📄 আপনার রাত কেমন কাটলো?
৫৩০-بَابُ كَيْفَ أَصْبَحْتَ
১১৩৯- عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيْدٍ قَالَ لَمَّا أُصِيبَ أَكْحَلُ سَعْدٌ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَنُقِلَ حَوَلُوهُ عِنْدَ امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا رَفِيدَةً وَكَانَتْ تَدَاوَى الْجَرْحَي فَكَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا مَرَّ بِهِ يَقُولُ كَيْفَ أَمْسَيْتَ وَإِذَا أَصْبَحَ كَيْفَ أَصْبَحْتَ فَيُخْبِرُهُ .
১১৩৯। মাহমূদ ইবনে লাবীদ (র) বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সাদ (রা)-র চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাফীদা নাম্নী এক মহিলার নিকট পৌঁছে দেয়া হলো। তিনি আহতের চিকিৎসা করতেন। নবী (স) সকাল-সন্ধ্যায় সাদ (রা)-র নিকট দিয়ে যেতে জিজ্ঞেস করতেন: তোমার দিন কেমন কাটলো, তোমার রাত কেমন কাটলো? তিনি তাঁকে (নিজ অবস্থা) অবহিত করতেন (বুখারীর তারীখ)।
১১৪০- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فِي وَجَعَهِ الَّذِي تُوفَّى فِيْهِ فَقَالَ النَّاسُ يَا أَبَا الْحَسَنِ كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللهِ ﷺ قَالَ أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللهِ بَارِئًا قَالَ فَأَخَذَ عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بِيَدِهِ فَقَالَ أَرَأَيْتُكَ فَأَنْتَ وَاللَّهِ بَعْدَ ثَلاثَ عَبْدُ العَصَا وَإِنِّي وَاللَّهِ لَأَرَى رَسُولَ اللَّهِ ﷺ سَوْفَ يَتَوَفَّى فِي مَرَضِهِ هَذَا إِنِّي أَعْرِفُ وُجُوهٌ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عِنْدَ الْمَوْتِ فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَلَنَسْأَ لَهُ فِيمَنْ هَذَا الْأَمْرُ فَإِنْ كَانَ فِيْنَا عَلِمْنَا ذَلِكَ وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا كَلَّمْنَاهُ فَأَوْصى بنَا فَقَالَ عَلَى انَّا وَاللَّهِ أَنْ سَأَلْنَاهُ فَمَنَعَنَاهَا لَا يُعْطَيْنَاهَا النَّاسُ بَعْدَهُ أَبَدًا وَإِنِّي وَاللَّهِ لَا أَسْأَلُهَا رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَبَداً .
১১৪০। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স)-এর মৃত্যুব্যাধিগ্রস্ত অবস্থায় আলী (রা) তাঁর নিকট থেকে বের হয়ে আসলে লোকজন জিজ্ঞেস করে, হে আবুল হাসান! রাসূলুল্লাহ (স)-এর রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেন, আলহামদু লিল্লাহ! তিনি সুস্থ অবস্থায় রাত কাটিয়েছেন। রাবী বলেন, আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রা) তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করেন, আমি তো দেখছি তুমি তিন দিন পর লাঠির দাস হবে। আল্লাহর শপথ! আমি তো দেখছি তিনি তাঁর এই রোগেই মৃত্যুবরণ করবেন। মৃত্যুর পূর্বে আবদুল মুত্তালিব বংশের লোকের চেহারা কেমন হয়ে যায় তা আমি জানি। অতএব চলো, আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করি তাঁর পরে কে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবে? যদি তা আমাদের মধ্যে থাকে তবে তো আমরা তা জেনে গেলাম। আর যদি তা আমাদের বহির্ভূত লোকদের মধ্যে চলে যায় তবে আমরা তাঁর সাথে কথা বলবো, (যাতে) তিনি আমাদের সম্পর্কে ওসিয়াত করে যান। আলী (রা) বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করি এবং তিনি আমাদেরকে (ঐ পদে সমাসীন হতে) নিষেধ করেন, তবে তাঁর পরে লোকেরা আর কখনো আমাদেরকে ঐ পদ দিবে না। অতএব আল্লাহর শপথ! আমি এই বিষয়ে কখনো রাসূলুল্লাহ (স)-কে জিজ্ঞেস করবো না (বুখারী ৪০৯৪; আহমাদ)।
📄 যে ব্যক্তি পত্রের সমাপ্তিতে আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ লিখে এবং তার সাথে প্রেরকের নাম-ঠিকানা ও পত্র প্রেরণের তারিখও লিখে
৫৩১-بَابُ مَنْ كَتَبَ آخِرَ الْكِتَابِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَكَتَبَ فلانُ بْنُ فُلَانٍ لِعَشْرِ بَقِيْنَ مِنَ الشَّهْرِ
১১৪১- عَنِ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي أَنَّهُ أَخَذَ هَذِهِ الرِّسَالَةَ مِنْ خَارِجَةَ ابْنِ زَيْدٍ وَمِنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدٍ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَإِنِّي أَحْمَدُ الَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّكَ تَسْأَلُنى عَنْ مِيرَاثُ الْجَدَّ وَالْاخْوَة فَذَكَرَ الرِّسَالَةَ وَنَسْأَلُ اللهَ الهُدى والحفظ وَالتَّثَبَّتَ فِي أَمْرِنَا كُلَّهُ وَنَعُوذُ بِاللَّهَ أَنْ نَضِلَّ أَوْ نَجْهَلَ أَوْ نُكَلَّفَ مَا لَيْسَ لَنَا بِعِلْمٍ وَالسَّلَامُ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَمَغْفِرَتُهُ وَكَتَبَ وهُيْبٌ يَوْمَ الْخَمِيسِ لِتَنَتَيْ عَشَرَةَ بَقِيَتْ مِنْ رَمَضَانَ سَنَةَ اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعِينَ .
১১৪১। ইবনে আবুয যিনাদ (র) বলেন, আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নিম্নোক্ত পত্রটি খারিজা ইবনে যায়েদ (র) ও যায়েদ পরিবারের প্রবীণদের নিকট থেকে পেয়েছেন: বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহ্র বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহ্ রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহ্ প্রশংসা করছি, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। অতঃপর আপনি আমাকে দাদা বা নানা ও বোনদের ওয়ারিসী স্বত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন (অতঃপর চিঠির বিষয়বস্তু উক্ত হয়েছে)। আমরা আল্লাহ্র নিকট সৎপথ প্রাপ্তি, সুস্থ স্মরণশক্তি ও আমাদের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে বুঝবার তৌফীক কামনা করি। অপরদিকে আমরা আল্লাহর কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, মূর্খতা প্রসূত আচরণ করা থেকে এবং আমাদের জ্ঞান বহির্ভূত দায়িত্ব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহ্র রহমাত বর্ষিত হোক এবং তিনি আপনাকে ক্ষমা করুন। উহাইব (র) এই পত্রখানা বিয়াল্লিশ হিজরীর রমযান মাসের বারো দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার লিপিবদ্ধ করেন (বা)।
📄 আপনি কেমন আছেন?
৫৩২-باب كايفا انت
১১৪২- عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكَ أَنَّهُ سَمِعَ عُمَارَ بْنِ الْخَطَّابِ وَسَلَّمَ عَلَيْهِ رَجُلٌ فَرَدَّ السَّلَامَ ثُمَّ سَأَلَ عُمَارُ الرَّجُلَ كَيْفَ أَنْتَ فَقَالَ أَحْمَدُ اللَّهِ إِلَيْكَ فَقَالَ عُمَارُ هُدَانَ الَّذِي أَرَدْتُ مِنْكَ .
১১৪২। আনাস ইবনে মালেক (রা) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)-কে এক ব্যক্তি সালাম দিলো। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেমন আছো? সে বললো, আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি। উমার (রা) বলেন, আমি তোমার নিকট এটাই আশা করছিলাম (মা)।
📄 আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?
৫৩৩-باب كايفا يوجيبو اذا قيلا لاهو كايفا اصباحتا
১১৪৩- عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قِيلَ لِلنَّبِيِّ ﷺ كَيْفَ أَصْبَحْتَ قَالَ بِخَيْرٍ مِّنْ قَوْمٍ لَّمْ يَشْهَدُوا جَنَازَةً وَلَا يَعُودُوا مَرِيضًا .
১১৪৩। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (স)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেন: ভালোভাবেই কেটেছে, এমন জনগোষ্ঠীর তুলনায় যারা কোন জানাযায় উপস্থিত হয়নি এবং রুগ্ন ব্যক্তিকেও দেখতে যায়নি (ই ৩৭১০)।
১১৪৪- عَنْ مُهَاجِرٍ وَهُوَ السَّائِقُ قَالَ كُنْتُ أَجْلِسُ إِلَى رَجُلٍ مِّنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ ضَخْمٍ مِّنَ الْحَضْرَمِيِّينَ فَكَانَ إِذَا قِيلَ لَهُ كَيْفَ أَصْبَحْتَ قَالَ لَا نُشْرِكُ بِاللَّهِ .
১১৪৪। মুহাজির (র) বলেন, আমি নবী (স)-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহ্র সাথে শরীক করি না।
১১৪৫- حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ وَهْبٍ قَالَ قَالَ لِي أَبُو الطُّفَيْلِ كَمْ أَتَى عَلَيْكَ قُلْتُ أَنَا ابْنُ ثَلَاثٍ وَثَلَاثِينَ قَالَ أَفَلَا أُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ إِنَّ رَجُلاً مِّنْ مُحَارِبِ خَصَفَةَ يُقَالُ لَهُ عَمْرُو بْنُ سُلَيْعٍ وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ وَكَانَ بِسِنِّي يَوْمَئِذٍ وَأَنَا بِسِنِّكَ الْيَوْمَ أَتَيْنَا حُذَيْفَةَ فِي مَسْجِدٍ فَقَعَدْتُ فِي آخِرِ الْقَوْمِ فَانْطَلَقَ عَمْرُو حَتَّى قَامَ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ كَيْفَ أَصْبَحْتَ أَوْ كَيْفَ أَمْسَيْتَ يَا عَبْدَ اللَّهِ قَالَ أَحْمَدُ اللَّهَ قَالَ مَا هَذِهِ الْأَحَادِيثُ الَّتِي تَأْتِينَا عَنْكَ قَالَ وَمَا بَلَغَكَ عَنِّي يَا عَمْرُو قَالَ أَحَادِيثَ لَمْ أَسْمَعْهَا قَالَ إِنِّي وَاللَّهِ لَوْ أُحَدِّثُكُمْ بِمَا أَسْمَعُ مَا انْتَظَرْتُمْ بِي جَنَحَ هَذَا اللَّيْلِ وَلَكِنْ يَا عَمْرُو بْنُ صُلَيْعٍ إِذَا رَأَيْتَ قَيْسًا تَوَالَتْ بِالشَّامِ فَالْحَذَرُ الْحَذَرُ فَوَاللَّهِ لَا تَدَعُ قَيْسٌ عَبْدًا لِلَّهِ مُؤْمِنًا إِلَّا أَخَافَتْهُ أَوْ قَتَلَتْهُ وَاللَّهِ لَيَأْتِيَنَّ عَلَيْهِمْ زَمَانٌ لَا يَمْنَعُونَ فِيهِ ذَنَبَ تَلْعَةٍ قَالَ مَا نَصْرُكَ عَلَى قَوْمِكَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ قَالَ ذَلِكَ إِلَى ثُمَّ قَعَدَ .
১১৪৫। সাইফ ইবনে ওয়াহ্হাব (র) বলেন, আবু তুফাইল (রা) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার বয়স কতো? আমি বললাম, তেত্রিশ বছর। তিনি বলেন, আমি কি তোমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করবো না, যা আমি হুযায়ফা (রা)-এর নিকট শুনেছি? আমর ইবনে সুলাই (রা) নামক মুহারিব খাসফার এক ব্যক্তি, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং যিনি ছিলেন তখন আমার বয়সী এবং আমি ছিলাম তোমার বয়সী। আমরা এক মসজিদে হুযায়ফা (রা)- নিকট আসলাম। আমি সমাবেশের একেবারে শেষ প্রান্তে বসলাম। আমর (রা) উঠে গিয়ে হুযায়ফা (রা)-র সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনার রাত কেমন কেটেছে বা আপনার দিন কেমন কেটেছে? তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্ প্রশংসা করি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এসব কি কথা যা আপনার বরাতে আমাদের নিকট পৌঁছে? হুযায়ফা (রা) বলেন, হে আমর! আমার বরাতে তোমার নিকট কি পৌঁছেছে? তিনি বলেন, এমন কতক হাদীস যা আমি কখনো শুনিনি। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি যদি তোমার নিকট সেইসব হাদীস বর্ণনা করি যা আমি শুনি, তাহলে তোমরা এই রাতের কিয়দংশ-ও তুমি আমার সাথে অপেক্ষা করবে না। কিন্তু হে আমর ইবনে সুলাই! যখন তুমি দেখবে যে, কায়েস গোত্র সিরিয়ার কর্তৃত্ব লাভ করেছে তখন সাবধান, আত্মরক্ষা করো। আল্লাহ্ শপথ! কায়েস গোত্র আল্লাহ্ কোনও মুমিন বান্দাকে ভীত-সন্ত্রস্ত অথবা হত্যা না করে ক্ষান্ত হবে না। আল্লাহর শপথ! তাদের সামনে এমন এক যুগ আসবে যখন তারা যে কোন গুনাহের কাজ না করে ছাড়বে না। আমর (রা) বলেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন, আপনি আপনার জনগোষ্ঠীকে কিভাবে বশীভূত করবেন? তিনি বলেন, এটা তো আমারও দুশ্চিন্তার বিষয়। আতঃপর তিনি বসে পড়লেন (হা)।