📄 রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক আল্লাহর ওপর ঈমানের অধ্যায়টিতে কী বিশ্বাস করতে হবে আর কী বলতে হবে সেটাকে সুন্দরকরণ
সুতরাং বুদ্ধি-বিবেক ও দীনের দিক দিয়ে এটা অসম্ভব যে, ঐ উজ্জ্বল প্রদীপ(৬) যার মাধ্যমে আল্লাহ মানুষদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন করেছেন, তার সাথে সত্য সহকারে কিতাব নাযিল করেছেন; যাতে তিনি লোকদের মাঝে তাদের কৃত মতভেদসমূহের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। আর মানুষদেরকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন তাদের সকল দীনের বিষয়, যাতে তারা মতভেদ করেছে, সেটাকে তার প্রতি প্রেরিত কিতাব ও হিকমতের দিকে ফিরিয়ে দিতে। (৭) আর তিনি তো আল্লাহর পথের দিকে তাঁরই নির্দেশে বুঝেশুনে মানুষদেরকে দাওয়াত দেন। আর আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তাঁর ও তাঁর উম্মতের জন্য দীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন এবং তাদের প্রতি তাঁর নি'আমত পরিপূর্ণ করেছেন। এহেন অবস্থায় এটা অসম্ভব যে, তিনি আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তাঁর সম্পর্কে জানার বিষয়টিকে সন্দেহপূর্ণ, সাদৃশ্যপূর্ণ ও ভেজাল অবস্থায় রেখে যাবেন, আর আল্লাহর সুন্দর নাম ও উচ্চ গুণাবলির ক্ষেত্রে কোনটা ওয়াজিব৮), কোনটা জায়েয(৯) এবং কোনটা নিষিদ্ধ তা পার্থক্য করে দিবেন না। (১০)
টিকাঃ
০৬. আল্লাহ বলেন, "হে নবী! অবশ্যই আমরা আপনাকে পাঠিয়েছি সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর দিকে আহ্বানকারী ও উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।” [সূরা আল-আহযাব: ৪৫-৪৬] আয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সূর্যের সাথে তুলনা করে উজ্জ্বল প্রদীপ বলা হয়েছে; কারণ সারা দুনিয়া তাঁর দ্বারা আলোকিত হয়েছে, তাঁর শরী'আতের মাধ্যমে প্রদীপ্ত হয়েছে। ইতোপূর্বে তা কুফরীর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। [আশ-শিফা (১/৩১৯); ইবন কাসীর (৬/৪৩১)]
০৭. এটি ঈমানদারদের বৈশিষ্ট্য যে, তারা মতভেদ হলে আল্লাহর কিতাব ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ'র দিকে ফিরে আসে।
০৮. উদাহরণত পূর্ণতাজ্ঞাপক যাবতীয় গুণাবলি, যেমন: জীবন, জ্ঞান, ক্ষমতা ইত্যাদি।
০৯, উদাহরণত কর্মবাচক গুণাবলি। অর্থাৎ এগুলো সাব্যস্ত করা; কারণ এগুলোর কথা কুরআন ও সুন্নাহ'য় এসেছে, যেমন: আগমন করা, অবতরণ করা, উপরে উঠা।
১০, উদাহরণত ত্রুটিপূর্ণ অর্থ প্রদান করে এমনসব গুণাবলি, যেমন: তন্দ্রা, ঘুম, খাওয়া-দাওয়া, পান করা ইত্যাদি।
📄 মহান আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের মর্যাদা
আর দীনের ক্ষেত্রে যা উম্মতের জন্য উপকারী, তা যত ক্ষুদ্রই হোক তার সবই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে শিক্ষা দেয়ার বিষয়টি সাব্যস্ত হওয়ার পর এটা অসম্ভব যে, তিনি তাদেরকে এটা শিক্ষা দেননি যা তারা তাদের প্রভু, মাবুদ, বিশ্বজাহানের প্রভু সম্পর্কে মুখে বলবে এবং অন্তরে বিশ্বাস করবে। যার জ্ঞান হচ্ছে সকল জ্ঞানের শীর্ষে, যার ইবাদত হচ্ছে সবচেয়ে উন্নত উদ্দেশ্য, যার নিকট পৌঁছানোই হচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্য। বরং এটা নবীর দাওয়াতের সার এবং আসমানী রিসালাতের মাখন। সুতরাং যার অন্তরে সামান্য পরিমাণ ঈমান ও হিকমত আছে সে কীভাবে কল্পনা করতে পারে যে, রাসূল থেকে সকল বিষয়ের পরিপূর্ণ বিবরণ সংঘটিত হয়নি? অতঃপর যখন তার থেকে সেটা যথাযথভাবেই সুসম্পন্ন হয়েছে বলে সাব্যস্ত হলো, তাহলে এটা অসম্ভব যে, তাঁর শ্রেষ্ঠ উম্মত এবং উৎকৃষ্ট প্রজন্ম সাহাবায়ে কিরাম এ অধ্যায়ে অতিরিক্তকরণের মাধ্যমে বা ঘাটতিকরণের মাধ্যমে ত্রুটি করেছেন।
টিকাঃ
১৪. আহমাদ, আল-মুসনাদ, হাদীস নং ২১৩৬১; বাযযার, আল-মুসনাদ, হাদীস নং ৩৮৯৭; ত্বাবারানী, আল-কাবীর (২/১৫৫), নং ৩১৯২। তবে মুসনাদে আহমাদের শব্দ হচ্ছে, لَقَدْ تَرَكْنَا مُحَمَّدٌ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَمَا يُحَرِّكُ طَائِرٌ جَنَاحَيْهِ فِي السَّمَاءِ إِلَّا أَذْكَرَنَا مِنْهُ عِلْمًا "অবশ্যই আমাদেরকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে ছেড়ে গেছেন যে, আকাশে কোনো পাখি তার দু' ডানা মেলে উড়ছে সেটার ব্যাপারেও আমাদেরকে জ্ঞান প্রদান করেছেন।”
১৫. বুখারী, আল-জামে'উস সহীহ, হাদীস নং ৩১৯২। হাদীসটি সহীহ মুসলিমেও এসেছে, হাদীস নং ২৮৯১। উভয়ের শব্দ কাছাকাছি।
📄 সালাফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কিরাম ও তাদের সুন্দর অনুসারীদের পক্ষ থেকে দীনের মৌলিক নীতিমালা ও শাখা-প্রশাখাসমূহের বর্ণনায় ত্রুটি করা অপছন্দ
অতঃপর এটাও অসম্ভব যে, সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্মগুলো, যে প্রজন্মের প্রথমটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রেরণ করা হয়েছে (সাহাবায়ে কিরাম), তারপর যারা তাদের সাথে সম্পৃক্ত (তাবে'য়ীনে 'ইযাম), তারপর যারা তাদের সাথে সম্পৃক্ত (তাবে তাবেয়ীন), তারা এমন হবে যে, তারা এ ব্যাপারে স্পষ্ট সত্য কিছু জানবে না এবং বলবে না; কেননা এর বিপরীতে হয় তাদের না জানা ও না-বলা অথবা সত্যের বিপরীত বিশ্বাস করা ও বলা। আর উভয়টিই নিষিদ্ধ।
প্রথমটি এ কারণে নিষিদ্ধ যে, যার অন্তরে ইলমের জন্য সামান্য তলব ও স্পৃহা আছে বা ইবাদতের আগ্রহ আছে- এ বিষয়ে অনুসন্ধান করা, এটার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা এবং এ ব্যাপারে সত্যটা জানা তার সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য ও সর্বোচ্চ কাঙ্খিত বিষয় হবে। অর্থাৎ মহান রব্ব আল্লাহর ব্যাপারে কী বিশ্বাস থাকা উচিত, তবে রবের ধরণ বা তার গুণের স্বরূপ সম্পর্কে নয়। বস্তুত আল্লাহর ব্যাপারে জানার আগ্রহের চাইতে কোনো বিষয়ে জানার আগ্রহ কোনো বিশুদ্ধ আত্মার চাহিদা হতে পারে না।
আসলে এটি স্বভাবজাত জ্ঞাত বিষয়। শক্তিশালী চাহিদা বিদ্যমান থাকা অবস্থায় সে কীভাবে কল্পনা করতে পারে যে, সেই চাহিদা হতে ঐসব মহৎ ব্যক্তিবর্গ তাদের সমগ্র যুগব্যাপী পিছিয়ে ছিলেন। এটা সংগঠিত হতে পারে না তার মধ্যেও যে সৃষ্টির সেরা নির্বোধ, তাদের মধ্যে আল্লাহ থেকে অধিক বিমুখ, দুনিয়া অর্জনে বেশি বোকা এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে সবচেয়ে উদাসীন। তাহলে সালাফে সালেহীনের মধ্যে কীভাবে তা হতে পারে?
আর [দ্বিতীয়টি অর্থাৎ] তারা এ ব্যাপারে সত্যবিহীন বিষয়ে বিশ্বাসী ছিলেন বা তার প্রবক্তা ছিলেন, এটা কোনো মুসলিম বিশ্বাস করতে পারে না, আর না পারে ঐ সম্প্রদায়ের সম্পর্কে অবগত কোনো বুদ্ধিমান সেটা মেনে নিতে।
বস্তুত এ ব্যাপারে তাদের থেকে বর্ণিত কথা এ ব্যাপারে এতো বেশি যে, তা এ ফাতওয়া বা তার কয়েকগুণ কলেবরে লিপিবদ্ধ করা সম্ভব নয়। সেটা যে অনুসন্ধান ও খোঁজ করবে সেই জানতে পারবে।
টিকাঃ
১৬. অর্থাৎ আকীদাহ'র বিষয়ে সাধারণভাবে, আর বিশেষ করে আল্লাহর নাম ও গুণের অধ্যায়ে।
১৭. একটি হাদীসের দিকে ইঙ্গিত, যাতে ইসলামের প্রথম তিন প্রজন্মের প্রশংসা করা হয়েছে। তাদেরকে উত্তম প্রজন্ম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। বুখারী, আল-জামে'উস সহীহ, হাদীস নং ৩৬৫০; মুসলিম, আস-সহীহ, হাদীস নং ২৫৩৫। তিন উত্তম প্রজন্ম বলতে শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ'র মত হচ্ছে, সাহাবী, তাবে'য়ী, তাবে তাবেয়ীন উদ্দেশ্য। এ মতটি পোষণ করেছেন, নাওয়াওয়ী, আবুত তাইয়্যেব, হাফেয ইবন হাজার, ইবন বায রাহিমাহুমুল্লাহ। তবে তাবে'য়ী ও তাবে তাবে'য়ীদের ব্যাপারে অধিকাংশদের কথাই ধর্তব্য। বিস্তারিত দেখুন, সাখাওয়ীর আল-মাজমূ'উল মুগীস (২/৬৯৯); ইবনুল আসীর, আন-নিহায়াহ (৪/৫১); ইবন মানযূর, লিসানুল 'আরব (১৩/৩৩৩); নাওয়াওয়ী, শারহু মুসলিম (১৬/৮৫); ইবন হাজার, ফাতহুল বারী (৭/৫); আযীমাবাদী, আউনুল মা'বুদ (১২/৪১০); ইবন তাইমিয়্যাহ, মাজমু' ফাতাওয়া (১০/৩৫৭)।
১৮. অর্থাৎ আল্লাহর সত্তার ব্যাপারে, তাঁর নাম-গুণের ব্যাপারে, তাঁর কর্মের ব্যাপারে জানার বিষয়ে।
১৯. স্বভাবজাত বলে, আল্লাহ তা'আলা মানব মনে যে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দিয়ে তাকে সমৃদ্ধ করেছেন তা বুঝানো হয়েছে। আরবীতে তা ফিত্বরী জ্ঞান বলা হয়। কুরআন ও সুন্নাহ'য় এসেছে যে, আল্লাহ তা'আলা বান্দাকে এক প্রকার ফিত্বরী জ্ঞান দিয়েছেন, যার মাধ্যমে সে তার রব্বকে চিনতে পারে, যার মাধ্যমে ভালোকে ভালো আর মন্দকে মন্দ বুঝতে পারে। যদি তা বিভিন্ন কারণে তা পরিবর্তিত না হয়ে যায় তবে সেটা মানুষকে অনেক মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যার।
২০. অর্থাৎ সালাফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কিরাম ও তাদের সুন্দর অনুসারী উত্তম প্রজন্মসমূহের সৎ লোকগণ।
২১. অর্থাৎ সালাফে সালেহীন তথা সাহাবায়ে কিরাম ও তাদের সুন্দর অনুসারী উত্তম প্রজন্মসমূহের সৎ লোকগণ।
২২. অর্থাৎ আল্লাহর সত্তার ব্যাপারে, তাঁর নাম-গুণের ব্যাপারে, তাঁর কর্মের ব্যাপারে জানার বিষয়ে।
📄 সালাফে সালেহীনের নীতিই হচ্ছে অধিক নিরাপদ, অধিক জ্ঞানসমৃদ্ধ ও অধিক প্রজ্ঞাপূর্ণ
আর এটা জায়েয হতে পারে না যে, খালাফ বা পরবর্তীরা সালাফ বা পূর্ববর্তীদের থেকে বেশি অবগত, যেমনটি বলে থাকে পূর্ববর্তীদের মর্যাদা সম্পর্কে অনবহিত কোনো কোনো নির্বোধ। বরং সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল এবং তার প্রতি বিশ্বাসীদের সম্পর্কেও প্রকৃত অবগতি অর্জন করেনি; যখন সে বলে, পূর্ববর্তীদের পথ ও পদ্ধতি অধিক নিরাপদ, আর পরবর্তীদের পদ্ধতি অধিকতর বিজ্ঞ ও সুদৃঢ়।
টিকাঃ
২৩. খালাফ বলে সাধারণত আপেক্ষিকভাবে পরে আসা লোকদেরকে বুঝানো হয়। বিশেষ অর্থে কারও কারও মতে, যারা ইসলামের প্রথম তিন প্রজন্মের পরে এসেছে তাদেরকে বুঝানো হবে। আবার কখনও কখনও পরবর্তী যারাই প্রথম তিন প্রজন্মের মতামতের বিরোধিতা করবে তাদেরকে বুঝানো হয়ে থাকে।
২৪. সালাফ বলে সাধারণত আপেক্ষিকভাবে পূর্বসূরীদের বুঝানো হয়ে থাকে। বিশেষ অর্থে, প্রথম তিন প্রজন্মের লোকদেরকে সাধারণত বুঝানো হবে। অর্থাৎ সাহাবীগণের যুগ, তাবেয়ীদের যুগ ও তাবে তাবেয়ীনদের যুগ। আবার কারও কারও মতে এ শব্দটি কেবল সাহাবীগণের জন্য প্রযোজ্য। আবার গাযালীর মতে, কেবল সাহাবী ও তাবে'য়ীদের জন্য প্রযোজ্য। তবে প্রথম মতটি বেশি প্রচলিত। আবার কখনও কখনও যারাই সাহাবায়ে কিরামের মানহাজ বা পথ ও পন্থা অনুযায়ী চলবে তাদেরকে সালাফ বা সালাফী বলা হবে, যদিও তারা অনেক পরে আগমন করুন না কেন।
২৫. আশায়েরা ও মাতুরিদী সম্প্রদায় যখন দেখলো যে, আল্লাহ তা'আলার নাম, গুণ ও কর্ম সংক্রান্ত সালাফে সালেহীনের বক্তব্য তাদের নেতৃবর্গের বক্তব্যের বিপরীত, তখন তারা বলতে লাগলো, সালাফ বা পূর্ববর্তীদের বক্তব্য ছিল অধিক নিরাপত্তা বলয়ে, কিন্তু খালাফ বা পরবর্তীদের বক্তব্য হচ্ছে অধিক জ্ঞানমার্গের। এখানে শাইখুল ইসলাম বিভিন্নভাবে তাদের এ বক্তব্য খণ্ডন করছেন।
২৬. এ বক্তব্যটি সাধারণভাবে কালামশাস্ত্রবিদদের মধ্যে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। আশ'আরী, মাতুরিদীদের মধ্যে এটির প্রচলন বেশি। আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামা'আতের ইমামগণ যুগ যুগ ধরে এ মিথ্যা বক্তব্যের খণ্ডনে বক্তব্য দিয়েছেন এবং যারা এ সর্বনাশা মিথ্যা বক্তব্যটি বলেছে তাদের অজ্ঞতা ও ভ্রান্তি তুলে ধরেছেন। এ বক্তব্যটি আমরা দেখতে পাই ইবন হাজার এর নিকট, ফাতহুল বারী (১৩/৩৫২); অনুরূপ যাবীদীর নিকট, ইতহাফুস সাদাতিল মুত্তাকীন (২/১১২); বাইজুরীর নিকট, শারহু জাওহারাতিত তাওহীদ, পৃ. ৯১। বস্তুত আশ'আরী ও মাতুরিদীরা যখন দেখল যে, তাদের বক্তব্য সালাফে সালেহীনের নীতির বিরুদ্ধে যাচ্ছে তখনই তারা এ মিথ্যা বক্তব্যটি আবিষ্কারের মাধ্যমে নিজেদের বিনষ্ট পণ্য প্রচার-প্রসারে নেমে পড়ে।