📄 অনিষ্টের ভয়ে যাকে পরিহার করা হয় সে নিকৃষ্ট
৬৩৬-بَابُ شَرِّ النَّاسِ مَنْ يُتَّقَى شَرُّهُ
১৩২৪- عَنْ عَائِشَةَ اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ ائْذَنُوا لَهُ بِئْسَ أَخُو العَشِيْرَة فَلَمَّا دَخَلَ الآنَ لَهُ الكَلامَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قُلْتَ الَّذِي قُلْتَ ثُمَّ لِنْتَ الكَلَامَ قَالَ أَيْ عَائِشَةُ إِنَّ شَرَّ النَّاسِ مَنْ تَرَكَهُ النَّاسُ أَوْ وَدَعَهُ النَّاسُ اتَّقَاءَ فُحْشِهِ .
১৩২৪। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী (স)-এর সাক্ষাত প্রার্থনা করলো। তিনি বলেনঃ তাকে অনুমতি দাও, বংশের নিকৃষ্ট লোক। সে প্রবেশ করলে তিনি তার সাথে নম্র ব্যবহার করেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি যা মন্তব্য করার তো করলেন, অতঃপর নম্র ভাষায় কথা বললেন। তিনি বলেনঃ হে আয়েশা! যার অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার জন্য মানুষ তাকে ত্যাগ করে, সে নিকৃষ্ট লোক (বু, মু)।
📄 লজ্জাশীলতা
৬৩৭-بَابُ الْحَيَاءِ
১৩২৫- عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ الْحَيَاءُ لَا يَأْتِي إِلَّا بِخَيْرٍ فَقَالَ بَشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ مَكْتُوبٌ في الحكمة أنَّ مِنَ الحَيَاء وَقَارًا إِنَّ مِنَ الْحَيَاء سَكِينَةً فَقَالَ لَهُ عِمْرَانُ أَحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَتُحَدِّثُنِي عَنْ صَحِيفَتِكَ .
১৩২৫। ইমরান ইবনে হুসাইন (রা) বলেন, নবী (স) বলেছেন: লজ্জাশীলতা কল্যাণই বয়ে আনে। বাশীর ইবনে কাব (র) বলেন, প্রজ্ঞাপূর্ণ কথার মধ্যে লিপিবদ্ধ আছে, লজ্জাশীলতার মধ্যে রয়েছে গাম্ভীর্য, লজ্জাশীলতার মধ্যে রয়েছে প্রশান্তি। ইমরান (রা) তাকে বলেন, আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (স) থেকে হাদীস শুনাচ্ছি। আর তুমি তোমার কিতাব থেকে বর্ণনা করছো (বু, মু, তাবারানী)।
১৩২৬- عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّ الْحَيَاءَ وَالْإِيْمَانَ قَرْنًا جَمِيعًا فَإِذَا رُفِعَ أَحَدُهُمَا رَفَعَ الْآخَرُ.
১৩২৬। ইবনে উমার (রা) বলেন, লজ্জাশীলতা ও ঈমান সম্পূর্ণ একই প্রকৃতির। এদের একটি তুলে নেয়া হলে অপরটি দূরীভূত হয়ে যায় (হা)।
📄 যুলুম-নির্যাতন
৬৩৮-بَابُ الْجَفَاءِ
১৩২৭- عَنْ أَبِي بَكْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ الْحَيَاءُ مِنَ الْإِيْمَانِ وَالْإِيْمَانُ فِي الْجَنَّةِ والبَدَاء مِنَ الْجَفَاءِ وَالْجَفَاء فِي النَّارُ .
১৩২৭। আবু বাকরা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: লজ্জা-সম্ভ্রম ঈমানের অংগ, আর ঈমানের (মুমিনের) স্থান বেহেশতে। নির্লজ্জতা ও অসভ্যতা যুলুমের অংগ, আর যুলুমের (যালেমের) স্থান হলো দোযখে (তি, ই, তাহা, হা, হি)।
১৩২৮- عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ ضَخَمُ الرَّأْسِ عَظِيمُ الْعَيْنَيْنِ إِذَا مَشَى تَكَفَّا كَأَنَّمَا يَمْشِي فِي صُعُدِ إِذَا الْتَفَتَ الْتَفَتَ جَمِيعًا .
১৩২৮। মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হানাফিয়্যা (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী (স) ছিলেন হৃষ্টপুষ্ট মাথাবিশিষ্ট এবং ডাগর চোখবিশিষ্ট। তিনি সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতেন, যেন তিনি উচ্চ স্থানে আরোহণ করছেন। তিনি কারো প্রতি দৃষ্টিপাত করলে পূর্ণদেহে সেদিকে ফিরতেন (আ ৬৮৪, তি, শা)।
📄 তোমার লজ্জা-শরম না থাকলে যাচ্ছে তাই করতে পারো
৬৩৯-بَابُ إِذَا لَمْ تَسْتَحْيِ فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ
১৩২৯- عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى إِذا لَمْ تَسْتَحْى فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ .
১৩২৯। আবু মাসউদ (রা) বলেন, নবী (স) বলেছেন: পূর্বকালের নবীগণের বাণীসমূহের মধ্যে মানুষ যেটি লাভ করেছে তা হলো, “তোমার যদি লজ্জাই না থাকে তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারো” (বু)।