📄 কবুতরের বাজি ধরা
৬১১-بَابُ قِمَارِ الْحُمَامِ
১২৭৫- عَنْ حُصَيْنِ بْنِ مُصْعَب أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ لَهُ رَجُلٌ إِنَّا نَتَرَاهُنَّ بِالْحُمَامَيْنِ فَنَكْرَهُ أَنْ نَّجْعَلَ بَيْنَهُمَا مُحَلَّلاً تَخُوفَ أَنْ يُذْهَبَ بِهِ الْمُحَلَّلُ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ ذَلِكَ مِنْ فِعْلِ الصَّبْيَانِ وَتُوشِكُونَ أَنْ تَتْرَكُوهُ
১২৭৫। হুসাইন ইবনে মুসআব (র) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রা)-কে বললো, আমরা দু'টি কবুতরের বাজিতে শর্ত লাগাই এবং তৃতীয় ব্যক্তিকে সালিশ মানা অপছন্দ করি। এজন্য যে, পাছে সে-ই তা (বাজির জিনিস) হস্তগত করে নিয়ে যায় কিনা। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, এটা তো শিশুসুলভ কাজ। অবশ্যই তোমরা তা ত্যাগ করবে।
📄 নারীদের জন্তুযানে হুদী (উট চালনার) গান সংগীত
৬১২-بَابُ الْحُدَاء لِلنِّسَاءِ
১২৭৬- عَنْ أَنَسٍ أَنَّ الْبَرَاءَ بْنَ مَالِكِ كَانَ يَحْدُو بِالرِّجَالِ وَكَانَ أَنْجَشَةُ يَحْدُو بِالنِّسَاءِ وَكَانَ حَسَنُ الصُّوْتِ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ يَا أَنْجَشَةُ رُوَيْدَكَ سُوْقَكَ بِالْقَوَارِيرِ .
১২৭৬। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। বারাআ ইবনে মালেক (রা) পুরুষ যাত্রীদের হুদী গান শুনাতেন এবং আনজাশা মহিলা যাত্রীদের বাহন হুদী গান গেয়ে চালাতেন। তার কণ্ঠস্বর ছিল সুমধুর। নবী (স) বলেনঃ হে আনজাশা! ধীরে চালাও। তোমার যে কাঁচের চালান (বু, মু, না, তায়ালিসী)।
৬১৩-بَابُ الْغَنَاء
১২৭৭- عَنِ ابْنِ عَبَّاسِ فِي قَوْلِهِ عَزَّ وَجَلَّ وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الحديث قَالَ الْغَنَاءُ وَأَشْبَاهُهُ
১২৭৭। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি মহামহিম আল্লাহ্ বাণী: "কতক লোক ক্রীড়া-কৌতুকের কথাবার্তা ক্রয় করে" (৩১:৬) সম্পর্কে বলেন, এর অর্থ গান-বাজনা ও অনুরূপ জিনিস (তাবারী)
১২৭৮- عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَفْسُوا السَّلَامَ تَسْلِمُوا وَالْأَشَرَةُ شَرِّ قَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ الْأَشَرَةُ الْعَبْثُ.
১২৭৮। বারাআ ইবনে আযেব (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, শান্তিতে থাকবে। অসার কথাবার্তায় লিপ্ত হওয়া ক্ষতিকর (ইলা)।
📄 যে ব্যক্তি দাবা খেলায় লিপ্তদের সালাম দেয়নি
৬১৪-بَابُ مَنْ لَّمْ يُسَلِّمْ عَلَى أَصْحَابِ النَّرْدِ
১২৮০- عَنِ الْفُضَيْلِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ عَلَى إِذَا خَرَجَ مِنْ بَابِ الْقَصْرِ فَرَأَى أَصْحَابَ النَّرْدِ انْطَلَقَ بِهِمْ فَعَقَلَهُمْ مِّنْ عُدْوَةٍ إِلَى اللَّيْلِ فَمِنْهُمْ مَنْ يَعْقِلُ إِلَى نصف النَّهَارِ قَالَ وَكَانَ الَّذِي يَعْمَلُ إِلَى اللَّيْلِ الَّذِينَ يُعَامِلُونَ بِالْوَرَقِ وَكَانَ الَّذِي يَعْقِلُ إِلى نِصْفِ النَّهَارِ الَّذِينَ يَلْهُونَ بِهَا وَكَانَ يَأْمُرُ أَنْ لَا يُسَلِّمُوا عَلَيْهِمْ .
১২৮০। ফুদাইল ইবনে মুসলিম (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রা) বাবুল কাসর থেকে বের হলে তিনি দাবা খেলোয়াড়দের দেখতে পান। তিনি তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত আটক রাখেন। তাদের মধ্যে কতককে তিনি দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। রাবী বলেন, যারা অর্থের আদান-প্রদানের ভিত্তিতে খেলেছিল, তিনি তাদের রাত পর্যন্ত আটক রাখেন, আর যারা এমনি খেলেছিল তাদেরকে দুপুর পর্যন্ত আটক রাখেন। তিনি নির্দেশ দিতেন, লোকজন যেন তাদেরকে সালাম না দেয়।
📄 দাবা খেলোয়াড়ের পাপ
৬১৫-بَابُ إِثْمِ مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ
১২৮১- عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِى أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ
১২৮১। আবু মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ যে ব্যক্তি দাবা খেললো সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলো (দা, ই, আ, দার, হা, হি)।
১২৮২- عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِيَّاكُمْ وَهَاتَيْنِ الْكَعْبَتَيْنِ الْمَوْسُوْمَتَيْنِ اللَّتَيْنِ تُرْجَرَانِ زَجْرًا فَإِنَّهُمَا مِنَ الْمَيْسِرِ .
১২৮২। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বলেন, সাবধান! তোমরা এই চতুর্ভুজ টুকরাদ্বয় পরিহার করো, যা নিক্ষেপ করা হয়। কারণ এই দু'টি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত (আ ৪২৬৩)।
১২৮৩- عَنْ أَبِي بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدَشِيْرِ فَكَأَنَّمَا صَبَغَ يَدَهُ فِي لِحْمِ خِنْزِيرٍ وَدَمِهِ.
১২৮৩। আবু বুরায়দা (র) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী (স) বলেন: যে ব্যক্তি দাবা খেললো সে যেন তার হাত শূকরের গোশত ও রক্তে রঞ্জিত করলো (মু, দা, ই, মা)।
১২৮৪- عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدِ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ
১২৮৪। আবু মূসা আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: যে ব্যক্তি দাবা খেললো সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলো (দা, ই, আ, দার, হা, হি)।