📘 আল ফিতান ওয়াল মালাহিম > 📄 কিয়ামতের পূর্বে কতক আরব মুরতাদ হয়ে যাবে

📄 কিয়ামতের পূর্বে কতক আরব মুরতাদ হয়ে যাবে


أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ أَخْبَرَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَضْطَرِبَ أَلَيَاتُ نِسَاءِ دوسٍ عَلَى ذِي الْخَلَصَةِ وَذُو الْخَلَصَةِ طَاغِيَةُ دَوْسِ الَّتِي كَانُوا يَعْبُدُونَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ.

আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ 'যুল্বালাসাহ্' পাশে দাওাস্ গোত্রীয় মহিলাদের নিতম্ব দোলায়িত না হবে। 'ফুলখালাসাহ' হলো দাওাস্ গোত্রের একটি মূর্তি। জাহিলী যুগে তারা এর ইবাদাত করত।

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلِ الْجَحْدَرِيُّ، وَأَبُو مَعْنٍ زَيْدُ بْنُ يَزِيدَ الرَّقَاشِيُّ - وَاللَّفْظُ لِأَبِي مَعْنٍ - قالَا حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ الْعَلَاءِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : لا يَذْهَبُ اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ حَتَّى تُعْبَدَ اللَّاتُ وَالْعُزَّى " . فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَظُنُّ حِينَ أَنْزَلَ اللَّهُ { هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ أَنَّ ذَلِكَ تَامَّا قَالَ إِنَّهُ سَيَكُونُ مِنْ ذَلِكَ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ يَبْعَثُ اللَّهُ رِيحًا طَيِّبَةٌ فَتَوَفَّى كُلَّ مَنْ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ فَيَبْقَى مَنْ لا خَيْرَ فِيهِ فَيَرْجِعُونَ إِلَى دِينِ آبَائِهِمْ " .

আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন রাত্র ও দিন শেষ হবে না, যতক্ষণ না লাত ও উয্যা দেবতার পূজা আবার শুরু করা হয়। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম! পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন- "তিনিই তাঁর রাসূলকে পাঠিয়েছেন হিদায়াত ও সত্য দীনসহ, সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা পছন্দ করে না"- [সূরাহ্ আত তাওবাহ: ৩৩ ও আস-সাফ :৯] এ আয়াত নাযিলের পর আমি তো মনে করেছিলাম যে, এ প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ করা হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তা অবশ্যই হবে। তবে যতদিন আল্লাহ ইচ্ছা করবেন ততদিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। অতঃপর তিনি এক মনোরম বাতাস প্রেরণ করবেন। ফলে যাদের অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান আছে তাঁদের প্রত্যেকেই মৃত্যুবরণ করবে। পরিশেষে যাদের মাঝে কোন প্রকার কল্যাণ নেই তারাই শুধু বেঁচে থাকবে। অতঃপর তারা আবার পিতৃ-পুরুষদের (ধর্মের (শিরকের) দিকে ফিরে যাবে।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَامٍ، أَخْبَرَنَا الفَزَارِيُّ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: بَلَغَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلَامٍ مَقْدَمُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المَدِينَةَ فَأَتَاهُ، فَقَالَ: إِنِّي سَائِلُكَ عَنْ ثَلاثٍ لَا يَعْلَمُهُنَّ إِلَّا نَبِيٌّ قَالَ: مَا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ؟ وَمَا أَوَّلُ طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الْجَنَّةِ؟ وَمِنْ أَيِّ شَيْءٍ يَنْزِعُ الوَلَدُ إِلَى أَبِيهِ؟ وَمِنْ أَيِّ شَيْءٍ يَنْزِعُ إِلَى أَخْوَالِهِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبَّرَنِي بِهِنَّ آنِفًا جِبْرِيلُ قَالَ: فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ ذَاكَ عَدُوٌّ اليَهُودِ مِنَ المَلائِكَةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: . أَمَّا أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ فَنَارُ تَحْشُرُ النَّاسَ مِنَ المَشْرِقِ إِلَى المَغْرِبِ، وَأَمَّا أَوَّلُ طَعَامٍ يَأْكُلُهُ أَهْلُ الجَنَّةِ فَزِيَادَةُ كَبِدِ حُوتٍ، وَأَمَّا الشَّبَهُ فِي الوَلَدِ: فَإِنَّ الرَّجُلَ إِذَا غَشِيَ المَرْأَةَ فَسَبَقَهَا مَاؤُهُ كَانَ الشَّبَهُ لَهُ، وَإِذَا سَبَقَ مَاؤُهَا كَانَ الشَّبَهُ لَهَا " قَالَ: أَشْهَدُ أَنَّكَ رَسُولُ اللَّهِ، ثُمَّ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اليَهُودَ قَوْمُ بُهُتُ، إِنْ عَلِمُوا بِإِسْلَامِي قَبْلَ أَنْ تَسْأَلَهُمْ بهَتُونِي عِنْدَكَ، فَجَاءَتِ اليَهُودُ وَدَخَلَ عَبْدُ اللَّهِ البَيْتَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ رَجُلٍ فِيكُمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَامٍ، قَالُوا أَعْلَمُنَا، وَابْنُ أَعْلَمِنَا، وَأَخْبَرُنَا، وَابْنُ أَخْيَرِنَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَرَأَيْتُمْ إِنْ أَسْلَمَ عَبْدُ اللَّهِ» قَالُوا: أَعَادَهُ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ، فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ إِلَيْهِمْ فَقَالَ: أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، فَقَالُوا: شَرُّنَا، وَابْنُ شَرِّنَا، وَوَقَعُوا فِيهِ

আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু সালামের নিকট রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মদিনায় আগমনের খবর পৌঁছল, তখন তিনি তাঁর নিকট আসলেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি আপনাকে এমন তিনটি বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে চাই যার উত্তর নবি ব্যতীত আর কেউ জানে না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কিয়ামতের প্রথম নিদর্শন কী? আর সর্বপ্রথম খাবার কী, যা জান্নাতবাসী খাবে? আর কী কারণে সন্তান তার পিতার মত হয়? আর কী কারণে (কোন কোন সময়) তার মামাদের মত হয়? তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এই মাত্র জিবরাঈল ('আঃ) আমাকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন। রাবী বলেন, তখন 'আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু বললেন, সে তো ফেরশতাগণের মধ্যে ইয়াহুদীদের শত্রু। রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, কিয়ামতের প্রথম নিদর্শন হলো আগুন যা মানুষকে পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে তাড়িয়ে নিয়ে একত্রিত করবে। আর প্রথম খাবার যা জান্নাতবাসীরা খাবেন তা হলো মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। আর সন্তান সদৃশ হবার ব্যাপার এই যে পুরুষ যখন তার স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সঙ্গম করে তখন যদি পুরুষের বীর্য প্রথম স্খলিত হয় তবে সন্তান তার সাদৃশ হবে আর যখন স্ত্রীর বীর্য পুরুষের বীর্যের পূর্বে স্খলিত হয় তখন সন্তান তার সদৃশ হয়। তিনি বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি- নিঃসন্দেহে আপনি আল্লাহর রাসূল। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইয়াহুদীরা অপবাদ ও কুৎসা রটনাকারী সম্প্রদায়। আপনি তাদেরকে আমার সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করার পূর্বে তারা যদি আমার ইসলাম গ্রহণের বিষয় জেনে ফেলে, তাহলে তারা আপনার কাছে আমার কুৎসা রটনা করবে। অতঃপর ইয়াহুদীরা এলো এবং 'আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে 'আবদুল্লাহ ইবনু সালাম কেমন লোক? তারা বলল, তিনি আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তি এবং সবচেয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তির পুত্র। তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির পুত্র। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-যদি আবদুল্লাহ ইসলাম গ্রহণ করে, এতে তোমাদের অভিমত কি হবে? তারা বলল, এর থেকে আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুক। এমন সময় 'আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু তাদের সামনে বের হয়ে আসলেন এবং তিনি বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল। তখন তারা [কাফিররা] বলতে লাগল, সে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ লোক এবং সবচেয়ে খারাপ লোকের সন্তান এবং তারা তাঁর গীবত ও কুৎসা রটনায় লেগে গেল।

عن عمر بن الخطاب، رضي الله عنه ، قال " " بينما نحن جلوس عند رسول الله، صلى الله عليه وسلم ذات يوم إذ طلع علينا رجل شديد بياض الثياب ، شديد سواد الشعر، لا يرى عليه أثر السفر، ولا يعرفه منا أحد، حتى جلس إلى النبي ، صلى الله عليه وسلم ، فأسند ركبتيه إلى ركبتيه، ووضع كفيه على فخذيه وقال: يا محمد أخبرني عن الإسلام، فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم: الإسلام أن تشهد أن لا إله إلا الله ، وأن محمداً رسول الله وتقيم الصلاة، وتؤتي الزكاة ، وتصوم رمضان ، وتحج البيت إن استطعت إليه سبيلاً. قال صدقت. فعجبنا له يسأله ويصدقه قال : فأخبرني عن الإيمان. قال أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله، واليوم الآخر، وتؤمن بالقدر خيره وشره. قال صدقت. قال فأخبرني عن الإحسان . قال أن تعبد الله كأنك تراه؛ فإن لم تكن تراه فإنه يراك. قال: فأخبرني عن الساعة. قال: ما المسؤول عنها بأعلم من السائل. قال : فأخبرني عن أماراتها قال: أن تلد الأمة ربتها، وأن ترى الحفاة العراة العالة رعاء الشاء يتطالون في البنيان. ثم انطلق، فلبثت ملياً، ثم قال: يا عمر أتدري من السائل؟ قلت: الله ورسوله أعلم. قال: فإنه جبريل أتاكم يعلمكم أمر دينكم"

উমার ইবনু খাত্তাব রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, আমরা একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে বসে ছিলাম। হঠাৎ একটি লোক আমাদের কাছে এল। তার পরনে ধবধবে সাদা কাপড় এবং তার চুল কুচকুচে কাল ছিল। (বাহ্যতঃ) সফরের কোন চিহ্ন তার উপর দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনছিল না। শেষ পর্যন্ত সে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বসল; তার দুই হাঁটু তাঁর (নবির) হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে দিল এবং তার হাতের দুই করতলকে নিজ জানুর উপরে রেখে বলল, 'হে মুহাম্মাদ! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন।'
সুতরাং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন “ইসলাম হল এই যে, তুমি সাক্ষ্য দিবে, আল্লাহ ছাড়া কোন (সত্য) উপাস্য নেই, আর মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, নামায প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমযানের রোযা রাখবে এবং কা'বা ঘরের হজ্জ করবে; যদি সেখানে যাবার সঙ্গতি রাখ।" সে বলল, 'আপনি ঠিকই বলেছেন।' আমরা তার কথায় আশ্চর্য হলাম যে, সে জিজ্ঞাসাও করছে এবং ঠিক বলে সমর্থনও করছে। সে (আবার) বলল, 'আপনি আমাকে ঈমান সম্পর্কে 'বলুন।' তিনি বললেন, "তুমি আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলসমূহ, পরকাল এবং ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস রাখবে।" সে বলল, 'আপনি যথার্থ বলেছেন।'
সে (তৃতীয়) প্রশ্ন করল—'আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন! তিনি বললেন, "ইহসান হল এই যে, তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে; যেন তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ। যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও, তাহলে তিনি কিন্তু তোমাকে দেখতে পাচ্ছেন।" সে (পুনরায়) বলল, 'আপনি আমাকে কিয়ামতের দিন সম্পর্কে বলুন (সেদিন কবে সংঘটিত হবে?)' তিনি বললেন, "এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত (ব্যক্তি) জিজ্ঞাসাকারীর চেয়ে বেশী অবহিত নয়। (অর্থাৎ কিয়ামতের নির্দিষ্ট দিন আমাদের দু'জনেরই অজানা)।" সে বলল, '(তাহলে) আপনি ওর নিদর্শনসমূহ সম্পর্কে আমাকে বলে দিন।'

তিনি বললেন—"(ওর কিছু নিদর্শন হল এই যে,) কৃতদাসী তার মনিবকে প্রসব করবে (অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী এত বেশী হবে যে, যুদ্ধ বন্দিনী ক্রীতদাসী তার মনিবের কন্যা প্রসব করবে)। আর তুমি নগ্নপদ, বস্ত্রহীন ও দরিদ্র ছাগলের রাখালদেরকে অট্টালিকা নির্মাণের কাজে পরস্পর গর্ব করতে দেখবে।" অতঃপর সে (আগন্তুক প্রশ্নকারী) চলে গেল।

(উমার রাদিআল্লাহু আনহু বলেন,) 'আমি অনেকক্ষণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে থাকলাম।' পুনরায় তিনি বললেন "হে উমার! তুমি, কি জান যে, প্রশ্নকারী কে ছিল?" আমি বললাম, 'আল্লাহ ও তাঁর রাসূল বেশী জানেন।' তিনি বললেন, "ইনি জিব্রাঈল ছিলেন, তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিখানোর জন্য এসেছিলেন।"

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদিস ربتها ان تلد الأمة এর ব্যাখ্যা হলো, শেষ যুগে দাসীদের সম্মান ও প্রতিপত্তির চোখে দেখা হবে। ফলে বড় বড় লোকজন স্বাধীন-সম্ভ্রান্ত নারী বিয়ে না করে দাসীদের রাখবে। এজন্যই হাদিসে এ বলা হয়েছে। وان ترى الحفاة العراة العالة يتطاولون في البنيان
অর্থাৎ এ জাতীয় লোকগুলো হবে নেতৃস্থানীয়। তাদের সম্পদ, মান-সম্মান, প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। উঁচু দালান নির্মাণের প্রতিযোগিতাই তাদের অভ্যাস ও নিয়ম।

টিকাঃ
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৭১১৬।
২. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭১৯১।
৩. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৩৩২৯।
৪. সহিহ মুসলিম। এই হাদিসটি 'হাদিসে জিব্রাঈল' নামে পরিচিত।

📘 আল ফিতান ওয়াল মালাহিম > 📄 বদদীন ও চরিত্রহীন লোকদের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে

📄 বদদীন ও চরিত্রহীন লোকদের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে


কিয়ামতের একটি আলামত হচ্ছে, বদদীন ও চরিত্রহীন লোকদের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে। বিষয়টি এ হাদিসে গত হয়েছে--
لا تقوم الساعة حتى يكون أخظى الناس بالدنيا لكع بن لكع

📘 আল ফিতান ওয়াল মালাহিম > 📄 অযোগ্য ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা থাকবে

📄 অযোগ্য ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা থাকবে


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ، قَالَ حَدَّثَنَا فُلَيْحُ، ح وَحَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، حَدَثَنِي هِلَالُ بْنُ عَلِيَّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ بَيْنَمَا النبي صلى الله عليه وسلم في مَجْلِسٍ يُحَدِّثُ الْقَوْمَ جَاءَهُ أَعْرَابِي فَقَالَ مَتَى السَّاعَةُ فَمَضَى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُحَدِّثُ، فَقَالَ بَعْضُ الْقَوْمِ سَمِعَ مَا قَالَ، فَكَرِهَ مَا قَالَ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ bَلْ لَمْ يَسْمَعْ، حَتَّى إِذَا قَضَى حَدِيثَهُ قَالَ " أَيْنَ - أُرَاهُ - السّائِلُ عَنِ السّاعَةِ ". قَالَ هَا أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ " فَإِذَا ضُيِّعَتِ الأَمَانَةُ فَانْتَظِرِ السَّاعَةَ ". قَالَ كَيْفَ إِضَاعَتُهَا قَالَ إِذَا وُسِدَ الْأَمْرُ إِلَى غَيْرِ أَهْلِهِ فَانْتَظِرِ السَّاعَةَ ".

আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মজলিসে জনসম্মুখে কিছু আলোচনা করছিলেন। ইতোমধ্যে তাঁর নিকট জনৈক বেদুঈন এসে জিজ্ঞেস করল, 'কিয়ামত কখন সংঘটিত হবে?' আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর আলোচনায় রত থাকলেন। এতে কেউ কেউ বললেন-লোকটি যা বলেছে তিনি তা শুনেছেন কিন্তু তার কথা পছন্দ করেননি। আর কেউ কেউ বললেন বরং তিনি শুনতেই পাননি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলোচনা শেষে বললেন, 'ক্বিয়ামাত সম্পর্কে প্রশ্নকারী লোকটি কোথায়?' সে বলল, 'এই যে আমি, হে আল্লাহর রাসূল!' তিনি বললেন-যখন কোন অনুপযুক্ত ব্যক্তির উপর কোন কাজের দায়িত্ব দেয়া হয়, তখন তুমি কিয়ামতের অপেক্ষা করবে।

حَدَّثَنَا عَلَى بْنُ حُجر، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الوَاسِطِيُّ، عَنِ الْمُسْتَلِمِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ رُمَيْحِ الْجُذَامِي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا اتَّخِذَ الْفَيْءُ دُوَلًا وَالأَمَانَةُ مَغْنَمًا وَالزَّكَاةُ مَغْرَمًا وَتُعَلِّمَ لِغَيْرِ الدِّينِ وَأَطَاعَ الرَّجُلُ امْرَأَتُهُ وَعَقَ أُمَّهُ وَأَدْنَى صَدِيقَهُ وَأَقْصَى أَبَاهُ وَظَهَرَتِ الْأَصْوَاتُ فِي الْمَسَاجِدِ وَسَادَ الْقَبِيلَةَ فَاسِقُهُمْ وَكَانَ زَعِيمُ الْقَوْمِ أَرْذَلَهُمْ وَأُكْرِمَ الرَّجُلُ مَخَافَةَ شَرِّهِ وَظَهَرَتِ الْقَيْنَاتُ وَالْمَعَارِفُ وَشُرِبَتِ الْخُمُورُ وَلَعَنَ آخِرُ هَذِهِ الْأُمَّةِ أَوَّلَهَا فَلْيَرْتَقِبُوا عِنْدَ ذَلِكَ رِيحًا حَمْراءَ وَزَلْزَلَةً وَخَسْفًا وَمَسْخًا وَقَذْفًا وَآيَاتٍ تَتَابَعُ كَنِظَامٍ بَالٍ قُطِعَ سِلْكُهُ فَتَتَابَعَ .

আবু হুরাইরাহ রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন— যখন গনীমাতের (যুদ্ধলব্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে, আমানতের মাল লুটের মালে পরিণত হবে, যাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে, ধর্ম বিবর্জিত শিক্ষার প্রচলন হবে, পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে, বন্ধু-বান্ধবকে কাছে টেনে নিবে, কিন্তু পিতাকে দূরে ঠেলে দিবে, মসজিদে কলরব ও হট্টগোল করবে, পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে, নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে, কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে, গায়িকা- নর্তকী ও বাদ্য যন্ত্রের বিস্তার ঘটবে, মদপান করা হবে, এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববতী মনীষীদের অভিসাপ করবে, তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুঁতিরমালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুঁতি ঝরে পড়তে থাকে।

أخبرنا أبو عبد الله الحافظ وأبو زكريا بن أبي إسحاق قالا : حدثنا عبد الباقي بن قانع الحافظ حدثنا عبد الوارث بن إبراهيم العسكري، حدثنا سيف بن مسكين، حدثنا المبارك بن فضالة، عن الحسن، قال: خرجت في طلب العلم، فقدمت الكوفة فإذا أنا بعبد الله بن مسعود، فقلت: يا أبا عبد الرحمن هل للساعة من علم تعرف به فقال: سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال: "إن من

أشراط الساعة أن يكون الولد غليظاً والمطر قيظاً وتفشو الأسرار، ويصدق الكاذب، ويؤتمن الخائن، ويخون الأمين، ويسود كل قبيلة منافقوها وكل سوق فجارها، وتزخرف المحاريب، وتخرب القلوب، ويكتفي الرجال بالرجال والنساء بالنساء ويخرب عمران الدنيا، ويعمر خرابها، وتظهر الفتنة، وأكل الربا، وتظهر المعازف والكنوز، وتشرب الخمر، وتكثر الشرط، والغمازون، والهمازون

হাসান বসরী রাহিমাহুল্লাহ্ বলেন, আমি ইলম অন্বেষনে বেরিয়ে কুফা গমন করলাম। কুফা এসে আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ-এর সাক্ষাৎ পেলাম। তাঁর সমীপে আমি আরয করলাম, হে আবু আবদুর রহমান! কিয়ামতের কি কোনো আলামত আছে, যা দিয়ে কিয়ামতের আগমন বোঝা যাবে? তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কিয়ামতের আলামত হচ্ছে, বাচ্চা হবে মোটা, দৃষ্টি হবে ভারী, গোপন বিষয় প্রকাশ হয়ে পড়বে। মিথ্যাবাদীকে সত্যায়ন করা হবে, খেয়ানতকারীর কাছে আমানত রাখা হবে, আমানতদার ব্যক্তি খিয়ানত করবে, মুনাফিকেরা জাতির নেতৃত্ব দিবে। ফাযেকরা বাজার পরিচালনা করবে, মিহরাবগুলো জাঁকজমক করা হবে, অন্তরাসূমূহ মরে যাবে, পুরুষ পুরুষের সঙ্গে, নারী নারীর সঙ্গে সমকামিতায় লিপ্ত হবে। জনপদ বিরান হবে আর বিরান ভূমি আবাদ হবে, ফিতনা ও স্পর্দী লেনদেন প্রকাশ পাবে। বাদ্য-যন্ত্র প্রকাশ পাবে, মাদক সেবন বেড়ে যাবে।

টিকাঃ
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৫৯।
২. আবু ঈসা বলেন— এ অনুচ্ছেদে আলী রাযিআল্লাহু আনহু হতেও হাদিস বর্ণিত আছে, এ হাদিসটি গরিব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদিস জেনেছি। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২২১১। হাদিসের মান: দুর্বল হাদিস।
৩. ইমাম বায়হাকী রাহিমাহুল্লাহু বলেন, উক্ত সনদে দুর্বলতা আছে। তবে তার অধিকাংশ শব্দ অন্য সনদে বর্ণিত আছে। আমার মত হলো, এ পর্বের শুরুতে একটি পরিচ্ছেদ গত হয়েছে। শেষ যুগে যেসব মন্দ বিষয় প্রকাশ পাবে, সেসব নিয়ে তাতে আলোচনা হয়েছে। এ হাদিসের পক্ষে তাতে অনেকগুলো শাহেদ আছে।

📘 আল ফিতান ওয়াল মালাহিম > 📄 মানুষের মাঝে আমনতদারীতা নষ্ট হয়ে যাবে

📄 মানুষের মাঝে আমনতদারীতা নষ্ট হয়ে যাবে


مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ وَاصِلٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ وَأَحْسِبُهُ رَفَعَهُ قَالَ بَيْنَ يَدَيْ السَّاعَةِ أَيَّامُ الْهَرْجِ يَزُولُ فِيهَا الْعِلْمُ وَيَظْهَرُ فِيهَا الْجَهْلُ قَالَ أَبُو مُوسَى وَالْهَرْجُ الْقَتْلُ بِلِسَانِ الْحَبَشَةِ.

আবদুল্লাহ্ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তার সম্পর্কে আমার ধারণা, তিনি হাদিসটি নবি সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কিয়ামতের আগে হারজ অর্থাৎ হত্যার যুগ শুরু হবে। তখন ইল্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং মূর্খতা প্রকাশিত হয়ে পড়বে। আবু মূসা রাদিআল্লাহু আনহু বলেন, হাবশী ভাষায় 'হারজ' অর্থ (মানুষ) হত্যা।

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا أَبُو نَضْرَةَ الْعَبْدِيُّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تُكَلِّمَ السَّبَاعُ الإِنْسَ وَحَتَّى تُكَلِّمَ الرَّجُلَ عَذَبَهُ سَوْطِهِ وَشِرَاكَ نَعْلِهِ وَتُخْبِرَهُ فَخِذُهُ بِمَا أَحْدَثَ أَهْلُهُ مِنْ بَعْدِهِ "

আবু সাঈদ আল-খুদরি রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! কিয়ামাত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত না হিংস্র প্রাণী মানুষের সাথে কথা বলবে, যে পর্যন্ত না কারো চাবুকের মাথা এবং জুতার ফিতা তার সাথে কথা বলবে এবং তার উরুদেশ বলে দিবে তার অনুপস্থিতিতে তার পরিবার কি করেছে।

حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مَيْسَرَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي الرِّيَاحِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ، وَيَثْبُتَ الجَهْلُ، وَيُشْرَبَ الْخَمْرُ، وَيَظْهَرَ الزِّنَ

আনাস রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, কিয়ামাতের কিছু 'আলামত হল: 'ইল্ম হ্রাস পাবে, অজ্ঞতা প্রসারতা লাভ করবে, মদপানের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং যেনা ব্যভিচার বিস্তার লাভ করবে।

টিকাঃ
১. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৭০৬৬।
২. আবু ঈসা বলেন—আবু হুরাইরা রাযিআল্লাহু আনহু হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদিস বর্ণিত আছে। এ হাদিসটি হাসান সহিহ্ গরিব। কেননা, এ হাদিসটি আল-কাসিম ইবনুল ফাযলের রিওয়ায়াত ব্যতীত আমাদের জানা নেই। হাদিস বিশারদদের মতে আল-কাসিম ইবনুল ফাযল নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান ও আবদুর রাহমান ইবনু মাহদী তাঁকে সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) বর্ণনাকারী বলেছেন। [সুনানুত তিরমিজি, হাদিস নং ২১৮১।।
৩. সহিহুল বুখারি, হাদিস নং ৮০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00