📄 আল মাজিদ
‘আল মাজিদ’ বলা হয়, সম্মান, মর্যাদা, আভিজাত্য ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখরে অধিষ্ঠিত সত্তাকে। মহান আল্লাহর একটি নাম হলো, ‘আল মাজিদ’। কারণ তিনিই সর্বাধিক মর্যাদার অধিকারী। তিনিই সবচেয়ে সুন্দর গুণ ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তিনিই সর্বোচ্চ শ্রেষ্ঠত্বের আসনে সমাসীন। তাঁর দান-বদান্যতা, দয়া-মায়া অন্য যেকোনো সত্তা অপেক্ষা সর্বাধিক ব্যাপক ও বিস্তৃত。
একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো, আমরা উক্ত গুণ ও বৈশিষ্ট্যগুলো নিজের মাঝে ধারণ করার চেষ্টা করবো। কারণ, যার মাঝে দয়া-মায়া রয়েছে সে অবশ্যই অন্যের সঙ্গে কোমল আচরণ করে। অপরের জন্যে সে তখন কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে কুণ্ঠিত হয় না। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে সে তখন মনে করে- আমার ভাই, আমার পরিবারের সদস্য। কাজেই বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সে সবার সঙ্গে কোমল প্রীতিময় আচরণ করবে。
جئتكم من عند خير الناس আজ শ্রেষ্ঠ মানুষটির সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে
একদিনের ঘটনা। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরছিলেন। সঙ্গে ছিলেন সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম। পথিমধ্যে একটি উদ্যানে যাত্রা বিরতি হলো।...
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরাম থেকে খানিকটা দূরের একটি গাছের নিচে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি গাছের নিচে ঘুমিয়ে পড়লেন।....
হঠাৎ এক কাফের তরবারি হাতে নবীজির দিকে তেড়ে এলো। লোকটির উন্মত্ত হুঙ্কারে নবীজির ঘুম ভেঙে গেলো。
মাথার ওপর ঔদ্ধত তরবারী হাতে লোকটি তখন হুঙ্কার ছুড়ে বললো- 'তুমি কি আমাকে ভয় করো?'
প্রশান্তিমাখা কণ্ঠে নবীজি বললেন- 'না। এতোটুকুও ভয় পাই না।'
লোকটি তখন তীব্র ক্রোধের সঙ্গে বললো- 'কে তোমাকে আজ আমার হাত থেকে বাঁচাবে?'...
সুস্থির ও শান্ত-সৌম্য কণ্ঠে উত্তর দিয়েছিলেন- 'আল্লাহ।'...
সঙ্গে সঙ্গে লোকটির হাত থেকে তরবারী পড়ে গেলো。
নবীজি তখন তরবারীটি উঠিয়ে এনে লোকটির দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলেন- 'এখন তোমাকে আমার থেকে কে বাঁচাবে?'...
লোকটি ভয়ার্ত কণ্ঠে উত্তর করেছিলো- আপনার মহানুভবতা।...
নবীজি তখন লোকটির পথ ছেড়ে দিয়ে বলেছিলেন- 'যাও, তোমাকে ছেড়ে দেয়া হলো।...
মুক্তির আনন্দে লোকটি তখন গলা হেকে বললো- 'আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আর আপনি তাঁর রাসূল।'...
লোকটি তখন তার বাড়ির লোকদের কাছে ফিরে এসে বললো- 'আজ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষটির সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়েছে।'
📄 আস সামাদ
'আস সমাদ'-এর অর্থ হলো, এমন সত্তা যিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। সবাই তার মুখাপেক্ষী। এমন সত্তা একমাত্র আল্লাহ তা'আলা। কেননা শুধু তিনি-ই তাঁর সকল ইচ্ছে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম। তাঁর সিদ্ধান্ত প্রতিহত করার ক্ষমতা কারো নেই। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল সৃষ্টিজীবের যাবতীয় প্রয়োজন তিনি-ই পূরণ করেন। বিপদ থেকে উদ্ধার করার শক্তি একমাত্র তাঁরই রয়েছে। চিন্তা-পেরেশানি দূরভিত করার ক্ষমতাও আল্লাহর হাতে।
একজন মুসলমান যখন আল্লাহর ‘আস সামাদ’ নামের এ অর্থ তার বুকে লালন করবে সে তখন সজ্ঞানে বিশ্বাস করবে যে- ‘দু’আ-কামনা একমাত্র আল্লাহর কাছেই করতে হয়। সকল প্রয়োজন পূরণের জন্যে একমাত্র তাঁরই দ্বারস্থ হতে হয়। বিপদ থেকে পরিত্রাণ পেতে তাঁরই শরণাপন্ন হতে হয়। কেননা তিনিই একক অধিশ্বর। তাঁর নিকটেই সকল ক্ষমতা পুঞ্জীভূত।
গুহাবন্দি তিন যুবকের গল্প
ইতিহাসের পাতা থেকে তোমাদেরকে একটি সত্য ঘটনা শোনাচ্ছি। তিন যুবকের ঘটনা।...
একদিন তারা কোনো এক প্রয়োজনে কোথাও যাচ্ছিলো। তারা তখন ছিলো একটি জনমানবহীন রুক্ষ প্রান্তরে। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো। আশেপাশে কোনো বাড়ি-ঘর দেখতে না পেয়ে তারা বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে একটি পাহাড়ের গুহায় ঢুকে পড়লো। সেখানে বসে থেকে তারা বৃষ্টি থেমে যাওয়ার অপেক্ষা করতে লাগলো।...
হঠাৎ উপর থেকে একটি বিশাল পাথর গড়িয়ে এসে তাদের সেই গুহার প্রবেশ মুখের ওপর খসে পড়লো। পাথরটি ছিলো খুবই বড়। তারা তিনজন শরীরের সমস্ত শক্তি একত্র করে প্রকাণ্ড পাথরটিকে সরানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু নেয়ে-ঘেমে একাকার হয়েও তারা কিছুতেই সেটিকে স্থানচ্যুত করতে সমর্থ হলো না। এক পর্যায়ে তারা বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়ে বসে পড়লো。
তখন তাদের একজন প্রস্তাব করলো- 'আসো। আমরা এককাজ করি। আমরা প্রত্যেকে আমাদের জীবনের কোনো একটি বড় নেককাজের দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে দু'আ করি। হতে পারে, তার বদৌলতে তিনি আমাদেরকে জীবনের এই চরম বিপদ থেকে উদ্ধার করবেন।'
তখন প্রথম যুবক দু'আ করে বললো, 'হে আল্লাহ! আমি প্রতি রাতে আমার বাবা-মাকে দুধ বানিয়ে দিতাম। যথারীতি এক রাতে আমি দুধের পেয়ালা হাতে নিয়ে এসে দেখি, তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েছেন। তাঁদের গভীর ঘুম দেখে আমার জাগিয়ে তোলার ইচ্ছে হলো না। আমি তখন দুধের পেয়ালা হাতে নিয়ে সারা রাত তাঁদের জন্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম। প্রত্যুষে তাঁরা যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হন তখন আমি তাদের সামনে তা বাড়িয়ে দিই। হে আল্লাহ। আমার সেই নেক কাজটির উসীলায় আপনি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করুন।...
যুবকটির দু'আ শেষ হতেই দেখা গেলো, পাথরটি তার স্থান থেকে সামান্য সরে গেছে। একটি ফোকর বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু তা তাদের বেরিয়ে আসার জন্যে যথেষ্ট ছিলোনা。
দ্বিতীয় যুবকটি তখন হাত তুলে বললো- 'হে আল্লাহ! এক শ্রমিক আমার অধীনে কাজ করতো। একদিন সেই শ্রমিক লোকটি তার পারিশ্রমিক না নিয়েই চলে গেলো। আমি তখন তার সেই পারিশ্রমিকের টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করলাম। ব্যবসাটিতে আমি এতোটাই লাভবান হলাম যে, আমার হাতে প্রচুর অর্থ-কড়ি জমে গেলো।...
কয়েক বছর পর ওই শ্রমিক একদিন তার বকেয়া পারিশ্রমিক সংগ্রহ করতে হাজির হলো। আমি তখন তার হাতে সমস্ত অর্থ-কড়ি তুলে দিই।.... হে আল্লাহ! আমার সেই নেক কাজটির উসীলায় আপনি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করুন।...
যুবকটির দু'আ শেষ হতেই দেখা গেলো, পাথরটি তার স্থান থেকে আরেকটি সরে গেছে। পূর্বের ফোকরটি অপেক্ষাকৃত বড় হয়েছে। কিন্তু এটিও তাদের বেরিয়ে আসার জন্যে যথেষ্ট নয়。
তৃতীয় যুবক তখন হাত তুলে বললো- হে আল্লাহ! একবার অর্থাভাবে পড়ে এক রূপসী মেয়ে আমার কাছে এসেছিলো। মেয়েটির প্রতি আমি পূর্ব থেকেই আসক্ত ছিলাম। অর্থের লোভে সে আমার অবৈধ প্রস্তাবেও রাজি হয়েছিলো। কিন্তু সেদিন আমি শুধু তোমার ভয়ে গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকি।... হে আল্লাহ! আমার সেই নেক কাজটির উসীলায় আপনি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করুন।...
যুবকটির দু'আ শেষ হতেই দেখা গেলো, পাথরটি তার স্থান থেকে এতোটাই সরে গেছে যে, এখন অনায়াসে তারা সেখান থেকে বেরোতে পারবে।...
তিন যুবক তখন আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করে নিরাপদে গুহা থেকে বেরিয়ে এলো。
📄 আল ওয়াহেদ
‘আল ওয়াহেদ’ শব্দের অর্থ একক। আক্ষরিক ও বাস্তবিক উভয় অর্থে একমাত্র আল্লাহই একক। তাঁর কোনো দ্বিতীয় নেই। পৃথিবীর কেউ-ই তাঁর সমকক্ষ নয়। তিনি তাঁর সত্তার ক্ষেত্রে যেমন একক; তদ্রুপ তিনি তাঁর গুণাবলির ক্ষেত্রেও একক। পৃথিবীর কোনো কিছু যেমন তাঁর মত নয়; তদ্রুপ তিনিও কারো মত নন। পৃথিবীর অনুপম সৃষ্টিজগৎ সাক্ষ্য দেয় যে, তিনি তাঁর একক ক্ষমতা ও কুদরত দিয়ে সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি মহান ও পরাক্রমশালী। তিনি তাঁর একক শাসন ও ব্যবস্থাপনায় বিশ্বজগৎ পরিচালনা করছেন。
কাজেই একজন মুসলিম হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে, একমাত্র আল্লাহই সকল উপাসনার উপযুক্ত। তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। একমাত্র তিনি-ই সকলের আশ্রয়স্থল।...
আরো বিশ্বাস করি যে, তাঁর হাতেই সকল শক্তি ও ক্ষমতার উৎস।...
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও নমরুদ
আল্লাহর মহান পয়গম্বর হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের সঙ্গে তৎকালীন 'বাবেল' নগরীর রাজা নমরুদের যেই আলাপ হয়েছিলো, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ কুরআনে কারীমে উঠে এসেছে। নমরুদ ছিলো দোর্দণ্ড প্রতাপশালী অত্যাচারী শাসক।...
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম একত্মবাদের বার্তা নিয়ে রাজা নমরুদের রাজদরবারে আগমন করলেন। তিনি তাকে এক আল্লাহর কথা শোনালেন। আল্লাহর একত্মবাদের ওপর প্রমাণ দিয়ে বোঝালেন। তার কাছে প্রত্যয়ের সঙ্গে তুলে ধরলেন যে, এক আল্লাহ-ই সকল প্রাণীর জীবন-মৃত্যুর ফয়সালা করেন。
উত্তরে নমরুদ দু'পাশে মাথা ঝাকিয়ে বললো- উঁহু! আমার হাতেই মানুষের জীবন-মৃত্যুর ফয়সালা。
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম কপালে কুঞ্চন তুলে জিজ্ঞেস করলেন- কীভাবে?...
উত্তরে নমরুদ বললো- দেখতে চাও, আমি কী করি?...
এ কথা বলে সে দু'জন লোককে তার সামনে হাজির করার নির্দেশ দিলো। তন্মধ্য হতে একজনকে হত্যা করার নির্দেশ দিলো আর অপরজনকে ছেড়ে দিলো। এরপর বললো- দেখলে তো কীভাবে আমি একজনকে জীবন দিলাম আর আরেকজনকে মৃত্যু দিলাম?...
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তখন বললেন- তুমি যদি মানুষের জীবন-মৃত্যু দানের ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার দাবী করো, তাহলে এক কাজ করে দেখাও। আল্লাহ তা'আলা সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন। তুমি যদি প্রভু হওয়ার দাবী করো তাহলে ওই সূর্যটিকে পশ্চিমদিক থেকে উদিত করে দেখাও তো。
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের এই বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলের কাছে অত্যাচারী রাজা নমরুদ মার খেয়ে গেলো। তার মুখে আর কোনো কথা ফুটলো না। তাঁর চ্যালেঞ্জের জবাবে নমরুদের নির্বাক চোখে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিলো না।....
📄 আল ক্বদির
'আল ক্বদির' বলা হয় ওই সত্ত্বাকে যিনি নিরঙ্কুশ শক্তির অধিকারী। একমাত্র মহান আল্লাহই সকল ক্ষমতার অধিকারী হওয়ায় তাঁর অন্যতম একটি গুণবাচক নাম হলো, 'আল ক্বদির'। কেননা পৃথিবীর কোনো কিছুই তাঁকে অক্ষম করতে সক্ষম নয়। কেউ তার কোনো সিদ্ধান্ত প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখে না। তিনি প্রত্যেকের ওপর সমান শক্তিবান। আকাশ, যমিন সহ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যা কিছু রয়েছে; আপনি গভীর চোখে দেখলে বুঝবেন- সেগুলো মহান আল্লাহর সীমাহীন কুদরতের সাক্ষ্য দেয়。
একজন মুসলমান যখন তাঁর মা'বুদ আল্লাহকে 'আল ক্বদির' জ্ঞান করবে তখন সে ভাববে- আমি যদি জীবনের কোনো ক্ষেত্রে সেই মহাক্ষমতাবান আল্লাহর অবাধ্য হই তাহলে আমাকে তাঁর কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। যার ফলে সে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সর্বপ্রকার গুনাহ ও পদস্খলন থেকে নিজেকে সংবরণ করবে।...
তদ্রুপ সে কারো কাছ থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হলে নিজ থেকে প্রতিশোধ নেবে না। কেননা সে তখন বলবে- আমি এর প্রতিকার আল্লাহর কুদরতের মাধ্যমে নেবো।... শত্রুর বিরুদ্ধে আল্লাহ-ই সর্বশক্তিমান।
তুমি কি জানো?
তুমি কি জানো, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা'আলা তাঁর বিস্ময়সৃষ্টি উটকে কত ধরনের সক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?
– একটি উট পানি ছাড়াও কয়েক সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে。
– উটের চামড়া খুবই মোটা হয়ে থাকে। যার কারণে রুক্ষ মরুভূমির বিপদজনক মাত্রার উষ্ণ তাপদাহও তার কোনো ক্ষতি করতে পারে না। প্রচণ্ড গরমের মাঝেও উট নির্বিকার স্বাভাবিক থাকতে পারে。
- উটের পায়ের ক্ষুরগুলোকে আল্লাহ তা'আলা বিশেষভাবে কোমল তুলতুলে করে সৃষ্টি করেছেন। যার কারণে উট রুক্ষ বালুকাবেলা বা কণ্টকাকীর্ণ পথ অনায়াসেই অতিক্রম করতে পারে。
– উটের দুধের মূল্যমান গাভী-বকরির দুধের চেয়ে অনেক বেশি। রক্তশূন্যতা, পাকস্থলীর বিভিন্ন জটিলতা ইত্যকার রোগের চিকিৎসায় উটের দুধ কার্যকর ভূমিকা পালন করে。
– আল্লাহ তা'আলা উটের বহিরাঙ্গ এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে, তীব্র উষ্ণতাও তাকে কোনোভাবে কাবু করতে পারে না। তাইতো উটকে বলা হয়, 'মরুভূমির জাহাজ'।