
আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির ন্যায় (নিকটবর্তী সময়ে)।
عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ هُوَ الجُعْفِي حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَهُ عَنْ قَتَادَةَ وَأَبِي التَّيَّاحِ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ
আনাস ইবনু মালিক রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন—আমাকে পাঠানো হয়েছে ক্বিয়ামাতের সঙ্গে এ রকম।
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا خَطَبَ احْمَرَّتْ عَيْنَاهُ وَعَلَا صَوْتُهُ وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ حَتَّى كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشِ يَقُولُ . صَبْحَكُمْ وَمَسَاكُمْ " . وَيَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ " . وَيَقْرُنُ بَيْنَ إِصْبَعَيْهِ السَّبَابَةِ وَالْوُسْطَى وَيَقُولُ " أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللَّهِ وَخَيْرُ الْهُدَى هُدَى مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ " . ثُمَّ يَقُولُ " أَنَا أَوْلَى بِكُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ نَفْسِهِ مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلأَهْلِهِ وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَإِلَى وَعَلَى " .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ্ (ভাষণ) দিতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হত এবং তাঁর রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেন: তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: আমি ও ক্বিয়ামাত এ দু'টির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যমা ও তর্জনী আঙুল মিলিয়ে দেখাতেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলতেন: অতঃপর উত্তম বাণী হল আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হল মুহাম্মাদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ'আত)। প্রতিটি বিদ'আত ভ্রষ্ট। তিনি আরো বলতেন—আমি প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي، حَازِمٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم .
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ - وَاللَّفظ لَهُ - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، عَنْ أبي حَازِمٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَهْلاً، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِإِصْبَعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَهُوَ يَقُولُ " بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ هَكَذَا ".
সাহল ইবনু সা'দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি দ্বারা ইঙ্গিত করে এ কথা বলতে শুনেছি যে, আমি ও কিয়ামত প্রেরিত হয়েছি এ দু'টির সদৃশ (কাছাকাছি সময়ে)।
يَحْيَى بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ أَبِي حَصِينٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةً عَنْ النَّبي صلى الله عليه وسلم قَالَ بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةُ كَهَاتَيْنِ يَعْنِي إِصْبَعَيْنِ
আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমাকে ও ক্বিয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু'টি (আঙ্গুলের) ন্যায়।
টিকাঃ
২. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৪।
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৪।
২. সহিহ মুসলিম, ১/১২৩-১৩৫/১৮৯০।
১. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৯৩।
২. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৬৫০৫।