📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 অতঃপর

📄 অতঃপর


৫২৭-بَابُ أَمَّا بَعْدُ
১১৩০- عَنْ زَيْدِ ابْنِ أَسْلَمَ قَالَ أَرْسَلَنِي أَبِي إِلَى ابْنِ عُمَرَ فَرَأَيْتُهُ يَكْتُبُ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ أَمَّا بَعْدُ .
১১৩০। যায়েদ ইবনে আসলাম (র) বলেন, "আমার পিতা আমাকে (আমার দাদা) ইবনে উমার (রা)-র নিকট পাঠান। আমি তাকে লিখতে দেখলাম, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। অতঃপর.... (বু, মা)।
১১৩১- عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ قَالَ رَأَيْتُ رَسَائِلَ مِنْ رَسَائِلِ النَّبِيِّ ﷺ كُلَّمَا انْقَضَتْ قصَّةٌ قَالَ أَمَّا بَعْدُ
১৯৩১। হিশাম ইবনে উরওয়া (র) বলেন, আমি নবী (স)-এর কতগুলো চিঠি দেখলাম। যেখানেই কোন বক্তব্য শেষ হয়েছে সেখানে তিনি বলেছেন: অতঃপর।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 চিঠিপত্রের শিরোনামে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম

📄 চিঠিপত্রের শিরোনামে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম


৫২৮-بَابُ صَدْرِ الرَّسَائِلِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
১১৩২- عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ أَمَّا بَعْدُ .
১১৩২। যায়েদ (রা)-র পরিবারের প্রবীণদের সূত্রে বর্ণিত। যায়েদ ইবনে সাবিত (রা) নিম্নোক্ত চিঠি লিখেন: বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহ্র বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম এবং আল্লাহর রহমাত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহ্র প্রশংসা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই। অতঃপর..... (বা)।
১১৩৩- حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْجُرَيْرِيُّ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ الْحَسَنَ عَنْ قِرَاءَةِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ قَالَ تِلْكَ صُدُورُ الرَّسَائِلِ .
১১৩৩। আবু মাসউদ আল-জু রায়রী (র) বলেন, এক ব্যক্তি হাসান বসরী (র)-এর নিকট বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, তা চিঠিপত্রের শিরোনাম।

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 চিঠির সূচনায় যা লিখবে

📄 চিঠির সূচনায় যা লিখবে


৫২৯-بَابُ صَدْرِ الْكِتَابِ
১১৩৪- عَنْ نَافِعٍ قَالَ أَرَادَ ابْنُ عُمَرَ أَنْ يَكْتُبَ إِلَى مُعَاوِيَةَ فِي حَاجَةٍ لَهُ فَقَالَ لَهُ النَّاسُ ابْدَأْ بِاسْمِكَ فَكَانُوا يَقُولُونَ ذَلِكَ فَكَتَبَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ إِلَى مُعَاوِيَةَ .
১১৩৪- নাফে (র) বলেন, মুআবিয়া (রা)-র নিকট ইবনে উমার (রা)-র একটি প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি তাকে চিঠি লিখতে মনস্থ করলেন। লোকজন বললো, শুরুতে তার নাম লিখুন এবং তারা একথাই বলতে থাকলো। তিনি লিখেন, বিসমillahir রহমানির রাহীম, মুআবিয়াকে।
১১৩৫- عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ كُتُبَ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ اكْتُبْ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ إِلَى فُلانٍ .
১১৩৫। আনাস ইবনে সীরীন (র) বলেন, আমি ইবনে উমার (রা)-র চিঠি লিখে দিতাম। তিনি বলেন, তুমি লিখো : বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, অতঃপর অমুককে।
১১৩৬- عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كَتَبَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عُمَرَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ إِلَى فُلانٍ فَنَهَاهُ ابْنُ عُمَرَ عَنْ ذَلِكَ وَقَالَ قُلْ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا إِلَيْهِ .
১১৩৬। আনাস ইবনে সীরীন (R) বলেন, এক ব্যক্তি ইবনে উমার (রা)-র সামনে চিঠি লিখলো, বিসমিল্লাহির রাহmanir রাহীম, অমুককে। ইবনে উমার (রা) তাকে এভাবে লিখতে নিষেধ করেন এবং বলেন, বলো, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, এটি তাকে লিখিত।
১১৩৭- عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةَ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ لِعَبْدِ اللَّهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللَّهِ فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ أَمَّا بَعْدُ .
১১৩৭। যায়েদ (রা)-র পরিবারের প্রবীণদের থেকে বর্ণিত। যায়েদ ইবনে সাবিত (রা) এই চিঠি লিখেন: যায়েদ ইবনে সাবিতের তরফ থেকে আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহ্ রহমাত কামনা করি। আমি আপনার সমীপে আল্লাহ্র প্রশংসা করি, যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, অতঃপর (বা)।
১১৩৮- عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ إِنَّ رَجُلاً مِّنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ ... ثُمَّ ذَكَرَ الْحَدِيثَ وَقَالَ كَتَبَ إِلَيْهِ فُلانٌ إِلَى فُلانٍ .
১১৩৮। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, বনী ইসরাইলের এক ব্যক্তি...তারপর হাদীস উল্লেখ করেন এবং বলেন, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কাছে লিখল, "অমুকের পক্ষ থেকে অমুকের প্রতি।"

📘 আল আদাবুল মুফরাদ > 📄 আপনার রাত কেমন কাটলো?

📄 আপনার রাত কেমন কাটলো?


৫৩০-بَابُ كَيْفَ أَصْبَحْتَ
১১৩৯- عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيْدٍ قَالَ لَمَّا أُصِيبَ أَكْحَلُ سَعْدٌ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَنُقِلَ حَوَلُوهُ عِنْدَ امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا رَفِيدَةً وَكَانَتْ تَدَاوَى الْجَرْحَي فَكَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا مَرَّ بِهِ يَقُولُ كَيْفَ أَمْسَيْتَ وَإِذَا أَصْبَحَ كَيْفَ أَصْبَحْتَ فَيُخْبِرُهُ .
১১৩৯। মাহমূদ ইবনে লাবীদ (র) বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সাদ (রা)-র চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাফীদা নাম্নী এক মহিলার নিকট পৌঁছে দেয়া হলো। তিনি আহতের চিকিৎসা করতেন। নবী (স) সকাল-সন্ধ্যায় সাদ (রা)-র নিকট দিয়ে যেতে জিজ্ঞেস করতেন: তোমার দিন কেমন কাটলো, তোমার রাত কেমন কাটলো? তিনি তাঁকে (নিজ অবস্থা) অবহিত করতেন (বুখারীর তারীখ)।
১১৪০- عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فِي وَجَعَهِ الَّذِي تُوفَّى فِيْهِ فَقَالَ النَّاسُ يَا أَبَا الْحَسَنِ كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللهِ ﷺ قَالَ أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللهِ بَارِئًا قَالَ فَأَخَذَ عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بِيَدِهِ فَقَالَ أَرَأَيْتُكَ فَأَنْتَ وَاللَّهِ بَعْدَ ثَلاثَ عَبْدُ العَصَا وَإِنِّي وَاللَّهِ لَأَرَى رَسُولَ اللَّهِ ﷺ سَوْفَ يَتَوَفَّى فِي مَرَضِهِ هَذَا إِنِّي أَعْرِفُ وُجُوهٌ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عِنْدَ الْمَوْتِ فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَلَنَسْأَ لَهُ فِيمَنْ هَذَا الْأَمْرُ فَإِنْ كَانَ فِيْنَا عَلِمْنَا ذَلِكَ وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا كَلَّمْنَاهُ فَأَوْصى بنَا فَقَالَ عَلَى انَّا وَاللَّهِ أَنْ سَأَلْنَاهُ فَمَنَعَنَاهَا لَا يُعْطَيْنَاهَا النَّاسُ بَعْدَهُ أَبَدًا وَإِنِّي وَاللَّهِ لَا أَسْأَلُهَا رَسُولَ اللَّهِ ﷺ أَبَداً .
১১৪০। ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স)-এর মৃত্যুব্যাধিগ্রস্ত অবস্থায় আলী (রা) তাঁর নিকট থেকে বের হয়ে আসলে লোকজন জিজ্ঞেস করে, হে আবুল হাসান! রাসূলুল্লাহ (স)-এর রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেন, আলহামদু লিল্লাহ! তিনি সুস্থ অবস্থায় রাত কাটিয়েছেন। রাবী বলেন, আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রা) তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করেন, আমি তো দেখছি তুমি তিন দিন পর লাঠির দাস হবে। আল্লাহর শপথ! আমি তো দেখছি তিনি তাঁর এই রোগেই মৃত্যুবরণ করবেন। মৃত্যুর পূর্বে আবদুল মুত্তালিব বংশের লোকের চেহারা কেমন হয়ে যায় তা আমি জানি। অতএব চলো, আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট যাই এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করি তাঁর পরে কে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবে? যদি তা আমাদের মধ্যে থাকে তবে তো আমরা তা জেনে গেলাম। আর যদি তা আমাদের বহির্ভূত লোকদের মধ্যে চলে যায় তবে আমরা তাঁর সাথে কথা বলবো, (যাতে) তিনি আমাদের সম্পর্কে ওসিয়াত করে যান। আলী (রা) বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করি এবং তিনি আমাদেরকে (ঐ পদে সমাসীন হতে) নিষেধ করেন, তবে তাঁর পরে লোকেরা আর কখনো আমাদেরকে ঐ পদ দিবে না। অতএব আল্লাহর শপথ! আমি এই বিষয়ে কখনো রাসূলুল্লাহ (স)-কে জিজ্ঞেস করবো না (বুখারী ৪০৯৪; আহমাদ)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00