📄 বাঁদীর খতনা করানো
٦٠٠-بَابُ ختان الاماء
১২৬১- عَنْ أُمِّ الْمُهَاجِرِ قَالَتْ سُبِيْتُ وَجَوَارِي مِنَ الرُّوْمِ فَعَرَضَ عَلَيْنَا عُثْمَانُ الْإِسْلَامَ فَلَمْ يُسْلِمْ مِّنَا غَيْرِي وَغَيْرِ أُخْرَى فَقَالَ أَخْفَضُوهُمَا وَطَهِّرُوهُمَا فَكُنْتُ أَخْدُمُ عُثْمَانَ .
১২৬১। উম্মুল মুহাজির (র) বলেন, আমি রূম এলাকায় যুদ্ধবন্দিনী হই। উসমান (রা) আমাদের ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দেন। আমাদের মধ্যে আমি এবং অপর একজন ব্যতীত কেউ ইসলাম গ্রহণ করেনি। উসমান (রা) বলেন, এই দুই নারীর খতনা করাও এবং তাদের পবিত্র করো। আমি উসমান (রা)-র খেদমত করতাম।
📄 বড়োদের খতনা করানো
٦٠١-بَابُ الْخِتَانِ لِلْكَبِيرِ
১২৬২- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ الله وَهُوَ ابْنُ عِشْرِينَ وَمِائَةٍ ثُمَّ عَاشَ بَعْدَ ذَلِكَ ثَمَانِينَ سَنَةً قَالَ سَعِيدٌ إِبْرَاهِيمُ أَوَّلُ مَنْ اخْتَتَنَ أَوَّلُ مَنْ أَضَافَ وَأَوَّلُ مَنْ قَصَّ الشَّارِبَ وَأَوَّلُ مَنْ قَصَّ الظُّفَرَ وَأَوَّلُ مَنْ شَابٌ فَقَالَ يَا رَبِّ مَا هُذَا قَالَ وَقَارٌ قَالَ يَا رَبِّ زِدْنِي وَقَارًا .
১২৬২। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ইবরাহীম (আ) এক শত বিশ বছর বয়সে খতনা করেন। অতঃপর তিনি আশি বছর জীবিত ছিলেন। সাঈদ (র) বলেন, ইবরাহীম (আ) সর্বপ্রথম খতনা করেন, সর্বপ্রথম মেহমানদারি করেন, সর্বপ্রথম গোঁফ খাটো করেন, সর্বপ্রথম নখ কাটেন এবং সর্বপ্রথম তার চুলে পাক ধরে। তিনি বলেন, হে প্রভু! এটা কি? আল্লাহ বলেন, গাম্ভীর্য। তিনি বলেন, হে প্রভু! আমার গাম্ভীর্য বৃদ্ধি করো (আ, হি)।
১২৬৩- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ اخْتَتَنَ إِبْرَاهِيمُ النَّبِيُّ ﷺ وَهُوَ ابْنُ ثَمَانِينَ سَنَةً بِالْقَدُومِ .
১২৬৩। আবু হুরায়রা (রা) বলেন, ইবরাহীম (আ) আশি বছর বয়সে কাদূম নামক স্থানে খতনা করেন (বু, মু)।
১২৬৪- عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ الْخِتَانِ فَقَالَ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ .
১২৬৪। সাঈদ ইবনে জুবাইর (র) বলেন, ইতনা সম্পর্কে ইবনে আব্বাস (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেন, পুরুষদের জন্য তা সুন্নাত এবং নারীদের জন্য তা সম্মান (আহমাদ)।
১২৬৫- عَنْ أَبِي قِرْصَافَةَ الْكِنَانِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ وَكَانَ إِمَامَنَا أَرْبَعِينَ سَنَةً فِي هَذَا الْمَسْجِدِ مَسْجِدِ قَبَاءٍ قَالَ دَعَانِي أَبِي يَوْمًا وَكَانَ صَائِمًا فَأَفْطَرَ وَأَتَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ فَقَالَ لَهُ أَبُو قِرْصَافَةَ أَتُحِبُّ أَنْ أُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ نَعَمْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ الْخِتَانُ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَقُلْتُ لِأَبِي قِرْصَافَةَ أَتُحَدِّثُنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَأَنْتَ صَائِمٌ فَقَالَ لِي أَبُو قِرْصَافَةَ لَوْ كُنْتُ صَائِمًا مَا حَدَّثْتُكَ .
১২৬৫। আবু কিরসাফা আল-কিনানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন এবং এই মসজিদে অর্থাৎ কুবায় চল্লিশ বছর যাবত আমাদের ইমামতি করেন। তিনি বলেন, একদিন আমার পিতা আমাকে দাওয়াত দিলেন। তিনি রোযাদার ছিলেন, তবুও রোযা ভাঙলেন। ইবরাহীম ইবনে আবু ইবলা (র) তার নিকট আসলেন। আবু কিরসাফা (রা) তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর একটি হাদীস বর্ণনা করবো না? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: খতনা পুরুষদের জন্য সুন্নাত এবং নারীদের জন্য সম্মান। ইবরাহীম (র) বলেন, আমি আবু কিরসাফা (রা)-কে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীস বর্ণনা করছেন, অথচ আপনি রোযাদার? আবু কিরসাফা (রা) বলেন, আমি রোযাদার থাকলে তোমাকে হাদীস বর্ণনা করতাম না। অধস্তন রাবী বলেন, আবু কিরসাফা (রা) রোযাদার হওয়ায় আহার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইয়াহইয়া বলেন, চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে কিনানা গোত্রীয় আবু কিরসাফা (রা) ডাকনামের নবী (স)-এর একজন সাহাবী আমাদের ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার পিতার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তিনি তাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল তার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাংলেন। ইবরাহীম (র) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে তার চাদরখানা উপঢৌকন দেন এবং মুসাও রোযা ভাংগেন। ইমাম বুখারী (র) বলেন, আবু কিরসাফা (রা)-র নাম জানদারা ইবনে খায়শানা।
📄 শিশুর জন্মগ্রহণ উপলক্ষে দাওয়াত
٦٠٢-بَابُ الدَّعْوَةِ فِي الْوِلَادَةِ
১২৬৫- عَنْ أَبِي قِرْصَافَةَ الْكِنَانِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ وَكَانَ إِمَامَنَا أَرْبَعِينَ سَنَةً فِي هَذَا الْمَسْجِدِ مَسْجِدِ قَبَاءٍ قَالَ دَعَانِي أَبِي يَوْمًا وَكَانَ صَائِمًا فَأَفْطَرَ وَأَتَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ فَقَالَ لَهُ أَبُو قِرْصَافَةَ أَتُحِبُّ أَنْ أُحَدِّثَكَ حَدِيثًا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ قَالَ نَعَمْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ الْخِتَانُ سُنَّةٌ لِلرِّجَالِ مَكْرُمَةٌ لِلنِّسَاءِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَقُلْتُ لِأَبِي قِرْصَافَةَ أَتُحَدِّثُنِي عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ وَأَنْتَ صَائِمٌ فَقَالَ لِي أَبُو قِرْصَافَةَ لَوْ كُنْتُ صَائِمًا مَا حَدَّثْتُكَ .
১২৬৫। আবু কিরসাফা আল-কিনানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (স)-এর সাহাবী ছিলেন এবং এই মসজিদে অর্থাৎ কুবায় চল্লিশ বছর যাবত আমাদের ইমামতি করেন। তিনি বলেন, একদিন আমার পিতা আমাকে দাওয়াত দিলেন। তিনি রোযাদার ছিলেন, তবুও রোযা ভাঙলেন। ইবরাহীম ইবনে আবু ইবলা (র) তার নিকট আসলেন। আবু কিরসাফা (রা) তাকে বলেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর একটি হাদীস বর্ণনা করবো না? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: খতনা পুরুষদের জন্য সুন্নাত এবং নারীদের জন্য সম্মান। ইবরাহীম (র) বলেন, আমি আবু কিরসাফা (রা)-কে বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাদীস বর্ণনা করছেন, অথচ আপনি রোযাদার? আবু কিরসাফা (রা) বলেন, আমি রোযাদার থাকলে তোমাকে হাদীস বর্ণনা করতাম না। অধস্তন রাবী বলেন, আবু কিরসাফা (রা) রোযাদার হওয়ায় আহার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ইয়াহইয়া বলেন, চল্লিশ বছর যাবত এই মসজিদে কিনানা গোত্রীয় আবু কিরসাফা (রা) ডাকনামের নবী (স)-এর একজন সাহাবী আমাদের ইমামতি করেন। তিনি এক দিন রোযা রাখেন এবং এক দিন বিরতি দেন। আমার পিতার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করলে তিনি তাকে দাওয়াত দেন। সেটি ছিল তার রোযা রাখার দিন। তিনি রোযা ভাংলেন। ইবরাহীম (র) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে তার চাদরখানা উপঢৌকন দেন এবং মুসাও রোযা ভাংগেন। ইমাম বুখারী (র) বলেন, আবু কিরসাফা (রা)-র নাম জানদারা ইবনে খায়শানা।
📄 শিশুকে মিষ্টিমুখ (তাহনীক) করানো
৬০৩-بَابُ تَحْنِيكِ الصَّبِيِّ
১২৬৬- عَنْ أَنَسٍ قَالَ ذَهَبْتُ بِعَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ يَوْمَ وُلِدَ وَالنَّبِيُّ اللهُ فِي عَبَاءَةٍ يَهْنَا بَعِيرًا لَهُ فَقَالَ مَعَكَ تَمَرَاتٌ قُلْتُ نَعَمْ فَنَاوَلَتُهُ تُمَرَاتِ فَلاَكَهُنَّ ثُمَّ فَغَرَنَا الصَّبِيُّ وَأَوْجَرَهُنَّ إِيَّاهُ فَتَلَمُظَ الصَّبِيُّ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ حِبُّ الْأَنْصَارِ التَّمْرُ وَسَمَّاهُ عَبْدَ الله .
১২৬৬। আনাস (রা) বলেন, আবু তালহা (রা)-র পুত্র আবদুল্লাহ যেদিন জন্মগ্রহণ করে সেদিন আমি তাকে নিয়ে নবী (স)-এর নিকট গেলাম। নবী (স) তখন আবা পরিহিত অবস্থায় তাঁর একটি উটের শরীর মালিশ করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন: তোমার সাথে খেজুর আছে কি? আমি বললাম, হাঁ। আমি কয়েকটি খেজুর তাঁকে দিলাম। তিনি সেগুলো তাঁর মুখে ভরে চিবালেন, অতঃপর শিশুর মুখ ফাঁক করে তা তার মুখে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগলো। তখন নবী (স) বলেন: খেজুর হলো আনসারদের প্রিয়। তিনি তার নাম রাখেন আবদুল্লাহ (বু, মু, দা, ই)।