📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 বড়োদের খতনা করানো

📄 বড়োদের খতনা করানো


٦٠١-بَابُ الْخِتَانِ لِلْكَبِيرِ
১২৬২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ الله وَهُوَ ابْنُ عِشْرِينَ وَمِائَةٍ ثُمَّ عَاشَ بَعْدَ ذَلِكَ ثَمَانِينَ سَنَةً قَالَ سَعِيدٌ إِبْرَاهِيمُ أَوَّلُ مَنْ اخْتَتَنَ أَوَّلُ مَنْ أَضَافَ وَأَوَّلُ مَنْ قَصَّ الشَّارِبَ وَأَوَّلُ مَنْ قَصَّ الظُّفَرَ وَأَوَّلُ مَنْ شَابٌ فَقَالَ يَا رَبِّ مَا هُذَا قَالَ وَقَارٌ قَالَ يَا رَبِّ زِدْنِي وَقَارًا .
১২৬২। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ইবরাহীম (আ) এক শত বিশ বছর বয়সে খতনা করেন। অতঃপর তিনি আশি বছর জীবিত ছিলেন। সাঈদ (র) বলেন, ইবরাহীম (আ) সর্বপ্রথম খতনা করেন, সর্বপ্রথম মেহমানদারি করেন, সর্বপ্রথম গোঁফ খাটো করেন, সর্বপ্রথম নখ কাটেন এবং সর্বপ্রথম তার চুলে পাক ধরে। তিনি বলেন, হে প্রভু! এটা কি? আল্লাহ বলেন, গাম্ভীর্য। তিনি বলেন, হে প্রভু! আমার গাম্ভীর্য বৃদ্ধি করো (আ, হি)।
১২৬৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ النَّبِيُّ ﷺ وَهُوَ ابْنُ ثَمَانِينَ سَنَةً بِالْقَدُومِ .
১২৬৩। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ইবরাহীম (আ) আশি বছর বয়সে কাদূম নামক স্থানে খতনা করেন (বু, মু)।
১২৬৪- عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ الْخِتَانِ فَقَالَ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ .
১২৬৪। সাঈদ ইবনে জুবাইর (র) বলেন, ইতনা সম্পর্কে ইবনে আব্বাস (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেন, পুরুষদের জন্য তা সুন্নাত এবং নারীদের জন্য তা সম্মান (আহমাদ)।
১২৬৫- عَنْ أَبِي قِرْصَافَةَ الْكِنَانِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ وَكَانَ إِمَامَنَا أَرْبَعِينَ سَنَةً فِي هَذَا الْمَسْجِدِ مَسْجِدِ قَبَاءٍ قَالَ دَعَانِي أَبِي يَوْمًا وَكَانَ صَائِمًا فَأَفْطَرَ وَأَتَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ فَقَالَ لَهُ أَبُو قِرْصَافَةَ أَتُحِبُّ أَنْ أُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ نَعَمْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ الْخِتَانُ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَقُلْتُ لِأَبِي قِرْصَافَةَ أَتُحَدِّثُنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَأَنْتَ صَائِمٌ فَقَالَ لِي أَبُو قِرْصَافَةَ لَوْ كُنْتُ صَائِمًا مَا حَدَّثْتُكَ .
১২৬৫। আবু কিরসাফা আল-কিনানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন এবং এই মসজিদে অর্থাৎ কুবায় চল্লিশ বছর যাবত আমাদের ইমামতি করেন। তিনি বলেন, একদিন আমার পিতা আমাকে দাওয়াত দিলেন। তিনি রোযাদার ছিলেন, তবুও রোযা ভাঙলেন। ইবরাহীম ইবনে আবু ইবলা (র) তার নিকট আসলেন। আবু কিরসাফা (রা) তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর একটি হাদীস বর্ণনা করবো না? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: খতনা পুরুষদের জন্য সুন্নাত এবং নারীদের জন্য সম্মান। ইবরাহীম (র) বলেন, আমি আবু কিরসাফা (রা)-কে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীস বর্ণনা করছেন, অথচ আপনি রোযাদার? আবু কিরসাফা (রা) বলেন, আমি রোযাদার থাকলে তোমাকে হাদীস বর্ণনা করতাম না। অধস্তন রাবী বলেন, আবু কিরসাফা (রা) রোযাদার হওয়ায় আহার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইয়াহইয়া বলেন, চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে কিনানা গোত্রীয় আবু কিরসাফা (রা) ডাকনামের নবী (স)-এর একজন সাহাবী আমাদের ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার পিতার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তিনি তাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল তার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাংলেন। ইবরাহীম (র) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে তার চাদরখানা উপঢৌকন দেন এবং মুসাও রোযা ভাংগেন। ইমাম বুখারী (র) বলেন, আবু কিরসাফা (রা)-র নাম জানদারা ইবনে খায়শানা।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 শিশুর জন্মগ্রহণ উপলক্ষে দাওয়াত

📄 শিশুর জন্মগ্রহণ উপলক্ষে দাওয়াত


٦٠٢-بَابُ الدَّعْوَةِ فِي الْوِلَادَةِ
১২৬৫- عَنْ أَبِي قِرْصَافَةَ الْكِنَانِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ وَكَانَ إِمَامَنَا أَرْبَعِينَ سَنَةً فِي هَذَا الْمَسْجِدِ مَسْجِدِ قَبَاءٍ قَالَ دَعَانِي أَبِي يَوْمًا وَكَانَ صَائِمًا فَأَفْطَرَ وَأَتَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ فَقَالَ لَهُ أَبُو قِرْصَافَةَ أَتُحِبُّ أَنْ أُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ نَعَمْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ الْخِتَانُ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَقُلْتُ لِأَبِي قِرْصَافَةَ أَتُحَدِّثُنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَأَنْتَ صَائِمٌ فَقَالَ لِي أَبُو قِرْصَافَةَ لَوْ كُنْتُ صَائِمًا مَا حَدَّثْتُكَ .
১২৬৫। আবু কিরসাফা আল-কিনানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন এবং এই মসজিদে অর্থাৎ কুবায় চল্লিশ বছর যাবত আমাদের ইমামতি করেন। তিনি বলেন, একদিন আমার পিতা আমাকে দাওয়াত দিলেন। তিনি রোযাদার ছিলেন, তবুও রোযা ভাঙলেন। ইবরাহীম ইবনে আবু ইবলা (র) তার নিকট আসলেন। আবু কিরসাফা (রা) তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর একটি হাদীস বর্ণনা করবো না? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: খতনা পুরুষদের জন্য সুন্নাত এবং নারীদের জন্য সম্মান। ইবরাহীম (র) বলেন, আমি আবু কিরসাফা (রা)-কে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীস বর্ণনা করছেন, অথচ আপনি রোযাদার? আবু কিরসাফা (রা) বলেন, আমি রোযাদার থাকলে তোমাকে হাদীস বর্ণনা করতাম না। অধস্তন রাবী বলেন, আবু কিরসাফা (রা) রোযাদার হওয়ায় আহার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইয়াহইয়া বলেন, চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে কিনানা গোত্রীয় আবু কিরসাফা (রা) ডাকনামের নবী (স)-এর একজন সাহাবী আমাদের ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার পিতার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তিনি তাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল তার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাংলেন। ইবরাহীম (র) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে তার চাদরখানা উপঢৌকন দেন এবং মুসাও রোযা ভাংগেন। ইমাম বুখারী (র) বলেন, আবু কিরসাফা (রা)-র নাম জানদারা ইবনে খায়শানা।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 শিশুকে মিষ্টিমুখ (তাহনীক) করানো

📄 শিশুকে মিষ্টিমুখ (তাহনীক) করানো


৬০৩-بَابُ تَحْنِيكِ الصَّبِيِّ
১২৬৬- عَنْ أَنَسٍ قَالَ ذَهَبْتُ بِعَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ يَوْمَ وُلِدَ وَالنَّبِيُّ اللهُ فِي عَبَاءَةٍ يَهْنَا بَعِيرًا لَهُ فَقَالَ مَعَكَ تَمَرَاتٌ قُلْتُ نَعَمْ فَنَاوَلَتُهُ تُمَرَاتِ فَلاَكَهُنَّ ثُمَّ فَغَرَنَا الصَّبِيُّ وَأَوْجَرَهُنَّ إِيَّاهُ فَتَلَمُظَ الصَّبِيُّ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ حِبُّ الْأَنْصَارِ التَّمْرُ وَسَمَّاهُ عَبْدَ الله .
১২৬৬। আনাস (রা) বলেন, আবু তালহা (রা)-র পুত্র আবদুল্লাহ যেদিন জন্মগ্রহণ করে সেদিন আমি তাকে নিয়ে নবী (স)-এর নিকট গেলাম। নবী (স) তখন আবা পরিহিত অবস্থায় তাঁর একটি উটের শরীর মালিশ করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন: তোমার সাথে খেজুর আছে কি? আমি বললাম, হাঁ। আমি কয়েকটি খেজুর তাঁকে দিলাম। তিনি সেগুলো তাঁর মুখে ভরে চিবালেন, অতঃপর শিশুর মুখ ফাঁক করে তা তার মুখে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগলো। তখন নবী (স) বলেন: খেজুর হলো আনসারদের প্রিয়। তিনি তার নাম রাখেন আবদুল্লাহ (বু, মু, দা, ই)।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য দোয়া করা

📄 সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্য দোয়া করা


٦٠٤-بَابُ الدَّعَاء في الولادة
১২৬৭- عَنْ مُعَاوِيَةَ ابْنِ قُرَّةَ يَقُولُ لَمَّا وُلِدَ لِى إِيَاسٌ دَعَوْتُ نَفَرًا مِّنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ فَأَطْعَمْتُهُمْ فَدَعَوا فَقُلْتُ إِنَّكُمْ قَدْ دَعَوْتُمْ فَبَارَكَ اللَّهُ لَكُمْ فِيْمَا دَعَوْتُمْ وَإِنِّي إِنْ أَدْعُوا بِدُعَاءِ فَآمَنُوا قَالَ فَدَعَوْتُ لَهُ بِدُعَاء كَثِيرٌ فِي دِينِهِ وَعَقْلِهِ وَكَذَا قَالَ فَإِنِّي لَا تَعَرَّفُ فِيْهِ دُعَاءَ يَوْمَئِذٍ .
১২৬৭। মুআবিয়া ইবনে কুররা (র) বলেন, আমার সন্তান ইয়াস জন্মগ্রহণ করলে আমি নবী (স)-এর একদল সাহাবীকে দাওয়াত করে আহার করাই। তারা দোয়া করলেন। আমি বললাম, আপনারা দোয়া করেছেন। আল্লাহ আপনাদের দোয়ার উসীলায় আপনাদের বরকত দান করুন। আমিও এখন কতগুলো দোয়া করবো এবং আপনারা আমীন বলবেন। রাবী বলেন, আমি তার দীনদারি, জ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ে তার জন্য অনেক দোয়া করলাম। রাবী বলেন, আমি সেদিনের দোয়ার প্রভাব লক্ষ্য করছি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00